সালমান শাহ
সালমান শাহ | |
|---|---|
৯০ এর দশকে সালমান শাহ | |
| জন্ম | চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ |
| মৃত্যু | ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ (বয়স ২৪) ইস্কাটন প্লাজা, ঢাকা, বাংলাদেশ |
| সমাধি | শাহ জালাল (র.) মাজার প্রাঙ্গণ, সিলেট, বাংলাদেশ |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশী |
| অন্যান্য নাম |
|
| মাতৃশিক্ষায়তন | আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ |
| পেশা | মডেল, অভিনেতা, গায়ক |
| কর্মজীবন | ১৯৮৬ – ১৯৯৬ |
উল্লেখযোগ্য কর্ম | কেয়ামত থেকে কেয়ামত বিক্ষোভ সুজন সখি স্বপ্নের ঠিকানা কন্যাদান জীবন সংসার এই ঘর এই সংসার সত্যের মৃত্যু নেই আনন্দ অশ্রু |
| দাম্পত্য সঙ্গী | সামিরা হক (বি. ১৯৯২–১৯৯৬) |
| পিতা-মাতা |
|
| স্বাক্ষর | |
![]() | |
চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ – ৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬), মঞ্চনাম সালমান শাহ হিসেবেই অধিক জনপ্রিয়, ছিলেন একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা ও মডেল। তাকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম প্রতিভাবান, জনপ্রিয়, সফল এবং কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[১][২][৩] টেলিভিশন নাটক দিয়ে তার অভিনয়জীবন শুরু হলেও ১৯৯০-এর দশকে তিনি চলচ্চিত্রে অন্যতম জননন্দিত শিল্পী হয়ে উঠেন। ১৯৯৩ সালে তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তি পায়। একই ছবিতে নায়িকা মৌসুমী ও গায়ক আগুনের অভিষেক হয়।[৪] সাড়ে তিন বছরের মত স্বল্প সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি সর্বমোট ২৭টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন যার অধিকাংশই ছিল ব্যবসা সফল।
সালমান শাহকে গণমাধ্যমে "বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের রাজপুত্র", "নায়কদের নায়ক", "আধুনিক ঢালিউডের প্রথম সুপারস্টার", "অমর মহানায়ক" এবং "স্বপ্নের নায়ক" উপাধিতে ব্যক্ত করা হয়।[৫][৬] জনপ্রিয় এই নায়ক নব্বইয়ের দশকের বাংলাদেশে সাড়া জাগানো অনেক চলচ্চিত্র যেমন: বিক্ষোভ, সুজন সখি, কন্যাদান, স্বপ্নের ঠিকানা, মায়ের অধিকার, এই ঘর এই সংসার, সত্যের মৃত্যু নেই, আনন্দ অশ্রু ইত্যাদি তে অভিনয় করার মাধ্যমে দেশের শীর্ষ তারকায় পরিণত হন।[৭] তিনি পারিবারিক গল্প, কমেডি, সামাজিক ও রাজনৈতিক গল্প, অ্যাকশনধর্মী চলচ্চিত্র, গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত গল্প, আসন্ন যুগের গল্প, রোমান্স এবং ট্র্যাজেডির মতো বিভিন্ন ঘরানার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।[৮] তাকে একাধারে প্রভৃতি প্রকৃতির চলচ্চিত্রে দেখা যেত যেখানে তিনি নিজের বহুমুখী অভিনয় প্রতিভা, আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন ধরনের চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে নিজের সক্ষমতার পরিচয় দেন।[৯] ফলস্বরূপ ব্যবসায়িক সাফল্য ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেন এবং ঢালিউডে সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক নেয়া অভিনেতায় পরিণত হন। তার তিনটি চলচ্চিত্র স্বপ্নের ঠিকানা, সত্যের মৃত্যু নেই এবং কেয়ামত থেকে কেয়ামত ঢালিউড বক্স অফিসে সর্বকালের শীর্ষ দশটি সর্বোচ্চ ব্যবসা সফল চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে।[১০] তিনি সর্বস্তরের জনগণের কাছে নিজের গ্রহণযোগ্যতা ও ফ্যাশন সেন্স এর জন্য বিখ্যাত হন। গণমাধ্যমে তাকে বাংলাদেশের সেরা ফ্যাশন আইকন হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা অর্থপূর্ণ সিনেমার একটি নতুন ব্র্যান্ড প্রবর্তন এবং আধুনিক যুগের নায়কদের অনুপ্রাণিত করার জন্য সালমান এবং তার শৈল্পিকতা ও ফ্যাশনকে কৃতিত্ব দেন।[১১] তার অভিনয় দক্ষতা, অভূতপূর্ব সফলতা, ক্রমশ বর্ধমান জনপ্রিয়তা, কালজয়ী প্রভাব, খ্যাতির বিস্তৃতি এর কারণে তাকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ, প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় অভিনেতার খেতাব দেয়া হয়।[১২][১৩] খ্যাতির চূড়ায় থাকাকালীন তিনি ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন।[১৪] দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২৯ বছর পর অর্থাৎ ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর মামলার রায় হয়। এই রায়ে খলনায়ক ডন ও সালমানের সাবেক স্ত্রীসহ ১১ জন আসামীকে দোষী সাব্যস্ত করে হত্যা মামলার রায় দেওয়া হয়।
প্রাথমিক জীবন
[সম্পাদনা]জন্ম
[সম্পাদনা]সালমান শাহর জন্ম ১৯৭১ সালে ১৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের সিলেট শহরে দাড়িয়া পাড়াস্থ তার নানা বাড়ি আব এ হায়াত ভবনে, যা এখন সালমান শাহ্ ভবন হিসেবে পরিচিত।[১৫] তার পিতা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মাতা নীলা চৌধুরী। তিনি পরিবারের বড় ছেলে। তার জন্মনাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন, কিন্তু চলচ্চিত্র জীবনে আসার পর তিনি সালমান শাহ নাম গ্রহণ করেন।[১৬]
শিক্ষা
[সম্পাদনা]সালমান পড়াশুনা করেন খুলনার বয়রা মডেল হাইস্কুলে। একই স্কুলে চিত্রনায়িকা মৌসুমী তার সহপাঠী ছিলেন।[১৭] ১৯৮৭ সালে তিনি ঢাকার ধানমন্ডি আরব মিশন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। পরে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট ও ধানমন্ডির মালেকা সায়েন্স কলেজ (বর্তমান ডক্টর মালিকা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ) থেকে বি.কম. পাস করেন।[১৮]
পারিবারিক জীবন
[সম্পাদনা]সালমান শাহ ১২ আগস্ট ১৯৯২ তার খালার বান্ধবীর মেয়ে সামিরা হককে বিয়ে করেন। সামিরা হক ছিলেন একজন বিউটি পার্লার ব্যবসায়ী। তিনি সালমানের ২টি চলচ্চিত্রে তার পোশাক পরিকল্পনাকারী হিসেবে কাজ করেন।[১৮] সালমান নিত্যনতুন সঙ্গীত, ফ্যাশন এবং মোটরসাইকেল ও গাড়ির প্রতি শৌখিন ছিলেন। ইন্ডাস্ট্রিতে তার সহকর্মীরা সবার প্রতি তার বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার, হৃদয়গ্রাহী মনোভাব এবং সহায়তাসুলভ আচরণের কথা উল্লেখ করেছেন।[১৯] সালমান শাহ এর সাথে ভারতীয় অভিনেতা শাহরুখ খান এর খুব ভাল সম্পর্ক ছিল এবং ১৯৯৫ সালে তিনি শাহরুখের মুম্বাই এর বাড়িতে গিয়েছিলেন।[২০]
অভিনয় জীবন
[সম্পাদনা]মডেলিং
[সম্পাদনা]সালমান শাহ সর্বপ্রথম ১৯৮৬ সালে পাবলিক টেলিভিশন বিটিভি তে হানিফ সংকেত এর ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি-এর জন্য একটি মিউজিক ভিডিওর মডেল হিসেবে পর্দায় আবির্ভাব ঘটান। পরে তিনি বেশ কয়েকটি টিভি বিজ্ঞাপনে কাজ করেন এবং বিভিন্ন স্টেজ শোতে মডেল হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।[২১]
নাটকে অভিনয়
[সম্পাদনা]সালমান ১৯৮৫ সালে বিটিভির আকাশ ছোঁয়া নাটক দিয়ে অভিনয়ের যাত্রা শুরু করেন। পরে দেয়াল (১৯৮৫), সব পাখি ঘরে ফিরে (১৯৮৫), সৈকতে সারস (১৯৮৮), নয়ন (১৯৯৫), স্বপ্নের পৃথিবী (১৯৯৬) নাটকে অভিনয় করেন।[১৬] নয়ন নাটকটি সে বছর শ্রেষ্ঠ একক নাটক হিসেবে বাচসাস পুরস্কার লাভ করে।[২২] এছাড়া তিনি ১৯৯০ সালে মঈনুল আহসান সাবের রচিত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত পাথর সময় ও ১৯৯৪ সালে ইতিকথা ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেন।[১৮]
চলচ্চিত্রে অভিষেক
[সম্পাদনা]প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সোহানুর রহমান সোহানের হাত ধরে সালমান শাহ চলচ্চিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আনন্দ মেলা তিনটি হিন্দি ছবি সনম বেওয়াফা, দিল ও কেয়ামত সে কেয়ামত তক এর মেধাস্বত্ব নিয়ে সোহানের কাছে আসে এর যে-কোনো একটির বাংলা পুনঃনির্মাণ করার জন্য। কিন্তু তিনি উক্ত ছবিগুলোর জন্য উপযুক্ত নায়ক-নায়িকা খুঁজে না পেয়ে সম্পূর্ণ নতুন মুখ দিয়ে ছবি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। নায়িকা হিসেবে মৌসুমীকে নির্বাচিত করলেও নায়ক খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তখন নায়ক আলমগীরের সাবেক স্ত্রী খোশনূর আলমগীর 'ইমন' নামে একটি ছেলের সন্ধান দেন। প্রথম দেখাতেই তাঁকে পছন্দ করে ফেলেন পরিচালক এবং সনম বেওয়াফা ছবির জন্য প্রস্তাব দেন, কিন্তু যখন ইমন 'কেয়ামত সে কেয়ামত তক' ছবির কথা জানতে পারেন তখন তিনি উক্ত ছবিতে অভিনেয়র জন্য পীড়াপীড়ি করেন। তার কাছে 'কেয়ামত সে কেয়ামত তক' ছবি এতই প্রিয় ছিলো যে তিনি মোট ২৬ বার ছবিটি দেখেছেন বলে পরিচালক কে জানান। শেষ পর্যন্ত পরিচালক সোহানুর রহমান তাঁকে নিয়ে কেয়ামত থেকে কেয়ামত চলচ্চিত্রটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন এবং ইমন নাম পরিবর্তন করে সালমান শাহ রাখা হয়।[২৩] পরে মৌসুমীর বিপরীতে তিনি আরও তিনটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ছবি তিনটি হলো অন্তরে অন্তরে (১৯৯৪), স্নেহ (১৯৯৪) ও দেনমোহর (১৯৯৫)। শিবলী সাদিক পরিচালিত অন্তরে অন্তরে হিন্দি চলচ্চিত্র আও পেয়ার করের অনানুষ্ঠানিক পুনঃনির্মাণ, স্নেহ পরিচালনা করেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও শফি বিক্রমপুরী পরিচালিত দেনমোহর হিন্দি চলচ্চিত্র সনম বেওয়াফার আনুষ্ঠানিক পুনঃনির্মাণ।[২৪]
চলচ্চিত্রে সাফল্য
[সম্পাদনা]তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র জহিরুল হক ও তমিজউদ্দিন রিজভী পরিচালিত তুমি আমার চলচ্চিত্রটি ব্যবসাসফল হয়। পরিচালক জহিরুল হক চলচ্চিত্রটির কিছু অংশ নির্মাণ করার পর মারা যান। পরে তমিজউদ্দিন রিজভী বাকি কাজ শেষ করেন।[২৫] এই চলচ্চিত্রে প্রথমবারের মতো তার বিপরীতে অভিনয় করেন শাবনূর।[২৬] পরে তার সাথে জুটি বেঁধে একে একে সুজন সখি (১৯৯৪), বিক্ষোভ (১৯৯৪), স্বপ্নের ঠিকানা (১৯৯৪), মহামিলন (১৯৯৫), বিচার হবে (১৯৯৬), তোমাকে চাই (১৯৯৬), স্বপ্নের পৃথিবী (১৯৯৬), জীবন সংসার (১৯৯৬), চাওয়া থেকে পাওয়া (১৯৯৬), প্রেম পিয়াসী (১৯৯৭), স্বপ্নের নায়ক (১৯৯৭), আনন্দ অশ্রু (১৯৯৭), বুকের ভিতর আগুন (১৯৯৭) সহ মোট ১৪টি ছবিতে অভিনয় করেছেন।[২৭] সবকটি ছবি ব্যবসাসফল হয়। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ব্যবসাসফল ছবির মধ্যে শাবনাজ এর সাথে আশা ভালবাসা (১৯৯৫) ও মায়ের অধিকার (১৯৯৬), লিমা এর সাথে প্রেমযুদ্ধ (১৯৯৪) ও কন্যাদান (১৯৯৫), শিল্পী এর সাথে প্রিয়জন (১৯৯৬), শাহনাজ এর সাথে সত্যের মৃত্যু নেই (১৯৯৬) এবং বৃষ্টি এর সাথে এই ঘর এই সংসার (১৯৯৬) অন্যতম।[২৮]
সালমান শাহ মৃত্যুর আগে 'মন মানে না' ছবির ৫০ শতাংশ কাজ শেষ করতে পেরেছিলেন; তার মৃত্যুর পর চিত্রনায়ক রিয়াজ কে দিয়ে ছবিটি করানো হয়। এছাড়াও কে অপরাধী, তুমি শুধু তুমি, প্রেমের বাজি সহ একাধিক মুভি সালমান শাহ অর্ধেক শুটিং করে মারা যান। পরবর্তীতে প্রেমের বাজি ব্যতীত বাকি সিনেমাগুলি অন্য নায়কদের দিয়ে নতুন করে শুটিং করা হয়। সালমানের অসমাপ্ত সিনেমার মধ্যে একমাত্র প্রেমের বাজি সিনেমার কাজ পরে আর শেষ হয় নি।[২৯]
জনপ্রিয়তা ও প্রভাব
[সম্পাদনা]সালমান শাহ তার অসাধারণ অভিনয়, সুদর্শন চেহারা, আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব ও সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ছিলেন যা তার মৃত্যুর পরেও বজায় আছে। তার পেশাগত অর্জন, ব্যক্তিগত জীবন, শৈল্পিক সম্ভাবনা, অকাল মৃত্যু এবং আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা সবসময় সংবাদ মাধ্যমে আলোচনার বিষয় হয়ে এসেছে।[৩০] তার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ও জনপ্রিয়তার কৃতিত্ব তার মুখের অভিব্যক্তি, পর্দায় উপস্থিতি, সংলাপ বিতরণ, বাচনভঙ্গি, কন্ঠস্বর, বাহ্যিক সৌন্দর্য ও ফ্যাশন সেন্সকে দেওয়া হয়। চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে তাঁর সাবলীল অভিনয়, শারীরিক ভাষা, চরিত্রগুলির সাথে মিলিয়ে করা স্টাইল এবং ফ্যাশন-সচেতনতা আধুনিকতার ছোঁয়ায় তাঁর সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিল।[৩১] শাকিব খান, আরিফিন শুভ, শরীফুল রাজ, সিয়াম আহমেদ এবং নিরব হোসেন সহ বেশ কয়েকজন চলচ্চিত্র অভিনেতা সালমানকে বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নায়ক, ফ্যাশন আইকন এবং অভিনয়ের অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।[৩২][৩৩][৩৪] এজন্য সংবাদমাধ্যমে তাকে "নায়কদের নায়ক" উপাধিতে ব্যক্ত করা হয় এবং বাংলাদেশী অভিনেতা রাজ্জাক এর উত্তরসূরী হিসেবে গণ্য করা হয়।[৬][৩৫] তার অনেক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট বাংলাদেশের পপ সংস্কৃতিতে প্রবণতা হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন চলচ্চিত্রে সালমান শাহ কপালে রুমাল বাঁধতেন, পরবর্তীতে দেখা যায় তার এই রুমাল বাঁধা তৎকালীন তরুণ সমাজের মধ্যে ট্রেন্ডে পরিণত হয়ে যায়।
চলচ্চিত্রের তালিকা
[সম্পাদনা]| বছর | চলচ্চিত্র | চরিত্র | পরিচালক | টীকা |
|---|---|---|---|---|
| ১৯৯৩ | কেয়ামত থেকে কেয়ামত | রাজ | সোহানুর রহমান সোহান | চলচ্চিত্রে অভিষেক |
| ১৯৯৪ | তুমি আমার | আকাশ | জহিরুল হক ও তমিজ উদ্দিন রিজভী | |
| অন্তরে অন্তরে | শান | শিবলি সাদিক | ||
| সুজন সখি | সুজন | শাহ আলম কিরণ | ||
| বিক্ষোভ | অনিক | মহম্মদ হান্নান | ||
| স্নেহ | ইমন | গাজী মাজহারুল আনোয়ার | ||
| প্রেমযুদ্ধ | রাজা | জীবন রহমান | ||
| ১৯৯৫ | দেনমোহর | সরোয়ার | শফি বিক্রমপুরী | |
| কন্যাদান | শ্রাবন | দেলোয়ার জাহান ঝন্টু | ||
| স্বপ্নের ঠিকানা | সুমন | এম. এ. খালেক | ||
| আঞ্জুমান | সালমান | হাফিজউদ্দিন | ||
| মহামিলন | শান্ত | দিলীপ সোম | ||
| আশা ভালবাসা | আকাশ | তমিজ উদ্দিন রিজভী | ||
| ১৯৯৬ | বিচার হবে | সুজন | শাহ আলম কিরণ | |
| এই ঘর এই সংসার | মিন্টু | মালেক আফসারী | ||
| প্রিয়জন | নয়ন / জীবন | রানা নাসের | ||
| তোমাকে চাই | সাগর | মতিন রহমান | ||
| স্বপ্নের পৃথিবী | মাসুম | বাদল খন্দকার | ||
| সত্যের মৃত্যু নাই | জয় | ছটকু আহমেদ | মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত /১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ | |
| জীবন সংসার | সবুজ | জাকির হোসেন রাজু | মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত / ১৮ অক্টোবর, ১৯৯৬ | |
| মায়ের অধিকার | রবিন | শিবলি সাদিক | মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত / ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৬ | |
| চাওয়া থেকে পাওয়া | সাগর | এম. এম. সরকার | মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত / ২০ ডিসেম্বর, ১৯৯৬ | |
| ১৯৯৭ | প্রেম পিয়াসী | হৃদয় / জীবন চৌধুরী | রেজা হাসমত | মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত / ১৮ এপ্রিল, ১৯৯৭ |
| স্বপ্নের নায়ক | রাজু / রাসেল | নাসির খান | মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত / ৪ জুলাই, ১৯৯৭ | |
| শুধু তুমি | আকাশ | কাজী মোরশেদ | মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত / ১৮ জুলাই, ১৯৯৭ | |
| আনন্দ অশ্রু | খসরু | শিবলি সাদিক | মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত / ১ আগস্ট, ১৯৯৭ | |
| বুকের ভিতর আগুন | আগুন | ছটকু আহমেদ | মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত শেষ ছবি / ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ |
টিভি নাটক
[সম্পাদনা]| বছর | নাটক | চরিত্র |
|---|---|---|
| ১৯৮৫ | আকাশ ছোঁয়া | |
| ১৯৮৬ | ইত্যাদি | অপূর্ব |
| ১৯৮৮ | সৈকতে সারস | রাব্বি |
| ১৯৯০ | পাথর সময় | |
| ১৯৯৪ | ইতিকথা | ইউসুফ |
| ১৯৯৪ | দোয়েল | |
| ১৯৯৫ | সব পাখি ঘরে ফেরে | |
| ১৯৯৫ | নয়ন | সুলতান |
| ১৯৯৬ | স্বপ্নের পৃথিবী | শুভ |
মৃত্যু
[সম্পাদনা]সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। ঢাকার ইস্কাটনে তার নিজ বাস ভবনে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়না তদন্ত প্রতিবেদনে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হলেও তার মৃত্যু নিয়ে রহস্য থেকে যায়। অনেকেই সালমান শাহর মৃত্যুর জন্য স্ত্রী সামিরার দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন, এমনকি পরবর্তীকালে সালমানের পরিবারের পক্ষ থেকে স্ত্রী সামিরা ও আরো কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়; কিন্তু পরে এই মামলার আর কোনো অগ্রগতি হয় নি ফলে সালমানের মৃত্যু নিয়ে রহস্য আর উদ্ঘাটিত হয় নি।[৩৬]

২০২০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশের তদন্ত বিভাগ জানায় যে সালমান শাহ আত্মহত্যাই করেছিলেন।[৩৭]
নতুন মৃত্যু মামলা (২০২৫)
[সম্পাদনা]২০২৫ সালের ২০শে অক্টোবর, সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় ২৯ বছর পর, ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত এই মামলায় একটি যুগান্তকারী আদেশ দেন।[৩৮] বিচারক মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এই দিন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর দায়ের করা একটি রিভিশন (পুনর্বিবেচনা) আবেদন মঞ্জুর করেন।[৩৯]
এই আদেশের মাধ্যমে, ২০২১ সালের ৩১শে অক্টোবর পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন, যেখানে সালমান শাহর মৃত্যুকে 'আত্মহত্যা' বলে উল্লেখ করা হয়েছিল, তা বাতিল করা হয়।[৪০]
আদালত এই ঘটনাটিকে 'অপমৃত্যু' মামলার পরিবর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ 'হত্যা মামলা' হিসেবে গ্রহণ করার জন্য রমনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।[৪১]
আদালতের নির্দেশের পর, ২০শে অক্টোবর মধ্যরাতে সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই নতুন মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই এবং অভিনেতা আশরাফুল হক ডনসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।[৪২][৪৩] আদালত রমনা মডেল থানাকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
| নতুন করে আলোচনায় দীর্ঘ ২৮ বছর আগে ১৯৯৭ সালের শালমান শাহ হত্যা মামলার ১১নম্বর আসামী রেজভীর দেয়া একটি জবানবন্দি। ১৯৯৭ সালের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে রেজভী জানান, সালমান শাহর মৃত্যু ছিল ১২ লাখ টাকার এক হত্যার চুক্তি। যে চুক্তি করেছিলেন সালমান শাহর শাশুড়ি লতিফা হক লুসি। এ হত্যা চুক্তিতে আরও ছিলেন বাংলা সিনেমার খলনায়ক ডন, ডেভিড, ফারুক ও জাভেদ। তার বক্তব্য থেকে আরো জানা যায়, ফারুক বলেন কাজের আগে ৬ লাখ ও কাজের পরে ৬ লাখ। এরপরই প্লাস্টিকের একটি দড়ি, সিরিঞ্জ, রিভলবার ইত্যাদি গুছিয়ে নেয়া হয়। ঘুমন্ত সালমানকে ক্লোলোফর্ম দিয়ে বেহুশ করেন সামিরা। কিছুক্ষণ পর সালমান শাহর জ্ঞান ফিরলে সবার শুরু হয় ধস্তাধস্তি। এসময় সালমান শাহর শরীরে ইনজেকশন পুশ করতে বলেন আজিজ ভাই। সালমানকে হত্যা করার পর সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে দেয়া হয় তার লাশ।[৪৪] |
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "সালমান শাহকে কেন এখনও স্মরণ?"। BDNews24। ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ "এই দিনে সালমানের মৃত্যুর সংবাদে স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিল সবাই"। দৈনিক প্রথম আলো। ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ "Salman Shah's 13th death anniversary"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা, বাংলাদেশ। ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ "ঢালিউডে নতুন দিগন্ত উন্মোচনেরও তিন দশক"। www.kalerkantho.com। ২৩ মার্চ ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০২৩।
- ↑ "আজ ঢাকাই সিনেমার 'মহানায়ক' সালমান শাহর জন্মদিন"। দ্য ডেইলি স্টার। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০।
- 1 2 "সালমান শাহ নায়কদের নায়ক"। Kaler Kantho (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯।
- ↑ "Remembering Salman Shah: Best Movies of the Short-Lived Maestro"। unb.com.bd। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০২৩।
- ↑ "চলচ্চিত্রে চির অম্লান নায়ক সালমান শাহ"। RTV News। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ "কত গল্প জমে আছে সালমানকে নিয়ে"। দৈনিক প্রথম আলো। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ "২৫ হাজারে শুরু, ১০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক পেতেন সালমান শাহ"। NewsG24 (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১।
- ↑ "চলচ্চিত্রের নতুন ধারার প্রবর্তক সালমান শাহ"। Bhorer Kagoj। ৬ সেপ্টেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২০।
- ↑ "Salman Shah: Still the most revered icon"। NewAgebd (ইংরেজি ভাষায়)। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯।
- ↑ "মৃত্যুর ২০ বছর পরেও আলোচনায় নায়ক সালমান শাহ। কেন তিনি এত জনপ্রিয় ছিলেন?"। বিবিসি বাংলা। ঢাকা, বাংলাদেশ। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬।
- ↑ "Salman Shah Forever etched in memory"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা, বাংলাদেশ। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ "Salman Shah's 45th birth anniversary today"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯।
- 1 2 "সাফল্যের রাজপুত্র সালমান শাহ"। দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা, বাংলাদেশ। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১২। ১১ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬।
- ↑ "একই স্কুলে পড়তেন সালমান-মৌসুমী"। বাংলা মুভি ডেটাবেজ। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬।
- 1 2 3 শান্তা মারিয়া (৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "অন্তরে সালমান শাহ"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ঢাকা, বাংলাদেশ। ২৫ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬।
- ↑ "যেমন ছিলেন সালমান শাহ"। NewsG24। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১।
- ↑ "সালমান শাহ ও শাহরুখের কেমন সম্পর্ক ছিলো?"। BBarta24। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯।
- ↑ "স্বপ্নের নায়ক সেই তুমি"। Odhikar। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০২৩।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "সালমান শাহের নাটক 'নয়ন'"। দ্য রিপোর্ট। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬।
- ↑ "ইমন থেকে সালমান"। দৈনিক কালের কণ্ঠ। ঢাকা, বাংলাদেশ। ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- ↑ "সালমান-মৌসুমীর রসায়ন"। দ্য রিপোর্ট। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬।
- ↑ গোলাম রিয়াদ (৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। "স্মরণ : অমর নায়ক সালমান শাহ"। দৈনিক ভোরের পাতা। ২১ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬।
- ↑ "একে অন্যের চোখের ইশারা বুঝতে পারতাম: শাবনূর"। দৈনিক প্রথম আলো। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬।
- ↑ "সালমান শাহ'র নায়িকারা"। দ্য রিপোর্ট। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬।
- ↑ "২৭টি ছবিতে সালমানের নায়িকা ছিলেন যারা"। Jago News24। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- ↑ "আমাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন"। কালের কণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- ↑ "এখনো জনপ্রিয়তার শীর্ষে সালমান শাহ"। Jugantor। ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ "সালমান শাহ: গল্পটা সংক্ষিপ্ত, অসমাপ্ত ও অমীমাংসিত"। Bangla Tribune। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯।
- ↑ "তিনি ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নায়ক: শাকিব খান"। Bangla Tribune। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১।
- ↑ Diganta, Probashir (৬ সেপ্টেম্বর ২০২২)। "Arifin Shuvoo, Sariful Razz remember film icon Salman Shah"। Probashir Diganta (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ Shazu, Shah Alam (৬ সেপ্টেম্বর ২০২০)। "Salman Shah: A star that never stops shining"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০২৩।
- ↑ "চিরভাস্বর সালমান শাহ"। Jaijaidinbd। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
- ↑ "সালমান শাহ'র মৃত্যু এখনো রহস্য"। রাইজিংবিডি। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- ↑ "সালমান শাহকে হারানোর ২৫ বছর"। ঢাকাটাইমস ২৪। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১।
- ↑ "সালমান শাহর অপমৃত্যুর মামলা হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ আদালতের"। Somoy TV। ২০ অক্টোবর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ "সালমান শাহর মৃত্যু: ২৯ বছর পর হত্যা মামলা, এত বছর যা হলো"। প্রথম আলো। ২১ অক্টোবর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ "Murder case to be filed 29 years after Salman Shah's death"। bdnews24.com। ২০ অক্টোবর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ "সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের নির্দেশ"। The Daily Ittefaq। ২০ অক্টোবর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ "সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামি হলেন ডন"। Kaler Kantho। ২১ অক্টোবর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ "Murder case filed against wife Samira, 10 others over Salman Shah's death"। Dhaka Tribune। ২১ অক্টোবর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ নিউজ, সময়। "শাশুড়ির ১২ লাখ টাকার কিলারে খুন হন সালমান শাহ! | বিনোদন"। Somoy News। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০২৫।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে সালমান শাহ (ইংরেজি)
- বাংলা মুভি ডেটাবেজে সালমান শাহ
- রটেন টম্যাটোসে সালমান শাহ (ইংরেজি)
