শিখধর্ম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

শিখধর্ম (/ˈsɪkɨzəm/; পাঞ্জাবি: ਸਿੱਖੀ, sikkhī, টেমপ্লেট:IPA-pa) হল একটি সর্বেশ্বরবাদী[১] ভারতীয় ধর্ম। খ্রিস্টীয় ১৫শ শতাব্দীতে ভারতীয় উপমহাদেশের পাঞ্জাব অঞ্চলে গুরু নানক এই ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।[২] পরবর্তীকালে শিখ গুরুগণ কর্তৃক এই ধর্ম প্রসার লাভ করে শিখদের ১১জন মানব গুরু ছিলেন। তাঁদের সর্বশেষ গুরু হলেন পবিত্র ধর্মগ্রন্থ গুরু গ্রন্থ সাহিবগুরু গ্রন্থ সাহিব হল শিখ গুরুদের রচনার সংকলন। প্রথম পাঁচ জন শিখ গুরু তা সংকলন করেছিলেন। শিখধর্ম বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম ধর্মীয় গোষ্ঠী। এই ধর্মের অনুগামীর সংখ্যা প্রায় প্রায় ৩ কোটি।[৩][৪] ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যটি বিশ্বের একমাত্র শিখ সংখ্যাগুরু অঞ্চল।

শিখধর্মের অনুগামীদের ‘শিখ’ (অর্থাৎ, ‘শিষ্য’) বলা হয়। দেবিন্দর সিং চাহালের মতে, “‘শিখী’ শব্দটি (সাধরণভাবে গুরুমত নামে পরিচিত) থেকে আধুনিক ‘শিখধর্ম’ শব্দটি এসেছে।”[৫]গুরুমত’ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ ‘গুরুর প্রজ্ঞা’।[৬]

সেওয়া সিং কলসি মতে, “শিখধর্মের কেন্দ্রীয় শিক্ষা হল ঈশ্বরের একত্বের তত্ত্বে বিশ্বাস।”[৭] শিখধর্ম অনুসারে, আধ্যাত্মিক জীবন ও ধর্মনিরপেক্ষ জীবনকে এক করতে হয়।[৮] প্রথম শিখ গুরু নানক সকল মানুষের একত্ব এবং ভাগ করে নেওয়ার গুরুত্ব বোঝাতে লঙ্গর প্রথার প্রবর্তন করেন।[৯] শিখরা মনে করেন, “সকল ধর্মমত সমভাবে সঠিক এবং নিজ নিজ মতাবলম্বীদের আলোকিত করতে সক্ষম।”[৭]বন্দ চক্কো’ বা ভাগ করে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গুরু নানক সকল মানুষকে সৎ পথে জীবন ধারণ করতে, কুপথ পরিহার করতে এবং ‘নাম জপন’ বা ঈশ্বরের পবিত্র নাম স্মরণের গুরুত্বের শিক্ষা দেন। গুরু নানক কেবলমাত্র ধ্যানীর জীবন অপেক্ষা “সত্য, বিশ্বাস, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও বিশুদ্ধতায় পরিপূর্ণ সক্রিয়, সৃজনশীল ও ব্যবহারিক জীবনে”র উপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।[১০] ৬ষ্ঠ শিখ গুরু হরগোবিন্দ পরস্পর-সহায়ক রাজনৈতিক/সমসাময়িক (‘মিরি’) ও আধ্যাত্মিক (‘পিরি’) জগৎ প্রতিষ্ঠা করেন।[১১]

১০ম শিখ গুরু তেগ বাহাদুরের মতে, আদর্শ শিখের শক্তি (সমসাময়িক যুগে বসবাস করার ক্ষমতা) ও ভক্তি (আধ্যাত্মিক ধ্যানপূর্ণ গুণাবলি) দুইই থাকবে। শেষে ১০শ শিখ গুরু গোবিন্দ সিং ১৬৯৯ সালে আনন্দপুর সাহিবে খালসার সন্ত সৈনিকদের দীক্ষিত করার ধারণাটি প্রচলন করেন।[১২] শিখদের সন্ত-সৈনিকদের সকল গুণ ধারণ করতে হয়।[১৩][১৪]

দর্শন ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

গুরু নানক ছলেন শিখধর্মের প্রতিষ্ঠাতা এবং এগারো জন শিখ গুরুর মধ্যে প্রথম গুরু। একাদশ শিখ গুরু হলেন গুরু গ্রন্থ সাহিব।

"শিখ" শব্দের অর্থ যিনি শিধ ধর্ম ও বিশ্বাসকে গ্রহণ করেন এবং শ্রীগুরু গ্রন্থ সাহিবের শিক্ষা অনুসরণ করেন এবং ঘন চুল রাখেন... “আমি একান্তভাবে জানাচ্ছি এবং ঘোষণা করছি যে আমি একজন ‘কেশধারী’ শিখ এবং আমি শ্রীগুরু গ্রন্থ সাহিব ও দশ জন শিখ গুরুর শিক্ষায় বিশ্বাস ও সেই অনুসরণ করছি এবং আমার অন্য কোনো বিশ্বাস নেই।

 Definition of a Sikh and Sikh affirmation in the Delhi Gurdwara Act of 1971.[১৫]

শিখধর্মের উৎস হল গুরু নানক ও তাঁর উত্তরসূরিদের শিক্ষা। শিখ ধর্মবিশ্বাসের মূল কথাটি গুরু নানক এইভাবে জ্ঞাপন করেছেন: “সত্য অনুভবের চেয়ে বৃহত্তর কিছুই নেই। সত্যময় জীবন বৃহত্তর মাত্র।”[১৬] শিখ শিক্ষায় সকল মানুষের সমত্ব এবং জাতি, কর্ম বা লিঙ্গের ভিত্তিতে কোনো রকম বৈষম্যের বিরোধিতায় গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। শিখধর্মে গৃহস্থ জীবন যাপনে উৎসাহ দেওয়া হয়।

শিখধর্ম একটি সর্বেশ্বরবাদী (কোনো কোনো দিক থেকে)[১৭][১৮] এবং প্রকাশিত ধর্ম[১৯] শিখধর্মে ‘ঈশ্বর’ ধারণা হল “ওয়াহিগুরু” – যা নিরাকার, অনন্তদৃষ্টির অগম্য (অর্থাৎ, যা চর্মচক্ষে দেখা যায় না): ‘নিরঙ্কর’, ‘অকাল’ ও ‘অলখ’। শিখ ধর্মশাস্ত্রের শুরুর অক্ষরটি হল ‘১’ – যা ‘ঈশ্বরে’র বিশ্বজনীনতার প্রতীক। শিখ শাস্ত্রমতে, ‘ঈশ্বর’ হলেন সর্বব্যাপী ও সর্বশক্তিমান। তাঁকে ‘ইক ওঙ্কার’ শব্দের দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।[২০] শিখরা বিশ্বাস করেন, সৃষ্টির পূর্বের শুধুমাত্র ‘ঈশ্বর’ই ছিলেন এবং তাঁর ‘হুকুমে’ (ইচ্ছা বা আদেশ) ছিল।[২১] ঈশ্বরের যখন ইচ্ছা হল তখন সমস্ত মহাবিশ্ব সৃষ্টি হল। শুরু থেকেই ঈশ্বর মায়া বা মানুষের সত্যতার ধারণা প্রতি ‘আকর্ষণ বা আসক্তি’ নিয়ে নাড়াচাড়া করছেন।[২২]

হরমন্দির সাহিব (লোকমুখে স্বর্ণমন্দির নামে পরিচিত) হল শিখদের একটি পবিত্র ধর্মস্থান।

সর্বব্যাপী সত্ত্বা - শিখধর্মে ‘ঈশ্বর’ ধারণা[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: ইক ওঙ্কার

অন্যান্য ধর্মের তুলনায় শিখধর্মে ‘ঈশ্বর’ ধারণা একটু আলাদা রকমের। এটি ‘ইক ওঙ্কার’ বা ‘এক চিরন্তন’[২৩] বা ‘সর্বব্যাপী সত্ত্বা’ নামে পরিচিত। এটির অর্থ ‘ঈশ্বর’।[২৪] এটি গুরুমুখী হরফে পাওয়া যায়।[২৫] এই ‘সত্ত্বা’র কোনো লিঙ্গের উল্লেখ শিখধর্মে নেই (যদিও অনুবাদে এটিকে পুরুষ হিসেবেই দেখানো হয়)। এটি ‘অকাল পুর্খ’ (সময় ও বিশ্বের অতীত) এবং ‘নিরঙ্কর’ (নিরাকার)। এছাড়া, নানক লিখেছেন যে, একাধিক বিশ্বে তিনি প্রাণ সৃষ্টি করেছেন।[২৬]

নানক আরও লিখেছেন যে, ‘অকাল’কে বোঝা মানুষের অসাধ্য।[২০] তবে একই সময়ে এটি সম্পূর্ণ অজ্ঞাতও নয়। ‘অকাল’ সকল সৃষ্টিতে সর্বব্যাপী (‘সর্ব ব্যাপক’) এবং আধ্যাত্মিকভাবে যাঁরা জাগরিত হন তাঁরা তাঁকে সর্বত্র দেখতে পান। ঈশ্বরকে ‘অন্তর্দৃষ্টি’ বা ‘হৃদয়ে’র দ্বারা দেখার উপর নানক জোর দিয়েছেন। স্বর্গীয় জীবনে জাগরিত হওয়ার জন্য ভক্তেরা ধ্যান করবে – এমন বিধান ছিল তাঁর। গুরু নানক ধ্যানের মাধ্যমে সত্যের প্রকাশের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। বারংবার ধ্যানের মাধ্যমে ঈশ্বর ও মানুষের মধ্যে যোগাযোগের সেতুটি গড়ে ওঠে বলেই তিনি মনে করতেন।[২০]

গুরু গ্রন্থ সাহিবের প্রথম চরণে উল্লিখিত মূল মন্তর এবং তার নির্দিষ্ট রাগ:

গুরুমুখী: ੴ ਸਤਿ ਨਾਮੁ ਕਰਤਾ ਪੁਰਖੁ ਨਿਰਭਉ ਨਿਰਵੈਰੁ ਅਕਾਲ ਮੂਰਤਿ ਅਜੂਨੀ ਸੈਭੰ ਗੁਰ ਪ੍ਰਸਾਦਿ॥
রূপান্তর: ইক ওঙ্কার সৎ(ই)-নাম(উ) করতা পুরখ(উ) নিরভউ নিরভৈর(উ) অকাল(অ) মূরত(ই) অজূনী সইভন গুর(অ) প্রসাদ(ই).
বাংলা: "কেবলমাত্র এক সর্বব্যাপী সত্ত্বা আছে। সত্য হল এঁর নাম! সকল সৃষ্টিতে তিনি বিরাজমান; তাঁর ভয় নেই; তাঁর ঘৃণা নেই; তিনি নামহীন ও সর্বজনীন ও স্বকীয়, জ্ঞান ও শিক্ষার সন্ধান করলে তুমি এঁর সন্ধান পাবে।"

মুক্তি[সম্পাদনা]

গুরু নানকের শিক্ষা স্বর্গকে সর্বশেষ গন্তব্য বলে না। তাঁর মতে অকালের সঙ্গে মিলনের ফলে মানুষ মুক্তি পায় বা ‘জীবন্মুক্ত’ হয়।[২৭] গুরু গোবিন্দ সিংহ স্পষ্ট করে বলেছেন, মানব জন্ম সৌভাগ্যের। তাই সবাইকে জীবনকে কাজে লাগাতে হবে।[২৮] শিখদের প্রামাণ্য ধর্মগ্রন্থ ব্যাখ্যায় পুনর্জন্মকর্মবাদের শিখ ধারণা হিন্দু বা বৌদ্ধ ধারণার অনুরূপ বলে উল্লিখিত হয়েছে কিনা তা নিয়ে গবেষকদের মধ্যে বিতর্ক থাকলেও প্রকৃতক্ষেত্রে তা নয়।[২৮][২৯][৩০] শিখধর্মে কর্ম হল ‘ঈশ্বরের করুণা ধারণার দ্বারা গৃহীত’ (“নদর, মেহর, কৃপা, করম’ ইত্যাদি)। গুরু নানক লিখেছেন, “কর্মের প্রভাবে দেহের জন্ম হয়, কিন্তু মুক্তিলাভ হয় করুণায়।”[৩১] ঈশ্বরের কাছাকাছি যেতে শিখরা মায়ার কুপ্রভাবকে এড়িয়ে যাবে। মনকে চিরন্তন সত্যে স্থির রাখার জন্য ‘শবদ কীর্তন’, ধ্যান, ‘নাম’ ও মানবজাতির সেবা করবে। শিখরা বিশ্বাস করেন ‘সৎসঙ্গ’ বা ‘সধ সঙ্গত’ হল পুনর্জন্মের চক্র থেকে মুক্তি লাভের একটি অন্যতম প্রধান পন্থা।[৩২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. W.Owen Cole, Piara Singh Sambhi (১৯৯৩)। Sikhism and Christianity: A Comparative Study (Themes in Comparative Religion)। Wallingford, United Kingdom: Palgrave Macmillan। পৃ: 117। আইএসবিএন 0333541073 
  2. Singh, Patwant; (2000). The Sikhs. Alfred A Knopf Publishing. Pages 17. ISBN 0-375-40728-6.
  3. "Sikhism: What do you know about it?"The Washington Post। সংগৃহীত ১৩ ডিসেম্বর ২০১২ 
  4. Zepps, Josh। "Sikhs in America: What You Need To Know About The World's Fifth-Largest Religion"Huffington Post। সংগৃহীত ১৩ ডিসেম্বর ২০১২ 
  5. Chahal, Devinder (জুলাই–ডিসেম্বর ২০০৬)। "Understanding Sikhism in the Science Age"Understanding Sikhism, The Research Journal (2): ৩। সংগৃহীত ১০ নভেম্বর ২০১৩ 
  6. Mcleod, WH (১৯ জুলাই ১৯৮৪)। Sikhism (Textual Sources for the Study of Religion)। Manchester University Press। পৃ: 138। আইএসবিএন 0719010632 
  7. ৭.০ ৭.১ Singh Kalsi, Sewa (২০০৭)। Sikhism। London: Bravo Ltd.। পৃ: ২৪। আইএসবিএন 978-1-85733-436-4 
  8. Nayar, Kamal Elizabeth and Sandhu, Jaswinder Singh (২০০৭)। "Chapter Six - Renunciation and Social Involvement in Siddhe Gost"The Socially Involved Renunciate - Guru Nanaks Discourse to Nath Yogi's। United States of America: State University of New York Press। পৃ: 106। 
  9. Thaker, Aruna (২০১২)। Multicultural Handbook of Food, Nutrition and Dietetics। John Wiley & Sons। পৃ: ৩১। আইএসবিএন 9781118350461 
  10. Marwha, Sonali Bhatt (২০০৬)। Colors of Truth, Religion Self and Emotions। New Delhi: Concept Publishing Company। পৃ: 205। আইএসবিএন 818069268X 
  11. E. Marty, Martin and Appleby R. Scott (১১ জুলাই ১৯৯৬)। Fundamentalisms and the State: Remaking Polities, Economies, and Militance। University of Chicago Press। পৃ: 278। আইএসবিএন 0226508846 
  12. Singh Gandhi, Surjit (১ Feb ২০০৮)। History of Sikh Gurus Retold: 1606 -1708। Atlantic Publishers & Distributors Pvt Ltd। পৃ: 676–677। আইএসবিএন 8126908572 
  13. Chanchreek, Jain (২০০৭)। Encyclopaedia of Great Festivals। Shree Publishers & Distributors। পৃ: ১৪২। আইএসবিএন 9788183291910 
  14. Dugga, Kartar (২০০১)। Maharaja Ranjit Singh: The Last to Lay Arms। Abhinav Publications। পৃ: ৩৩। আইএসবিএন 9788170174103 
  15. Singh Kalsi, Sewa (২০০৭)। Sikhism। London: Bravo Ltd.। পৃ: 99–100। আইএসবিএন 978-1-85733-436-4 
  16. Teece, Geoff (২০০৪)। Sikhism:Religion in focus। Black Rabbit Books। পৃ: ৪। আইএসবিএন 978-1-58340-469-0 
  17. Mark Juergensmeyer, Gurinder Singh Mann (২০০৬)। The Oxford Handbook of Global Religions। US: Oxford University Press। পৃ: ৪১। আইএসবিএন 978-0-19-513798-9 
  18. Ardinger, Barbara (২০০৬)। Pagan Every Day: Finding the Extraordinary in Our Ordinary Lives। Weisfer। পৃ: ১৩। আইএসবিএন 978-1-57863-332-6 
  19. Nesbitt, Eleanor M. (১৫ নভেম্বর ২০০৫)। Sikhism: a very short introduction। Oxford University Press। পৃ: ১৩৬। আইএসবিএন 978-0-19-280601-7। সংগৃহীত ১৯ জুলাই ২০১০ 
  20. ২০.০ ২০.১ ২০.২ Parrinder, Geoffrey (১৯৭১)। World Religions:From Ancient History to the Present। USA: Hamlyn Publishing Group। পৃ: ২৫২। আইএসবিএন 978-0-87196-129-7 
  21. Dev, Guru Nanak DevGuru Granth Sāhib ji। পৃ: ১০৩৫। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০০৬। "For endless eons, there was only utter darkness. There was no earth or sky; there was only the infinite Command of His Hukam." 
  22. Dev, NanakGurū Granth Sāhib Ji। পৃ: ১০৩৬। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০০৬। "When He so willed, He created the world. Without any supporting power, He sustained the universe. He created Brahma, Vishnu and Shiva; He fostered enticement and attachment to Maya." 
  23. Taoshobuddha (২২ Aug ২০১২)। Ek Onkar Satnam: The Heartbeat of Nanak। AuthorHouseUK। পৃ: 438। আইএসবিএন 1477214267 
  24. Mayled, John (২০০২)। Sikhism। Heinemann। পৃ: ১৬। আইএসবিএন 0-435-33627-4 
  25. David Rose, Gill Rose (২০০৩)। Sacred Texts photopack। Folens Limited। পৃ: ১২। আইএসবিএন 1-84303-443-3 
  26. Dev, NanakGurū Granth Sāhib। পৃ: ১৫। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০০৬। "You are the One True Lord and Master of all the other beings, of so many worlds." 
  27. Takhar, Opinderjit (২০০৫)। Sikh Identity: An Exploration Of Groups Among Sikhs। Ashgate Publishing, Ltd.। পৃ: ১৪৩। আইএসবিএন 9780754652021 
  28. ২৮.০ ২৮.১ Chahal, Amarjit Singh (ডিসেম্বর ২০১১)। "Concept of Reincarnation in Guru Nanak's Philosophy"Understanding Sikhism – The Research Journal 13 (1-2): 52–59। সংগৃহীত ২৯ নভেম্বর ২০১৩ 
  29. Wilkinson, Philip (২০০৮)। Religions। Dorling Kindersley। পৃ: 209, 214–215। আইএসবিএন 978-0-7566-3348-6 
  30. House, H. Wayne (এপ্রিল ১৯৯১)। "Resurrection, Reincarnation, and Humanness"Bibliotheca Sacra 148 (590)। সংগৃহীত ২৯ নভেম্বর ২০১৩ 
  31. Singh, H. S. (২০০০)। The Encyclopedia of Sikhism। Hemkunt Press। পৃ: ৮০। আইএসবিএন 9788170103011 
  32. Kapoor, Sukhbir (২০০৫)। Guru Granth Sahib - An Advance Study Volume-I। Hemkunt Press। পৃ: ১৮৮। আইএসবিএন 9788170103172 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]