ভগবদ্গীতা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

হিন্দুধর্ম

হিন্দুধর্মOm.GIF

ওঁব্রহ্মঈশ্বর
হিন্দুহিন্দুধর্মের ইতিহাস

প্রবেশদ্বার:HinduismHinduSwastika.svg

হিন্দুধর্ম প্রবেশদ্বার
হিন্দু পুরাণ প্রবেশদ্বার

কুরুক্ষেত্রে কৃষ্ণঅর্জুন, আঠারো-উনিশ শতকের চিত্রকলা

ভগবদ্গীতা (সংস্কৃত: भगवद्गीता, এই শব্দ ˈbʱəɡəʋəd̪ ɡiːˈt̪aː, ভগবানের গান) বা গীতা একটি ৭০০-শ্লোকের হিন্দু ধর্মগ্রন্থ। এটি প্রাচীন সংস্কৃত মহাকাব্য মহাভারত-এর একটি অংশ। যদিও গীতা একটি স্বতন্ত্র ধর্মগ্রন্থ তথা একটি পৃথক উপনিষদের মর্যাদা পেয়ে থাকে। হিন্দুরা গীতা-কে ভগবানের মুখনিঃসৃত বাণী মনে করেন। হিন্দুধর্ম, দর্শন ও সাহিত্যের ইতিহাসে গীতা এক বিশেষ স্থানের অধিকারী।[১] গীতা-র কথক কৃষ্ণ হিন্দুদের দৃষ্টিতে ঈশ্বরের অবতার পরমাত্মা স্বয়ং।[১] তাই গীতা-য় তাঁকে বলা হয়েছে "শ্রীভগবান"।[২]

গীতা-র বিষয়বস্তু কৃষ্ণপাণ্ডব রাজকুমার অর্জুনের কথোপকথন। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ শুরু ঠিক আগে শত্রুপক্ষে আত্মীয়, বন্ধু ও গুরুকে দেখে অর্জুন কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিলেন। এই সময় কৃষ্ণ তাঁকে ক্ষত্রিয় যোদ্ধার ধর্ম স্মরণ করিয়ে দিয়ে এবং বিভিন্ন প্রকার যোগশাস্ত্র[৩]বৈদান্তিক দর্শন ব্যাখ্যা করে তাঁকে যুদ্ধে যেতে উৎসাহিত করেন। তাই গীতা-কে বলা হয় হিন্দু ধর্মতত্ত্বের একটি সংক্ষিপ্ত পাঠ এবং হিন্দুদের জীবনচর্যার একটি ব্যবহারিক পথনির্দেশিকা। যোগশাস্ত্র ব্যাখ্যার সময় কৃষ্ণ নিজের "স্বয়ং ভগবান" রূপটি উন্মোচিত করেন এবং বিশ্বরূপে অর্জুনকে দর্শন দিয়ে আশীর্বাদ করেন।

অর্জুন ছাড়া প্রত্যক্ষভাবে কৃষ্ণের মুখ থেকে গীতা শুনেছিলেন সঞ্জয় (তিনি যুদ্ধের ঘটনা ধৃতরাষ্ট্রের কাছে বর্ণনা করার জন্য বেদব্যাসের কাছ থেকে দিব্য দৃষ্টি লাভ করেছিলেন), হনুমান (তিনি অর্জুনের রথের চূড়ায় বসে ছিলেন) ও ঘটোৎকচের পুত্র বর্বরিক (তিনি কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সব ঘটনা দেখেছিলেন)।

গীতা-কে গীতোপনিষদ বলা হয়। অর্থাৎ, গীতা উপনিষদ্‌ বা বৈদান্তিক সাহিত্যের অন্তর্গত।[৪]

"উপনিষদ্‌" নামধারী ধর্মগ্রন্থগুলি শ্রুতিশাস্ত্রের অন্তর্গত হলেও, মহাভারত-এর অংশ বলে গীতা স্মৃতিশাস্ত্রের অন্তর্গত।[৫][৬] আবার উপনিষদের শিক্ষার সারবস্তু গীতা-য় সংকলিত হয়েছে বলে একে বলা হয় "উপনিষদ্‌সমূহের উপনিষদ্‌"।[৭] গীতা-কে মোক্ষশাস্ত্র নামেও অভিহিত করা হয়।[৮] ভারতীয় মণীষীদের পাশাপাশি অ্যালডাস হাক্সলি, অ্যালবার্ট আইনস্টাইন, জে. রবার্ট ওপেনহাইমার,[৯] রালফ ওয়াল্ডো এমারসন, কার্ল জাং, হেনরিক হিমারহারমান হেস প্রমুখ পাশ্চাত্য মণীষীরাও গীতা-র উচ্চ প্রশংসা করেছেন।[৭][১০]

পরিচ্ছেদসমূহ

সময় [সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: মহাভারত

পটভূমি [সম্পাদনা]

প্রচ্ছদ [সম্পাদনা]

গীতাধ্যায় [সম্পাদনা]

বিষাদ-যোগ [সম্পাদনা]

শ্লোক ১

ধৃতরাষ্ট্র উবাচ

ধর্মক্ষেত্রে কুরুক্ষেত্রে সমবেতা যুযুৎসবঃ।
মামকাঃ পাণ্ডবাশ্চৈব কিমকুর্বত সঞ্জয় ॥১॥

অনুবাদ
ধৃতরাষ্ট্র জিজ্ঞাসা করলেন, হে সঞ্জয়, ধর্মক্ষেত্রে যুদ্ধ করার মানসে সমবেত হয়ে আমার পুত্র এবং পাণ্ডর পুত্রেরা তারপর কি করল?

তাৎপর্য

‘ভগবদগীতা’ হচ্ছে বহুজন-পঠিত ভগবত্তত্ত্ব-দর্শন, যাঁর মর্ম গীতা-মাহাত্ম্যে বর্ণিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘ভগবদগীতা’ পাঠ করতে হয় ভগবত্তত্ত্বদর্শী কৃষ্ণভক্তের তত্ত্বাবধানে। ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির পরিপ্রেক্ষিতে গীতার বিশ্লেষণ করা কখনই উচিত নয়। গীতার যথাযথ অর্থ উপলব্ধি করার দৃষ্টান্ত ‘ভগবদগীতা’ই আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন অর্জুনের মাধ্যমে, যিনি স্বয়ং ভগবানের কাছ থেকে সরাসরিভাবে এই গীতার জ্ঞান লাভ করেছিলেন। অর্জুন ঠিক যেভাবে গীতার মর্ম উপলব্ধি করেছিলেন, ঠিক সেই দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোবৃত্তি নিয়ে সকলেরই গীতা পাঠ করা উচিত। তা হলেই গীতার যথাযথ মর্ম উপলব্ধি করা সম্ভব।

সৌভাগ্যবশত যদি কেউ গুরুপরম্পরা-সূত্রে ‘ভগবদগীতা’র যথাযথ অর্থ উপলব্ধি করতে পারেন, তবে তিনি সমস্ত বৈদিক জ্ঞান এবং পৃথিবীর সব রকমের শাস্ত্র-জ্ঞান আয়ত্ত করতে সক্ষম হন। ‘ভগবদগীতা’ পড়ার সময় আমরা দেখি, অন্য সমস্ত শাস্ত্রে যা কিছু আছে, তা সবই ‘ভগবদগীতায়’ আছে, উপরন্তু ভগবদগীতায় এমন অনেক তত্ত্ব আছে যা আর কোথাও নেই। এটাই হচ্ছে পরম তত্ত্ব-দর্শন, কারণ পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নিজে এই জ্ঞান দান করে গেছেন।

‘মহাভারতের’ বর্ণিত ধৃতরাষ্ট্র ও সঞ্জয়ের আলোচনার বিষয়বস্তু হচ্ছে ‘ভগবদগীতা’র মহৎ তত্ত্ব-দর্শনের মূল উপাদান। এখানে আমরা জানতে পারি, এই মহৎ তত্ত্ব-দর্শন উদ্ভূত হয়েছিল কুরুক্ষেত্রের রণাঙ্গনে, যা সুপ্রাচীন বৈদিক সভ্যতার সময় থেকেই পবিত্র তীর্থস্থানরূপে খ্যাত। ভগবান যখন মানুষের উদ্ধারের জন্য এই পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন, তখন এই পবিত্র তীর্থস্থানে তিনি নিজে পরম-তত্ত্বসমন্বিত এই গীতা দান করেন।

এই শ্লোকে ‘ধর্মক্ষেত্র’ কথাটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ; কারণ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধক্ষেত্রে ভগবান শ্রীকষ্ণ অর্জুন তথা পাণ্ডবদের পক্ষে ছিলেন। দুর্যোধন ইত্যাদি কৌরবদের পিতা ছিল ধৃতরাষ্ট্র, তাই তাঁর পুত্রদের বিজয় সম্ভাবনা সম্বন্ধে অত্যন্ত সন্দিগ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। দ্বিধাগ্রস্ত-চিত্তে তাই তিনি সঞ্জয়কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘আমার পুত্র এবং পাণ্ডর পুত্রেরা তারপর কি করল?’ তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে, তাঁর পুত্র এবং পাণ্ডবপুত্রেরা কুরুক্ষেত্রের বিস্তীর্ণ ভ’মিতে যুদ্ধ করার জন্য সমবেত হয়েছিলেন, কিন্তু তা জানা সত্ত্বেও তিনি সঞ্জয়ের কাছে সে সম্বন্ধে অনুসন্ধান করেছিলেন। তিনি চাননি যে পাণ্ডব ও কৌরবের মধ্যে কোন আপস-মীমাংসা হোক, কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি তাঁর পুত্রদের ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে উদ্ধিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন।

তার কারণ হচ্ছে কুরুক্ষেত্রের পুণ্য তীর্থে এই যুদ্ধের আয়োজন হয়েছিল। বেদে বলা হয়েছে, কুরুক্ষেত্র হচ্ছে অতি পবিত্র স্থান যা দেবতারাও পূজা করে থাকেন। তাই ধৃতরাষ্ট্র এই যুদ্ধের ফলাফলের ওপর এই পবিত্র স্থানের প্রভাব সম্বন্ধে শঙ্কাকুল হয়ে পড়েছিলেন। তিনি খুব ভালভাবে জানতেন, অর্জুন এবং পাণ্ডর অন্যান্য পুত্রদের ওপর এই পবিত্র স্থানের মঙ্গলময় প্রভাব সঞ্চারিত হবে, কারণ তাঁরা সকলেই ছিলেন অত্যন্ত ধর্মপরায়ণ।

সঞ্জয় ছিলেন ব্যাসদেবের শিষ্য, ব্যাসদেবের আশীর্বাদে দিব্য চক্ষু প্রাপ্ত হন; যার ফলে তিনি ঘরে বসেও কুরুক্ষেত্রের সমস্ত ঘটনা দেখতে পাচ্ছিলেন। তাই, ধৃতরাষ্ট্র তাঁকে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন।

পাণ্ডবেরা এবং ধৃতরাষ্ট্রের পুত্রেরা ছিলেন একই বংশজাত, কিন্তু তিনি কেবল তাঁর পুত্রদেরই কৌরব বলে গণ্য করে পাণ্ডব পুত্রদের বংশগত উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন। এর মাধ্যমে তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রদের প্রতি ধৃতরাষ্ট্রের মনোভাব ব্যক্ত হয়েছে।

ধান ক্ষেতে যেমন আগাছাগুলি তুলে ফেলে দেওয়া হয়, তেমনই ভগবদগীতার সূচনা থেকেই আমরা দেখতে পাচ্ছি, কুরুক্ষেত্রের রণাঙ্গনে ভগবান স্বয়ং উপস্থিত থেকে ধৃতরাষ্ট্রের পাপিষ্ঠ পুত্রদের সমূলে উৎপটিত করে যুধিষ্ঠিরের নেতৃত্বে ধর্মপরায়ণ মহাত্মাদের পুনঃ প্রতিষ্ঠা করবার আয়োজন করেছেন। ‘ধর্মক্ষেত্র’ এবং ‘কুরুক্ষেত্রে’র বৈদিক এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব ছাড়াও সমগ্র গীতার তত্ত্বদর্শনের পরিপ্রেক্ষিতে এই দুটি শব্দ ব্যবহারের তাৎপর্য বুঝতে পারা যায়।


শ্লোক ২


ধৃতরাষ্ট্র জিজ্ঞাসা করিলেন - হে সঞ্জয়, পুণ্যভূমি কুরুক্ষেত্রে দুর্যোধনাদি আমার পুত্রগণ এবং যুধিষ্ঠিরাদি পাণ্ডবগণ যুদ্ধার্থে সমবেত হইয়া কি করিল? ১
জন্মান্ধ ধৃতরাষ্ট্রের আমাত্য সঞ্জয় কহিলেন - তখন রাজা দুর্যোধন পাণ্ডবসৈন্যসমূহকে ব্যূহাকারে দেখিয়া আচার্য দ্রোণের নিকট গমনপূর্বক এই কথা বলিলেন- ২
হে আচার্য, আপনার বুদ্ধিমান শিষ্য দ্রুপদপুত্র ধৃষ্টদ্যুম্ন এই ব্যূহ রচনা করিয়াছেন। আপনি পাণ্ডবগণের এই বিপুল সৈন্যসমাবেশ দর্শন করুন। ৩
এই পাণ্ডবসেনার মধ্যে যুদ্ধে ভীম ও অর্জুনের সমকক্ষ সাত্যকি, মৎস্যরাজ বিরাট, মহাযোদ্ধা দ্রুপদ, যদুবংশীয় বীর চেকিতান, মহাবীর কাশীরাজ, পুরুজিৎ, রাজা কুন্তিভোজ, নরশ্রেষ্ঠ্য শৈব্য, পাঞ্চালদেশীয়রাজা পরাক্রমশালী যুধামন্যু ও মহাশোক্তিমান উত্তমৌজা, সুভদ্রার পুত্র অভিমন্যু, দ্রৌপদীর (প্রতিবিন্ধ্যাদি) পঞ্চপুত্র এবং অন্যান্য মহা ধনুর্ধর বীরপুরুষগণ আছেন। ইঁহারা সকলেই মহারথ (যে বীর দশহাজার ধনুর্ধরের সহিত একাকী যুদ্ধ করিতে সমর্থ ও শাস্ত্রবিদ্যায় প্রবীণ)। ৪-৬
হে বিপ্রবর, আমাদের পক্ষে যে-সকল বিশিষ্ট যোদ্ধা ও সেনাপতি আছেন তাঁহাদিগকে অবগত হউন। আপনার অবগতির জন্য তাঁহাদের নাম বলিতেছি। ৭
আমাদের পক্ষে আপনি (দ্রোণাচার্য), ভীষ্ম, কর্ণ, সমরজিৎ কৃপ, অশ্বত্থথামা, আমার কনিষ্ঠ ভ্রাতা বিকর্ণ, সোমদত্তপুত্র ভূরিশ্রবা ও সিন্ধুরাজ জয়দ্রথ আছেন। ৮
আমার জন্য প্রাণ দান করিতে কৃতসঙ্কল্প অন্যান্য অনেক বীর আছেন। ইঁহারা সকলেই নানা শাস্ত্রনিক্ষেপে সুদক্ষ ও যুদ্ধনিপুণ। ৯
হে আচার্য, পিতামহ ভীষ্ম কর্তৃক সুরক্ষিত আমাদের সৈন্যদল অপরিমিত (যুদ্ধজয়ে সমর্থ); কিন্তু ভীম কর্তৃক পরিচালিত পাণ্ডবসৈন্য পরিমিত। ১০

সাংখ্য-যোগ [সম্পাদনা]

কর্ম যোগ [সম্পাদনা]

জ্ঞান যোগ [সম্পাদনা]

কর্মসন্ন্যাস-যোগ [সম্পাদনা]

ধ্যানযোগ [সম্পাদনা]

বিজ্ঞানযোগ [সম্পাদনা]

অক্ষরব্রহ্মযোগ [সম্পাদনা]

রাজগুহ্য-যোগ [সম্পাদনা]

বিভূতি-যোগ [সম্পাদনা]

বিশ্বরূপ-দর্শন-যোগ [সম্পাদনা]

ভক্তিযোগ [সম্পাদনা]

প্রকৃতি-পুরুষ-বিবেকযোগ [সম্পাদনা]

গুনত্রয়-বিভাগ-যোগ [সম্পাদনা]

পুরুষোত্তম-যোগ [সম্পাদনা]

দৈবাসুর-সম্পদ-বিভাগযোগ [সম্পাদনা]

শ্রদ্ধাত্রয়-বিভাগ-যোগ [সম্পাদনা]

মোক্ষযোগ [সম্পাদনা]

প্রভাব [সম্পাদনা]

ধাবাভাষ্য [সম্পাদনা]

আরও দেখুন [সম্পাদনা]

পাদটিকা [সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ Nikhilananda, Swami, "Introduction", The Bhagavad Gita, p. 1
  2. "Bhagavan"। Bhaktivedanta VedaBase Network (ISKCON)। সংগৃহীত 2008-01-14 
  3. Introduction to the Bhagavad Gita
  4. The phrase marking the end of each chapter identifies the book as Gītopanishad. The book is identified as "the essence of the Upanishads" in the Gītā-māhātmya 6, quoted in the introduction to the book by the founder of ISKCON Bhaktivedanta Swami Prabhupada, A.C. (1983), Bhagavad-gītā As It Is, Los Angeles: The Bhaktivedanta Book Trust, http://vedabase.net/bg.
  5. Coburn, Thomas B. (1984)। "'Scripture' in India: Towards a Typology of the Word in Hindu Life"। Journal of the American Academy of Religion 52 (3): 435–459। JSTOR 1464202
  6. Tapasyananda, p. 1.
  7. ৭.০ ৭.১ Pandit, Bansi, Explore Hinduism, p. 27
  8. Nikhilananda, Swami (1944), "Introduction", The Bhagavad Gita, Advaita Ashrama, p. xxiv
  9. [১] "The Gita of J. Robert Oppenheimer" by JAMES A. HIJIYA, Professor of History, University of Massachusetts Dartmouth (PDF file)
  10. Hume, Robert Ernest (1959), The world's living religions, p. 29

তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]

শ্রীমদ্ভগবদগীতা যথাযথ -কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণার বৃন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ

বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]

Wikisource-logo.svg
এই নিবন্ধ সম্পর্কে উইকিসোর্সে মৌলিক রচনা রয়েছে:

Bhagavad Gita - উন্মুক্ত নির্দেশিকা প্রকল্প

অনুবাদ [সম্পাদনা]

  • Gita Supersite with Sanskrit text, four English translations and both classical and contemporary commentaries

সম্পুর্ন সংগ্রহ [সম্পাদনা]

নির্বাচন [সম্পাদনা]

ধারাভাষ্য [সম্পাদনা]

Audio [সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Mahabharata