খুলনা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
খুলনা
মেট্রোপলিটন
Khulna Skyline
নাম(সমূহ): খুলনা
খুলনার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৪৯′০″ উত্তর ৮৯°৩৩′০″ পূর্ব / ২২.৮১৬৬৭° উত্তর ৮৯.৫৫০০০° পূর্ব / 22.81667; 89.55000স্থানাঙ্ক: ২২°৪৯′০″ উত্তর ৮৯°৩৩′০″ পূর্ব / ২২.৮১৬৬৭° উত্তর ৮৯.৫৫০০০° পূর্ব / 22.81667; 89.55000
Country বাংলাদেশ
Administrative District খুলনা জেলা
Municipal status gained ১৯৮৪
City Corporation gained ১৯৯০
সরকার
 • মেয়র মনিরুজ্জামান মনি
আয়তন[১]
 • মেট্রোপলিটন ৫৯.৫৭
জনসংখ্যা (2008 est.)[২]
 • মেট্রোপলিটন ১০,০০,০০০
 • ঘনত্ব ১৪,৩৬৪
 • মেট্রো ১৫,০০,০০০
সময় অঞ্চল BST (ইউটিসি+6)
National Calling Code +880
Calling Code 041
Literacy rate 59.1%[৩]
ওয়েবসাইট http://www.khulnacity.org

খুলনা (ইংরেজী: KHULNA) ঢাকা এবং চট্টগ্রামের পরে বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর। খুলনা জেলা এবং খুলনা বিভাগের সদর দপ্তর এই খুলনা শহরে অবস্থিত। খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে রূপসা এবং ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত। বাংলাদেশের প্রাচীনতম নদী বন্দরগুলোর মধ্যে খুলনা অন্যতম। খুলনা বাংলাদেশের অন্যতম শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকা হওয়ায় খুলনাকে শিল্প নগরী হিসেবে ডাকা হয়। খুলনা শহর থেকে ৪৮ কি.মি. দূরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মংলা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত। পৃথিবী বিখ্যাত উপকূলীয় বন সুন্দরবন খুলনা জেলার দক্ষিণাংশে অবস্থিত। খুলনাকে সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার বলা হয়।[৪][৫] রাজধানী ঢাকা থেকে খুলনা শহরের দূরত্ব সড়কপথে ৩৩৩কি.মি.। রাজধানী সহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সংগে স্থলপথ, আকাশপথ, জলপথ ব্যবহার করা যায়। ১৯১২ সালে থেকে অত্র অঞ্চলে নদীপথে স্টিমার (স্টিমবোট) চলাচল করে।

মেট্রোপলিটন থানা[সম্পাদনা]

  1. দৌলতপুর থানা
  2. খালিশপুর থানা
  3. খান জাহান আলী থানা
  4. সোনাডাঙ্গা থানা
  5. কোতয়ালী থানা
  6. লবণচরা থানা
  7. হরীণ..না থানা

শিক্ষা[সম্পাদনা]

নব্বই দশকের পূর্বে খুলনাতে তেমন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খাকলেও পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে খুলনাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়খুলনা মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হয়। ২০০৩ সালে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় যা পূর্বে বাংলাদেশ ইনিষ্টিটিউট অব টেকনোলজি, খুলনা নামে পরিচিত ছিল। তাছাড়া সরকারী বি. এল কলেজ এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার চাহিদা মিটিয়ে আসছে। মাধ্যমিক শিক্ষার পর কারিগরি শিক্ষার জন্য খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আছে।

শিল্প[সম্পাদনা]

রূপসা নদী

একসময় খুলনা শিল্পশহর হিসাবে বিখ্যাত হলেও বর্তমানে এখানকার বেশিরভাগ শিল্পই রুগ্ন। পূর্বে খুলনাতে দেশের একমাত্র নিউজপ্রিন্ট ও হার্ডবোর্ড মিল ছিল যা এখন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। খুলনার বেশির ভাগ পাটকলগুলোও একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে খুলনার উল্লেখযোগ্য শিল্প হল বেসরকারী উদ্যোগে গড়ে ওঠা রপ্তানীযোগ্য মাছ শিল্প। খুলনাকে এক সময় বলা হত রুপালি শহর। এর কারন এই এলাকাতে প্রচুর পরিমান চিংড়ী উৎপাদন করা হত। এখনও হয়, যদিও কিছুটা কমে গেছে। আপনি খুলনার দৌলতপুরের মহসিন মোড় থেকে যতই ভিতরের দিকে যেতে থাকবেন ততই দেখতে থাকবেন রাস্তার দূ ধার দিয়ে শুধু বিল আর মাছের ঘের। এসব ঘেরে সাদা মাছের সাথে চাষ হয় প্রচুর চিংড়ী।

খাবার দাবার[সম্পাদনা]

রাস্তাঘাট[সম্পাদনা]

খুলনার রাস্তাঘাট মোটামুটি ভাল এবং অনেক প্রসস্থ। এই শহরটি যানজট এর হাতে এখনও পড়েনি। তবে খুলনা থেকে যশোর যেতে আপনাকে একটু সমস্যা পোহাতে হবে। এদিকের রাস্তাঘাট অনেক বেশিই খারাপ। শিল্প কল কারখানা গুলো ফুলতলায় গড়ে ওঠায় এই রাস্তাটি বেশ ভাঙাচোরা।

খুলনার দর্শনীয় স্থান সমূহ[সম্পাদনা]

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি[সম্পাদনা]

আব্দুর রাজ্জাক (ক্রিকেটার) শেখ সালাহউদ্দিন

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

তথ্য উৎস[সম্পাদনা]

  1. "Area, Population and Literacy Rate by Paurashava –2001"। Bangladesh Bureau of Statistics। 2001। সংগৃহীত 2009-08-19 
  2. (pdf-file) 2007 Population Estimate. Retrieved on 19 August 2009.
  3. "Khulna"Banglapedia। সংগৃহীত 05-01-2010 
  4. Marshall Cavendish Corporation (2007)। World and Its Peoples: Eastern and Southern Asia। Marshall Cavendish। পৃ: 491। আইএসবিএন 9780761476313 
  5. Girard, Luigi Fusco (2003)। The Human Sustainable City: Challenges and Perspectives from the Habitat Agenda। Ashgate Publishing, Ltd। পৃ: 298। আইএসবিএন 9780754609452 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

  1. খুলনা সিটি কর্পোরেশন
  2. বাংলাপেডিয়ায় খুলনা
  3. খুলনা পিডিয়া
  4. ডিসকভারি বাংলাদেশে খুলনা