ভালুকা উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ভালুকা
উপজেলা
ভালুকা
নাম: ভালুকা
ভালুকা বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ভালুকা
ভালুকা
বাংলাদেশে ভালুকা উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°২২′৩০″ উত্তর ৯০°২২′৪২″ পূর্ব / ২৪.৩৭৫০০° উত্তর ৯০.৩৭৮৩৩° পূর্ব / 24.37500; 90.37833স্থানাঙ্ক: ২৪°২২′৩০″ উত্তর ৯০°২২′৪২″ পূর্ব / ২৪.৩৭৫০০° উত্তর ৯০.৩৭৮৩৩° পূর্ব / 24.37500; 90.37833 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগময়মনসিংহ বিভাগ
জেলাময়মনসিংহ জেলা
আসনময়মনসিংহ-১১
আয়তন
 • মোট৪৪৪.০৬ কিমি (১৭১.৪৫ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট২২,০০০
 • জনঘনত্ব৫০/কিমি (১৩০/বর্গমাইল)
 [১]
সাক্ষরতার হার
 • মোট৫০.০%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড২২৪০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

ভালুকা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এটি বাংলাদেশের প্রথম মডেল থানা এবং দেশের অন্যতম বিসিক শিল্প নগরী ।

Dhaka Mymensingh Highway,Bhaluka,Mymensingh
Bhaluka,Mymensingh

অবস্থান[সম্পাদনা]

ভালুকাকে ময়মনসিংহের দরজা বলা হয়। ঢাকা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ জাতীয় চারলেন মহাসড়ক পথে রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস (গাজীপুর) ও মাওনা শ্রীপুর হয়ে (প্রায় ৭০কিঃমিঃ) পর ভালুকা উপজেলা।

উত্তরে ত্রিশাল উপজেলা, দক্ষিণে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা (গাজীপুর), পূর্বে গফরগাঁও উপজেলা, পশ্চিমে ফুলবাড়িয়া উপজেলা ও টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলা অবস্থিত।

যোগাযোগ[সম্পাদনা]

ঢাকা থেকে ৭০ কি মি দূরত্বে অবস্থিত শিল্পনগরী ভালুকা। চার লেন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক দ্বারা খুব সহজেই ভালুকায় পৌছানো যায়।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

আয়তন ৪৪৪.০৫ বর্গ কিলোমিটার। এটি ১টি থানা, ১টি পৌরসভা, ৯টি ওয়ার্ড, ১৩টি মহল্লা, ১১টি ইউনিয়ন, ৮৭টি মৌজা, ১১০টি গ্রাম নিয়ে গঠিত।

ইউনিয়নসমুহ[সম্পাদনা]

  1. উথুরা
  2. মেদুয়ারী
  3. ভরাডোবা
  4. ধীতপুর
  5. বিরুনীয়া
  6. ভালুকা
  7. মল্লিকবাড়ী
  8. ডাকাতিয়া
  9. কাচিনা
  10. হবিরবাড়ী
  11. রাজৈ

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মূলতঃ ভালুকা গ্রাম ও ভালুকা বাজারকে কেন্দ্র করেই পরবর্তী সময়ে ভালুকা থানা ও ভালুকা উপজেলার নামকরণ করা হয়েছে। ভালুকা নামকরণ বিষয়ে বেশ কয়েকটি জনশ্রুতি প্রচলিত রয়েছে। এই জনশ্রুতি গুলোর মধ্যে তিনটি জনশ্রুতিই সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য। এই তিনটি জনশ্রুতির একটি হলো বৃটিশ শাসন যখন বাংলাদেশে পাকাপোক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন নীলকর সাহেবগণ তাঁদের নিজস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্যে বিভিন্ন জায়গায় নীলকুঠি স্থাপন করেন। নীলকুঠি স্থাপনের পর নীলকর সাহেবগণ মাঝে মধ্যে শিকার করতে বের হতেন। শিকার করতে বের হয়ে নীলকর সাহেবগণ বনে-জঙ্গলে বাঘ, ভাল্লুক দেখতে পেতেন। আর এ কারণেই নীলকর সাহেবদের কাছে এই এলাকা ভল্লুক এলাকা হিসেবে পরিচিতি পেয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে ভল্লুক এর অপভ্রংশ হিসেবে উৎপত্তি ঘটে ভালুকা নামের। দ্বিতীয় জনশ্রুতি হচ্ছে, বর্তমান ভালুকা বাজারের দু’টি অংশ রয়েছে। এর একটি হচ্ছে পূর্ব অংশ, অন্যটি হচ্ছে পশ্চিমাংশ। পূর্ববাজারসহ গোটা ভালুকাই ছিলো ভাওয়াল পরগণার অন্তর্ভুক্ত। অবশ্য ভালুকার পশ্চিম বাজার ছিলো মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজ শশীকান্তের জমিদারির আওতাভূক্ত। সেখানে জঙ্গলের ভেতর একটি মাজার ছিলো। এর খাদেম ছিলেন ওয়াহেদ আলী ফকির ও তৈয়বজান বিবির পিতা বুচাই ফকির। মরহুম খান সাহেব আবদুল্লাহ চৌধুরীর নির্দেশে তাঁর সমসাময়িক বেশ ক’জন বিশ্বস্ত লোক মনসুর আলী খান, জয়েদ আলী ও জয়েদ খানের সহযোগিতায় ভালুকা বাজার সৃষ্টি হয়। পূর্ব বাজারে একটি কাঁচারী ঘর ছিলো। সেখানে ভাওয়াল রাজার নামে খাজনা আদায় করা হতো। ভাওয়ালের কাঁচারীর নাম হয়ে ছিলো ভাওয়ালের নাম অনুসারেই। পরবর্তী সময় বাজারসহ গ্রামের নামকরণ হয় ভালুকা। ১৯১৭ সালে গফরগাঁও থানাকে বিভক্ত করে ভালুকা থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। তৃতীয় জনশ্রুতিটি হচ্ছে ভালুক চাঁদ মন্ডল ছিলেন আদিবাসী কোচ বংশের সর্দার। ভালুক চাঁদ এর নামানুসারে ভালুকা নামের সৃষ্টি হয়েছে। উথুরা ইউনিয়নে ও বর্তমান ডাকাতিয়া অঞ্চলে কোচ বংশের লোকজনের অধিবাস এখনো রয়েছে। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, বর্তমানে কোচ বংশের লোকজন বর্মণ পদবী 'ধারণ করেছে।

মুক্তিযুদ্ধে অবদান[সম্পাদনা]

মুক্তিযুদ্ধের সময় ১১ নাম্বার সেক্টরের অধীনে থাকা ভালুকা পাকিস্তানি দখল মুক্ত হয় ৮ ডিসেম্বর। ভালুকার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে যার ভূমিকা অন্যতম তিনি হলেন বীর মুক্তিযুদ্ধা মেজর আফসার উদ্দিন। তার পরিচালিত বাহিনীকে আফসার বাহিনী বলা হত। মেজর আফসারের বাহিনীতে সেনাবাহিনীর নিয়মানুযায়ী ৫টি ব্যাটেলিয়নে ২৫টি কোম্পানি গঠন করা হয়। প্রত্যেক কোম্পানিতে ৩টি প্লাটুন, প্রত্যেক প্লাটুনে ৩টি সেকশন এবং প্রত্যেক সেকশনে ১৫ জন করে মুক্তিযুদ্ধা ছিল। এই বাহিনীর উল্লেখযোগ্য যুদ্ধের মধ্যে অন্যতম হলো- বাটাজোর (১৪ আগস্ট), কাচিনা, ডাকাতিয়া, পাঁচগাঁও, কাওলামারি, রাজৈ, ফুলবাড়িয়া ও কালিয়াকৈর ইত্যাদি জায়গায় এ বাহিনী বিপুল বিক্রমে যুদ্ধ করে। তার মধ্যে অন্যতম হল ভাওয়ালিয়াবাজু যুদ্ধ। মেজর আফসার উদ্দিনের নেতৃত্বে ২৬ জুন ভালুকা থানায় এ যুদ্ধ সংগঠিত হয়। ৪৮ ঘন্টা স্থায়ী ভাওয়ালিয়াবাজু যুদ্ধে ৫০ জন পাকসেনা খতম হয়। শহীদ হয় বীর মুক্তিযুদ্ধা আবদুল মান্নান।[২]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

মোট_জনসংখ্যা= ৩০৮,৭৫৮ জন (২০১১ সনের আদমশুমারী অনুযায়ী), পুরুষ= ১৫৮,০০৩জন, মহিলা= ১৫০৭৫৫ জন। মুসলিম=৯৪%, হিন্দু=৫%, অন্যান্য=১%। জনসংখ্যার প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৬৯৫ জন, মোট খানার সংখ্যা ৭২,০৬৯টি, বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৫৪%

বর্তমানে (২০১৯) স্থানীয় ধারণা অনুযায়ী ভালুকায় বহিরাগত ১৫ লক্ষাধিক মানুষ বসবাস করছে ,এবং এ থেকে বর্তমান ২০১৯ এ ভালুকার জনসংখ্যার বিশালতা ধারণা করা যায়।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

শিক্ষার হার=৪৯.৮%। মোট সাক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন জনগন:১৭৯৮৬১।

  • মোট প্রাথমিক বিদ্যালয় ২১৭টি (সরকারী ৯৪টি, বেসরকারী রেজিষ্টার্ড ৩৫টি, আন রেজিষ্টার্ড ১টি, উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন ৮টি, কিন্ডার গার্ডেন ৬টি, স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা ১১টি, উচ্চ মাদ্রাসা সংলগ্ন ৩৭টি, কমিউনিটি ২৫টি),
  • নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১১টি, ৯ম শ্রেণীর অনুমতি প্রাপ্ত বিদ্যালয় ৭টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩৩টি, স্কুল এন্ড কলেজ ৩টি, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১টি, ডিগ্রী কলেজ ২টি (সরকারী), ফাযিল মাদ্রাসা ৩টি, আলিম মাদ্রাসা ২টি, দাখিল মাদ্রাসা ৩৬টি।

উল্লেখযোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়[সম্পাদনা]

   ====মাধ্যমিক বিদ্যালয়====
  • আংগারগাড়া ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয় ৷ * ভালুকা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
  • ভালুকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়।
  • হবিরবাড়ী ইউনিয়ন সোনার বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়।
  • হালিমুন্নেছা চৌধুরাণী মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
  • শমলা তাহের আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়।
  • জামিরদিয়া আঃ গণি মাস্টার উচ্চ বিদ্যালয়।

কলেজ[সম্পাদনা]

  • ভালুকা সরকারি কলেজ।
  • এ্যাপোলো ইন্সটিটিউট অব কম্পিউটার বি. এম. কলেজ।
  • উথুরা হাই স্কুল এন্ড কলেজ।
  • ধলিয়া বহুলী স্কুল এন্ড কলেজ।
  • সায়েরা সাফায়েত স্কুল এন্ড কলেজ।
  • বাটাজোর বি.এম ডিগ্রী কলেজ
  • বিরুনিয়া সদর আলী সরকার মহিলা কলেজ।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

প্রধান খাত-শিল্প। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে দেশীয় অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া কৃষি ও মৎস্য খাতও ‌অর্থনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে।

অর্থনীতি বিদ[সম্পাদনা]

ড. শাহ মো. ফরিদ (সাবেক সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়)

শিক্ষাবিদ[সম্পাদনা]

  1. ড. শাহ মো. ফারুক

( সাবেক ভিসি,বাকৃবি )

নির্বাচন সংক্রান্ত[সম্পাদনা]

নির্বাচনী এলাকা ১৫৬-ময়মনসিংহ ১১। ভোটার সংখ্যা পুরুষ ১১৪৪২২ জন, মহিলা ১১৯৩৯৭ জন, মোট ২৩৩৮১৯ জন। বর্তমান সাংসদ কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু, এম পি

গুণী ব্যক্তিত্ব # উপন্যাসসিক ফরাজী জুলফিকার হায়দার, এস এ কালাম, এড.আমানুলাহ বাদল,ড.সেলিনা রশিদ, এড.সাহাব উদ্দিন আহমেদ,লুৎফর চৌধুরী,তোফায়েল তফাজ্জল। নাট্যকার আজাদ কালাম, আফতাব বিন তমিজ। চলচিত্র নায়ক আরিফিন শুভ।

বিবিধ শিল্প অঞ্চল ও শিল্প[সম্পাদনা]

ভালুকার হাতিবেড় গ্রামে দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র কুমির প্রজনন খামার রেপটাইলস। আরো রয়েছে টেক্সটাইল মিলস, সিরামিক শিল্প, স্পিনিং মিলস, মাছ ফিড, চালের মিল, মোটর মিলস, গ্লাস কারখানা,এবং দক্ষিণ ভালুকায় রয়েছে ভারী শিল্প ও আন্তর্জাতিক মানের পোশাক শিল্পাঞ্চল। ভালুকার মোট আয়তনের ৩১.৭% (৪৭৩৫৬ বর্গকি মি) জমির উপর শিল্পকারখানা অবস্থিত।

প্রাকৃতিক সম্পদ[সম্পাদনা]

কাদিগড় জাতীয় উদ্যান এই উপজেলায় অবস্থিত একটি জাতীয় উদ্যান। ২০১০ সালের ২৪ অক্টোবর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ৩৪৪.১৩ হেক্টর জমি নিয়ে এই জাতীয় উদ্যানটি গঠিত।[৩] এছাড়া মোট বনভূমি ২৩০৭৮.২৬ একর। বালু মহল আছে।

নদীসমূহ[সম্পাদনা]

ভালুকা উপজেলায় অনেকগুলো নদী আছে। সেগুলো হচ্ছে খিরু নদী, সুতিয়া নদী, কাওরাইদ নদী, বাজুয়া নদী, লালতি নদীমিয়াবুয়া নদী[৪][৫]

কৃষি[সম্পাদনা]

মোট জমি ৪৪৪০৫ হেক্টর। এক ফসলী জমি ৫২২৩ হেক্টর, দুই ফসলী জমি ১৯৫৩৮ হেক্টর, তিন ফসলী জমি ১৬৮৯৭ হেক্টর। নীট ফসলী জমি ৪১৬৫৮ হেক্টর, মোট ফসলী জমি ৯৪৯৯০ হেক্টর, ফসলের নিবিড়তা ২২৮%। বর্গাচাষী ৮০০০ জন, প্রান্তিক চাষী ২৪০১১ জন, ক্ষুদ্র চাষী ৯০০০ জন, মাঝারি চাষী ৮৩২৮ জন, বড় চাষী ২০০০ জন। কৃষি ব্লকের সংখ্যা ৩১টি, কৃষি বিষয়ক পরামর্শ কেন্দ্র ৩১টি, সয়েল মিনিল্যাব ৫টি, বিএডিসি বীজ ডিলার ১৯ জন, বিসিআইসি সার ডিলার ১০ জন।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র[সম্পাদনা]

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে­ক্স ১টি (৫০ শয্যাবিশিষ্ট), পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ৭টি, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ৩টি, কমিউনিটি ক্লিনিক ২৬টি। সরকারী অ্যাম্বুলেন্স ১টি।

পেশা[সম্পাদনা]

কর্মজীবী:১৪৯,৫২৩জন(৪০.৮%) ; কর্মসন্ধানি:২৮৬১জন

গৃহস্থালির কাজ: ১০৭,৬০৫জন(২৯.৪%) কোন কাজ করেন না: ১০৬,১৯২জন(২৯%)

টেলিযোগাযোগও পোষ্টাল সুবিধা[সম্পাদনা]

ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ১টি, টেলিফোন কোড ০৯০২২, পোষ্টাল কোড ২২৪০।

বিনোদন[সম্পাদনা]

ভালুকায় রয়েছে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান, তেপান্তর সুটিং স্পট , ড্রীম হলিডে রিসোর্ট, আলাউদ্দিন রিসোর্ট, কুমির খামার, মোতালেবের সৌদিয়া খেজুর বাগান।

খেলাধুলা[সম্পাদনা]

ফুটবল, কাবাডি, এক্কাদোক্কা, দাড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট, কানামাছি, বউচি, ক্রিকেট ইত্যাদি।

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

মৈমনসিংহ গীতিকা, ফকিরি গান ( জনপ্রিয় ), বাউল গান, যাত্রা ইত্যাদি।

গণমাধ্যম[সম্পাদনা]

  • ভালুকা নিউজ ডট কম, ভালুকার খবর

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে ভালুকা উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২২ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই, ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  2. যুদ্ধদিনে ময়মনসিংহ - সাযযাদ কাদির। বাংলাদেশ ব্যাংক ময়মনসিংহ অফিস উদ্বোধন উপলক্ষে স্মারক গ্রন্থ।  Authors list-এ |প্রথমাংশ1= এর |শেষাংশ1= নেই (সাহায্য);
  3. "Protected Areas of Bangladesh"। Bangladesh Forest Department। ১৭ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২৬, ২০১৩ 
  4. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ৪০০, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯
  5. মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি, কথাপ্রকাশ, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি, ২০১৫, পৃষ্ঠা ৬০৬, ISBN 984-70120-0436-4.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]