বিষয়বস্তুতে চলুন

ফিলিপাইন জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ফিলিপাইন
ডাকনামআজকাল
অ্যাসোসিয়েশনফিলিপাইন ফুটবল ফেডারেশন
কনফেডারেশনএএফসি (এশিয়া)
প্রধান কোচখালি
অধিনায়কস্টেফান শ্রোক
সর্বাধিক ম্যাচফিল ইয়াঙ্গাসব্যান্ড (১০৮)
শীর্ষ গোলদাতাফিল ইয়াঙ্গাসব্যান্ড (৫২)
মাঠপানাদ স্টেডিয়াম
ফিফা কোডPHI
ওয়েবসাইটpff.org.ph
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১৪০ অপরিবর্তিত (২১ ডিসেম্বর ২০২৩)[]
সর্বোচ্চ১১১ (মে ২০১৮)
সর্বনিম্ন১৯৫ (সেপ্টেম্বর–অক্টোবর ২০০৬)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১৮৩ বৃদ্ধি ১ (১২ জানুয়ারি ২০২৪)[]
সর্বোচ্চ১৩৬ (জুন ২০১৫)
সর্বনিম্ন২১৮ (জানুয়ারি ২০০০, ডিসেম্বর ২০০২, নভেম্বর ২০০৬)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 ফিলিপাইন ২–১ চীন 
(ম্যানিলা, ফিলিপাইন; ১ ফেব্রুয়ারি ১৯১৩)
বৃহত্তম জয়
 জাপান ২–১৫ ফিলিপাইন 
(টোকিও, জাপান; ১০ মে ১৯১৭)[]
বৃহত্তম পরাজয়
 জাপান ১৫–০ ফিলিপাইন 
(টোকিও, জাপান; ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৬৭)
এএফসি এশিয়ান কাপ
অংশগ্রহণ১ (২০১৯-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যগ্রুপ পর্ব (২০১৯)
এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপ
অংশগ্রহণ৩ (২০০৬-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যরানার-আপ (২০১৪)
এএফএফ চ্যাম্পিয়নশিপ
অংশগ্রহণ১১ (১৯৯৬-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যসেমি-ফাইনাল (২০১০, ২০১২, ২০১৪, ২০১৮)

ফিলিপাইন জাতীয় ফুটবল দল (তাগালগ: Pambansang koponan ng futbol ng Pilipinas) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিলিপাইনের প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম ফিলিপাইনের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিলিপাইন ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯৩০ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং ১৯৫৪ সাল হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের সদস্য হিসেবে রয়েছে। ১৯১৩ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি তারিখে, ফিলিপাইন প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে ফিলিপাইন চীনকে ২–১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে।

২০,০০০ ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট পানাদ স্টেডিয়ামে আজকাল নামে পরিচিত এই দলটি তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় ফিলিপাইনের পাসিগে অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন ইউনাইটেড সিটির মধ্যমাঠের খেলোয়াড় স্টেফান শ্রোক

ফিলিপাইন এপর্যন্ত একবারও ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। অন্যদিকে, এএফসি এশিয়ান কাপে ফিলিপাইন এপর্যন্ত মাত্র ১ বার অংশগ্রহণ করেছে, যেখানে তারা শুধুমাত্র গ্রুপ পর্বে অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছে। এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে ফিলিপাইন এপর্যন্ত ৩ বার অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে সেরা সাফল্য হচ্ছে ২০১৪ এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপের ফাইনালে পৌঁছানো, যেখানে তারা ফিলিস্তিনের কাছে ১–০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। এছাড়াও, এএফএফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফিলিপাইনের সেরা সাফল্য হচ্ছে ২০১০, ২০১২, ২০১৪, এবং ২০১৮ এএফএফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমি-ফাইনালে পৌঁছানো।

ফিল ইয়াঙ্গাসব্যান্ড, জেমস ইয়াঙ্গাসব্যান্ড, এমেলিও কামিগদং, আনহেল গুইরাদো এবং স্টেফান শ্রোকের মতো খেলোয়াড়গণ ফিলিপাইনের জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।

র‌্যাঙ্কিং

[সম্পাদনা]
২০১৯ সালে ফিলিপাইন ফুটবল দল

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে, ২০১৮ সালের মে মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে ফিলিপাইন তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থান (১১১তম) অর্জন করে এবং ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা ১৯৫তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে ফিলিপাইনের সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ১৩৬তম (যা তারা ২০১৫ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ২১৮। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং
২১ ডিসেম্বর ২০২৩ অনুযায়ী ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১৩৮অপরিবর্তিত  লিথুয়ানিয়া১০৮৬.৯৩
১৩৯অপরিবর্তিত  বুরুন্ডি১০৮৬.৬২
১৪০অপরিবর্তিত  ফিলিপাইন১০৮৬.১৭
১৪১অপরিবর্তিত  তুর্কমেনিস্তান১০৭৮.২৫
১৪২অপরিবর্তিত  অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা১০৭২.৬৬
বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং
১২ জানুয়ারি ২০২৪ অনুযায়ী বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১৮২হ্রাস  সাঁউ তুমি ও প্রিন্সিপি১০৫৭
১৮৩বৃদ্ধি  ফিলিপাইন১০৫০
১৮৪বৃদ্ধি ১০  মরিশাস১০৪৪
১৮৫বৃদ্ধি  মন্টসেরাট১০২২

প্রতিযোগিতামূলক তথ্য

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ

[সম্পাদনা]
ফিফা বিশ্বকাপবাছাইপর্ব
সালপর্বঅবস্থানম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগোম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগো
উরুগুয়ে ১৯৩০অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
ইতালি ১৯৩৪
ফ্রান্স ১৯৩৮
ব্রাজিল ১৯৫০প্রত্যাহার[]প্রত্যাহার[]
সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
সুইডেন ১৯৫৮
চিলি ১৯৬২
ইংল্যান্ড ১৯৬৬অগৃহীত[]অগৃহীত[]
মেক্সিকো ১৯৭০অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪প্রত্যাহার[]প্রত্যাহার[]
আর্জেন্টিনা ১৯৭৮অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
স্পেন ১৯৮২
মেক্সিকো ১৯৮৬
ইতালি ১৯৯০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪
ফ্রান্স ১৯৯৮উত্তীর্ণ হয়নি১০
দক্ষিণ কোরিয়া জাপান ২০০২২৯
জার্মানি ২০০৬অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০
ব্রাজিল ২০১৪উত্তীর্ণ হয়নি
রাশিয়া ২০১৮১২
কাতার ২০২২অনির্ধারিতঅনির্ধারিত
মোট০/২০২১১৪১৬৫৭

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "ফিফা/কোকা-কোলা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং"ফিফা। ২১ ডিসেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৩
  2. 1 2 গত এক বছরে এলো রেটিং পরিবর্তন "বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং"eloratings.net। ১২ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৪
  3. Motoaki Inukai 「日本代表公式記録集2008」 Japan Football Association p.206
  4. 1 2 3 4 5 6 "History of the FIFA World Cup Preliminary Competition (by year)" (পিডিএফ)FIFA.com। Fédération Internationale de Football Association। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ মে ২০১০

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]