হাবিবুর রহমান (পণ্ডিত)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মুজাহিদে মিল্লাত, মাওলানা

প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান

রহমাতুল্লাহি আলাইহি
Principle Habibur Rahman.jpg
প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান
আমীর, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস[১]
অফিসে
৮ আগস্ট ২০১২ – ১৯ অক্টোবর ২০১৮
পূর্বসূরীআজিজুল হক
উত্তরসূরীইসমাইল নূরপুরী
অধ্যক্ষ, জামেয়া মাদানিয়া কাজির বাজার মাদ্রাসা
অফিসে
৫ জুন ১৯৭৪ – ১৯ অক্টোবর ২০১৮
উত্তরসূরীসামীউর রহমান মুসা
ব্যক্তিগত
জন্ম১৯৪৯
মৃত্যু১৯ অক্টোবর ২০১৮(2018-10-19) (বয়স ৬৮–৬৯)
ইবনে সিনা হাসপাতাল, সিলেট
সমাধিস্থলকাজির বাজার মাদ্রাসা
ধর্মইসলাম
জাতীয়তাবাংলাদেশি
সন্তান
  • মুসা বিন হাবিব
  • ইউসুফ বিন হাবিব
  • তারেক বিন হাবিব
  • তায়েফ বিন হাবিব
পিতামাতা
  • মাহমুদ আলী (পিতা)
  • আছিয়া খাতুন (মাতা)
জাতিসত্তাবাঙালি
যুগআধুনিক
আখ্যাসুন্নি
ব্যবহারশাস্ত্রহানাফি
আন্দোলনদেওবন্দি
প্রধান আগ্রহহাদিস, ফিকহ, লেখালেখি, তাসাউফ, রাজনীতি, ইসলামি আন্দোলন, শিক্ষা সংস্কার
উল্লেখযোগ্য কাজ
যেখানের শিক্ষার্থী
মুসলিম নেতা

হাবিবুর রহমান (যিনি প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান নামে অধিক পরিচিত) (১৯৪৯[ক] — ১৯ অক্টোবর ২০১৮) ছিলেন একজন বাংলাদেশি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত, রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, সংগঠক ও সমাজ সংস্কারক। তিনি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর ও জামেয়া মাদানিয়া কাজির বাজার মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি বাংলাদেশে ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সারাজীবন কাজ করে গেছেন এবং তসলিমা নাসরিন বিরোধী আন্দোলন সহ বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

জন্ম ও বংশ[সম্পাদনা]

হাবিবুর রহমান ১৯৪৯ সালে [খ] সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের ঘনশ্যাম গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা মাহমুদ আলী সিলেটের হাওয়াপাড়া জামে মসজিদের ইমাম ও খতীব এবং জমিয়ত উলামায়ে হিন্দের নেতা ছিলেন। তার মাতার নাম আছিয়া খাতুন।[২][৩][৪]

শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

তিনি ফুলবাড়ী ইউনিয়নের বইটিকর প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। এরপর কিছুদিন রুস্তমপুর কওমি মাদ্রাসায় পড়ার পর ফুলবাড়ী আলিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন। ১৯৭০ সালে ফুলবাড়ি আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ফাযিল পাশ করেন। ১৯৭৩ সালে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা থেকে কামিল পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন।[৫][৬]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৭৩ সালে কাজির বাজার পেয়াজ হাটা মসজিদের ইমাম ও খতীব হিসেবে তিনি কর্মজীবনে সূচনা করেন। ১৯৭৪ সালের ৫ জুন আব্দুল করিমের পরামর্শে তিনি সুরমা নদীর তীরে দারুল উলুম দেওবন্দের আদলে জামেয়া মাদানিয়া কাজির বাজার মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তার প্রতিষ্টিত মাদ্রাসার শিক্ষা পদ্ধতিতে মাদ্রাসার মূল সিলেবাসের পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে সিলেবাস প্রণয়ন করে কওমি শিক্ষার ক্ষেত্রে যুগপথ পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেন। আমৃত্যু তিনি এই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।[৪]

রাজনীতি[সম্পাদনা]

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশে যোগদানের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ পর্যন্ত পাঁচ বছর তিনি সিলেট জেলা জমিয়তের মহাসচিব ছিলেন। পরে তিনি মোহাম্মদ উল্লাহ হাফেজ্জীর প্রতিষ্ঠিত খেলাফত আন্দোলনে যোগ দেন। ১৯৮২ সালে মোহাম্মদ উল্লাহ হাফেজ্জীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার সফরসঙ্গী হিসেবে তিনি দেশব্যাপী প্রচারণা চালান। ১৯৯৪ সালে তসলিমা নাসরিনের বিরুদ্ধে তিনি আন্দোলনের ডাক দেন এবং সাহাবা সৈনিক পরিষদ গঠন করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সমাবেশের আয়োজন করেন। পরবর্তীতে তীব্র আন্দোলনের মুখে তসলিমা নাসরিন দেশ ত্যাগে বাধ্য হয়েছিল। খেলাফত আন্দোলন ভেঙ্গে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রতিষ্ঠা হলে তিনি তাতে যোগ দেন এবং আজিজুল হকের সংস্পর্শে আসেন। ২০১২ সালে আজিজুল হক মৃত্যুবরণ করার পর তিনি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর নিযুক্ত হন। কওমি সনদের সরকারি স্বীকৃতি আদায়ের আন্দোলনে তিনি আজিজুল হকের সাথে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।[১][৪][৭]

তিনি আব্দুল লতিফ চৌধুরী ফুলতলীকে সভাপতি ও নিজে সাধারণ সম্পাদক হয়ে ইসলামি ঐক্য পরিষদ গঠন করেছিলেন। ১৯৯৩ সালের ১৩ আগস্ট এই পরিষদের উদ্যোগে সিলেটে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।[৮]

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের চেষ্টা করা হলে তিনি বিএনপি, জাতীয় পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, জমিয়ত সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করেছিলেন।[৮]

অবদান[সম্পাদনা]

তিনি আলিয়া মাদ্রাসায় লেখাপড়া করলেও সারাজীবন দেওবন্দি মতাদর্শের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য :[৯]

  • কওমি মাদ্রাসা প্রধানের উপাধি “মুহতামিম” শব্দের পাশাপাশি প্রিন্সিপাল শব্দের প্রচলন করেন।
  • সিলেটে সর্বপ্রথম তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলনের ধারা শুরু হয়।
  • বাংলা, ইংরেজি ও কারিগরি শিক্ষার সমন্বয়ে তিনি কওমি মাদ্রাসার সিলেবাস প্রণয়ন করেছিলেন।
  • মাদ্রাসা ছাত্রদের পড়ালেখার পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করেছিলেন।
  • বাংলা ভাষায় মাসিক আনোয়ারে মদীনা প্রকাশ করেছিলেন।
  • জমিয়তে তালাবার পরিবর্তে জামেয়া ছাত্র সংসদ প্রতিষ্ঠা করেন এবং ছাত্র সংসদের জিএস ও এজিএস পদবি সৃষ্টি করেন।[গ]
  • মিডিয়ায় প্রামাণ্য চিত্র সহ সংবাদ প্রচার।
  • মাদ্রাসার ছাত্রদের জাতীয় দিবস উদযাপন।
  • জামেয়া মাদানিয়া কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠা।
  • আর্তমানবতার সেবায় জামেয়ার তত্ত্বাবধানে সেবা সংস্থা "মারকাজুল খায়রী" প্রতিষ্ঠা।
  • ছাত্রদের ফ্রি মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ।
  • কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠা।
  • জামেয়ার তত্বাবধানে কুরআন প্রশিক্ষণ বোর্ড গঠন।
  • প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ গঠন।
  • আসহাবে বদর ফান্ড গঠন ইত্যাদি।

তিনি সারাজীবন ইসলামি সমাজ বিনির্মানে কাজ করে গেছেন এবং এ সংক্রান্ত আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য :[১০]

  • ১৯৭৭ সালে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য চল্লিশ দিনব্যাপী জুয়া ও নাচগানের অনুষ্ঠানকে প্রতিহত করেন।
  • ১৯৮১ সালে সিলেট এম সি কলেজের অধ্যাপক সরদার আলা উদ্দিন ইসলাম নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করলে তার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবীতে তীব্র গণআন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদান করেন, আলা উদ্দিন দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছিল।
  • রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষা করার জন্য ও দিনের বেলা হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখার দাবীতে ১৯৮৯ সালে জালালাবাদ ইসলাম সমিতির উদ্যোগে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেন, প্রশাসন দাবী মেনে নিয়েছিল।
  • তসলিমা নাসরিন বিরোধী আন্দোলনে কাজির বাজার মাদ্রাসার ১৮ জন ছাত্র-শিক্ষককে গ্রেফতার করা হলে, তাদের মুক্তির দাবীতে তীব্র আন্দোলন শুরু করেন, প্রশাসন একমাসের মাথায় তাদের মুক্তি দিয়েছিল।
  • শামসুর রাহমান আজানের ধ্বনিকে বেশ্যা-নর্তকীদের আওয়াজের সাথে তুলনা করার পর ১৯৯৫ সালের ১৯ এপ্রিল শামসুর রহমানকে সিলেটে সংবর্ধনা প্রদানের প্রস্ততি গ্রহণ করা হলে তার নেতৃত্বে তা প্রতিহিত করা হয়। সিলেটে এদিন সর্বাত্মক হরতাল পালিত হয়েছিল।
  • ১৯৯৭ সালে আহমদ শরীফ ইসলাম নিয়ে কটূক্তি করলে তিনি সিলেটে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেন, যা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।
  • ১৯৮৯ সালে সিলেটের আখালিয়ায় বিডিআর ক্যাম্পে বাসযাত্রীদের নির্যাতনের প্রতিবাদে সর্বদলীয় আন্দোলনের তিনি শীর্ষ নেতা ছিলেন।
  • সিলেট বিভাগ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নব্বই দশকের শুরুতে তার নেতৃত্বে বৃহত্তর সিলেট উন্নয়ন ও বিভাগ আন্দোলন জোড়ালো ভূমিকা পালন করে।
  • শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি হলের নাম কয়েকজন ইসলাম বিদ্বেষীর নামে নামকরণের চেষ্টা হলে ১৯৯৯—২০০০ সালে এর প্রতিবাদে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেন, কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়।
  • ২০১৩ সালে শাবিপ্রবির গেইটে ভাস্কর্য নির্মাণের চেষ্টা প্রতিহত করেন।
  • ২০১১সালের ২৯ ডিসেম্বর ভারত কর্তৃক টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে সিলেট হতে জকীগঞ্জ পর্যন্ত গণপদযাত্রায় নেতৃত্ব প্রদান করেন ইত্যাদি।

সম্মাননা[সম্পাদনা]

“শিক্ষা ও নেতৃত্বে” কৃতিত্বের কারণে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে লন্ডনের ক্রাউন প্লাজায় এক সম্মেলনে তিনি আন্তর্জাতিক “এ্যানুয়াল কমিউনিটি লিডারশিপ” পুরস্কার লাভ করেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

তাসাউফ[সম্পাদনা]

তিনি শায়খে কৌড়িয়া খ্যাত আব্দুল করিমের সাথে আধ্যাত্মিক সম্পর্ক রাখতেন এবং হুসাইন আহমদ মাদানির শিষ্য আব্দুল জলীল বদরপুরীর খেলাফত পেয়েছিলেন।[১১]

পরিবার[সম্পাদনা]

পারিবারিক জীবনে তিনি চার ছেলে ও তিন মেয়ের জনক। তার বড় ছেলে সামীউর রহমান মুসা একজন ইসলামি পণ্ডিত ও জামিয়া মাদানিয়া কাজির বাজার মাদ্রাসার বর্তমান অধ্যক্ষ।[১২]

প্রকাশনা[সম্পাদনা]

তিনি ২০টি বই রচনা করেছিলেন। তার মধ্যে রয়েছে:[১১]

  • বিশ্বনবীর ডায়েরী
  • আফগান রণাঙ্গনে কয়েকদিন
  • কুরআন ও হাদিসের আলোকে শবে বরাত ইত্যাদি

মৃত্যু[সম্পাদনা]

হাবিবুর রহমানের কবর

তিনি ২০১৮ সালের ১৯ অক্টোবর বার্ধক্যজনিত রোগে সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। বিকেলে সিলেট সরকারী আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ২য় ছেলে ইউসুফের ইমামতিতে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এটিকে বাংলাদেশের স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জানাজা সমূহের মধ্যে একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। জানাজা শেষে তাকে তার প্রতিষ্ঠিত কাজির বাজার মাদ্রাসা সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।[১৩][১৪]

উত্তরাধিকার[সম্পাদনা]

তার জীবদ্দশায় শাহ মমশাদ আহমদ কর্তৃক “দীপ্ত জীবন” নামে তার একটি জীবনী গ্রন্থ সংকলিত হয়।[৯] তার স্বরণে প্রতিষ্ঠিত সংগঠন সমূহের মধ্যে ‘প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান রাহ. প্রজন্ম’ অন্যতম।[১৫]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

  1. শায়খ তাজুল ইসলামের মতে ৮ জুলাই ১৯৫৩, কারো মতে ১৯৪৫।
  2. শায়খ তাজুল ইসলামের মতে ৮ জুলাই ১৯৫৩, কারো মতে ১৯৪৫।
  3. সাধারণত মাদ্রাসায় ছাত্র নাজিম বলা হত।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. মানিক, জুলফিকার আলী (৭ এপ্রিল ২০১৩)। "লক্ষ্য তালেবানী শাসন!"ডেইলি স্টার 
  2. রুহুল আমীন নগরী, মুহাম্মদ (২০ অক্টোবর ২০১৯)। "প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবীবুর রহমান: একটি বিপ্লবী কন্ঠ"দৈনিক জালালাবাদ। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২১ 
  3. "চলে গেলেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান"একুশে টেলিভিশন। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১৯ 
  4. আব্দুল হামিদ, মুহাম্মদ (৮ নভেম্বর ২০১৮)। "প্রিন্সিপ্যাল মাওলানা হাবিবুর রহমান রহ. এর বর্ণাঢ্য জীবন"কওমিপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১৯ 
  5. মাযহারুল ইসলাম ওসমান কাসেমী, মুফতী (২০১৫)। (ইসলামি চিন্তাবিদ ও রাজনীতিবিদ মাওলানা হাবিবুর রহমান রহ.)বিখ্যাত ১০০ ওলামা-মাশায়েখের ছাত্রজীবন (৩য় সংস্করণ)। ইসলামী টাওয়ার, বাংলাবাজার, ঢাকা ১১০০: বাড কম্প্রিন্ট এন্ড পাবলিকেশন্স। পৃষ্ঠা ৩৩৫—৩৪০। আইএসবিএন 98483916605 
  6. তাপাদার, আব্দুল কাদের (১৯ অক্টোবর ২০১৮)। "এক সিংহপুরুষের চিরবিদায়"দ্যা সানরাইজ টুডে। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১৯ 
  7. "প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবিবুর রহমানের ইন্তেকাল"জাগোনিউজ২৪.কম। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১৯ 
  8. নগরী, রুহুল আমীন (২২ অক্টোবর ২০১৮)। "প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমান: একটি বিপ্লবী কন্ঠের চির বিদায়"দ্যা সানরাইজ টুডে। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১৯ 
  9. আহমদ, শাহ মমশাদ (২০০২)। দীপ্ত জীবন: (প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমানের জীবন ও কর্ম)। কাজির বাজার, সিলেট। 
  10. আহমদ, শাহ মমশাদ (১৯ অক্টোবর ২০২০)। "মুজাহিদে মিল্লাত প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান (রহঃ), এক নজরে আন্দোলন ও সংগ্রাম"বিজয়বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১৯ 
  11. "প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন"দ্যা সানরাইজ টুডে। ১৯ অক্টোবর ২০১৮। 
  12. আমীন, ফয়সাল। "ধর্মদ্রোহী, দেশবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে রাজপথের এক সিংহপুরুষের ইন্তেকাল"দৈনিক ইনকিলাব। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১৯ 
  13. "সিলেটে মাওলানা হাবিবুর রহমানের জানাজায় জনতার ঢল"যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১৯ 
  14. "মাওলানা হাবিবুর রহমানের ইন্তেকাল জানাজায় মানুষের ঢল"মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১৯ 
  15. "ভারতে মুসলিম হত্যার প্রতিবাদে সিলেটে বিক্ষোভ"মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১৯ 

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]