লেবানন জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

লেবানন জাতীয় ফুটবল দল হল আন্তর্জাতিক ফুটবলে প্রতিনিধিত্বকারী লেবাননের জাতীয় ক্রীড়া দল, যা লেবানন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এল‌এফ‌এ) কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত। এটি ১৯৩৩ সালে গঠিত হয়েছিল। দলটি মহাদেশীয়ভাবে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এবং বিশ্বব্যাপী ফিফা দ্বারা পরিচালিত হয়। যদিও লেবানন এখনও বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি, তারা এশিয়ান কাপে দু'বার অংশ নিয়েছে: ২০০০ সালে, তারা যখন এই আসরটি আয়োজন করেছিল এবং প্রথমবারের মতো নিয়মিত যোগ্যতার মাধ্যমে ২০১৯ সালে। লেবাননের মূল ফুটবল ভেন্যু বৈরুতের ক্যামিলি চামাউন স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়াম, যদিও তারা সিডনের সাইদা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের মতো অন্যান্য স্থানেও খেলে থাকে।

১৯৩৪ সালে লেবানন রোমানিয়ান সাইড টি.এ.সি. এর বিরুদ্ধে তাদের প্রথম ম্যাচে খেলেছিল, কিন্তু তা ফিফা কর্তৃক অনুমোদিত ছিল না। লেবানন ফিফা স্বীকৃত প্রথম ম্যাচ খেলেছিল ১৯৪০ সালে ফিলিস্তিনের সাথে। ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য তাদের যোগ্যতা প্রচারাভিযানের সময়, ২০১১ সালে লেবানন দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে ২-১ ব্যবধানে জয়ী হয়ে প্রথম বারের মত চতুর্থ রাউন্ডে পৌঁছেছিল, কিন্তু গ্রুপের নিচে থাকায় ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছিল। ২০১৯ সালের এশীয় কাপে লেবানন প্রথমবারের জন্য নক-আউট পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জনের কাছাকাছি গিয়েছিল।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৩৩ সালের ২২ শে মার্চ, তেরোটি অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা মিনা আল হোসন শহরে লেবানিজ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন গঠনের জন্য জড়ো হন[১][২], লেবাননের সাংবাদিক নাসিফ মাজদালানী এটি গঠনে সর্বাত্মক সহায়তা করেছিলেন।[৩] এটি ১৯৩৫ সালে ফিফায় এবং ১৯৬৪ সালে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনে (এএফসি) যোগ দেয়।[২][৪]

ঘরের মাঠ[সম্পাদনা]

লেবাননের জাতীয় দল সারা দেশের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে তাদের ঘরের খেলা খেলেন।

লেবাননের মূল ভেন্যু হল ক্যামিল চামাউন স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়াম। ১৯৫৭ সালে ক্যামিল চামাউনের রাষ্ট্রপতিত্বকালে নির্মিত এটি দেশের বৃহত্তম স্টেডিয়াম যা মোট ৪৯,৫০০ আসন বিশিষ্ট।[৫] ১৯৫৭ সালে এর উদ্বোধনী খেলাটি লেবানন জাতীয় দল ও এনার্জিয়া ফ্লাকারা প্লোইয়েসটির মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, এতে ১-০ গোলে লেবানন বিজয়ী হয়েছিল এবং একমাত্র গোলটি করেছিল জোসেফ আবু মুরাদ।[৬] এটি লেবাননে অনুষ্ঠিত ২০০০ এশিয়ান কাপের আয়োজকের মূল স্টেডিয়াম ছিল, উদ্বোধনী এবং ফাইনাল খেলা সহ স্টেডিয়ামে ছয়টি খেলা হয়েছিল।[৭][৮] ২০১১ সালে স্টেডিয়ামে ২০১৪ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয় লাভ করেছিল এবং লেবাননকে প্রথমবারের মতো চতুর্থ রাউন্ডে পাঠিয়েছিল। ম্যাচটি দেখার জন্য ৪০,০০০ এরও বেশি দর্শক উপস্থিত হয়েছিল।[৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. الإعلام الرياضي في لبنان بين شباك السياسة والإهمال [Sports media in Lebanon between politics and neglect]। الأخبار (আরবি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  2. عساف, فراس ابو। لمحة عن الإتحاد [Lebanese Football Federation]। الاتحاد اللبناني لكرة القدم (আরবি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  3. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; :2 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  4. تاريخ تاسيس الاتحاد اللبناني لكرة القدم؟ [The date of the establishment of the Lebanese Football Federation?]। Elsport News (আরবি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  5. "Camille Chamoun Sports City"। ১৪ অক্টোবর ২০১৭। ২০১৭-১০-১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  6. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; :19 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  7. "Libanon – Iran 0:4 (Asian Cup 2000 Libanon, Gruppe A)"weltfussball.de (জার্মান ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১৯ 
  8. "Japan – Saudi-Arabien 1:0 (Asian Cup 2000 Libanon, Finale)"weltfussball.de (জার্মান ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১৯ 
  9. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; :20 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি