খুলনা
| খুলনা | |
|---|---|
| — মেট্রোপলিটন — | |
| Khulna Skyline | |
| নাম: খুলনা | |
| খুলনার অবস্থান | |
| স্থানাঙ্ক: 22°49′0″N 89°33′0″E / 22.816667°উ 89.55°পূস্থানাঙ্ক: 22°49′0″N 89°33′0″E / 22.816667°উ 89.55°পূ | |
| Country | বাংলাদেশ |
| Administrative District | খুলনা জেলা |
| Municipal status gained | ১৯৮৪ |
| City orporation gained | ১৯৯০ |
| সরকার | |
| • Mayor | তালুকদার আব্দুল খালেক |
| আয়তন[১] | |
| • মেট্রোপলিটন | ৫৯.৫৭ |
| জনসংখ্যা (2008 est.)[২] | |
| • মেট্রোপলিটন | ১০,০০,০০০ |
| • ঘনত্ব | ১৪,৩৬৪ |
| • মেট্রো | ১৫,০০,০০০ |
| সময় অঞ্চল | BST (ইউটিসি+6) |
| National Calling Code | +880 |
| Calling Code | 041 |
| Literacy rate | 59.1%[৩] |
| ওয়েবসাইট | http://www.khulnacity.org |
খুলনা দক্ষিণ পশ্চিম বাংলাদেশ এর একটি শহর। এটি খুলনা জেলাতে অবস্থিত।
খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত তৃতীয় বৃহত্তম শহর। প্রশাসনিক অবকাঠামোতে খুলনা একটি জেলা এবং বিভাগ। বঙ্গোপসাগরের কুল ঘেষে রুপসা নদীর তীরে শিল্পনগরী খুলনার অবস্থান। দেশের দুটি সামুদ্রিক বন্দরের মধ্যে একটি মংলা বন্দর এখানে অবস্থিত। সুন্দরবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ খুলনার মধ্যে।
পরিচ্ছেদসমূহ |
মেট্রোপলিটন থানা [সম্পাদনা]
- দৌলতপুর থানা
- খালিশপুর থানা
- খান জাহান আলী থানা
- সোনাডাঙ্গা থানা
- কোতয়ালী থানা
শিক্ষা [সম্পাদনা]
নব্বই দশকের পূর্বে খুলনাতে তেমন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খাকলেও পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে খুলনাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হয়। ২০০৩ সালে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় যা পূর্বে বাংলাদেশ ইনিষ্টিটিউট অব টেকনোলজি, খুলনা নামে পরিচিত ছিল। তাছাড়া সরকারী বি. এল কলেজ এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার চাহিদা মিটিয়ে আসছে। মাধ্যমিক শিক্ষার পর কারিগরি শিক্ষার জন্য খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আছে।
শিল্প [সম্পাদনা]
একসময় খুলনা শিল্পশহর হিসাবে বিখ্যাত হলেও বর্তমানে এখানকার বেশিরভাগ শিল্পই রুগ্ন। পূর্বে খুলনাতে দেশের একমাত্র নিউজপ্রিন্ট ও হার্ডবোর্ড মিল ছিল যা এখন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। খুলনার বেশির ভাগ পাটকলগুলোও একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে খুলনার উল্লেখযোগ্য শিল্প হল বেসরকারী উদ্যোগে গড়ে ওঠা রপ্তানীযোগ্য মাছ শিল্প। খুলনাকে এক সময় বলা হত রুপালি শহর। এর কারন এই এলাকাতে প্রচুর পরিমান চিংড়ী উৎপাদন করা হত। এখনও হয়, যদিও কিছুটা কমে গেছে। আপনি খুলনার দৌলতপুরের মহসিন মোড় থেকে যতই ভিতরের দিকে যেতে থাকবেন ততই দেখতে থাকবেন রাস্তার দূ ধার দিয়ে শুধু বিল আর মাছের ঘের। এসব ঘেরে সাদা মাছের সাথে চাষ হয় প্রচুর চিংড়ী।
খাবার দাবার [সম্পাদনা]
রাস্তাঘাট [সম্পাদনা]
খুলনার রাস্তাঘাট মোটামুটি ভাল এবং অনেক প্রসস্থ। এই শহরটি যানজট এর হাতে এখনও পড়েনি। তবে খুলনা থেকে যশোর যেতে আপনাকে একটু সমস্যা পোহাতে হবে। এদিকের রাস্তাঘাট অনেক বেশিই খারাপ। শিল্প কল কারখানা গুলো ফুলতলায় গড়ে ওঠায় এই রাস্তাটি বেশ ভাঙাচোরা।
আরও দেখুন [সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ "Area, Population and Literacy Rate by Paurashava –2001"। Bangladesh Bureau of Statistics। 2001। সংগৃহীত 2009-08-19।
- ↑ (pdf-file) 2007 Population Estimate. Retrieved on 19 August 2009.
- ↑ "Khulna"। Banglapedia। সংগৃহীত 05-01-2010।
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
| উইকিমিডিয়া কমন্সে নিচের বিষয় সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে: খুলনা |
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |