বীরবাহা হাঁসদা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বীরবাহা হাঁসদা
বীরবাহা হাঁসদা.jpg
ঐতিহ্যবাহী পোশাকে বীরবাহা হাঁসদা
জন্ম (1982-10-08) ৮ অক্টোবর ১৯৮২ (বয়স ৩৬)
বিনপুর, ঝাড়গ্রাম, ভারত
পেশাঅভিনেত্রী
পুরস্কারসেরা অভিনেত্রী, সাঁওতালি ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার ২০০৮-২০১২

বীরবাহা হাঁসদা ভারতীয় সাঁওতালি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী। বীরবাহা হাঁসদা ভারতের পশ্চিম বাংলার ঝাড়গ্রাম জেলার বিনপুর থানার আঁকরো গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নরেন হাঁসদা ছিলেন ঝাড়খন্ড পার্টি (নরেন) রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা। এই দলের ব্যানারে তার বাবা ও মা চুনিবালা হাঁসদা বিধান সভার সদস্য ছিলেন। বীরবাহা হাঁসদাও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি কলকাতা বিশ্বিবদ্যালয় থেকে ইতিহাসে অনার্স-মার্স্টাস করেছেন। অবিবাহিত বীরবাহার ৩০ বছর বয়সে ব্যক্তি জীবনে অর্জন বিশাল। তিনি ভারতীয় সাঁওতালী চলচ্চিত্রের একজন জনপ্রিয় তারকা। তার অভিনীত ছবির সংখ্যা ১৪টি। সাঁওতালির পাশাপাশি তিনি বাংলা ও হিন্দি ছবিতেও অভিনয় করেছেন।[১]

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

বীরবাহা হাঁসদা তার স্কুল জীবনে ভারতনাট্যম শেখা শুরু করেন। তিনি তার উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন ঘাটশিলা কলেজ থেকে। তিনি ভারতের কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তার স্নাতকো্ত্তর সম্পন্ন করেন। তার মা চুনিবালা হাঁসদাও গান ও নাচের প্রতি অনুরাগী ছিলেন। ফলে বীরবাহা হাঁসদারও নাচ গান শিখতে বেগ পেতে হয়নি। অল্প বয়সেই তিনি অভিনয়ের হাতেখড়ি পেয়ে যান। এভাবেই পারিবারিকভাবে সাঁওতালি অভিনয় জগতে তিনি পদার্পণ করেন।

কর্ম জীবন[সম্পাদনা]

তিনি তাঁর প্রথম কর্মজীবনে অভিনেতা ও প্রযোজক প্রেম মার্ডীর সাথে কাজ শুরু করেন। ২০০৮ সালে তার অভিনীত প্রথম ছবি হচ্ছে 'আদ আলম আসঃ আ'। এ ছবির মাধ্যমে তিনি ব্যাপক সমাদৃত হন এবং প্রথমবারের মতো 'রাসকা' এওয়ার্ড পান। এরপের তিনি একে একে 'আচ্ছা ঠিক গেয়া', 'আঁস তাহে এনা আমরে', 'আমগে সারি দুলারিয়া (২০১২)', 'তড়ে সুতাম (২০১৩)', 'জুপুর জুলি', 'আলম রেজেঞ্চা সাকম সিন্দুর', 'জাঁওয়ায় অড়াঃ বঁগায় চাপাল কিদিঞ্চ', 'মলং', 'ফুলমনি', এর মতো ছবিতে অভিনয় করেন। এবং 'আমগে সারি দুলারিয়া' ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন।
ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি অসংখ্য গানের মিউজিক ভিডিওতে ও এ্যালবামে কাজ করেছেন। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো 'এ না মসলা বাহা', 'এ ডগর না', 'চাঃ চ চান্দো', 'গড়ম সারি সারি' ইত্যাদি।

পুরস্কারসমূহ[সম্পাদনা]

  • ২০০৮ সাল থেকে পরপর ২০১২ সাল পর্যন্ত সাঁওতালি ফিল্ম ফেয়ার এওয়ার্ড পেয়েছেন।
  • রাসকা এওয়ার্ড।
  • সর্বশেষ তার অভিনীত ফুলমনি ছবিটি দিল্লী আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা, ২০১৮ তে ১২২তম স্থান পায়।[২]
  • পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের কাছ থেকে সংবর্ধনা, ২০১৯।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]