পলাশবাড়ী পৌরসভা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পলাশবাড়ী পৌরসভা
পৌরসভা
দেশবাংলাদেশ
বিভাগরংপুর বিভাগ
জেলাগাইবান্ধা জেলা
উপজেলাপলাশবাড়ী উপজেলা
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)

পলাশবাড়ী পৌরসভা বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার অন্তর্গত 'গ' শ্রেণির একটি পৌরসভা।পলাশবাড়ি পৌরসভার মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আ’লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত) প্রার্থী গোলাম সারোয়ার প্রধান বিপ্লব। আ’লীগের দলীয় প্রার্থী আবু বকর প্রধানকে ৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো মেয়র নির্বাচিত হন গোলাম সারোয়ার প্রধান বিল্পব। নারিকেল গাছ প্রতিকে ১০ হাজার ২৬২ ভোট পেয়েছেন তিনি। নৌকা প্রতিকে আবু বকর প্রধান পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৬৭ ভোট।

বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পলাশবাড়ি উপজেলা হল রুমে ১৬টি ভোট কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে স্বতন্ত প্রার্থী গোলাম সারোয়ার প্রধান বিপ্লবকে বেসরকারীভাবে মেয়র ঘোষণা করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মো. আবদুল মোত্তালিব। এছাড়া একই সঙ্গে পৌর এলাকার সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৮ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করেন রিটার্নি অফিসার মো. আবদুল মোতাল্লিব। যদিও এরআগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বতায় একজন কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।

নির্বাচনে মেয়র পদে মোট ছয় প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এরমধ্যে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ২ হাজার ৯৩৬ ভোট, জাতীয় পার্টির মজিবুর রহমান পেয়েছেন ৬১৮ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম দুদু পেয়েছেন ৩৬১ এবং অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ২৭১ ভোট।

নির্বাচিত মেয়র গোলাম সারোয়ার প্রধান বিপ্লব পলাশবাড়ীর জামালপুর গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম সাকোয়াত জামান প্রধান বাবু ছেলে। গাইবান্ধা জেলার বাস-মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সারোয়ার প্রধান বিপ্লব পলাশবাড়ী উপজেলা আ’লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। একাধারে তিনি রাজনৈতিক, শ্রমিক নেতা ও ব্যবসায়ী ছাড়াও সমাজ সেবক হিসেবে পরিচিত।পলাশবাড়ি পৌরসভা বাস্তবায়নে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে আসেন তিনি। এ কারণে দল-মত নির্বিশেষে গোলাম সারোয়ার প্রধান বিপ্লকে মেয়র নির্বাচিত করার প্রত্যাশা ছিলো পৌরবাসীর।

মেয়র নির্বাচিত হয়ে প্রতিক্রিয়ায় গোলাম সারোয়ার প্রধান বিপ্লব বলেন, ‘নির্বাচনে এ জয় হাজার-হাজার মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার বহি প্রকাশ। জনগণের এই ভালোবাসার প্রতিদানে তিনি সার্বক্ষণিক পৌরবাসীর পাশে থাকাসহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নিজেকে বিলিয়ে দিতে চান। তার প্রত্যাশা, পলাশবাড়ি পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভা রুপান্তরসহ নাগরিকদের সকল সুবিধা নিশ্চিত করা। ক্ষোভ-দ্বন্দ্ব ভুলে পলাশবাড়ি পৌরসভার উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি’।

এরআগে, কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে সকাল ৮টায় পৌর এলাকার ১৬টি ভোট কেন্দ্রের ৯৪টি কক্ষে ইভিএমে (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। প্রথমবারের এই নির্বাচনে মোট ৩১ হাজার ৬০২ জন ভোটারের মধ্যে ২৩ হাজার ৩৭৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ১৬ কেন্দ্রে প্রাপ্ত ভোটে শতকরা হার ৭৩.৯৭।

প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে পলাশবাড়ি পৌরসভা বাস্তবায়ন হলেও কিশোরগাড়ি, বরিশালসহ ৩ ইউনিয়নের সীমানা নিয়ে আইনি জটিলতায় আটকে যায় নির্বাচন। অবশেষে দীর্ঘ ১৮ বছর পর গত ৩ নভেম্বর পলাশবাড়ি পৌরসভায় প্রথমবারের মতো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনার ইসি।

অবস্থান ও সীমানা[সম্পাদনা]

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

  • ওয়ার্ডঃ সর্ব মোট ৯ টি,
  • মৌজাঃ

আয়তন ও জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

  • মোট আয়তনঃ
  • মোট জনসংখ্যাঃ

শিক্ষার হার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

  • শিক্ষার হারঃ
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ

জনপ্রতিনিধি[সম্পাদনা]

৩নং (সাধারণ)ওয়ার্ডের আব্দুস সোবহান, ৮নং (সাধারণ) ওয়ার্ডের মো. আশাদুজ্জামান শেখ ফরিদ ও (সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর)৩নং ওয়ার্ডের শাহিনুর বেগম কে পলাশবাড়ী পৌরসভার #মেয়র_প্যানেল নির্বাচিত করা হয়েছে।

১১ ফেব্রুয়ারি, পৌর পরিষদের দ্বিতীয় সভায় এই মেয়র প্যানেল নির্বাচন করা হয়। মেয়র, প্যানেল নির্বাচনে উল্লিখিত তিনজনের নাম প্রস্তাব করলে, পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে তাদের নির্বাচিত করা হয়।


আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]