হেমন্ত মুখোপাধ্যায়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হেমন্ত মুখপাধ্যায়
Hemantda.jpg
প্রাথমিক তথ্যাদি
জন্ম নাম হেমন্ত কুমার মুখপাধ্যায়
জন্ম (১৯২০-০৬-১৬)১৬ জুন ১৯২০
মৃত্যু ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৯(১৯৮৯-০৯-২৬) (৬৯ বছর)
পেশা বাংলা ও হিন্দি কন্ঠশিল্পি, সঙ্গীত পরিচালক এবং প্রযোজক

হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (১৬ই জুন ১৯২০ - ২৬এ সেপ্টেমবর ১৯৮৯) একজন খ্যাতিমান বাঙালি কণ্ঠশিল্পী, সঙ্গীত পরিচালক এবং প্রযোজক। তিনি হিন্দি সঙ্গীত জগৎ এ হেমন্ত কুমার নামে প্রসিদ্ধ।

জীবন[সম্পাদনা]

শিল্পী হেমন্ত মুখপাধ্যায়ের জন্ম বারাণসীর পবিত্র শহরে হয়। তাঁর পরিবার কলকাতায় আসে বিংশ শতাব্দির প্রথমার্ধে‌। হেমন্ত ভবানিপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে ছিলেন। সেখানেই ওনার বাল্যবন্ধু ও কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের সাথে পরিচয়। ইন্টারমিডিয়েট পাস করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে যান। কিন্তু, তিনি সঙ্গীতের জন্য আপন শিক্ষা ত্যাগ করেন। তাঁর সাহিত্যিক হবার ইচ্ছে ছিল। কিছুদিন, তিনি দেশএর জন্যে লেখেন। ১৯৩৭ থেকে তিনি সম্পূর্ণভাবে সঙ্গীত জগতে প্রবেশ করেন।

পরিবার[সম্পাদনা]

ছোটবেলা কাটে তিন ভাই এক বোন নীলিমার সাথে। বড় ভাই তারাজ্যোতি ছোটগল্প লিখতেন। ছোটভাই , অমল মুখপাধ্যায় কিছু বাংলা ছায়াছবিতে সঙ্গীত পরিচালনা করেছিলেন এবং ১৯৬০ এর দশকে কিছু গান ও গেয়েছিলেন।

১৯৪৫এ হেমন্ত-বেলা মুখপাধ্যায়ের বিবাহ হয়। ১৯৪৩এ বাংলা ছায়াছবি, কাশিনাথে, সঙ্গীত পরিচালক পঙ্কজ মল্লিক বেলাকে দিয়ে কিছু জনপ্রিয় গান গাইয়েছিলেন, কিন্তু বিবাহের পর তিনি আর সঙ্গীত জগৎ এ প্রবেশ করলেন না।

হেমন্তর দুই সন্তান - পুত্র, জয়ন্ত, ও কন্যা, রাণু। রাণু মুখপাধ্যায় ১৯৬০-৭০ এ গান গাইতেন।

সঙ্গীতযাত্রা[সম্পাদনা]

শৈলেশ দাসগুপ্তর সাহায্যে, হেমন্তর প্রথম গান ১৯৩৩ সালে প্রথম গান, আমার গানেতে এল নবরূপী চিরন্তন,রেকর্ড করেন। এ গানটি সেরকম জনপ্রিয়তা লাভ করেনি। তার পর, ১৯৩৭এ, Columbiaর জন্য, হেমন্ত গান নরেশ ভট্টাচায্যর্‌ র লেখা, শৈলেশ দাসগুপ্তর সুরে, জানিতে যদি গো তুমি ও "বলো গো বলো মোরে"। তার পর, প্রতি বছর, তিনি গ্রামোফোন কঃ অব ইন্ডিয়ার জন্য গান রেকর্ড করলেন।

১৯৪০ সালে, সঙ্গীত পরিচালক কমল দাসগুপ্ত, হেমন্তকে দিয়ে, ফাইয়াজ হাস্মির কথায়ে "কিতনা দুখ ভুলায়া তুমনে" ও "ও প্রীত নিভানেভালি" গাওয়ালেন। প্রথম ছায়াছবির গান, তিনি গাইলেন, নিমাই সন্ন্যাস ছবির জন্যে।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]