ত্রিশাল উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
ত্রিশাল
উপজেলা
ত্রিশাল বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ত্রিশাল
ত্রিশাল
বাংলাদেশে ত্রিশাল উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°৩৩′৩৬.০০০″ উত্তর ৯০°২৫′১২.০০০″ পূর্ব / ২৪.৫৬০০০০০০° উত্তর ৯০.৪২০০০০০০° পূর্ব / 24.56000000; 90.42000000স্থানাঙ্ক: ২৪°৩৩′৩৬.০০০″ উত্তর ৯০°২৫′১২.০০০″ পূর্ব / ২৪.৫৬০০০০০০° উত্তর ৯০.৪২০০০০০০° পূর্ব / 24.56000000; 90.42000000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগ
জেলা ময়মনসিংহ জেলা
আসন ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল)
সরকার
 • সংসদ সদস্য এম. এ. হান্নান
আয়তন
 • মোট ৩৩৮.৭৩ কিমি (১৩০.৭৮ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ৪,৩৫,৮০৩
 • ঘনত্ব ১৩০০/কিমি (৩৩০০/বর্গমাইল)
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট %
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

ত্রিশাল উপজেলা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান[সম্পাদনা]

উত্তরে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা, দক্ষিণে ভালুকা উপজেলাগফরগাঁও উপজেলা, পূর্বে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলানান্দাইল উপজেলা, পশ্চিমে ফুলবাড়িয়া উপজেলা অবস্থিত।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

আয়তন ৩৩৮.৯৮ বর্গ কিলোমিটার। এটি ১টি থানা, ১টি পৌরসভা (ক শ্রেণীর), ৯টি ওয়ার্ড, ১২টি মহল্লা, ১২টি ইউনিয়ন, ৯১টি মৌজা, ১৫৯টি গ্রাম নিয়ে গঠিত।

ইউনিয়নসমূহ[সম্পাদনা]

  • আমিরাবাড়ী,
  • বইলর,
  • বালিপাড়া,
  • ধানিখোলা,
  • হরিরামপুর (ইউনিয়নের গ্রামসমূহ: নিঘোরকান্দা, রায়েরগ্রাম, চাউলাদী, গোলাভিটা, মাগুরজোড়া, কান্দাপাড়া),
  • কানিহারী,
  • কাঁঠাল,
  • মঠবাড়ী,
  • মোক্ষপুর,
  • রামপুর,
  • সাখূয়া,
  • ত্রিশাল।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ত্রিশাল হানাদার মুক্ত দিবস[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার মুক্তিকামী জনতা রাতব্যাপী পাক বাহিনীকে সন্মুখ যুদ্ধে পরাজিত করে বিজয় অর্জন করে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন করে। ৮ ডিসেম্বর রাত ১১টার দিকে মেজর আফসার বাহিনীর যুদ্ধকালীন কমান্ডার শাহ আনছার উদ্দিন মাস্টারের নির্দেশে কোম্পানি কমান্ডার আ. বারী মাস্টার একদল গেরিলা যোদ্ধা নিয়ে ত্রিশাল থানার পাশে বয়ে যাওয়া সূতীয়া নদীর তীরে থানার ৪শ গজ দক্ষিণে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ওৎ পেতে বসে থাকে। রাত আনুমানিক ১টার দিকে দক্ষিণ ও পশ্চিম দিক দিয়ে আক্রমণ শুরু করলে পাকবাহিনী ভীত হয়ে উঠে। পাক সেনারা কূলকিনারা না পেয়ে ভোর হবার আগেই জেলা সদরের দিকে পালিয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধাসহ এলাকার বীর বাঙালিরা ত্রিশাল থানা দখল করতে সক্ষম হয়। ওইদিন সকাল ৭টার সময় কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল বারী মাস্টার মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে থানা প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে। এ যুদ্ধে গিয়াস উদ্দিন নামে এক মুক্তিযোদ্ধা আত্মঘাতি বুলেটে নিহত হন।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

মোট জনসংখ্যা ৪,৩৫,৮০৩ জন (২০১১ সনের আদমশুমারী অনুযায়ী), পুরুষ ২,১৬,৮৮০ জন, মহিলা ২১৮৯০৩ জন। খানার সংখ্যা ৮০,৬০০টি।

শিক্ষা সম্পর্কিত তথ্যসমূহ[সম্পাদনা]

শিক্ষার হার ও প্রতিষ্ঠানশিক্ষার হার ৪০.২০% (পুরুষ ৪২.১০%, মহিলা ৩৮.২০%)। মোট প্রাথমিক বিদ্যালয় ২১৮টি (সরকারী ২০টি, বেসরকারী রেজিষ্টার্ড ৪৪টি, আন-রেজিষ্টার্ড ২টি, উচ্চ বিদ্যালয় সংলগন ৪টি, কিন্ডার গার্ডেন ৩টি, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ৪টি, উচ্চ মাদ্রাসা সংলগ্ন ৩৪টি, কমিউনিটি ৭টি), নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৪৩টি, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২টি, ডিগ্রী কলেজ ২টি (১টি সরকারী), বিশ্ববিদ্যালয় ১টি (সরকারী), ফাযিল মাদ্রাসা ৫টি, আলিম মাদ্রাসা ৮টি, দাখিল মাদ্রাসা ৩৪টি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয়টি মার্চ ১, ২০০৫-এ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০০৭ সালে প্রথম ব্যাচের ক্লাস শুরু হয়।

কলেজসমূহ[সম্পাদনা]

  • সরকারি নজরুল কলেজ ত্রিশাল, ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত।
  • ত্রিশাল মহিলা ডিগ্রি কলেজ
  • পাঁচপাড়া কারিগরী কলেজ
  • ধানীখোলা কারিগরী ও বাণিজ্যিক কলেজ
  • ত্রিশাল আইডিয়াল কলেজ
  • ত্রিশাল কেন্দ্রীয় কারিগরি ও বানিজ্যিক কলেজ
  • হাজী চেরাগ আলী ডিগ্রি কলেজ
  • ইসলামী একাডেমি স্কুল ও কলেজ
  • ত্রিশাল মহিলা টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ

অন্যান্য[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃষি নির্ভরশীল।

নদীসমূহ[সম্পাদনা]

ত্রিশাল উপজেলায় অনেকগুলো নদী আছে। সেগুলো হচ্ছে:

গ্যালারী[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে ত্রিশাল"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই, ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ=, |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  2. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৪০০, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  3. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬০৬, ISBN 984-70120-0436-4.
  4. "আবুল মনসুর আহমেদ : যে কারনে আলোচিত"জননেতা.কম। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]