ধোবাউড়া উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ধোবাউড়া
উপজেলা
ধোবাউড়া বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ধোবাউড়া
ধোবাউড়া
বাংলাদেশে ধোবাউড়া উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°৫′৪৪″ উত্তর ৯০°৩১′৫৮″ পূর্ব / ২৫.০৯৫৫৬° উত্তর ৯০.৫৩২৭৮° পূর্ব / 25.09556; 90.53278স্থানাঙ্ক: ২৫°৫′৪৪″ উত্তর ৯০°৩১′৫৮″ পূর্ব / ২৫.০৯৫৫৬° উত্তর ৯০.৫৩২৭৮° পূর্ব / 25.09556; 90.53278 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগময়মনসিংহ বিভাগ
জেলাময়মনসিংহ জেলা
আয়তন
 • মোট২৫১.৮৮ বর্গকিমি (৯৭.২৫ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট৪,২৭,৯১৩
 • জনঘনত্ব১,৭০০/বর্গকিমি (৪,৪০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৬৫%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৩০ ৬১ ১৬
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

ধোবাউড়া বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

ধোবাউড়া উপজেলার উত্তরে ভারত, দক্ষিণে ফুলপুর উপজেলা, পূর্বে দুর্গাপুর উপজেলা ও পশ্চিমে হালুয়াঘাট উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

ধোবাউড়া উপজেলা ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

পুর্বে এর নাম ছিল জিক্কোয়া বাজার।ধোবাউড়া নামটি এসেছে ধোপা থেকে । বহু বছর আগে এই এলাকায় অনেক ধোপা বাস করত। কিন্তু কোন এক কারণে ধোপারা এই এলাকা ছেড়ে চলে যায় । আর তার পর থেকেই এই এলাকার নাম হয়েছে ধোবাউড়া। এই উপজেলাই রয়েছে গাড় পাহার। এখানে আছে সাদা মাটির পাহাড়। এই সব দেখতে সারা দেশ হতে প্রতিদিন অনেক লোক আসে এখানে দেখার জন্য।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

এই এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থা তেমন উন্নত না। এখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ও কিন্ডার গার্ডেন স্কুল আছে। ধোবাউড়া এলাকায় নারী শিক্ষায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করে চলেছে ধোবাউড়া মহিলা ডিগ্রী কলেজ।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

প্রধান অর্থকারী ফসল ধান । অনেকেই মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে । এখানে নানা পেশার লোকজন বসবাস করে । কৃষি কাজই এই এলাকার মানুষের জীবিকা নির্বাহের প্রধান উপায়।

নদীসমূহ[সম্পাদনা]

ধোবাউড়া উপজেলায় দুটি নদী আছে। সেগুলো হচ্ছে নিতাই নদ এবং কংস নদ[২][৩]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে ধোবাউড়া"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই, ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৪০০, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  3. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি। ঢাকা: কথাপ্রকাশ। পৃষ্ঠা ৬০৬। আইএসবিএন 984-70120-0436-4 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]