মেলান্দহ উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
মেলান্দহ
উপজেলা
মেলান্দহ বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
মেলান্দহ
মেলান্দহ
বাংলাদেশে মেলান্দহ উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°৫৮′১৬″ উত্তর ৮৯°৫০′১০″ পূর্ব / ২৪.৯৭১১১° উত্তর ৮৯.৮৩৬১১° পূর্ব / 24.97111; 89.83611স্থানাঙ্ক: ২৪°৫৮′১৬″ উত্তর ৮৯°৫০′১০″ পূর্ব / ২৪.৯৭১১১° উত্তর ৮৯.৮৩৬১১° পূর্ব / 24.97111; 89.83611 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগ
জেলা জামালপুর জেলা
আয়তন
 • মোট ২৫৩.০৩ কিমি (৯৭.৭০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ২,৯২,৩৪৭
 • ঘনত্ব ১২০০/কিমি (৩০০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ২৬.৬১%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

মেলান্দহ বাংলাদেশের জামালপুর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

উত্তরে ইসলামপুর উপজেলা, দক্ষিণে মাদারগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে জামালপুর সদর উপজেলা, পশ্চিমে যমুনা নদী ও বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

মেলান্দহ উপজেলা দুইটি পৌরসভা ও এগারোটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।

পৌরসভা
  1. মেলান্দহ পৌরসভা
  2. হাজরাবাড়ি পৌরসভা
ইউনিয়ন পরিষদ
  1. কুলিয়া
  2. দুরমুঠ
  3. মাহমুদপুর
  4. নাংলা
  5. নয়ানগর
  6. শ্যামপুর
  7. আদ্রা
  8. চরবানিপাকুরিয়া
  9. ফুলকোচা
  10. ঘোষেরপাড়া
  11. ঝাউগড়া

ইতিহাস[সম্পাদনা]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

এ থানার প্রধান উৎপাদিত শস্য হলঃ ধান, গম, ভুট্টা, আলু ইত্যাদি

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  • মির্জা আজম (সাবেক চীফ হুইপ এবং বর্তমান পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী )।রাজা মিয়া(বিশিষ্ট শিল্পপতি)

বিবিধ[সম্পাদনা]

উপজেলার ঐতিহ্য[সম্পাদনা]

দুর্মুঠ শাহ্ কামালের দরগা ও মাজার শরীফ

চতুর্দশ শতকে দুর্মুঠ পীর আউলিয়া শাহ্ কামালের পবিত্র দরগা মাজার শরীফ্ মেলান্দহ উপজেলার দর্শনিয় স্থান। বৈশাখে উরস শরীফের সময় দূর দূরান্ত থেকে পুন্যার্থীরা ১বৈশাখ থেকে বৈশাখের শেষ দিন পর্যন্ত সর্বধর্ম নির্বিশেষে পুণ্যার্থীরা এই অঙ্গনে মেলায় আসেন। দর্গা বিল/দ’তে সূর্য আলোক ঝিলমিল দৃশ্য নয়নাভিরাম। এখানেও নৌকা বিহারের ব্যবস্থা করলে পর্যটন শিল্পের আকর্ষণ বারবে।   গান্ধী আশ্রম

জামালপুর গান্ধী আশ্রম এবং মুক্তি সংগ্রাম জাদুঘর(নির্মানাধীন)

কাপাসহাটিয়া, ডাকঘর-হাজীপুর

উপজেলা -মেলান্দহ,জেলা-জামালপুর

কাপাশ হাটিয়ার গান্ধী আশ্রম। মহাত্মা মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধীর মতাদর্শ এবং জনকল্যাণ প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এ আশ্রমের প্রতিষ্ঠা।

 টুপকার চরের বাঁধ ও জলসিঁড়ি বাড়ী:                                                       

টুপকার চরের বেরী বাঁধ থেকে নৈসর্গীক মেঘালয় পাহাড়ের দৃশ্য,সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয় দর্শন। পর্যটককে আনন্দ দেবে। বাঁধ ঘেঁষে-ই  সনামধন্য নাট্যকার যার লেখা নাটক হীরা, মানুষ অমানুষ,রাক্ষসের পাঁচালী, বীরঙ্গনা বিমলা, সী-মোরগ, সোহাগী বাইদ্যানী । লেখক, অভিনেতা এবং সমাজ সেবক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক আসাদুল্ল্যাহ ফারাজীর বাড়ীভিটা রয়েছে্ এবং স্বনামধন্য পর্বতারোহী,ক্রিকেটার, হোমিও চিকিৎসক,সমাজসেবক,কবি,শিল্পী ছন্দে ঝিনাইুএর সম্পাদক এবং আমি সূর্যকে ভাল বাসি, প্রেম ঝিনাই, বৃত্তকলা, নিরুদ্দেশ যাত্রা, শ্যামলী মায়ের সুবর্ণ সন্তান, মেঘে বৈদিক মহাকাব্যের ছবি, কুমায়ুন হিমালয়ে গৌরী গঙ্গা নদীর উৎস সন্ধানে পর্বত অভিযান  -এর লেখক ধ্রুবজ্যেতি ঘোষের অবকাশ জলসিঁড়ি  বাসা বাড়ী নিমার্নাধিন রয়েছে। এগুলো সবই সান রাইজ এ্যান্ড সে্টস  স্পট এবং নৌকায় বিহারের কাব্যিক নিসর্গ। দূর দিগন্ত ছুঁয়ে গারো পাহাড়ের নীল পাহাড়ের নয়নাভিরাম দৃশ্য।

ডাঙ্গার বিল:বোটিং স্পট:

মহিরামকুল ডাংগার বিল নয়নাভিরাম বিলের জল তরঙ্গ। পর্যটন ও পিকনিক স্পট। চাঁদনী আলোতে নৌকা ভ্রমণ খুব আনন্দের।

পয়লাব্রীজ থেকে নদী দৃশ্য ও দূর দিগন্ত ছুঁয়ে মেঘালয় পাহাড় দর্শন:আর্টি ফিসিয়াল ক্লাইম্বিং টেকনিক প্রশিক্ষণ বিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্য:

মেলান্দহ সদর থেকে ৩ কিঃমিঃ দূরত্বে পয়লা ব্রীজ। ব্রীজের ওপর থেকে মেঘালয় পাহাড়ের দৃশ্য দর্শন। পর্যটনকে আকর্ষণ করবে আনন্দে। কিশোরদের জন্য শৈলারোহণ প্রশিক্ষা প্রদানের জন্য  নদীর সুউচ্চ বাঁ ঢালে প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানের জন্য সম্ভাব্য স্থান। বনায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। বিদ্যালয়ের বালক বালিকাদের  আনন্দ বিনোদনের জন্য প্যাডেল বোটিং সহ সম্ভবনাময় পিকনিক স্পট  আগামী দিনের জন্য হতে পারে!

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে মেলান্দহ"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ১০ জুলাই, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]