শহীদুল ইসলাম (রাজনীতিবিদ)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মুফতি

শহীদুল ইসলাম
নড়াইল-২ আসনের
সংসদ সদস্য
পূর্বসূরীশেখ হাসিনা
উত্তরসূরীএসকে আবু বকর
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1960-03-15) ১৫ মার্চ ১৯৬০ (বয়স ৬১)
ঝিলটুলী, ফরিদপুর, পূর্ব পাকিস্তান
(বর্তমান বাংলাদেশ)
নাগরিকত্বপাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে)
বাংলাদেশ
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (২০০১-২০০৯)
বাংলাদেশ গণসেবা আন্দোলন
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
ইসলামী ঐক্যজোট
সন্তানদুই পুত্র ও চার কন্যা
মুফতি তালহা ইসলাম
হামজা ইসলাম
প্রাক্তন শিক্ষার্থীনিউটাউন মাদ্রাসা, করাচী, পাকিস্তান
পেশারাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবা

মুফতি শহীদুল ইসলাম একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও নড়াইল-২ আসনের সাবেক সাংসদ। তিনি ২০০২ সালের উপনির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির ছিলেন। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ গণসেবা আন্দোলন নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন তিনি।[১][২]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

মুফতি শহীদুল ইসলাম ১৫ মার্চ ১৯৬০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) ফরিদপুরের ঝিলটুলী এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। পৈত্রিক নিবাস নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলায়। তার পিতা শামসুল হক সরদার। শহীদুল পাকিস্তানের করাচীর নিউটাউন মাদ্রাসা থেকে ১৯৮৮ সালে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জনের পর মুফতী (ইসলামি আইনশাস্ত্রের পণ্ডিত) ডিগ্রি লাভ করেন।

রাজনৈতিক ও কর্মজীবন[সম্পাদনা]

মুফতি শহীদুল ইসলাম ১৯৮৮ সালে তিনি আল মারকাজুল ইসলামী প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি এ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ গণসেবা আন্দোলন নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। তিনি এ দলের চেয়ারম্যান। এর আগে তিনি ইসলামী ঐক্যজোটের মজলিমে শূরার সদস্য ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির ছিলেন।[১]

২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসনে শেখ হাসিনার কাছে ৪ হাজার ২৩৩ ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। শেখ হাসিনা আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে শহীদুল বিজয়ী হন।[২][৩][৪]

পারিবারিক জীবন[সম্পাদনা]

মুফতি শহীদুল ইসলাম ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। তিনি দুই পুত্র ও চার কন্যার জনক।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "মুফতি শহীদের নেতৃত্বে 'গণসেবা আন্দোলন' নামে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ"The Daily Sangram। ২০১৭-০৮-১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-০৭ 
  2. "৮ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (PDF)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  3. "মাশরাফির বিরুদ্ধে লড়বেন মুফতি শহিদুল ইসলাম"our Islam (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৮-১১-২৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-০৭ 
  4. "৩০ ডিসেম্বরের ম্যাচে মাশরাফির প্রতিদ্বন্দ্বী এক ডজন"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-০৭