দুর্গাপুর উপজেলা, নেত্রকোনা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(দুর্গাপুর উপজেলা, নেত্রকোণা থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
দুর্গাপুর
উপজেলা
দুর্গাপুর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
দুর্গাপুর
দুর্গাপুর
বাংলাদেশে দুর্গাপুর উপজেলা, নেত্রকোনার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°৭′৩০.০″ উত্তর ৯০°৪১′১৫.০″ পূর্ব / ২৫.১২৫০০০° উত্তর ৯০.৬৮৭৫০০° পূর্ব / 25.125000; 90.687500স্থানাঙ্ক: ২৫°৭′৩০.০″ উত্তর ৯০°৪১′১৫.০″ পূর্ব / ২৫.১২৫০০০° উত্তর ৯০.৬৮৭৫০০° পূর্ব / 25.125000; 90.687500 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগময়মনসিংহ বিভাগ
জেলানেত্রকোনা জেলা
আয়তন
 • মোট২৭৮.২৮ কিমি (১০৭.৪৪ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট২,২৪,৮৯৩
 • জনঘনত্ব৮১০/কিমি (২১০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৬৫%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

দুর্গাপুর উপজেলা বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

২৭৮.২৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই উপজেলার অবস্থান ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা জেলার সর্ব উত্তরে ভারতের মেঘালয়ের গারো পাহাড়ের কোল ঘেসে ২১°২১’ থেকে ২১°২৬’ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে এবং ৮৫°৫১’ থেকে ৮৬°০৮’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে। এর উত্তরে ভারত, দক্ষিণে পূর্বধলানেত্রকোনা সদর উপজেলা, পশ্চিমে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলা এবং পূর্বে কলমাকান্দা উপজেলা। এখানকার প্রধান নদ-নদীগুলো হলোঃ সোমেশ্বরী নদী, কংশ নদী এবং আত্রাখালি নদী

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১২৮০ খ্রীষ্টাব্দে মেঘালয়ের পূর্ব অংশে সু-সঙ্গ নামে এক পরগনার গোড়াপত্তন হয়। অভিযাত্রী মার্কোপোলো তাঁর অভিযানের এক পর্যায়ে যখন তাঁতার সাম্রাজ্যের সম্রাট কুবলাই খাঁর দরবারে তখনই আরেক অভিযাত্রী সোমেশ্বর পাঠক মতান্তরে সোমনাথ পাঠক ভারতের কান্যকুব্জ থেকে ১২৮০ খৃষ্টাব্দ (৬৮৬ বঙ্গাব্দ মাঘ মাস) পূর্ব ময়মনসিংহের উত্তরভাগ ‍‍'পাহাড় মুল্লুকে' প্রচুর সঙ্গীসাথী সহ কামরূপ ভ্রমণের লক্ষ্যে বর্তমান দশভূজা বাড়ির প্রাঙ্গনে অশোক বৃক্ষের নিচে বিশ্রামের জন্য যাত্রাবিরতি করেন। অত্র 'পাহাড় মুল্লুক' ছিল 'বৈশ্য গারো' নামের প্রবল পরাক্রমশালী এবং অত্যাচারী এক গারো রাজার অধীন। সোমেশ্বর পাঠক তাকে যুদ্ধে পরাস্ত করে সু-সঙ্গ অর্থাৎ ভাল সঙ্গ নামে এক সামন্ততান্ত্রিক রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। এই সোমেশ্বর পাঠকই সুসঙ্গ রাজবংশের আদি পুরুষ।

পরবর্তী তিন'শ বছর এই বংশের রাজ পুরুষগণ বহু উপাধী বদলিয়ে অবশেষে সিংহ উপাধী ধারণ করেন। এই রাজবংশের যোগ্য উত্তরসূরী মল্লযোদ্ধা এবং প্রখর কুটনৈতিক জ্ঞানের অধিকারী রাজা রঘুনাথ সিংহ মোঘল সম্রাট আকবরের সিংহাসনারোহনের পর তার সাথে এক চুক্তি করেন। এই চুক্তির অংশ হিসেবে রাজা রঘুনাথ সিংহকে মানসিংংহ এর পক্ষে বিক্রমপুরের চাঁদ রায়, কোদার রায় এর বিপক্ষে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে হয়। যুদ্ধে চাঁদ রায়, কেদার রায় পরাস্ত হলে রাজা রঘুনাথ সেখান থেকে অষ্ট ধাতুর এক দুর্গা প্রতিমা নিয়ে আসেন এবং রাজ মন্দিরে স্থাপন করেন যা আজো দশভূজা মন্দির নামে সুপরিচিত। তখন থেকেই সু-সঙ্গের সাথে দুর্গাপুর যোগ করে এই অঞ্চলের নামকরণ হয় সুসঙ্গ দুর্গাপুর।

ব্রিটিশ শাসন আমল থেকে এখানে দেওয়ানী ও ফৌজদারি আদালত রয়েছে।

হাতি খেদা আন্দোলন[সম্পাদনা]

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে হাজংদের হাতির খেদায় বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করানোর প্রতিবাদে হাজং নেতা মনা সর্দার নেতৃত্বে হাজং বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।

পাগলপন্থী বিদ্রোহ[সম্পাদনা]

জানকুপাথর ও দোবরাজপাথর ছিলেন শেরপুরে সংঘটিত উনিশ শতকের তৃতীয় দশকের দুইজন বিদ্রোহী এবং পাগলপন্থি বিদ্রোহের অন্যতম নায়ক। তারা গারো-হাজংদের নেতা টিপু শাহের অনুগামী ছিলেন এবং ১৮২৭- ১৮৩৩ সালে ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রজাবিদ্রোহের অন্যতম নেতা ছিলেন। শেরপুরের পশ্চিমদিকে করৈবাড়ি পাহাড়ের পাদদেশে জানকুপাথরের এক প্রধান আস্তানা ছিলো।[২] ১৮৩১ সালে ময়মনসিংহের কালেক্টর নতুন বন্দোবস্ত "অষ্টম আইন" হিসেবে ঘোষণা করা হলেও বিদ্রোহ চালিয়ে যান জানকুপাথর ও দোবরাজ পাথর।[২][৩]

তাদের নেতৃত্বে শেষ পর্যায়ে সংগ্রামের রূপ চরম আকার ধারণ করে। ১৮৩৩ সন পর্যন্ত জানকুপাথর করৈবাড়ি পাহাড়ের পাদদেশ থেকে ও দোবরাজপাথর নালিতাবাড়ির নিকটবর্তী কোনো একস্থান থেকে শেরপুর অভিমুখে দ্বিমুখী আক্রমণ পরিচালনা করেন। বিদ্রোহী পাগলপন্থীগণ শেরপুরের জমিদারবাড়ি, কাছারিবাড়ি, জমিদারদের আশ্রিত লাঠিয়াল বাহিনীর সর্বস্ব লুট করে ও থানায় আগুন ধরিয়ে দেয়। ফলে শেরপুর জনশূন্য হয়ে পড়ে। এগার-বারটি ক্ষেত্রে সরকার ও বিদ্রোহী বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে ইংরেজ সরকার বিদ্রোহ সংশ্লিষ্ট লোকজন ও নিরীহ লোকজনকে পাইকারিভাবে হত্যা শুরু করে এবং বিদ্রোহের নেতাদেরকে ধরিয়ে দেবার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করে। অতপর বিদ্রোহের দলপতিরা ধীরে ধীরে আত্মসমর্পণ করে। জানকুপাথর উত্তরের পাহাড়ে পালিয়ে যান এবং দোবরাজপাথর পূর্বাঞ্চলে আত্মগোপন করেন। দুর্গাপুর উপজেলার দোবরাজপুর গ্রাম দোবরাজপাথরের স্মৃতি বহন করছে।[৪]

টঙ্ক আন্দোলন[সম্পাদনা]

১৯৪২-৪৩ সালে কমরেড মণি সিংহর নেতৃত্বে টঙ্ক আন্দোলন পরিচালিত হয়। ১৯৪৬-৪৭ সালে তার নেতৃত্বে তেভাগা আন্দোলন শুরু হয়। পরে আন্দোলন সারা পশ্চিমবঙ্গে ছড়িয়ে পরে।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

উপজেলা ৯টি ওয়ার্ড এবং ২৭ টি মহল্লা নিয়ে গঠিত। প্রশাসন দুর্গাপুর থানা গঠিত হয় ১৮৭৪ সালে এবং থানা উপজেলায় রূপান্তরিত হয় ১৯৮২ সালে।[৫]

  • পৌরসভা - ১টি (দুর্গাপুর)
  • ইউনিয়ন - ৭টি
  • মৌজা - ১৩৪টি
  • গ্রাম - ২০৫টি।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

মোট জনসংখ্যাঃ ১৭৩৩৫৪(সর্বশেষ হালনাগাদ), পুরুষঃ ৫০.৮৯% মহিলাঃ ৪৯.৫১। মুসলমান ৮০%, হিন্দু ১২% খ্রিষ্টান এবং আদিবাসী ৮%, গারো এবং হাজং নামক দুটি আদিবাসী সম্প্রদায় রয়েছে। এরা সর্বমোট ৮৫০ টি পরিবার এখনো বিদ্যমান।

  • জনসংখ্যা ঘনত্বঃ ৭১০ (প্রতি বর্গ কিমি)
  • শিক্ষার হারঃ শহরে ৫২.৩% এবং গ্রামে ৩১.০%
  • জনসংখ্যাঃ শহরে ২২,৬৬১ এবং গ্রামে ১৭৫,৬৬৫।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষার হার গড় ৩৩%, তন্মধ্যে নারী শিক্ষার হার ২৮%। এখানে -

  • প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ৫৮ টি (সরকারি) ৭০ টি (বেসরকারি),
  • মাধ্যমিক ২৮ টি (সরকারি ১টি);
  • বালিকা বিদ্যালয়ঃ ৮ টি (সরকারি ১টি)
  • কলেজ - ২ টি রয়েছে।

কৃষি[সম্পাদনা]

প্রধান কৃষি ফসল হলোঃ ধান, পাট, গম, সরিষা, চিনাবাদাম, ভুট্টা, তুলা শাকসবজি। বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় ফসলাদি তিসি, খেসারি, কলাই, মিষ্টি আলু, অড়হর। প্রধান ফলফলাদি আম, কাঁঠাল, জাম। কৃষি ভূমির মালিকানা ভূমি মালিক ৫৭.১৫%, ভূমিহীন ৪২.৮৫%। শহরে ৩৫.৩১% এবং গ্রামে ৫৯.৯১% পরিবারের কৃষিজমি রয়েছে।[৬]

  • চাষযোগ্য ভুমির পরিমাণ ১৮৯৬২.৩৬ হেক্টর;
  • পতিত জমির পরিমাণ ৬৯৯.৭২ হেক্টর;
  • সেচের আওতায় আবাদী জমির পরিমাণ ৭৬%।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি। উপজেলার মোট জনগোষ্ঠীর ৪৬.৭৩% কৃষিজীবি, ২৫.১৭% কৃষি শ্রমিক, ৮.৯৬% চাকুরীজীবী, ১.৭৭% মৎসজীবি, অকৃষি শ্রমিক ৩.০৪%, শিল্প ০.৪৭%, ব্যবসা ৯.৮৩%, পরিবহণ ও যোগাযোগ ১.০২%, নির্মাণ ০.৬০%, ধর্মীয় সেবা ০.২০%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ০.৩২% এবং অন্যান্য ৮.৩০%।

  • প্রধান রপ্তানিদ্রব্য - ধান, চিনামাটি।[৬]
  • শিল্প ও কলকারখানা - বরফকল, আটাকল, স’মিল ওয়েল্ডিং কারখানা।[৬]
  • কুটির শিল্প - স্বর্ণশিল্প, মৃৎশিল্প, লৌহশিল্প, তাঁতশিল্প, সূচিশিল্প, কাঠের কাজ।[৬]
  • হাটবাজার - ২৮ টি;
  • মেলা - ৩টি (মনিসিংহ মেলা, আড়ং (ষাঁড়-এর লড়াই) এর মেলা, চৈত্রসংক্রান্তির মেলা)।[৬]
  • খনিজ সম্পদ - চিনামাটি বা সাদা মাটি, কাকর মাটি, নূড়ী পাথর, কয়লা, মোটা বালি।

স্বাস্থ্য[সম্পাদনা]

পানীয়জলের উৎস নলকূপ ৮৭.৫৯%, ট্যাপ ০.৭৫%, পুকুর ১.১২% এবং অন্যান্য ১০.৫৪%। এ উপজেলার অগভীর নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি প্রমাণিত হয়েছে। আয়রন সমস্যা এখানকার নলকূপের আর একটি প্রধান সমস্যা স্যানিটেশন ব্যবস্থা এ উপজেলার ১৬.৫৮% (গ্রামে ১৪.১০% ও শহরে ৩৬.৩১%) পরিবার স্বাস্থ্যকর এবং ৫৮.৮৭% (গ্রামে ৬০.৩৭% ও শহরে ৪৬.৯৫%) পরিবার অস্বাস্থ্যকর ল্যাট্রিন ব্যবহার করে। ২৪.৫৫% পরিবারের কোনো ল্যাট্রিন সুবিধা নেই।

স্বাস্থ্যকেন্দ্রঃ
  • উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১টি,
  • উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র ১টি,
  • স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ৭টি,
  • ক্লিনিক ৩টি।
প্রাকৃতিক দুর্যোগঃ

১৮৯৭ সালের ১২ জুন ভূমিকম্পে উপজেলায় অনেক প্রাণহানির ঘটনাসহ ভূপৃষ্ঠের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে এবং বেশকিছু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়।

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

এখানকার দর্শনীয় স্থানগুলো হলোঃ

বিবিধ[সম্পাদনা]

  1. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানঃ মসজিদ ২৬৭, মন্দির ২২, গির্জা ৫টি।
  2. উল্লেখযোগ্য পত্র-পত্রিকাঃ স্বাধীন, একুশ শতকের স্রোত, সোমেশ্বরী, জলসিঁড়ি, মাটির সুবাস, জানিরা, আর্য প্রদীপ, কৌমুদী, আর্যপ্রভা (অবলুপ্ত), স্মৃতি কানন, সাপ্তাহিক সুসঙ্গ বার্তা।
  3. সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানঃ
  • লাইব্রেরি ৩টি - কুমার দ্বীজেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি, জলসিঁড়ি পাঠাগার, লোক -গবেষণা পাঠাগার, ক্লাব ৪০টি, হল ১টি, মহিলা সংগঠন ১টি, খেলার মাঠ ১৪টি, নাট্যমঞ্চ ২টি, নাট্যদল ৩টি।
  1. জাদুঘর : ক্ষুদ্র নৃ -গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি জাদুঘর, বাংলাদেশ গ্রামীণ জাদুঘর ও লোক -গবেষণা কেন্দ্র।
  2. একাডেমি : ক্ষুদ্র নৃ -গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি, দুর্গাপুর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি।
  3. সাহিত্য সংগঠন : দুর্গাপুর সাহিত্য সমাজ।
  4. সাংস্কৃতিক আড্ডা : গ্রামীণ জাদুঘর মাসিক জনপদ আড্ডা -" প্রত্যূষে প্রাকৃতজন ", জলসিঁড়ি পাঠাগার আড্ডা।
  5. অনাথালয় : মানব কল্যাণকামী অনাথালয়।
  6. বেসরকারি সংস্থাঃ ব্র্যাক, কারিতাস, প্রশিকা, আশা , ওয়ার্ল্ড ভিশন।

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে দুর্গাপুর উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৭ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৫ 
  2. সুবোধ সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, প্রথম খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, পঞ্চম সংস্করণ, দ্বিতীয় মুদ্রণ, নভেম্বর ২০১৩, পৃষ্ঠা ২৪২ এবং ৩০৬, আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৯৫৫-১৩৫-৬
  3. আবদুল বাছির, বাংলার কৃষক ও মধ্যবিত্তশ্রেণি, বাংলা একাডেমী, ঢাকা, প্রথম প্রকাশ, ফেব্রুয়ারি ২০১২, পৃষ্ঠা ১৪০
  4. দরজি আবদুল ওয়াহাব, ময়মনসিংহের চরিতাভিধান, ময়মনসিংহ জেলা দ্বিশতবার্ষিকী উদযাপন কর্তৃপক্ষ, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ, এপ্রিল ১৯৮৯, পৃষ্ঠা ২৫১-২৫২।
  5. দুর্গাপুর উপজেলা (নেত্রকোনা), বাংলাপিডিয়া
  6. আদমশুমারি রিপোর্ট ২০০১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো; দুর্গাপুর উপজেলা সাংস্কৃতিক সমীক্ষা প্রতিবেদন ২০০৭।
  7. http://www.bd-pratidin.com/2014/06/25/13807 বিজয়পুরের পথে

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]