প্রবেশদ্বার:তুরস্ক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
A marina in Bodrum.

Türkiye Portalına Hoş Geldiniz    •  •  •   তুরস্ক প্রবেশদ্বারে স্বাগতম

Flag of Turkey
Location of Ukraine on the map of Asia

তুরস্ক (শুনুনi/ˈtɜːrki/; তুর্কী: Türkiye), সরকারী নাম প্রজাতন্ত্রী তুরস্ক (Turkish: এই শব্দ সম্পর্কে Türkiye Cumhuriyeti বা ত্যুর্কিয়ে জুম্‌হুরিয়েতি ), পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র। তুরস্কের প্রায় পুরোটাই এশীয় অংশে, পর্বতময় আনাতোলিয়া (তুর্কি: Antalya আন্তালিয়া) বা এশিয়া মাইনর উপদ্বীপে পড়েছে। তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা আনাতোলিয়াতেই অবস্থিত। তুরস্কের বাকী অংশের নাম পূর্ব বা তুর্কীয় থ্রাস এবং এটি ইউরোপের দক্ষিণ-পূর্ব কোনায় অবস্থিত। এই অঞ্চলটি উর্বর উঁচু নিচু টিলাপাহাড় নিয়ে গঠিত। এখানে তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তানবুল অবস্থিত। সামরিক কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি জলপথ এশীয় ও ইউরোপীয় তুরস্ককে পৃথক করেছে --- মার্মারা সাগর, এবং বসফরাস প্রণালীদার্দানেল প্রণালী। এই তিনটি জলপথ একত্রে কৃষ্ণ সাগর থেকে এজীয় সাগরে যাবার একমাত্র পথ তৈরি করেছে।

তুরস্ক মোটামুটি চতুর্ভুজাকৃতির। এর পশ্চিমে এজীয় সাগর ও গ্রিস; উত্তর-পূর্বে জর্জিয়া, আর্মেনিয়া ও স্বায়ত্বশাসিত আজারবাইজানি প্রজাতন্ত্র নাখচিভান; পূর্বে ইরান; দক্ষিণে ইরাক, সিরিয়াভূমধ্যসাগর। তুরস্কের রয়েছে বিস্তৃত উপকূল, যা দেশটির সীমান্তের তিন-চতুর্থাংশ গঠন করেছে।

তুরস্কের ভূমিরূপ বিচিত্র। দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিমে আছে উর্বর সমভূমি। পশ্চিমে আছে উঁচু, অনুর্বর মালভূমি। পূর্বে আছে সুউচ্চ পর্বতমালা। দেশের অভ্যন্তরের জলবায়ু চরমভাবাপন্ন হলেও ভূমধ্যসাগরের উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু মৃদু।

ইউরোপ সঙ্গমস্থলে অবস্থিত বলে তুরস্কের ইতিহাস ও সংস্কৃতির বিবর্তনে বিভিন্ন ধরনের প্রভাব পড়েছে। গোটা মানবসভ্যতার ইতিহাস জুড়েই তুরস্ক এশিয়া ও ইউরোপের মানুষদের চলাচলের সেতু হিসেবে কাজ করেছে। নানা বিচিত্র প্রভাবের থেকে তুরস্কের একটি নিজস্ব পরিচয়ের সৃষ্টি হয়েছে এবং এই সমৃদ্ধ সংস্কৃতির প্রভাব পড়েছে এখানকার স্থাপত্য, চারুকলা, সঙ্গীত ও সাহিত্যে। গ্রামীণ অঞ্চলে এখনও অনেক অতীত ঐতিহ্য ও রীতিনীতি ধরে রাখা হয়েছে। তবে তুরস্ক বর্তমানে একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এখানকার অধিকাংশ লোকের ধর্ম ইসলাম এবং মুখের ভাষা তুর্কি ভাষা।

বহু শতাব্দী ধরে তুরস্ক ছিল মূলত কৃষিপ্রধান একটি দেশ। বর্তমানে কৃষিখামার তুরস্কের অর্থনীতির একটি বড় অংশ এবং দেশের শ্রমশক্তির ৩৪% এই কাজে নিয়োজিত। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে তুরস্কে শিল্পসেবাখাতের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে, বিশেষত অর্থসংস্থান, পরিবহন, এবং পেশাদারী ও সরকারী সেবায়। অন্যদিকে কৃষির ভূমিকা হ্রাস পেয়েছে। টেক্সটাইল ও বস্ত্র শিল্প দেশের রপ্তানির প্রধান উৎস।

অর্থনৈতিক রূপান্তরের সাথে সাথে নগরায়নের হারও অনেক বেড়েছে। বর্তমানে তুরস্কের ৭৫% জনগণ শহরে বাস করে। ১৯৫০ সালেও মাত্র ২১% শহরে বাস করত। জনসংখ্যার ৯০% তুরস্কের এশীয় অংশে বাস করে। বাকী ১০% ইউরোপীয় অংশে বাস করে।

তুরস্কের ইতিহাস দীর্ঘ ও ঘটনাবহুল। প্রাচীনকাল থেকে বহু বিচিত্র জাতি ও সংস্কৃতির লোক এলাকাটি দখল করেছে। ১৯০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের দিকে এখানে হিটাইটদের বাস ছিল। তাদের সময়েই এখানে প্রথম বড় শহর গড়ে ওঠে। এরপর এখানে ফ্রিজীয়, গ্রিক, পারসিক, রোমান এবং আরবদের আগমন ঘটে। মধ্য এশিয়ার যাযাবর তুর্কি জাতির লোকেরা ১১শ শতকে দেশটি দখল করে এবং এখানে সেলজুক রাজবংশের পত্তন করে। তাদের শাসনের মাধ্যমেই এই অঞ্চলের জনগণ তুর্কি ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে মিশে যায়। ১৩শ শতকে মোঙ্গলদের আক্রমণে সেলজুক রাজবংশের পতন ঘটে। ১৩ শতকের শেষ দিকে এখানে উসমানীয় সাম্রাজ্যের পত্তন হয়। এরা পরবর্তী ৬০০ বছর তুরস্ক শাসন করে এবং আনাতোলিয়া ছাড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্য, পূর্ব ইউরোপ এবং উত্তর আফ্রিকার এক বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃতি লাভ করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর সাম্রাজ্যটির পতন ঘটে।

১৯২৩ সালে উসমানীয় সাম্রাজ্যের তুর্কিভাষী এলাকা আনাতোলিয়া ও পূর্ব থ্রাস নিয়ে মুস্তাফা কেমাল (পরবর্তীতে কেমাল আতাতুর্ক)-এর নেতৃত্বে আধুনিক তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯৩৮ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আতাতুর্ক তুরস্কের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তিনি একটি শক্তিশালী, আধুনিক ইউরোপীয় রাষ্ট্র হিসেবে তুরস্কের পরিচয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। তার সরকারের মূলনীতিগুলি কেমালবাদ নামে পরিচিত এবং এগুলি পরবর্তী সমস্ত তুরস্ক সরকারের জন্য নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করেছে। আতাতুর্কের একটি বিতর্কিত মূলনীতি ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা। কেমালের কট্টর অনুসারীরা মনে করেন ব্যক্তিগত জীবনের বাইরে ধর্মের স্থান নেই এবং রাজনৈতিক দলগুলির ধর্মীয় ইস্যু এড়িয়ে চলা উচিত।

১৯৫০-এর দশক থেকে রাজনীতিতে ধর্মের ভূমিকা তুরস্কের একটি বিতর্কিত ইস্যু। তুরস্কের সামরিক বাহিনী নিজেদেরকে কেমালবাদের রক্ষী বলে মনে করে এবং তারা ১৯৬০, ১৯৭১, ১৯৮০ এবং ১৯৯৭ সালে মোট চারবার তুরস্কের রাজনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষতার স্বার্থে হস্তক্ষেপ করেছে।


নির্বাচিত নিবন্ধ

১৯ শতকে ব্যবহৃত অটোম্যান কোট অব আর্মস

উসমানীয় সাম্রাজ্য (/ˈɒtəmən/; উসমানীয় তুর্কি: دَوْلَتِ عَلِيّهٔ عُثمَانِیّه, Devlet-i Aliyye-i Osmâniyye, আধুনিক তুর্কি: Osmanlı İmparatorluğu or Osmanlı Devleti), ঐতিহাসিকভাবে তুর্কি সাম্রাজ্য বা তুরস্ক বলে পরিচিত, ছিল একটি ইসলামি সাম্রাজ্য। ১২৯৯ সালে অঘুজ তুর্কি বংশোদ্ভূত প্রথম উসমান উত্তরপশ্চিম আনাতোলিয়ায় এই সালতানাত প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথম মুরাদ কর্তৃক বলকান জয়ের মাধ্যমে উসমানীয় সাম্রাজ্য বহুমহাদেশীয় সাম্রাজ্য হয়ে উঠে এবং খিলাফতের দাবিদার হয়। ১৪৫৩ সালে সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদের কনস্টান্টিনোপল জয় করার মাধ্যমে উসমানীয়রা বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য উচ্ছেদ করে।

১৬শ ও ১৭শ শতাব্দীতে বিশেষত সুলতান প্রথম সুলাইমানের সময় উসমানীয় সাম্রাজ্য দক্ষিণপূর্ব ইউরোপ, পশ্চিম এশিয়া, ককেসাস, উত্তর আফ্রিকা ও হর্ন অব আফ্রিকা জুড়ে বিস্তৃত একটি শক্তিশালী বহুজাতিক, বহুভাষিক সাম্রাজ্য ছিল। ১৭শ শতাব্দীর শুরুতে সাম্রাজ্যে ৩২টি প্রদেশ ও বেশ কয়েকটি অনুগত রাজ্য ছিল। এসবের কিছু পরে সাম্রাজ্যের সাথে একীভূত করে নেয়া হয় এবং বাকিগুলোকে কিছুমাত্রায় স্বায়ত্ত্বশাসন দেয়া হয়।

উসমানীয় সাম্রাজ্য ছয় শতাব্দী ধরে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের যোগাযোগের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করেছে। তবে দীর্ঘদিনব্যাপী ইউরোপীয়দের তুলনায় সামরিক ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ে। ধারাবাহিক অবনতির ফলে সাম্রাজ্য ভেঙে পড়ে এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যায়। এরপর আনাতোলিয়ায় নতুন প্রজাতন্ত্র হিসেবে আধুনিক তুরস্কের উদ্ভব হয়। বলকানমধ্যপ্রাচ্যে সাম্রাজ্যের সাবেক অংশগুলো বিভিন্ন নতুন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

নির্বাচিত ছবি

বাইজেন্টাইন যুগে কনস্টান্টিনোপল

কনস্টান্টিনোপল (গ্রিক: Κωνσταντινούπολις Konstantinoúpolis or Κωνσταντινούπολη Konstantinoúpoli; লাতিন: Constantinopolis; উসমানীয় তুর্কি: قسطنطینیه, Kostantiniyye; and modern তুর্কী: İstanbul) শহরটি ছিল রোমান সাম্রাজ্য, বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য, ল্যাটিন সাম্রাজ্যউসমানীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী। ৩২৪ খ্রিষ্টাব্দে সাবেক বাইজেন্টিয়ামে সম্রাট কন্সটান্টাইন কর্তৃক এটি পুনরায় উদ্বোধন করা হয়। তার নামে এটির নামকরণ করা হয় ও ৩৩০ এর ১১ মে উৎসর্গিত হয়। এটি ইউরোপের সর্ববৃহৎ ও সর্বাপেক্ষা ধনী শহর ছিল। আরও জানুন

ইতিহাস, ব্যক্তিত্ব, দর্শনীয় স্থান

গাঢ় লেখা
Seljuk Empire locator map.svg

মহান সেলজুক সাম্রাজ্য (অথবা সেল্ডজুক কখনো সেলজুক তুর্ক; তুর্কী ভাষায়: Selçuklular; ফার্সি ভাষায়: سلجوقيان সেলজুকাইন; আরবি ভাষায়: سلجوق সালজুক বা السلاجقة আল-সালাজিকা) সুন্নী মুসমান সাম্রাজ্য যারা ১১ শতক থেকে ১৪ শতক পর্যন্ত মধ্য এশিয়া এবং মধ্য প্রাচ্য শাসন করেছেন। আরও পড়ুন...

শিল্প

সুলতান আহমেদ মসজিদের সামনের অংশ

সুলতান আহমেদ মসজিদ (তুর্কি ভাষায়:Sultanahmet Camii) ইস্তানবুলের একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। মসজিদের অভ্যন্তরের দেওয়াল নীল রঙের টাইলস দিয়ে সুসজ্জিত বলে এই মসজিদটি ব্লু মস্ক বা নীল মসজিদ নামে পরিচিত। এটি ১৬০৯ থেকে ১৬১৬ সালের মধ্যে উসমানীয় সম্রাজ্যের সুলতান আহমেদ বখতি নির্মাণ করেন। মসজিদ কমপ্লেক্সে একটি মাদরাসা, একটি পান্থনিবাস এবং প্রতিষ্ঠাতার সমাধি অবস্থিত। যদিও বর্তমানে এটি মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তথাপি এটি ইস্তানবুলের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ। আরও পড়ুন

বিষয়শ্রেণী

নির্দিষ্ট কোন বিষয়শ্রেণীর উপবিষয়শ্রেণীগুলো দেখতে "+" চিহ্নে ক্লিক করুন। পূর্বাবস্থায় ফেরৎ যেতে "−" চিহ্নে ক্লিক করুন।


আপনি জানেন কি...

নির্বাচিত জীবনী

Ataturk1930s.jpg

মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক (১৯ মে ১৮৮১ (ধারণা) - ১০ নভেম্বর ১৯৩৮) ছিলেন উসমানীয় সামরিক কর্মকর্তা, বিপ্লবী রাজনীতিক, লেখক এবং তুরষ্কের প্রথম রাষ্ট্রপতি। তিনি আধুনিক তুর্কি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আতাতুর্ক একজন সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন।প্রথম বিশ্বযুদ্ধে উসমানীয় সাম্রাজ্যের পরাজয়ের পর তুরস্কের স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি তুর্কি জাতীয় আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। আঙ্কারায় একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর মাধ্যমে তিনি মিত্রশক্তির প্রেরিত বাহিনীকে পরাজিত করেন। তার সামরিক অভিযানের ফলে তুরস্ক স্বাধীনতা লাভ করে। আতাতুর্ক এরপর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেন। সাবেক উসমানীয় সাম্রাজ্যকে একটি আধুনিক, পশ্চিমা ও ধর্মনিরপেক্ষ জাতিরাষ্ট্রে রূপান্তর এই সংস্কারের উদ্দেশ্য ছিল। আতাতুর্কের সংস্কার আন্দোলনের মূলনীতির উপর আধুনিক তুরস্ক প্রতিষ্ঠিত। তার মতবাদ কামালবাদ নামে পরিচিত।

নির্বাচিত ভিডিও

মুগলার ওলুদেনিয অঞ্চলে প্যারাগ্লাইডিং।

নির্বাচিত স্থান

হাজিয়া সোফিয়া

হাজিয়া সোফিয়া (গ্রিক: Ἁγία Σοφία, "পবিত্র জ্ঞান"; লাতিন: Sancta Sophia বা Sancta Sapientia; তুর্কী: Ayasofya) মধ্যযুগের রোম স্রামাজ্যের সাবেক রাজধানী ইস্তাম্বুলের (বর্তমান তুরস্ক) প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত একটি মসজিদ যেটি আদিতে গির্জা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।।এটি স্থাপন করা হয়েছিল মূলত অর্থোডক্স গির্জা হিসেবে। এই স্থাপনাটি অর্থোডক্স গির্জা হিসেবে স্থাপনের পর থেকে ১২০৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়। এর এটিকে ক্যাথলিক গির্জায় রুপান্তর করা হয় ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে, যা ১২৬১ সাল পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়। তারপর এটি পুনরায় অর্থোডক্স গির্জায় রূপান্তর করা হয়, যার মেয়াদকাল ১২৬১-১৪৫৩ সাল পর্যন্ত। কিন্তু এর পর মানে পঞ্চদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি তুরস্ক মুসলিম সাম্রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত হয়। ফলে এই স্থাপনাটিকে মসজিদে রুপান্তর করা হয়। যার নতুন নামকরণ হয় "ইম্পিরিয়াল মসজিদ", যা প্রায় ৫০০ বছর স্থায়ী হয়।
হাজিয়া সোফিয়া সম্পর্কে আরও পড়ুন

সংস্কৃতি, শিল্পকলা, রন্ধনশৈলী

ওরহান পামুক

ফেরিত ওরহান পামুক (সাধারনত ওরহান পামুক নামে পরিচিত; জন্ম ৭ জুন ১৯৫২) একজন তুর্কি ঔপন্যাসিক, চিত্রনাট্য সম্পাদক, শিক্ষক এবং ২০০৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। তিনি তুরস্কের অন্যতম প্রধান লেখক, বিশ্বের ৬০টিরও অধিক ভাষায় তাঁর ১১ মিলিয়নের (১কোটি ১০ লক্ষ) বেশি বই বিক্রি হয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে তিনি পরিণত হয়েছেন তুরস্কের সবচেয়ে প্রচারিত কথাসাহিত্যকে।

ইস্তাম্বুল এ জন্ম নেয়া পামুক দ্য হোয়াইট ক্যাসেল, দ্য ব্ল্যাক বুক, দ্য নিউ লাইফ, মাই নেম ইজ রেড, স্নোদ্য মিউজিয়াম অব ইনোসেন্স এর রচয়িতা।

সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার ছাড়াও (নোবেল প্রাপ্ত প্রথম তুর্কি) পামুক অজস্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। মাই নেম ইজ রেড ২০০২ সালে Prix du Meilleur Livre Étranger, Premio Grinzane Cavour এবং ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ইম্প্যাক ডাবলিন সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করে।

ইউরোপীয় রাইটার্স' পার্লামেন্ট বা (ইউরোপীয় লেখকদের সংসদ) পামুক এবং হোসে সারামাগো এর যৌথ প্রস্তাবনার ফসল। অটোমান সাম্রাজ্য-এ আর্মেনিয় গণহত্যা সম্পর্কে মন্তব্য করায় ২০০৫ সালে তুরস্কে তাঁকে বিচারের সম্মুখীন হতে হয়। পামুকের নিজস্ব বক্তব্য, জন্মভূমিতে বাক-স্বাধীনতা এর অভাবের প্রতি আলোকপাত করাই তাঁর উদ্দেশ্য ছিল। এর ফলশ্রুতিতে মিছিলে তাঁর বই পোড়ানো হয়। তাঁকে হত্যার চেষ্টাও করা হয়।

(ওরহান পামুক সম্পর্কে আরও জানুন)

উক্তি

তুর্কি প্রবাদ


উইকিউক্তিতে তুর্কি প্রবাদ

পঠনের জন্য কিছু নিবন্ধ

Featured article star.svg মোল্লা নাসিরুদ্দিন, প্রথম সুলাইমান, তুরস্ক, তুর্কি ভাষা, আল্প আরসালান, বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য, রোক্সেলানা, রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান, তুর্কীয় জাতিসমূহ, তুরস্কের স্বাধীনতা যুদ্ধ, গ্যালিপলির যুদ্ধ, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক, সাইদ নুরসি, নাজিমউদ্দিন এরবাকান, প্রথম মুহাম্মদ (উসমানীয় সুলতান), কনস্টান্টিনোপল বিজয়, মুহতেশেম ইউযিউয়েল, ফেতিহ ১৪৫৩, ফাতিহ আকিন, মেসুত ওজিল, আরদা তুরান, উসমানীয়-ওয়াহাবি যুদ্ধ, আদনান ওকতার, ফেতুল্লাহ গুলেন

তুর্কি উইকিপিডিয়া

Wikipedia-logo-tr.png
এখানে উন্মুক্ত বিশ্বকোষ, উইকিপিডিয়ার একটিতুর্কি সংস্করণ রয়েছে।

সম্পর্কিত প্রবেশদ্বার


বিবিধ প্রসঙ্গ প্রতিবেশী দেশ প্রবেশদ্বার সহযোগী সংগঠন

Flag of Turkey.svg  আংকারা
Flag of Turkey.svg  ইস্তাম্বুল
Flag of Turkey.svg  তুর্কি সশস্ত্র বাহিনী
Osmanli-nisani.svg  উসমানীয় সাম্রাজ্য
Osmanli-nisani.svg  উসমানীয় সাম্রাজ্যের সেনাবাহিনী
Seljuqs Eagle.svg  সেলজুক সাম্রাজ্য

আর্মেনিয়া  আর্মেনিয়া
আজারবাইজান  আজারবাইজান
বুলগেরিয়া  বুলগেরিয়া
সাইপ্রাস  সাইপ্রাস
জর্জিয়া (রাষ্ট্র)  জর্জিয়া
গ্রিস  গ্রিস
ইরান  ইরান
ইরাক  ইরাক
সিরিয়া  সিরিয়া

NATO  ন্যাটো

অন্যান্য উইকিমিডিয়া ও উইকিপ্রবেশদ্বার

উইকিসংবাদে তুরস্ক   উইকিউক্তিতে তুরস্ক   উইকিবইয়ে তুরস্ক   উইকিসংকলনে তুরস্ক   উইকিঅভিধানে তুরস্ক   উইকিবিশ্ববিদ্যালয়ে তুরস্ক   উইকিমিডিয়া কমন্সে তুরস্ক উইকিউপাত্তে তুরস্ক উইকিভ্রমণে তুরস্ক
উন্মুক্ত সংবাদ উৎস উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন উন্মুক্ত পাঠ্যপুস্তক ও ম্যানুয়াল উন্মুক্ত পাঠাগার অভিধান ও সমার্থশব্দকোষ উন্মুক্ত শিক্ষা মাধ্যম মুক্ত মিডিয়া ভাণ্ডার উন্মুক্ত জ্ঞানভান্ডার উন্মুক্ত ভ্রমণ নির্দেশিকা
Wikinews-logo.svg
Wikiquote-logo.svg
Wikibooks-logo.png
Wikisource-logo.svg
Wiktionary-logo.svg
Wikiversity-logo.svg
Commons-logo.svg
Wikidata-logo.svg
Wikivoyage-Logo-v3-icon.svg
সার্ভার ক্যাশ শোধন করুন