ফিরোজা বেগম
| ফিরোজা বেগম | |
|---|---|
ফিরোজা বেগম |
|
| জন্ম | ২৮ জুলাই, ১৯৩০ ফরিদপুর, ব্রিটিশ ভারত |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশী |
| বংশোদ্ভূত | বাঙালি |
| নাগরিকত্ব | বাংলাদেশ |
| পেশা | কণ্ঠশিল্পী |
| যে জন্য পরিচিত | নজরুল সংগীত গায়িকা |
| দাম্পত্য সঙ্গী | কমল দাশগুপ্ত |
| সন্তান | তাহসিন, হামীন ও শাফীন |
| পুরস্কার | শেলটেক পদক |
ফিরোজা বেগম (জন্মঃ ২৮ জুলাই, ১৯৩০) একজন বাংলাদেশী নজরুলগীতির শিল্পী যিনি নজরুল সঙ্গীতের জন্য ভারত উপমহাদেশ বিখ্যাত। উপমহাদেশীয় সঙ্গীত অঙ্গনে নজরুল সঙ্গীতের জন্য তিনি বেশ সমাদৃত।
পরিচ্ছেদসমূহ |
জন্ম ও পারিবারিক জীবন[সম্পাদনা]
ফিরোজা বেগমের জন্ম ১৯৩০ সালের ২৮ জুলাই ফরিদপুরের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে। তাঁর বাবার নাম খান বাহাদুর মোহাম্মদ ইসমাইল এবং মায়ের নাম বেগম কওকাবুন্নেসা। ১৯৫৫ সালে বিরলপ্রজ সুরকার কমল দাশগুপ্তের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।[১] তাঁর তিন সন্তান - তাহসিন, হামীন ও শাফীন।[২]
কর্মজীবন[সম্পাদনা]
সংগীত জীবন[সম্পাদনা]
১৯৪২ সালে ১২ বছর বয়সে বিখ্যাত গ্রামোফোন কোম্পানি থেকে ইসলামী গান নিয়ে তাঁর প্রথম রেকর্ড বের হয়। কিছুদিন পর কমল দাশগুপ্তের তত্ত্বাবধানে উর্দু গানের রেকর্ড হয়। এ রেকর্ডের গান ছিল- 'ম্যায় প্রেম ভরে, প্রীত ভরে শুনাউ' আর 'প্রীত শিখানে আয়া'। নজরুলের গান নিয়ে প্রকাশিত তাঁর প্রথম রেকর্ড বের হয় ১৯৪৯ সালে।
১৯৭২ সালে কলকাতায় বঙ্গ-সংস্কৃতি-সম্মেলন-মঞ্চে কমল দাশগুপ্তের ছাত্রী ও সহধর্মিণী হিসেবে তিনি ছিলেন মূখ্যশিল্পী। উভয়ের দ্বৈতসঙ্গীত সকল শ্রোতা-দর্শককে ব্যাপকভাবে বিমোহিত করেছিল।[৩]
পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
- ↑ দৈনিক প্রথম আলো, মুদ্রিত সংস্করণ, আনন্দ, তুমি এসেছিলে জীবনে আমার, ১০ মে, ২০১২, পৃষ্ঠা-১
- ↑ দৈনিক কালের কণ্ঠ, মুদ্রিত সংস্করণ, রঙের মেলা, গানের পৃথিবী তোমাকে চায়, ১০ মে, ২০১২, পৃষ্ঠা-১
- ↑ সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, সম্পাদকঃ অঞ্জলি বসু, ৪র্থ সংস্করণ, ১ম খণ্ড, ২০০২, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, পৃ. ৭৭
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |