ধোবাউড়া উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ধোবাউড়া উপজেলা
উপজেলা
ধোবাউড়া উপজেলা বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ধোবাউড়া উপজেলা
ধোবাউড়া উপজেলা
বাংলাদেশে ধোবাউড়া উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°০৫′৩০″উত্তর ৯০°৩২′০০″পূর্ব / ২৫.০৯১৭° উত্তর ৯০.৫৩৩৩° পূর্ব / 25.0917; 90.5333স্থানাঙ্ক: ২৫°০৫′৩০″উত্তর ৯০°৩২′০০″পূর্ব / ২৫.০৯১৭° উত্তর ৯০.৫৩৩৩° পূর্ব / 25.0917; 90.5333
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগ
জেলা ময়মনসিংহ জেলা
আয়তন
 • মোট ২৫১.৮৮ কিমি (৯৭.২৫ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ৪,২৭,৯১৩
 • ঘনত্ব ১৭০০/কিমি (৪৪০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৬৫%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)


ধোবাউড়া বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

ধোবাউড়া উপজেলার উত্তরে ভারত, দক্ষিণে ফুলপুর উপজেলা, পূর্বে দুর্গাপুর উপজেলা ও পশ্চিমে হালুয়াঘাট উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

ধোবাউড়া উপজেলা ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।

  • ধোবাউড়া সদর
  • মুন্সিরহাট
  • গোয়াতলা
  • ঘোষগাও
  • গামারিতলা
  • ক্রিষনপুর
  • বাঘবেড়
  • ১ নং দক্ষিণ মাইজপাড়া

ইতিহাস[সম্পাদনা]

পুর্বে এর নাম ছিল জিক্কোয়া বাজার।ধোবাউড়া নামটি এসেছে ধোপা থেকে । বহু বছর আগে এই এলাকায় অনেক ধোপা বাস করত। কিন্তু কোন এক কারনে ধোপারা এই এলাকা ছেড়ে চলে যায় । আর তার পর থেকেই এই এলাকার নাম হয়েছে ধোবাউড়া।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

এই এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থা খুবই উন্নত । এখানে অস্ংখ্য প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ও কিন্ডার গার্ডেন স্কুল আছে।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

প্রধান অর্থকারী ফসল ধান । অনেকেই মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে । এখানে নানা পেশার লোকজন বসবাস করে । ক্রিষি কাজই এই এলাকার মানুষের জীবিকা নির্বাহের প্রধান উপায়।

নদীসমূহ[সম্পাদনা]

ধোবাউড়া উপজেলায় দুটি নদী আছে। সেগুলো হচ্ছে নিতাই নদী এবং কংস নদী[২][৩]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে ধোবাউড়া"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ১০ জুলাই, ২০১৫ 
  2. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৪০০, ISBN 978-984-8945-17-9
  3. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬০৬, ISBN 984-70120-0436-4.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]