ত্রিশাল উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ২৪°৩৪′৫৬″উত্তর ৯০°২৩′৩৯″পূর্ব / ২৪.৫৮২১° উত্তর ৯০.৩৯৪১° পূর্ব / 24.5821; 90.3941

ত্রিশাল উপজেলা
BD Districts LOC bn.svg
Red pog.svg
ত্রিশাল উপজেলা
বিভাগ
 - জেলা
ময়মনসিংহ বিভাগ
 - ময়মনসিংহ জেলা
স্থানাঙ্ক ২৪°৩৪′৫৬″উত্তর ৯০°২৩′৩৯″পূর্ব / ২৪.৫৮২১° উত্তর ৯০.৩৯৪১° পূর্ব / 24.5821; 90.3941
আয়তন ৩৩৮.৭৩ বর্গকিমি
সময় স্থান বিএসটি (ইউটিসি+৬)
জনসংখ্যা (২০১১)
 - ঘনত্ব
 - শিক্ষার হার
৪,৩৫,৮০৩জন[১]
 - 
 - %
ওয়েবসাইট: উপজেলা তথ্য বাতায়ন

ত্রিশাল উপজেলা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান[সম্পাদনা]

উত্তরে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা, দক্ষিণে ভালুকা উপজেলাগফরগাঁও উপজেলা, পূর্বে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলানান্দাইল উপজেলা, পশ্চিমে ফুলবাড়িয়া উপজেলা অবস্থিত।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

আয়তন ৩৩৮.৯৮ বর্গ কিলোমিটার। এটি ১টি থানা, ১টি পৌরসভা (ক শ্রেণীর), ৯টি ওয়ার্ড, ১২টি মহল্লা, ১২টি ইউনিয়ন, ৯১টি মৌজা, ১৫৯টি গ্রাম নিয়ে গঠিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ত্রিশাল হানাদার মুক্ত দিবস[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার মুক্তিকামী জনতা রাতব্যাপী পাক বাহিনীকে সন্মুখ যুদ্ধে পরাজিত করে বিজয় অর্জন করে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন করে। ৮ ডিসেম্বর রাত ১১টার দিকে মেজর আফসার বাহিনীর যুদ্ধকালীন কমান্ডার শাহ আনছার উদ্দিন মাস্টারের নির্দেশে কোম্পানি কমান্ডার আ. বারী মাস্টার একদল গেরিলা যোদ্ধা নিয়ে ত্রিশাল থানার পাশে বয়ে যাওয়া সূতীয়া নদীর তীরে থানার ৪শ গজ দক্ষিণে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ওৎ পেতে বসে থাকে। রাত আনুমানিক ১টার দিকে দক্ষিণ ও পশ্চিম দিক দিয়ে আক্রমণ শুরু করলে পাকবাহিনী ভীত হয়ে উঠে। পাক সেনারা কূলকিনারা না পেয়ে ভোর হবার আগেই জেলা সদরের দিকে পালিয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধাসহ এলাকার বীর বাঙালিরা ত্রিশাল থানা দখল করতে সক্ষম হয়। ওইদিন সকাল ৭টার সময় কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল বারী মাস্টার মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে থানা প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে। এ যুদ্ধে গিয়াস উদ্দিন নামে এক মুক্তিযোদ্ধা আত্মঘাতি বুলেটে নিহত হন।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

মোট জনসংখ্যা ৪,৩৫,৮০৩ জন (২০১১ সনের আদমশুমারী অনুযায়ী), পুরুষ ২,১৬,৮৮০ জন, মহিলা ৯৩,৮৮৬ জন, খানার সংখ্যা ৮০,৬০০টি।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষার হার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানশিক্ষার হার ৪০.২০% (পুরুষ ৪২.১০%, মহিলা ৩৮.২০%)। মোট প্রাথমিক বিদ্যালয় ২১৮টি (সরকারী ২০টি, বেসরকারী রেজিষ্টার্ড ৪৪টি, আন রেজিষ্টার্ড ২টি, উচ্চ বিদ্যালয় সংলগন ৪টি, কিন্ডার গার্ডেন ৩টি, স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা ৪টি, উচ্চ মাদ্রাসা সংলগ্ন ৩৪টি, কমিউনিটি ৭টি), নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৪৩টি, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২টি, ডিগ্রী কলেজ ১টি (বেসরকারী), বিশ্ববিদ্যালয় ১টি (সরকারী), ফাযিল মাদ্রাসা ৫টি, আলিম মাদ্রাসা ৮টি, দাখিল মাদ্রাসা ৩৪টি।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃষি নির্ভরশীল।

নদীসমূহ[সম্পাদনা]

ত্রিশাল উপজেলায় অনেকগুলো নদী আছে। সেগুলো হচ্ছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদী, পাগারিয়া নদী, সুতিয়া নদী, খিরু নদী, মেদুয়ারি নদী, বানার নদী, জলগভা নদী, বাড়েরা নদী, নাগেশ্বরী নদীমাহারী নদী[২][৩]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

ত্রিশালের অনলাইন পত্রিকা ত্রিশাল নিউজ = https://trishalnews.com/

উপদেষ্টাঃ হুমায়ুন আহমেদ

প্রকাশক: লায়েস মন্ডল

সম্পাদকঃ হোসাইন ফরহাদ

নির্বাহী সম্পাদকঃ ডাঃ এনামুল হক

বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ সাবিদ, মোশারফ হোসাইন

প্রধান কার্যালয়ঃআলতাফ সুপার মার্কেট, ইসলামিক সেন্টার রোড, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।

বিজ্ঞাপনঃ ০১৭২০৯৪১৬৩০, বার্তাকক্ষঃ ০১৭১১০০১৯০২, ফোনঃ ০১৯১৫২০০১৩১, E-mail: trishalnewsbd@gmail.com


অনলাইন পত্রিকা = www.enamnewsbd.com প্রকামক ও সমআপদক =ডাঃ এনামুল হক

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে ত্রিশাল"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ১০ জুলাই, ২০১৫ 
  2. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৪০০, ISBN 978-984-8945-17-9
  3. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬০৬, ISBN 984-70120-0436-4.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


ময়মনসিংহ জেলা Flag of Bangladesh
উপজেলা/থানাঃ ঈশ্বরগঞ্জ | গফরগাঁও | গৌরীপুর | তারাকান্দা | ত্রিশাল | ধোবাউড়া | নান্দাইল | ফুলপুর | ফুলবাড়িয়া | ভালুকা | ময়মনসিংহ সদর | মুক্তাগাছা | হালুয়াঘাট