আনোয়ারা (অভিনেত্রী)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
আনোয়ারা
জন্ম আনোয়ারা জামাল
(১৯৪৮-০৬-০১) ১ জুন ১৯৪৮ (বয়স ৬৯)
কুমিল্লা, পূর্ব পাকিস্তান ( বর্তমান বাংলাদেশ)
বাসস্থান কাকরাইল, ঢাকা, বাংলাদেশ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
পেশা অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী
কার্যকাল ১৯৬১- বর্তমান
উল্লেখযোগ্য কাজ নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা
গোলাপী এখন ট্রেনে
শুভদা
দাম্পত্য সঙ্গী মহিতুল ইসলাম
(১৯৭২ - বর্তমান)
সন্তান মুক্তি (অভিনেত্রী) [১]
পিতা-মাতা জামাল উদ্দিন
ফরিদুন্নেসা
পুরস্কার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (৮ বার)

আনোয়ারা জামাল[২] (জন্মঃ ১ জুন ১৯৪৮), যিনি আনোয়ারা নামেই অধিক পরিচিত, একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী এবং নৃত্যশিল্পী।[৩] তিনি মোট ৮ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

আনোয়ারা ১৯৪৮ সালের ১ জুন কুমিল্লাতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা জামাল উদ্দিন ও মা ফরিদুন্নেসা। তার বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে[৪]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

ষাটের দশকে বাংলা চলচ্চিত্রে আনোয়ারার আগমন ঘটে। তার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে একজন নৃত্যশিল্পী হিসেবে। ১৯৬১ সালে ১৪-১৫ বছর বয়সে অভিনেতা আজিমের মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্রে আসেন। [৫] এসময় তিনি পরিচালক ফজলুল হকের "আজান" চলচ্চিত্রে প্রথম নৃত্যশিল্পী হিসেবে কাজ করেন। [৪] নাচ শিখেছেন ওস্তাদ দেব কুমার এর কাছে। চলচ্চিত্রটি মুক্তি দেওয়ার সময় এর নাম পরিবর্তন করে ‘উত্তরণ’ রাখা হয়। তবে ‘উত্তরণ’ চলচ্চিত্রটি পরে মুক্তি পায়নি। তার অভিনীত প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘নাচঘর’। [৪] এ চলচ্চিত্রেও তিনি নৃত্যশিল্পী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল জব্বার খান ছিলেন এ চলচ্চিত্রের পরিচালক। উর্দু ভাষার এ চলচ্চিত্রটি ১৯৬৩ সালে মুক্তি পায়। একই বছরে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রীত না জানে রীত’ চলচ্চিত্রেও নৃত্যশিল্পী হিসেবে ছিলেন। এর পরে তিনি বেশ কিছু উর্দু ও বাংলা চলচ্চিত্রে কাজ করেন। ১৯৬৪ সালে তিনি জহির রায়হানের সংগম চলচ্চিত্র প্রথম সহ-অভিনেত্রী হিসেবে অভিনয় করেন। [২] ১৯৬৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জানাজানি’ চলচ্চিত্রটি তার জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য ছবি। ওই ছবিতে তার নায়ক ছিলেন শওকত আকবর। ১৯৬২ - ১৯৬৬ সালে তিনি মোট ১৯টি চলচ্চিত্রে বিভিন্ন পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন।

১৯৬৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত "বালা" নামের একটি চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। [৩] তার বিপরীতে ছিলেন হায়দার শফি। নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা চলচ্চিত্রটি ছিল আনোয়ারার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট। এ চলচ্চিত্রে তিনি আলেয়া চরিত্রে অভিনয় করেন। [২] তার বিপরীতে খ্যাতিমান অভিনেতা আনোয়ার হোসেন নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা চরিত্রে অভিনয় করেন। [৬] তৎকালীন সমগ্র পাকিস্তান জুড়ে চলচ্চিত্রটি অভাবনীয় ব্যবসা সফলতা লাভ করে। ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে এ চলচ্চিত্রটি উর্দুতেও চিত্রায়িত হয়। [২] এভাবে, চলচ্চিত্রটি লাহোর, করাচি, কোয়েটা, মুলতান, পেশোয়ারে মুক্তির পরে তত্কালীন পশ্চিম পাকিস্তানেও আনোয়ারার নামধাম ছড়িয়ে পড়ে। এর পরে বহুবার নবাব সিরাজউদ্দৌর মঞ্চায়ন হয়েছে। আলেয়া চরিত্রে তিনি ছিলেন নির্ধারিত।

আনোয়ারার চলচ্চিত্র জীবনের আরও ৩টি উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হচ্ছে ১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত গোলাপী এখন ট্রেনে , ১৯৮২ মুক্তিপ্রাপ্ত দেবদাস ও ১৯৮৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত শুভদা। গোলাপী এখন ট্রেনে চলচ্চিত্রটি ১৯৭৮ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অণুষ্ঠানে সেরা চলচ্চিত্র সহ ১০টি বিভাগে পুরস্কার লাভ করেন। এর মধ্যে তিনি সেরা পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী হিসেবে পুরস্কার লাভ করেন। এ চলচ্চিত্রে তিনি "ময়না বু" চরিত্রে অভিনয় করেন। [৭] চাষী নজরুল ইসলামের দেবদাস চলচ্চিত্রে তিনি চন্দ্রাবতী চরিত্রে অভিনয় করেন। [২] একই পরিচালকের শুভদা চলচ্চিত্রে তিনি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন। [৭] এ চলচ্চিত্রটি ১৯৮৭ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অণুষ্ঠানে সেরা চলচ্চিত্রসহ ১১টি বিভাগে পুরস্কার লাভ করেন আনোয়ারা এ চলচ্চিত্রে "সেরা অভিনেত্রী" হিসেবে পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৭২ এর পরে তিনি ভাবী, চাচী, শাশুড়ি ও মায়ের চরিত্রেই বেশি উপস্থিত হয়েছেন। এই চরিত্রগুলোতেই তিনি বেশি সফল হয়েছেন বলে মনে করেন। ১৯৭৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত নয়নমনি চলচ্চিত্রে আনোয়ারা চাচিমা চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেন। অধিকাংশ চলচ্চিত্রেই তিনি অভিনয় করেছেন মায়ের ভূমিকায়। ১৯৮৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত "অন্তরে অন্তরে" চলচ্চিত্রে আনোয়ারা সর্বপ্রথম দাদীমা চরিত্রে অভিনয় করেন। [৭]

আনোয়ারা তার প্রায় পঞ্চাশ বছরের অভিনয়জীবনে সাড়ে ছয়শ'র ও অধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। [৮] অসংখ্য মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেছেন ও বেশকিছু টেলিভিশন নাটকেও কাজ করেছেন। একবার সেরা অভিনেত্রী সহ মোট আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন তিনি। চলচ্চিত্রগুলো হচ্ছে, গোলাপী এখন ট্রেনে (১৯৭৮), সুন্দরী (১৯৭৯), শখিনার যুদ্ধ (১৯৮৪), শুভদা (১৯৮৬), মরণের পরে (১৯৯০), রাধাকৃষ্ণ (১৯৯২), বাংলার বধু (১৯৯৩) ও অন্তরে অন্তরে (১৯৯৪) । [৪][৫] এছাড়াও তিনি কিউট-চ্যানেল আই চলচ্চিত্র মেলা পুরস্কার (২০১০) ও টেলিভিশন রিপোর্টার্ন এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ট্র্যাব কর্তৃক আয়োজিত "ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড" (২০১১) লাভ করেন। দুটিই থেকেই তাকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করে। [৮][৯]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

১৯৭২ সালে মুহিতুল ইসলাম মুহিতের সাথে আনোয়ারার বিয়ে হয়। [২] তাদের একমাত্র সন্তানের নাম মুক্তি। তিনিও একজন অভিনেত্রী। [১] তার একমাত্র নাতনী কারিমা ইসলাম দরদী।

চলচ্চিত্রের তালিকা[সম্পাদনা]

বছর চলচ্চিত্র পরিচালক সহ-শিল্পী চরিত্র নোট
১৯৬২ আজান ফজলুল হক নৃত্যশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেন (চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়নি)
১৯৬৩ নাচঘর আব্দুল জব্বার খান শবনম, মুস্তফা নৃত্যশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেন (উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র)[১০]
প্রীত না জানে রীত মাসুদ চৌধুরী খলিল, শবনম নৃত্যশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেন (উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র)[১১]
১৯৬৪ সংগম জহির রায়হান সোহেল, খলিল, রোজী প্রথম সহঅভিনেত্রী হিসেবে অভিনয় করেন।
শীত বিকেল নাজনীন
শাদী কায়সার পাশা নাসিমা খান, দীবা, চিত্রা উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র
বন্ধন কাজী জহির আনোয়ার হোসেন, মুস্তফা, চিত্রা উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র
মিলন রহমান দীবা, রহমান, সুভাষ দত্ত উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র
১৯৬৫ কাজল নজরুল ইসলাম খলিল, শবনম অতিরিক্ত শিল্পী
একালের রূপকথা অতিরিক্ত শিল্পী
জানাজানি শওকত আকবর
ক্যায়সে কাহু মোহাম্মদ সাদিক খান শবনম, খলিল, সুভাষ দত্ত উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র
সাতরং ফতেহ লোহানী সুলতানা জামান, আজিম, কাজী খালেক উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র
১৯৬৬ কার বউ রাজ্জাক, খলিল, টেলিসামাদ
কাগজের নৌকা সুভাষ দত্ত
১৩নং ফেকু ওস্তাগার লেন বশীর হোসেন বেবী জামান, সুজাতা, রাজ্জাক
বেগানা এস, এম, পারভেজ শবনম, খলিল, আনোয়ার হোসেন উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র
ভাওয়াল সন্ন্যাসী খলিল
ভাইয়া কাজী জহির আনোয়ার হোসেন, চিত্রা উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র
১৯৬৭ নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা খান আতাউর রহমান আনোয়ার হোসেন আলেয়া
বালা শিবলী সাদিক প্রথম নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ
১৯৬৮ বাঁশরী কাজী জহির কবরী
১৯৭১ মেহেরবান কাজী জহির রাজ্জাক, শাবানা
১৯৭৫ চাষীর মেয়ে বাবুল চৌধুরী শাবানা, প্রবীর মিত্র, আলমগীর
১৯৭৬ নয়নমনি আমজাদ হোসেন ফারুক, ববিতা, টেলিসামাদ
১৯৭৮ গোলাপী এখন ট্রেনে আমজাদ হোসেন ববিতা, ফারুক, আনোয়ার হোসেন ময়না বু
জননী শাবানা
ডুমুরের ফুল সুভাষ দত্ত
১৯৭৯ সুন্দরী
১৯৮১ জন্ম থেকে জ্বলছি আমজাদ হোসেন বুলবুল আহমেদ, ববিতা
১৯৮২ দেবদাস চাষী নজরুল ইসলাম বুলবুল আহমেদ, কবরী চন্দ্রমুখী
আশার আলো নুরুল হক বাচ্চু রাজ্জাক, শাবানা, আলমগীর
১৯৮৩ লাল কাজল মতিন রহমান শাবানা
১৯৮৪ ভাত দে আমজাদ হোসেন আলমগীর, শাবানা
শখিনার যুদ্ধ আমজাদ হোসেন
১৯৮৬ শুভদা চাষী নজরুল ইসলাম বুলবুল আহমেদ, রাজ্জাক, শবনম শুভদা
১৯৯০ মরণের পরে
১৯৯২ রাধাকৃষ্ণ
১৯৯৩ বাংলার বধূ
১৯৯৪ সুজন শখি শাহ আলম কিরণ সালমান শাহ, শাবনূর
অন্তরে অন্তরে শিবলী সাদিক সালমান শাহ, মৌসুমী, রাজীব দাদিমা
১৯৯৭ প্রেম পিয়াসী রেজা হাসমত বুলবুল আহমেদ, রাজ্জাক, শবনম
১৯৯৯ শ্রাবণ মেঘের দিন হুমায়ূন আহমেদ জাহিদ হাসান, শাওন, মুক্তি, মাহফুজ
২০০৫ মমতাজ উত্তম আকাশ মমতাজ,
২০০৬ দাদীমা এফ আই মানিক শাকিব খান, অপু বিশ্বাস দাদীমা
জবাব দে আবুল খায়ের বুলবুল ওমর সানি, রুবেল
২০০৭ চক্কর
২০০৮ তুমি স্বপ্ন তুমি সাধনা
সমাধি শাহীন, সুমন শাকিব খান, শাবনূর
মায়ের স্বপ্ন ইলিয়াস কাঞ্চন ইলিয়াস কাঞ্চন, ফেরদৌস, পপি
২০০৯ বলবো কথা বাসর ঘরে
কাজের মানুষ
মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবি এফ আই মানিক শাকিব খান, অপু বিশ্বাস
২০১০ এক জবান এফ আই মানিক ডিপজল, রেসি
২০১১ আমার পৃথিবী তুমি
২০১৩ পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী সাফি উদ্দিন সাফি রাজ্জাক, শাকিব খান মিসেস শিকদার
২০১৪ মাই নেম ইজ সিমি মনতাজুর রহমান আকবর সিমি, জায়েদ খান, মিশা সওদাগর
২০১৫ চিনি বিবি নজরুল ইসলাম বাবু মিষ্টি জান্নাত
অপরাধী বাদশাহ জাদু আজাদ জায়েদ খান
১৯xx মা
অগ্নিশিখা
কার পাপে
নদের চাঁদ খলিল
নবাব
কসাই
ঈদ মোবারক
জারকা
দীন দুনিয়া
গরিবের মেয়ে কাজী জহির শাবানা

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

বছর পুরস্কার বিভাগ চলচ্চিত্র ফলাফল
১৯৭৮ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সেরা পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী গোলাপী এখন ট্রেনে বিজয়ী
১৯৭৯ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সেরা পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী সুন্দরী বিজয়ী
১৯৮৪ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সেরা পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী শখিনার যুদ্ধ বিজয়ী
১৯৮৬ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সেরা অভিনেত্রী শুভদা বিজয়ী
১৯৯০ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সেরা পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী মরণের পরে বিজয়ী
১৯৯২ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সেরা পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী রাধাকৃষ্ণ বিজয়ী
১৯৯৩ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সেরা পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী বাংলার বধু বিজয়ী
১৯৯৪ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার সেরা পার্শ্বচরিত্রে অভিনেত্রী অন্তরে অন্তরে বিজয়ী
২০১০ কিউট-চ্যানেল আই চলচ্চিত্র মেলা পুরস্কার আজীবন সম্মাননা সকল চলচ্চিত্র বিজয়ী
২০১১ ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড আজীবন সম্মাননা সকল চলচ্চিত্র বিজয়ী

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "মুক্তি - বাংলা মুভি ডাটাবেজ"। Bangla Movie Database। সংগৃহীত ৮ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  2. "কিংবদন্তি : বাংলার আলেয়া আনোয়ারা"। Daily Amardesh। ৫ আগস্ট ২০১০। সংগৃহীত ৮ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  3. "আনোয়ারা - বাংলা মুভি ডাটাবেজ"। Bangla Movie Database। সংগৃহীত ৮ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  4. "আনোয়ারার সঙ্গে কিছুক্ষণ"। ৩০ জানুয়ারি ২০১৪। সংগৃহীত ৮ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  5. "আলেয়ার আলোয় আনোয়ারা"। ২১ নভেম্বর ২০১৩। সংগৃহীত ৮ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  6. "স্মৃতিতে নবাব সিরাজউদ্দৌলা"। ২৩ জুন ২০১৩। সংগৃহীত ৮ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  7. "সত্যিই দাদিমা হয়ে গেছি"। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। সংগৃহীত ৮ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  8. "১৯ ডিসেম্বর তৃতীয় চলচ্চিত্র মেলা : আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন আনোয়ারা"। ১৯ ডিসেম্বর ২০১০। সংগৃহীত ৮ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  9. "আজ ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড প্রদান অণুষ্ঠান"। ২৩ এপ্রিল ২০১২। সংগৃহীত ৮ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  10. "Naach Ghar - Motion Picture Archive of Pakistan"। সংগৃহীত ৮ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  11. "Preet Na Jane Reet - Motion Picture Archive of Pakistan"। সংগৃহীত ৮ ডিসেম্বর ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]