মাদারগঞ্জ উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
মাদারগঞ্জ
উপজেলা
মাদারগঞ্জ বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
মাদারগঞ্জ
মাদারগঞ্জ
বাংলাদেশে মাদারগঞ্জ উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°৫৩′৪৭″ উত্তর ৮৯°৪৫′৭″ পূর্ব / ২৪.৮৯৬৩৯° উত্তর ৮৯.৭৫১৯৪° পূর্ব / 24.89639; 89.75194স্থানাঙ্ক: ২৪°৫৩′৪৭″ উত্তর ৮৯°৪৫′৭″ পূর্ব / ২৪.৮৯৬৩৯° উত্তর ৮৯.৭৫১৯৪° পূর্ব / 24.89639; 89.75194 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগ
জেলা জামালপুর জেলা
সরকার
 • চেয়ারম্যান জনাব ওবায়দুল রহমান বেলাল (বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ)
আয়তন
 • মোট ২২৫.৩৯ কিমি (৮৭.০২ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ২,৬৩,৬০৮
 • ঘনত্ব ১২০০/কিমি (৩০০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট %
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড ২০৪১ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইট প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

মাদারগঞ্জ বাংলাদেশের জামালপুর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

উত্তরে ইসলামপুর উপজেলামেলান্দহ উপজেলা, দক্ষিণে সরিষাবাড়ি উপজেলা ,পূর্বে মেলান্দহ উপজেলাজামালপুর সদর উপজেলা এবং পশ্চিমে বগুড়া জেলা অবস্থিত।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

ইউনিয়ন
পৌরসভা

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দে সারা বাংলা যখন ইংরেজ অত্যাচারে শশ্বানে পরিণিত,ব্যাপক বিশৃঙ্খলা অরাজগতায় ভরে গেছে,বাংলা মসনদে বসে পুতুল নবাব সমস্ত ক্ষমতা ইংরেজ সাহেবদের হাতে ঠিক সেই সময় শুরু হয় ছিয়াত্তরের মন্বন্তর। আর এমন একটা সময়ে বাংলার মানুষকে ইংরেজদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ফকির সন্নাসীরা আধ্যাত্মিক সাধনা ছেড়ে এদেশে চলে আসে। তাদের প্রধান আখাড়াছিল নেপালের গোরখপুর জেলার মাখনপুরে। তারা এদেশে এসে বগুড়ার মহাস্থনগড় এবং ময়মনসিংহ জেলার দাওকোবা নদীর দুর্গম চরে আখড়া স্থাপন করে। দাওকোব নদী ছিল ব্রক্ষপুত্রের একটি শাখা। যা বর্তমানে যমুনা নদী হিসেবে পরিচিত। তখন আজকের প্রবাহমান যমুনা নদীর কোন অস্তিত্ব ছিল না।১৭৭৮ সালে ইংরেজ জরিপকারী মি. রেনেল যে মানচিত্র তৈরী করে তাদের যমুনার কোন নাম ছিল না,যে মানচিত্রে ব্রক্ষপুত্রের ও দাওকোবা নদীর নাম পাওয়া যায়। ফকির সন্ন্যাসীগণ এই দর্গম চরে তাদের গোপন কার্যক্রম শুরু করেন। সেই সময় তাদের দলে এসে যোগদেন শাহ্ মাদার নামে একজন ধর্ম প্রচারক। তিনি সিরিয়া থেকে ধর্ম প্রচার করার জন্য এদেশে আগমন করেন। তাঁর পুরু নাম চিল সেয়দ বদিউদ্দিন কুতুব-উর মাদার। শাহ। মাদার ফকির বিদ্রোহের নেতা মজনু শাহ্ এর সাথে সরাসরি ফকির আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন।১৭৬৩ সালের দিকে শাহ্ মাদার দুর্গম এই চরে আগমন করার পর ফকিরগণ ত৭ার শিষ্যত্ব গ্রহণ করে এবং তারা মাদারিয়া সম্প্রদায় ভূক্ত হয়ে যান। ১৭৭২ সালে বর্ষায় ফকির-সন্ন্যাসী বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলার বিবিন্ন গ্রামে ব্যাপক লুটতরাজ ও দাঙ্গা সৃষ্টি করে। তারা কৃষকদের সর্বস্ব লুটে নেয়। এতে দেশে শুরু হয় ভয়াবহ অবস্থা। সন্ন্যাসী বিদ্রোহ কিছুটা দমন হলে ১৮১৫ সালে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার ম্যাজিষ্ট্রেট মি. ইয়ার মাদারগঞ্জ এলাকায় আইন শৃঙ্খলা ও সরকারী ফরমান জারী করার জন্য ১৩ জন চৌকিদার নিয়োগ করেন।১৮৪৫ সালে জামালপুর মহকুমা প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর ১৮৮২ সালে মাদারগঞ্জ একটি পুলিশ ফাডিঁ স্থাপন করা হয়। ফাঁডি স্থাপনের ২৪ বছর পর ১৯০৬ সালের ১৫ জুন পূর্ববঙ্গ আসাম গেজেটে মাদারগঞ্জ পুলিশ ফাঁডিকে পূর্নাঙ্গ থানায় রুপান্তর করা হয়। মাদারগঞ্জ সেই থেকে একটি থানার নাম। বর্তমানে ইহা একটি উপজেলা নাম।

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২,৬৩,৬০৮জন।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

মাদারগঞ্জ উপজেলায় উল্লেখ্য যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো-

উচ্চ বিদ্যালয়
মাদ্রাসা
  • বালিজুড়ী এস.এম ফাজিল সিনিয়র(ডিগ্রি) মাদ্রাসা


কলেজ

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃষিপ্রধান অর্থনীতি।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • তালুকদার বাড়ি মসজিদ।
  • ঠাকুরবাড়ি মন্দির।
  • তারতাপাড়া নীলকুঠি।
  • খরকা বিল
  • হাওয়াই রোড
  • তমালতলা শিব মন্দির

কৃতি ব্যাক্তি[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে মাদারগঞ্জ উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই, ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ=, |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

মাদারগঞ্জ উপজেলা

জামালপুর জেলা