বিষয়বস্তুতে চলুন

মালদ্বীপ জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মালদ্বীপ
দলের লোগো
ডাকনামলাল স্নেপার
অ্যাসোসিয়েশনমালদ্বীপ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন
কনফেডারেশনএএফসি (এশিয়া)
প্রধান কোচমার্টিন কোপমান
অধিনায়কআকরাম আব্দুল ঘানি
সর্বাধিক ম্যাচইমরান মুহাম্মদ (১০৯)
শীর্ষ গোলদাতাআলি আশফাক (৫৮)
মাঠমালদ্বীপ জাতীয় স্টেডিয়াম
ফিফা কোডMDV
ওয়েবসাইটfamaldives.com
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
তৃতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১৬১ অপরিবর্তিত (২১ ডিসেম্বর ২০২৩)[]
সর্বোচ্চ১২৪ (জুলাই–আগস্ট ২০০৬)
সর্বনিম্ন১৮৩ (আগস্ট–সেপ্টেম্বর ১৯৯৭)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ২০৩ হ্রাস ৭ (১২ জানুয়ারি ২০২৪)[]
সর্বোচ্চ১৬৩ (মার্চ ২০১১)
সর্বনিম্ন২০৯ (জুন ২০০১)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 সেশেলস ৯–০ মালদ্বীপ 
(রেউনিওঁ; ২৭ আগস্ট ১৯৭৯)
বৃহত্তম জয়
 মালদ্বীপ ১২–০ মঙ্গোলিয়া 
(মালে, মালদ্বীপ; ৩ ডিসেম্বর ২০০৩)
বৃহত্তম পরাজয়
 ইরান ১৭–০ মালদ্বীপ 
(দামেস্ক, সিরিয়া; ২ জুন ১৯৯৭)
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ
অংশগ্রহণ১৫ (১৯৯৫-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যচ্যাম্পিয়ন (২০০৮, ২০১৮)
এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপ
অংশগ্রহণ২ (২০১২-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যতৃতীয় স্থান (২০১৪)

মালদ্বীপ জাতীয় ফুটবল দল (ইংরেজি: Maldives national football team, ধিবেহী: ދިވެހިރާއްޖޭ ގައުމީ ފުޓްބޯލް ޓީމް) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে মালদ্বীপের প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম মালদ্বীপের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা মালদ্বীপ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯৮৬ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং একই বছর হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের সদস্য হিসেবে রয়েছে। ১৯৭৯ সালের ২৭শে আগস্ট তারিখে, মালদ্বীপ প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; রেউনিওঁয়ে অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে মালদ্বীপ সেশেলসের কাছে ৯–০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে।

১২,০০০ ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট মালদ্বীপ জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামে লাল স্নেপার নামে পরিচিত এই দলটি তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন মার্টিন কোপমান এবং অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন নিউ রেডিয়েন্টের মধ্যমাঠের খেলোয়াড় আকরাম আব্দুল ঘানি

মালদ্বীপ এপর্যন্ত একবারও ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। অন্যদিকে, এএফসি এশিয়ান কাপেও মালদ্বীপ এপর্যন্ত একবারও অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়নি। এছাড়াও, মালদ্বীপ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসের অন্যতম সফল দল, যারা এপর্যন্ত ২ বার (২০০৮ এবং ২০১৮) শিরোপা জয়লাভ করেছে। এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে মালদ্বীপ এপর্যন্ত ২ বার অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে সেরা সাফল্য হচ্ছে ২০১৪ এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে তৃতীয় স্থান অর্জন করা, যেখানে তারা আফগানিস্তানের সাথে অতিরিক্ত সময় শেষে ১–১ গোলে ড্র করার পর পেনাল্টি শুট-আউটে ৮–৭ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে।

ইমরান মুহাম্মদ, আলি আশফাক, আকরাম আব্দুল ঘানি, হাসান নাইজ এবং আলি ফাসিরের মতো খেলোয়াড়গণ মালদ্বীপের জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৯৯৭ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত সাফ কাপের তৃতীয় আসরে মালদ্বীপ অংশগ্রহণ করে। এটি ছিল মালদ্বীপ দলে প্রথম কোন আঞ্চলিক ফুটবল টুনার্মেন্টে অংশগ্রহণ। মালদ্বীপ ভারতবাংলাদেশের সাথে গ্রুপ বি-এ ছিল এবং গ্রুপে দ্বিতীয় দল হিসেবে দুই পয়েন্ট নিয়ে সেমি-ফাইনালে ওঠে। মালদ্বীপ গ্রুপ পর্বে তাদের প্রথম ম্যাচ বাংলাদেশের সাথে ১–১ গোলে ড্র করে ও দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের সাথে ২–২ গোলে ড্র করে।

মালদ্বীপ সেমি-ফাইনালে ২–১ গোলে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে। কিন্তু ফাইনালে ৫–১ গোলে ভারতের কাছে পরাজিত হয়। ফাইনালে মালদ্বীপের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন আব্দুল লতিফ

জার্সির ইতিহাস

[সম্পাদনা]
২০০৮
২০০৯
২০১০
২০১১-২০১২
২০১৩-২০১৪
২০১৪–

র‌্যাঙ্কিং

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে, ২০০৬ সালের জুলাই মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে মালদ্বীপ তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থান (১২৪তম) অর্জন করে এবং ১৯৯৭ সালের আগস্ট মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা ১৮৩তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে মালদ্বীপের সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ১৬৩তম (যা তারা ২০১১ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ২০৯। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:

প্রতিযোগিতামূলক তথ্য

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ

[সম্পাদনা]
ফিফা বিশ্বকাপবাছাইপর্ব
সালপর্বঅবস্থানম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগোম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগো
উরুগুয়ে ১৯৩০অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
ইতালি ১৯৩৪
ফ্রান্স ১৯৩৮
ব্রাজিল ১৯৫০
সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪
সুইডেন ১৯৫৮
চিলি ১৯৬২
ইংল্যান্ড ১৯৬৬
মেক্সিকো ১৯৭০
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪
আর্জেন্টিনা ১৯৭৮
স্পেন ১৯৮২
মেক্সিকো ১৯৮৬
ইতালি ১৯৯০প্রত্যাহারপ্রত্যাহার
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
ফ্রান্স ১৯৯৮উত্তীর্ণ হয়নি৫৯
দক্ষিণ কোরিয়া জাপান ২০০২১৯
জার্মানি ২০০৬১৮১৪
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০
ব্রাজিল ২০১৪
রাশিয়া ২০১৮২০
কাতার ২০২২অনির্ধারিতঅনির্ধারিত
মোট০/২১৩২২৩৩৬১২০

এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপ

[সম্পাদনা]
বছর এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপ ফলাফল বাছাইপর্বের ফলাফল
রাউন্ড খে ড্র* হা গোপ গোবি খে ড্র হা গোপ গোবি
বাংলাদেশ ২০০৬অযোগ্যঅযোগ্য
ভারত ২০০৮অযোগ্যঅযোগ্য
শ্রীলঙ্কা ২০১০যোগ্যতা অর্জন করেনি
নেপাল ২০১২গ্রুপ পর্ব
মালদ্বীপ ২০১৪তৃতীয় স্থানস্বাগতিক হিসাবে যোগ্যতা
সর্বমোট১২১৫

দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশন কাপ রেকর্ড

[সম্পাদনা]
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ
বছর রাউন্ড খে ড্র* হা গোপ গোবি
শ্রীলঙ্কা ১৯৯৫প্রত্যাহার
নেপাল ১৯৯৭রানার-আপ
ভারত ১৯৯৯তৃতীয় স্থান
বাংলাদেশ ২০০৩রানার-আপ১১
পাকিস্তান ২০০৫সেমি-ফাইনাল১১
মালদ্বীপ শ্রীলঙ্কা ২০০৮চ্যাম্পিয়ান
বাংলাদেশ ২০০৯রানার-আপ১১
ভারত ২০১১সেমি-ফাইনাল
নেপাল ২০১৩সেমি-ফাইনাল১৮
সর্বমোটবিজয়ী ১৩৫১৮১০৭৬৩২

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "ফিফা/কোকা-কোলা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং"ফিফা। ২১ ডিসেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৩
  2. 1 2 গত এক বছরে এলো রেটিং পরিবর্তন "বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং"eloratings.net। ১২ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৪

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]