বিষয়বস্তুতে চলুন

জিব্রাল্টার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জিব্রাল্টার

Gibraltar জাতীয় পতাকা
পতাকা
Gibraltar জাতীয় মর্যাদাবাহী নকশা
জাতীয় মর্যাদাবাহী নকশা
নীতিবাক্য: "Montis Insignia Calpe" (লাতিন)
"Badge of the Rock of Gibraltar"[]
জাতীয় সঙ্গীত: "গড সেইভ দ্য কুইন" (দাপ্তরিক)

"Gibraltar Anthem" (local)[]
 Gibraltar-এর অবস্থান (dark green)

 Europe-এ (green & dark grey)
 the European Union-এ (green)

মানচিত্র
মানচিত্র
অবস্থাBritish Overseas Territory
রাজধানীGibraltar
৩৬°৮′ উত্তর ৫°২১′ পশ্চিম / ৩৬.১৩৩° উত্তর ৫.৩৫০° পশ্চিম / 36.133; -5.350
বৃহত্তম district
(by population)
Westside
সরকারি ভাষাEnglish
মৌখিক ভাষা
নৃগোষ্ঠী
জাতীয়তাসূচক বিশেষণGibraltarian
Llanito (colloquial)
সরকারRepresentative democratic parliamentary dependency under constitutional monarchy
 Monarch
Elizabeth II
 Governor
Ed Davis
Fabian Picardo
 Mayor
Kaiane Aldorino
আইন-সভাParliament
Formation
 Captured
4 August 1704[]
 Ceded
11 April 1713[]
10 September 1967
 Joined the EEC
1 January 1973b
আয়তন
 মোট
৬.৭ কিমি (২.৬ মা)
 পানি (%)
0
জনসংখ্যা
 2015 আনুমানিক
32,194[] (222nd)
 ঘনত্ব
৪,৩২৮/কিমি (১১,২০৯.৫/বর্গমাইল) (5th)
জিডিপি (পিপিপি)2013 আনুমানিক
 মোট
£1.64 billion
 মাথাপিছু
£50,941 (n/a)
মানব উন্নয়ন সূচক (2015)0.861[]
অতি উচ্চ · 40th
মুদ্রাGibraltar pound (£)c (GIP)
সময় অঞ্চলইউটিসি+1 (CET)
 গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি)
ইউটিসি+2 (CEST)
তারিখ বিন্যাসদদ/মম/বব
গাড়ী চালনার দিকডানd
কলিং কোড+350e
ইন্টারনেট টিএলডি.gif
  1. Of mixed Genoese, Maltese, Portuguese and Spanish descent.
উপসাগর থেকে তোলা জিব্রাল্টারের পশ্চিম পার্শ্বের আলোকচিত্র

জিব্রাল্টার যুক্তরাজ্যের অধীনস্থ একটি এলাকা যা স্পেনের দক্ষিণে, আটলান্টিক মহাসাগর থেকে ভূমধ্যসাগরের প্রবেশপথে অবস্থিত।

জিব্রাল্টার নামটি আরবি নাম "জাবাল আল তারিক" (جبل طارق "তারিকের পাথর/শিলা/পাহাড়")-এর স্পেনীয় অপভ্রষ্ট রূপ। ৭১১ সালে উমাইয়াহ খলিফাদের বার্বার গোত্রীয় সেনানেতা তারিক ইবন জিয়াদ স্পেন বিজয়ের উদ্দেশ্যে উত্তর আফ্রিকা থেকে জিব্রাল্টার প্রণালী পার হয়ে এখানে প্রথম পদার্পণ করেন। স্পেনীয় থেকে ইউরোপের অন্যান্য ভাষাতে এবং সেই সূত্রে বিশ্বের অন্য সব ভাষায় "জিব্রাল্টার" শব্দটি এসেছে। এমনকি আধুনিক আরবিতেও এটিকে জিব্রাল্টার-ই বলা হয়।[]

নামটি আরবি: جبل طارق (রোমানঃজাবাল তারিক) থেকে এসেছে। ' তারিক পর্বত ' (৮ম শতাব্দীর উত্তর আফ্রিকান সামরিক নেতা তারিক ইবনে জিয়াদের নামে নামকরণ করা হয়েছে, যিনি ৭১১ সালে জিব্রাল্টার প্রণালীর মাধ্যমে আইবেরিয়ান উপদ্বীপে মুসলিম সূচনা শুরু করেছিলেন)। []

ইতিহাস

[সম্পাদনা]


নামটি আরবি: جبل طارق (রোমানঃজাবাল তারিক) থেকে এসেছে। ' তারিক পর্বত ' (৮ম শতাব্দীর উত্তর আফ্রিকান সামরিক নেতা তারিক ইবনে জিয়াদের নামে নামকরণ করা হয়েছে, যিনি ৭১১ সালে জিব্রাল্টার প্রণালীর মাধ্যমে আইবেরিয়ান উপদ্বীপে মুসলিম সূচনা শুরু করেছিলেন)। []

মুরিশ দুর্গের শ্রদ্ধাঞ্জলির মিনারের উত্তর দিকের দৃশ্য

গোরহামের গুহায় প্রায় ৫০,০০০ বছর আগের জিব্রাল্টারে নিয়ান্ডারথালদের বাসস্থানের প্রমাণ আবিষ্কৃত হয়েছে। []নিয়ান্ডারথালদের চূড়ান্ত বিলুপ্তির পরও জিব্রাল্টারের গুহাগুলি হোমো স্যাপিয়েন্সরা ব্যবহার করতে থাকে। গোরহামের গুহায় রয়ে যাওয়া স্তরাবশেসে প্রায় ৪০,০০০ বছর আগে থেকে প্রায় ৫,০০০ বছর আগে পর্যন্ত পাথরের হাতিয়ার, প্রাচীন চুলা এবং প্রাণীর হাড় পাওয়া গেছে। [১০]

জিব্রাল্টারের গুহাগুলিতে নব্যপ্রস্তর যুগের অসংখ্য মৃৎপাত্রের টুকরো পাওয়া গেছে, বেশিরভাগই আন্দালুসিয়ার অন্যান্য স্থানে, বিশেষ করে আলমেরিয়া শহরের আশেপাশে পাওয়া আলমেরিয়ান সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য ধারণ করে, যেখান থেকে এর নামকরণ করা হয়েছে। ব্রোঞ্জ যুগে মানুষ যখন গুহায় বসবাস বন্ধ করে দিয়েছিল, তখন সেখানে বসবাসের খুব কম প্রমাণ পাওয়া যায়।

প্রাচীনকালে জিব্রাল্টার ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের জনগনের কাছে ধর্মীয় ও প্রতীকী গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে বিবেচিত হতো। খ্রিস্টপূর্বাব্দ প্রায় ৯৫০থেকে বেশ কয়েক শতাব্দী ধরে ফিনিশিয়ানরা এখানে উপস্থিত ছিল । ধারনা করা হয় তারা গোরহামের গুহাকে genius loci,(স্থানীয় আত্মার) মন্দির হিসেবে ব্যবহার করত, পরবর্তীকালে Carthaginians এবং তাদের পরবর্তী Romans রা ও এটিকে একইভাবে ব্যবহার করে। জিব্রাল্টারকে Mons Calpeনামে পরিচিত ছিল, সম্ভবত এটি ফিনিশিয়ান উৎস থেকে উদ্ভূত একটি নাম। [] প্রাচীন গ্রিক ও রোমানদের মতে, মনস কাল্পে (Mons Calpe) ছিল 'হারকিউলিসের স্তম্ভদ্বয়ের (Pillars of Hercules) একটি যার ভিত্তি গ্রিক পুরাণে বর্ণিত হারাক্লেস হেরাক্লিসের (Heracles) কর্তৃক জিব্রাল্টার প্রণালী (Strait of Gibraltar) সৃষ্টির কাহিনির উপর। প্রাচীন যুগ থেকে জিব্রাল্টারে স্থায়ী বসতি স্থাপনের কোনও প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তারা উপসাগরের উত্তর প্রান্তে বসতি স্থাপন করেছিল যা আজ জিব্রাল্টারের <i id="mwAQ8">ক্যাম্পো</i> (অন্তর্দেশ)Campo (hinterland) of Gibraltar নামে পরিচিত। [১১] আধুনিক স্পেনের সান রোক শহরের কাছাকাছি স্থানে ফিনিশীয়রা প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৯৫০ সালের দিকে স্থানীয় তুরদেতানি (Turdetani)জনগণের একটি প্রাচীন বসতির উপর ভিত্তি করে 'কার্টেইয়া' Carteia,নামে একটি শহর স্থাপন করেছিল।

মধ্যযুগ

[সম্পাদনা]

পরবর্তীতে জিব্রাল্টার অঞ্চলটি প্রায় ৩০০ বছর ধরে, ৪১৮ থেকে ৭২০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত, হিস্পানিয়ার ভিসিগোথিক রাজ্যের অংশ ছিল।

৭১০ সালে একটি অভিযানের পর, তারিক ইবনে জিয়াদের নেতৃত্বে বারবার সেনাবাহিনী ৭১১ সালের এপ্রিলে উত্তর আফ্রিকা থেকে পাড়ি জিব্রাল্টারের আশেপাশে কোথাও অবতরণ করে (যদিও সম্ভবত উপসাগরে বা জিব্রাল্টার পর্বতের কাছে নয়)। [১২] তারিকের অভিযানের ফলে আইবেরিয়ান উপদ্বীপের বেশিরভাগ অংশ ইসলামী বিজয় লাভ করে। [১৩] [১৪] মন্স ক্যালপের নামকরণ করা হয় জাবাল তারিক ( جبل طارق ),যার অর্থ "তারিক পর্বত", পরবর্তীতে বিকৃত হয়ে জিব্রাল্টারে রূপান্তরিত হয়। []

১১৬০ সালে আলমোহাদ সুলতান আব্দুল মু'মিন একটি স্থায়ী বসতি নির্মাণের নির্দেশ দেন যার অন্তর্ভুক্ত ছিল একটি দুর্গ ও। এটি মদীনাত আল-ফাত (বিজয়ের শহর) নামে পরিচিত হয়। [১৫] মুরিশ দুর্গের শ্রদ্ধাঞ্জলির টাওয়ার আজও অক্ষত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।

১২৭৪ সাল থেকে শুরু করে জিব্রাল্টার শহরটি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন শক্তির মধ্যে দখল ও পুনর্দখলের লড়াই চলতে থাকে। গ্রানাদার নাসরিদরা ১২৩৭ ও ১৩৭৪ সালে, ফেজের মারিনিদরা ১২৭৪ ও ১৩৩৩ সালে এবং কাস্তিলের রাজারা ১৩০৯ সালে শহরটি দখল করেন।

আনুমানিক ১৩৭৫ সালে নাসরিদদের দ্বারা আল্হেসিরাস শহরটি ধ্বংস ও পরিত্যক্ত হওয়ার পর এবং একই বছর মারিনিদদের কাছ থেকে জিব্রাল্টার দখলে নেওয়ার পর, নাসরিদরা জিব্রাল্টারকে প্রণালীর (Strait) এক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও নগর ফাঁড়ি (outpost) হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে। যদিও জিব্রাল্টারের প্রাকৃতিক বন্দর আল্হেসিরাসের তুলনায় দুর্বল ছিল, তবে প্রতিরক্ষার দিক থেকে এটি ছিল বেশি উপযুক্ত। তা সত্ত্বেও, এই সময়ে জিব্রাল্টারে উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঘটেনি।

আধুনিক যুগ

[সম্পাদনা]
জিব্রাল্টারের বেদেকার মানচিত্র, ১৯০১

১৪৬২ সালে, গ্রানাডার আমিরাত এর কাছ থেকে জুয়ান আলোনসো ডি গুজমান, মদিনা সিডোনিয়ার প্রথম ডিউকজিব্রাল্টার দখল করেন। [১৬]

বিজয়ের পর, ক্যাস্টিলের হেনরি চতুর্থ জিব্রাল্টারের রাজার অতিরিক্ত উপাধি গ্রহণ করেন, এটিকে ক্যাম্পো লানো ডি জিব্রাল্টার অঞ্চলের (কোমার্কার ) একটি অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। [১৭] ছয় বছর পর, জিব্রাল্টারকে মদিনার ডিউক সিডোনিয়ার নিয়ন্ত্রণে ফিরে আসে। তিনি ১৪৭৪ সালে কর্ডোভা এবং সেভিলের ৪,৩৫০ জন কনভার্সো (ইহুদি ধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত খ্রিস্টান) বাক্তির এর একটি দলের কাছে এটি বিক্রি করে দেন এবং এর বিনিময়ে তারা শহরের সৈন্য ছাউনির দুই বছর রক্ষনা বেক্ষনের দায়িত্ব গ্রহণ করে ,যার পরে তাদের বহিষ্কার করা হয়, তাদের কেউ কেউ নিজ শহরে ফিরে যায় অথবা স্পেনের অন্যান্য অংশে চলে যায়। [১৮] ১৫০১ সালে জিব্রাল্টার পুনরায় স্প্যানিশ রাজ মুকুটের অধীনে চলে যায় এবং ক্যাস্টিলের ইসাবেলা প্রথম জিব্রাল্টারকে একটি রাজকীয় আদেশ জারি করে জিব্রাল্টার কে একটি প্রতীক চিহ্ন প্রদান করে যা আজ ও ব্যবহারিত হয়ে আসছে। [তথ্যসূত্র প্রয়োজন ]

১৫৪০ সালে অটোমান অ্যাডমিরাল হায়রেদ্দিন বারবারোসা জিব্রাল্টার দখল করেন এবং লুটপাট চালান। ছোট শহরটির উপর হামলায় জিব্রাল্টারবাসীর প্রায় একটি সম্পূর্ণ প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যায়। [১৯]

১৭০৪ সালে, স্পেনীয় উত্তরাধিকার যুদ্ধের সময়, গ্র্যান্ড অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধিত্বকারী একটি সম্মিলিত অ্যাংলো - ডাচ নৌবহর, অস্ট্রিয়ার আর্চডিউক চার্লসের পক্ষে স্পেনের রাজা হওয়ার অভিযানের অংশ হিসাবে জিব্রাল্টার শহর দখল করে । পরবর্তীকালে, বেশিরভাগ জনসংখ্যা শহর ছেড়ে চলে যায়, এবং অনেকেই কাছাকাছি বসতি স্থাপন করে। [২০] জোটের অভিযান ব্যর্থ হওয়ার সাথে সাথে, ১৭১৩ সালের উট্রেখ্টের চুক্তি সম্পাদিত হয়, যার মাধ্যমে যুদ্ধ থেকে প্রত্যাহারের নিশ্চয়তার বিনিময়ে জিব্রাল্টারের নিয়ন্ত্রণ ব্রিটেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। জিব্রাল্টার পুনরুদ্ধারের জন্য স্প্যানিশ রাজাপরিবার একাধিক ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালায় ,যার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য ছিল ১৭২৭ সালের অবরোধ এবং আবার আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জিব্রাল্টারের গ্রেট অবরোধ (১৭৭৯ থেকে ১৭৮৩)। [ তথ্যসূত্র প্রয়োজন ]

ধ্বংসাত্মক গ্রেট সিজ-এর পর, শহরটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে পুনর্নির্মিত হয়েছিল। [২১] জিওভান্নি মারিয়া বোশেত্তি, যিনি ১৭৮৪ সালে মিলান থেকে ২৫ বছর বয়সে জিব্রাল্টারে এসেছিলেন, যাকে পাথরের মিস্ত্রি বা প্রকৌশলী ছিলেন বলে ধারণা করা হয়, তিনি ভিক্টুয়ালিং ইয়ার্ড (১৮১২ সালে সম্পন্ন) এবং আরও অনেক ভবন নির্মাণ করেছিলেন। জিব্রাল্টার হেরিটেজ ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী ক্লেয়ার মন্টাডোর বর্ণনা অনুসারে, "সামরিক-শৈলীর খিলানযুক্ত দরজা, ইতালীয় ধাঁচের স্টুকো অলংকরণ, জেনোইজ শাটার, ইংরেজি রিজেন্সি যুগের লোহার কাজ করা বারান্দা, স্প্যানিশ রঙিন কাচ এবং জর্জিয়ান স্যাশ এবং কেসমেন্ট জানালা" র ডিজাইনের পুরানো শহরের শৈলী স্থাপনের জন্য বোশেত্তিকে দায়ী বলে মনে করা হয়। [২১]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "National Symbols"। Gibraltar.gov.gi। ১৩ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১৩
  2. "Gibraltar: National anthem"CIA World FactbookCentral Intelligence Agency। ১২ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১১National anthem: name: "Gibraltar Anthem" ... note: adopted 1994; serves as a local anthem; because Gibraltar is a territory of the United Kingdom, "God Save the Queen" remains official (see United Kingdom)
  3. Gibraltar was captured on 24 July 1704 Old Style or 4 August 1704 New Style.
  4. The treaty was signed on 31 March 1713 Old Style or 11 April 1713 New Style (Peace and Friendship Treaty of Utrecht between France and Great Britain).
  5. "Census of Gibraltar" (PDF)Gibraltar.gov.gi। ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৭
  6. Quality of Life, Balance of Powers, and Nuclear Weapons (2015) Avakov, Aleksandr Vladimirovich. Algora Publishing, 1 Apr 2015.
  7. 1 2 3 Hills, George (১৯৭৪)। Rock of Contention: A history of Gibraltar। London: Robert Hale & Company। পৃ. ১৩। আইএসবিএন ০-৭০৯১-৪৩৫২-৪ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Hills-13" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  8. 1 2 W. Montgomery Watt; Pierre Cachia (২০০৭)। A History of Islamic Spain। Transaction Publishers। পৃ. ৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-২০২-৩০৯৩৬-১। ৬ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  9. Choi, Charles (২০০৬)। "Gibraltar"NBC News। ৯ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০১০
  10. Finlayson, J. C.; Barton, R. N. E. (২০০১)। "The Gibraltar Neanderthals and their Extinction"। Les Premiers Hommes Modernes de la Peninsule Iberique. Actes du Colloque de la Commission VIII de l'UISPP। Instituto Português de Arqueologia। পৃ. ৪৮। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৭২-৮৬৬২-০০-৪
  11. Jackson, পৃ. 22।
  12. Jackson, পৃ. 21–5।
  13. Merini, Mehdi El (১৪ আগস্ট ২০২৪)। "Tariq Ibn Ziyad: The Story of the Muslim Conquest of Andalusia"Arab America (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০২৫
  14. dayhist.com। "The 711 Conquest of Hispania: Tariq ibn Ziyad's Historic Landing at Gi"dayhist.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০২৫
  15. Norris, H.T. (১৯৬১)। "The Early Islamic Settlement in Gibraltar"। Journal of the Royal Anthropological Institute of Great Britain and Ireland৯১ (1): ৩৯–৫১। ডিওআই:10.2307/2844467জেস্টোর 2844467
  16. "The History of Gibraltar and of Its Political Relation to Events in Europe, From the Commencement of the Moorish Dynasty in Spain to the Last Morocco War"Mocavo। ৩১ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪
  17. Maurice Harvey (১৯৯৬)। Gibraltar. A History। Spellmount Limited। পৃ. ৫০–৫১। আইএসবিএন ১-৮৬২২৭-১০৩-৮
  18. Lamelas Oladán, Diego (১ এপ্রিল ১৯৯০)। "Asentamiento en Gibraltar en 1474 y expulsión en 1476" (পিডিএফ)Almoraima. Revista de Estudios Campogibraltareños (স্পেনীয় ভাষায়) (3 (Suplemento 'La compra de Gibraltar por los conversos andaluces (1474–1476)'))। Instituto de Estudios Gibraltareños: ২৫। ৪ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৩
  19. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Hernandez নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  20. Maurice Harvey (১৯৯৬)। Gibraltar. A History। Spellmount Limited। পৃ. ৬৮। আইএসবিএন ১-৮৬২২৭-১০৩-৮
  21. 1 2 The New Statesman। ২৫ মার্চ ২০১৫ https://www.newstatesman.com/gibraltar/newstatesman-gibraltar/2015/03/architectural-crossroads। ২৬ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০১৯ {{ম্যাগাজিন উদ্ধৃতি}}: |title= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)