শরিয়তপুর জেলা
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (নভেম্বর ২০১২) |
| শরিয়তপুর | |
|---|---|
| — জেলা — | |
|
|
|
| স্থানাঙ্ক: 23°12.5′N 90°21′E / 23.2083°N 90.350°Eস্থানাঙ্ক: 23°12.5′N 90°21′E / 23.2083°N 90.350°E | |
| দেশ | |
| বিভাগ | ঢাকা বিভাগ |
| জেলা | শরিয়তপুর |
| আয়তন | |
| • মোট | ১,১৮১.৫৩ |
| জনসংখ্যা (2001) | |
| • মোট | ১ |
| • ঘনত্ব | ৯১৬ |
| সময় অঞ্চল | বিএসটি (ইউটিসি+6) |
| পোস্ট কোড | 8000 |
| ওয়েবসাইট | অফিসিয়াল ম্যাপ |
শরিয়তপুর জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ভূগোল ও জলবায়ু[সম্পাদনা]
শরিয়তপুর জেলার আয়তন ১১৮১ বঃকিলোমিটার এই জেলার উত্তরে মুন্সীগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে বরিশাল জেলা, পুর্বে চাঁদপুর জেলা এবং পশ্চিমে মাদারীপুর জেলা গড় তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রী সেলসিয়াস থেকে ৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস গড় বৃষ্টিপাত ২১০৫ মি মি।
| ক্রমিক নং | বিষয় | একক | মান |
|---|---|---|---|
| ১ | আয়তন | বর্গ কি.মি | ১১৮১ |
| ২ | উপজেলা | সংখ্যা | ৬ |
| ৩ | থানা | সংখ্যা | ৭ |
| ৪ | পৌরসভা | সংখ্যা | ৫ |
| ৫ | ইউনিয়ন | সংখ্যা | ৬৬ |
| ৬ | ওয়ার্ড | সংখ্যা | ৪৫ |
| ৭ | মৌজা/মহল্লা | সংখ্যা | ৬১৬ |
| ৮ | গ্রাম | সংখ্যা | ১২৪৩ |
| ৯ | সংসদীয় আসন | সংখ্যা | ৩ |
| ১০ | মোট জনসংখ্যা (২০০১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী) | লাখ | ১০·৮ |
| ১১ | জনসংখ্যার ঘনত্ব | প্রতি বঃকিঃ | ৯১৪ |
| ১২ | বিদ্যুৎ সংযোগ সম্পন্ন ঘর | % | ১০ |
| ১৩ | প্রাথমিক স্কুল | সংখ্যা | ৭৭২ |
| ১৪ | মাধ্যমিক স্কুল | সংখ্যা | ৮৩ |
| ১৫ | মাদ্রাসা | সংখ্যা | ৪২ |
| ১৬ | কলেজ | সংখ্যা | ১৬ |
| ১৭ | মাথাপিছু আয় | টাকা | ১২৯৩৬ |
| ১৮ | স্বাক্ষরতার হার (১৫+ বছর) | % | ৪১ |
| ১৯ | হাসপাতালের শয্যাপ্রতি জনসংখ্যা (সরকারী) | জন/শজ্জ্যা | ৪৮৭৫ |
| ২০ | < ৫ বছর শিশু মৃত্যুর হার | প্রতি হাজারে | ৫ |
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]
শরীয়তপুর জেলা ৭টি উপজেলা, ৫টি মিউনিসিপ্যালিটি, ৬৪টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৫টি ওয়ার্ড, ৯৩টি মহল্লা, ১২৩০টি গ্রাম এবং ৬০৭টি মৌজা নিয়ে গঠিত।
এই জেলা ছয়টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। এগুলো হল,
- জাজিরা উপজেলা
- শরীয়তপুর সদর উপজেলা
- গোসাইরহাট উপজেলা
- ডামুড্যা উপজেলা
- ভেদরগঞ্জ উপজেলা
- নড়িয়া উপজেলা
- সখীপুর উপজেলা
| ক্রমিক | নাম | আয়তন |
|---|---|---|
| ১ | সদর | ১৭৫·০৮ |
| ২ | জাজিরা | ২৩৯·৬০ |
| ৩ | নড়িয়া | ২২১৮·৭০ |
| ৪ | ভেদরগঞ্জ | ২৪৬·২০ |
| ৫ | ডামুড্যা | ৯১·০০ |
| ৭ | গোসাইরহাট | ১৩৩·১০ |
ইতিহাস[সম্পাদনা]
মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা[সম্পাদনা]
বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]
অর্থনীতি[সম্পাদনা]
এই জেলায় বসবাসকারী মানুষের বেশীর ভাগ কৃষিকাজের সাথে যুক্ত। উৎপাদনশীল শস্যের মধ্যে রয়েছে ধান, পাট, গম, পিঁয়াজ, মিষ্টি আলু, টমেটো প্রভৃতি। এর মধ্যে পাট, পিঁয়াজ, আদা, টমেটো প্রধান রপ্তানী পণ্য হিসেবে বিবেচিত।
শিল্প ও বাণিজ্য
এই জেলায় শিল্প কারখানা তেমন গড়ে উঠেনি। বর্তমানে এ জেলায় নিম্নোক্ত শিল্পগুলো আছে। চাউলের কল : ১৬৪ টি।আটার কল : ১১২ টি।ময়দার কল : ৪ টি।বরফের কল : ১৩ টি। তেলের কল : ৩ টি।
পত্র-পত্রিকা[সম্পাদনা]
দৈনিক রুদ্রবার্তা
দৈনিক হুংকার
দৈনিক বর্তমান এশিয়া
দৈনিক যুগন্ধর
সাপ্তাহিক বার্তাবাজার
সাপ্তাহিক কাগজের পাতা এবং
সাপ্তাহিক শরীয়তপুর সংবাদ
যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]
খেলাধূলা ও বিনোদন[সম্পাদনা]
ভাষা ও সংস্কৃতি[সম্পাদনা]
চিত্তাকর্ষক স্থান[সম্পাদনা]
- সুরেশ্বর দরবার শরীফঃ শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বরে মাওলানা জান শরীফের মাজার অবস্থিত। এখানে প্রতি বছর শীতের শেষে তিন দিনের ওরশ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং বহু ভক্তের সমাগম হয়।
- বুড়ির হাট মসজিদঃ শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলার বুড়ির হাট মসজিদটি খুবই বিখ্যাত এবং ইসলামী স্থাপত্যকলার নিদর্শন।
- বুড়ির হাট মুন্সী বাড়ীঃ শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের অন্তর্গত এই জমিদারবাড়ীটি অবস্থিত। এই বাড়ীটির সম্মুখে দোতলা কাচাড়ী ঘর, শান বাঁধান দীঘি ও অন্যান্য স্থাপত্য খুবই দৃষ্টিনন্দন।
- লাকার্তা শিকদার বাড়িঃ শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নে এই বিখ্যাত বাড়ীটি অবস্থিত ।
- পন্ডিতসারঃ এই স্থানে শ্যামপুরি হুজুরের মাজার শরীফ অবস্থিত। পৃথিবীর বহুস্থান থেকে এখানে লোক সমাগম হয়ে থাকে। প্রতি বছর ১১ পৌষ হতে তিন দিনের ওরস হয়। এ ছাড়া পহেলা জ্যৈষ্ঠ তারিখে হযরত শাহ্ সূফি সৈয়দ গোলাম মাওলা হোসায়নী চিশতী শ্যামপুরী (র:) বা শ্যামপুরী হুজুর এর আবির্ভাব দিবস হিসেবে রোজে মোকাদ্দাস দিবস হিসাবে পালিত হয়।
- রুদ্রকর মঠঃ দেড়শত বছরের পুরনো এই মঠটি শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নে অবস্থিত। এই মঠটি দেখার জন্য বহু লোক আসে।
- মগরঃ প্রখ্যাত কবি ও গীতিকার অতুল প্রসাদ সেনের জন্মস্থান। মাতৃভাষা বাংলার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা । তাঁর রচিত অমর গান ‘‘মোদের গরব মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা’’
- শিবলিঙ্গঃ শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নে উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ কষ্ঠিপাথরের শিবলিঙ্গটি পাওয়া গেছে ।
- মহিষারের দীঘিঃ দক্ষিণ বিক্রমপুরের এককালীন প্রখ্যাত স্থান। চাঁদ রায়, কেদার রায়ের নির্দেশে এখানে পানীয় জলের জন্য কয়েকটি দীঘি খনন করা হয়েছিল বলে জানা যায়। প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ হতে এখানে এক সপ্তাহের জন্য মেলা হয়। দিগম্বরী সন্ন্যাসীর মন্দিরও এখানে রয়েছে। সুপ্রসিদ্ধ নৈয়ায়িক গঙ্গাচরণ ন্যায় রত্নের বাসস্থান।
- রাজনগরঃ বৈদ্য প্রধান স্থান। ফরিদপুরের ইতিহাস লেখক আনন্দ চন্দ্র রায়, ঢাকার ইতিহাস লেখক যতীন্দ্র নাথ রায় ও ঢাকার বিশিষ্ট উকিল গুপ্ত এর জন্মস্থান। এখানকার অভয়া ও শিবলিঙ্গ বিখ্যাত।
- কুরাশিঃ রাজা রাজবল্লভের বংশধরগণের কেউ কেউ এখানে বাস করতেন বলে জানা যায়। বেশ কয়েকটি মন্দির ও শিবলিঙ্গ মূর্তি এখানে রয়েছে
- হাটুরিয়া জমিদার বাড়িঃ হাটুরিয়া জমিদার বাড়ী গোসাইরহাট উপজেলায় অবস্থিত।
- রাম সাধুর আশ্রমঃ শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নে অবস্থিত। এখানে শত বছরের পুরানো এই আশ্রমটি এই ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নই গোলক চন্দ্র সার্বভৌম ও শ্রীযুক্ত কালি কিশোর স্মৃতি রত্ন মহাশয়ের বাসস্থান। প্রতি বছর শীতের শেষে এই আশ্রমকে কেন্দ্র করে তিন দিনের মেলা বসে। এ ছাড়াও ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের হোগলা গ্রামের কার্তিকপুরের জমিদার বাড়ি বিখ্যাত।
- মানসিংহের বাড়ীঃ নড়িয়া উপজেলায় ফতেজংগপুর ঐতিহাসিক মানসিংহের দুর্গের ভগ্নাবশেষ রয়েছে।
- ধানুকার মনসা বাড়িঃ চন্দ্রমনি ন্যায়, ভুবন হরচন্দ্র চুড়ামনি ও মহোপাধ্যায়, শ্রীযুক্ত বামাচরণ ন্যায় প্রভৃতির জন্মস্থান ধানুকায়। এখানকার শ্যামমূর্তি জাগ্রত দেবতা বলে কিংবদন্তী রয়েছে।
আরো দেখুন[সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
|
|||||||||||||||||||||||||
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |