তাহিতি জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
তাহিতি
শার্ট ব্যাজ/অ্যাসোসিয়েশন ক্রেস্ট
ডাকনাম টিম ফিনুয়া
অ্যাসোসিয়েশন এফটিএফ
কনফেডারেশন ওএফসি (ওশেনিয়া)
প্রধান কোচ এডি এতাইতা
অধিনায়ক নিকোলাস ভলার
সর্বাধিক খেলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড় অ্যাঞ্জেলো চেন (৩২)
শীর্ষ গোলদাতা ফেলিক্স তাগাওয়া (১৪)
স্বাগতিক স্টেডিয়াম স্তেদ হামুতা
ফিফা কোড TAH
ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১৪০
সর্বোচ্চ ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১১১ (আগস্ট, ২০০২)
সর্বনিম্ন ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১৯৫ (নভেম্বর, ২০০৯)
এলো রেটিং ১৪১
সর্বোচ্চ এলো রেটিং ৪৫ (সেপ্টেম্বর, ১৯৮৩)
সর্বনিম্ন এলো রেটিং ১৫৬ (সেপ্টেম্বর, ২০১০)
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
ফ্রান্স ফরাসি পলিনেশিয়া ২-২ নিউজিল্যান্ড 
(পাপিট, তাহিতি; ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫২)
সর্বোচ্চ জয়
ফরাসি পলিনেশিয়া তাহিতি ৩০-০ কুক দ্বীপপুঞ্জ 
(পাপিট, তাহিতি; ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১)
সর্বোচ্চ পরাজয়
 নিউজিল্যান্ড ১০-০ Tahiti ফরাসি পলিনেশিয়া
(অ্যাডিলেইড, অস্ট্রেলিয়া; ৪ জুন, ২০০৪)
ওএফসি নেশন্স কাপ
উপস্থিতি ৮ (প্রথম ১৯৭৩)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল বিজয়ী, ২০১২
কনফেডারেশন্স কাপ
উপস্থিতি ১ (প্রথম ২০১৩)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল ২০১৩

তাহিতি জাতীয় ফুটবল দল (ইংরেজি: Tahiti national football team) ফরাসি পলিনেশিয়ার অন্তর্ভূক্ত ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ তাহিতির জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্বকারী ফুটবল দল। তাহিতি ফুটবল ফেডারেশন কর্তৃক এ দলটি পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। ওশেনিয়া ফুটবল কনফেডারেশন কর্তৃক পরিচালিত ২০১২ সালের ওএফসি নেশন্স কাপ প্রতিয়োগিতায় জয়লাভ করে, যা তাদের এ প্রতিয়োগিতায় প্রথম শিরোপা অর্জন। এরফলে দলটি ওএফসি অঞ্চল থেকে ২০১৩ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে প্রতিনিধিত্ব করবে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫২ সালে তাহিতি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের প্রথম ফুটবল খেলায় অংশগ্রহণ করে। নিজ মাঠে নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত খেলাটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল। এর সাতদিন পর পুণরায় দল দু'টো একে-অপরের বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। এতে নিউজিল্যান্ড ৫-৩ গোলে জয়ী হয়। ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে তৃতীয় বারের মতো খেলতে নামে উভয় দল। ২-০ ব্যবধানে জয়ী হয়ে তাহিতি প্রথম বিজয় লাভ করে। কিন্তু, এখনো পর্যন্ত অজানা যে, খেলাটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ছিল কি-না![১]

নিউ ক্যালেডোনিয়ায় সেপ্টেম্বর, ১৯৫৩ সালে তাহিতি নিউ ক্যালেডোনিয়ার বিপক্ষে তিনটি খেলায় অংশ নয়। প্রথম খেলায় ৫-০ এবং পরবর্তী দুই খেলায় ৪-১ ব্যবধানে জয়ী হয় দলটি। এরপর তারা নিউ হিব্রাইডস (বর্তমানে: ভানুয়াতু) সফরে যায় এবং ভানুয়াতুর বিরুদ্ধে দুইটি খেলায় ৪-২ ব্যবধানে বিজয় লাভ করেছিল।

ওএফসি নেশন্স কাপ[সম্পাদনা]

২০১২ সালে সলোমন দ্বীপপুঞ্জে অনুষ্ঠিত ৯ম ওএফসি নেশন্স কাপ প্রতিযোগিতায় স্বাগতিক সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, নিউজিল্যান্ড, নিউ ক্যালিডোনিয়া, ভানুয়াতু, তাহিতি, ফিজি, পাপুয়া নিউগিনি এবং সামোয়া অংশগ্রহণ করে। লসন তামা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত খেলায় নিউ ক্যালিডোনিয়া দলকে চং হিউ'র বিজয়সূচক গোলে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত করে ও চ্যাম্পিয়ন হয়। এ জয়ের ফলে অস্ট্রেলিয়া (বর্তমানে ওএফসিতে নেই) ও নিউজিল্যান্ডের পর একমাত্র দলরূপে ওএফসি নেশন্স কাপ জয়ী হয়।[২] পাশাপাশি দলটি ২০১৩ সালের ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে।

ওএফসি নেশন্স কাপ রেকর্ড
সাল রাউন্ড অবস্থান খেলা জয় ড্র পরাজয় গোল বিপক্ষে
নিউজিল্যান্ড ১৯৭৩ রানার্স-আপ ২য়
নিউ ক্যালিডোনিয়া ১৯৮০ রানার্স-আপ ২য় 3 ২৩
১৯৯৬ রানার্স-আপ ২য় ১২
অস্ট্রেলিয়া ১৯৯৮ চতুর্থ স্থান ৪র্থ ১০
ফরাসি পলিনেশিয়া ২০০০ গ্রুপ পর্ব ৫ম
নিউজিল্যান্ড ২০০২ তৃতীয় স্থান ৩য়
অস্ট্রেলিয়া ২০০৪ গ্রুপ পর্ব ৫ম ২৪
২০০৮ যোগ্যতা অর্জন করেনি
সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ২০১২ চ্যাম্পিয়ন ১ম ২০
সর্বমোট ৮/৯ ২৯ ২০ ১৪ ৫৪ ৭৩

কোচদের তালিকা[সম্পাদনা]

  • ফরাসি পলিনেশিয়া এফ. ভার্নাউডন (১৯৭৩)
  • ফরাসি পলিনেশিয়া আম্বার্তো মত্তিনি (১৯৯৫-১৯৯৬)
  • ফরাসি পলিনেশিয়া অ্যালেইন রোজিও/এডি রোজিও (১৯৯৭-১৯৯৮)
  • ফ্রান্স প্যাট্রিক জ্যকুয়েমেত (২০০২)
  • ফরাসি পলিনেশিয়া গারার্ড কাউতাই (১৯৯৬, ২০০৪)
  • ফরাসি পলিনেশিয়া এডি এতাইতা (২০১০-বর্তমান)

বর্তমান সদস্য[সম্পাদনা]

খেলার তারিখ:১৭ জুন, ২০১৩
প্রতিপক্ষ: নাইজেরিয়া
প্রতিযোগিতা: ২০১৩ ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ

খেলা ও গোল সংখ্যা ২৬ মার্চ, ২০১৩ পর্যন্ত সঠিক

কোচ এডি এতাইতা ২৪ মে, ২০১৩ তারিখে ২৩-সদস্যবিশিষ্ট দলের নাম ঘোষণা করেন।[৩]

0#0 অব নাম জন্ম (বয়স) ম্যাচ গোল ক্লাব
গো জাভিয়ের সামিন (১৯৭৮-০১-০১) জানুয়ারি ১, ১৯৭৮ (বয়স ৩৬) ২৮ ফরাসি পলিনেশিয়া এএস ড্রাগন
গো গিলবার্ট মেরিয়েল (১৯৮৬-১১-১১) নভেম্বর ১১, ১৯৮৬ (বয়স ২৭) ফরাসি পলিনেশিয়া এএস সেন্ট্রাল স্পোর্টস
গো মাইকেল রোচ (১৯৮২-১২-২৪) ডিসেম্বর ২৪, ১৯৮২ (বয়স ৩১) ফরাসি পলিনেশিয়া এএস ড্রাগন
ভিনসেন্ট সিমন (১৯৮৩-০৯-২৮) সেপ্টেম্বর ২৮, ১৯৮৩ (বয়স ৩০) ২১ ফরাসি পলিনেশিয়া এএস ড্রাগন
স্টিফেন ফাতিয়ারাও (১৯৯০-০৩-১৩) মার্চ ১৩, ১৯৯০ (বয়স ২৪) ১১ ফরাসি পলিনেশিয়া এএস তেফানা
নিকোলাস ভলার (১৯৮৩-১০-২২) অক্টোবর ২২, ১৯৮৩ (বয়স ৩০) ১২ ফরাসি পলিনেশিয়া এএস ড্রাগন
ইয়ানিক ভেরো (১৯৯০-০২-২৮) ফেব্রুয়ারি ২৮, ১৯৯০ (বয়স ২৪) ফরাসি পলিনেশিয়া এএস ড্রাগন
রেইনুই আরোইতা (১৯৯৪-০১-২৫) জানুয়ারি ২৫, ১৯৯৪ (বয়স ২০) ফরাসি পলিনেশিয়া এএস তামারাই ফা’আ
এডসন লেমাইরে (১৯৯০-১০-৩১) অক্টোবর ৩১, ১৯৯০ (বয়স ২৩) ফরাসি পলিনেশিয়া এএস ড্রাগন
তামাতোয়া ওয়েজমান (১৯৮০-০৩-১৮) মার্চ ১৮, ১৯৮০ (বয়স ৩৪) ফরাসি পলিনেশিয়া এএস ড্রাগন
তেহেইভরি লুডিভিওন (১৯৮৯-০৭-০১) জুলাই ১, ১৯৮৯ (বয়স ২৪) ১৫ ফরাসি পলিনেশিয়া এএস তেফানা
হেনরি ক্যারোইন (১৯৮১-০৯-০৭) সেপ্টেম্বর ৭, ১৯৮১ (বয়স ৩২) ফরাসি পলিনেশিয়া এএস ড্রাগন
রিকি আইতামাই (১৯৯১-১২-২২) ডিসেম্বর ২২, ১৯৯১ (বয়স ২২) ফরাসি পলিনেশিয়া এএস ভেনাস
জোনাথন তেহাউ (১৯৮৮-০১-০৯) জানুয়ারি ৯, ১৯৮৮ (বয়স ২৬) ২২ ফরাসি পলিনেশিয়া এএস ড্রাগন
হেইমানো বোরেবারে (১৯৮৯-০৫-১৫) মে ১৫, ১৯৮৯ (বয়স ২৪) ফরাসি পলিনেশিয়া এএস ড্রাগন
অ্যালভিন তেহাউ (১৯৮৯-০৪-১০) এপ্রিল ১০, ১৯৮৯ (বয়স ২৫) ১৬ ফরাসি পলিনেশিয়া এএস তেফানা
লরেঞ্জো তেহাউ (১৯৮৯-০৪-১০) এপ্রিল ১০, ১৯৮৯ (বয়স ২৫) ১৮ ফরাসি পলিনেশিয়া এএস তেফানা
তিহোনি যোহান (১৯৯৪-০৭-২০) জুলাই ২০, ১৯৯৪ (বয়স ১৯) ফরাসি পলিনেশিয়া এএস রোনিও
তিওনুই তেহাউ (১৯৯২-০৯-০১) সেপ্টেম্বর ১, ১৯৯২ (বয়স ২১) ১৬ ফরাসি পলিনেশিয়া এএস ড্রাগন
স্ট্যানলি আতানি (১৯৯০-০১-২৭) জানুয়ারি ২৭, ১৯৯০ (বয়স ২৪) ১৫ ফরাসি পলিনেশিয়া এএস তেফানা
স্টিভি চং হিউ (১৯৯০-০১-২৬) জানুয়ারি ২৬, ১৯৯০ (বয়স ২৪) ২২ ১১ ফরাসি পলিনেশিয়া এএস ড্রাগন
স্যামুয়েল নেনিন (১৯৮৪-০৩-০১) মার্চ ১, ১৯৮৪ (বয়স ৩০) ফরাসি পলিনেশিয়া এএস ড্রাগন
মারামা ভাহিরুয়া (১৯৮০-০৫-১২) মে ১২, ১৯৮০ (বয়স ৩৩) গ্রিস প্যানথ্রাকিকোস

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://rsssf.com/tablest/tahiti-intres.html
  2. "Glorious Tahiti claim maiden Oceania crown"FIFA.com। 10 June 2012। সংগৃহীত 12 June 2012 
  3. "La liste des 23 Toa Aito pour le Brésil" [List of the 23 Toa Aito for Brasil] (French ভাষায়)। FTF। 24 May 2013। সংগৃহীত 24 May 2013 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Football in French Polynesia