ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ
| হিন্দুশাস্ত্র |
|---|
|
ঋগ্বেদীয়
ঐতরেয় |
|
কালপঞ্জি
|
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ (সংস্কৃত: व्रह्मबैवर्तपुराणम्, brahma-vaivarta purāṇam) অষ্টাদশ মহাপুরাণের অন্যতম তথা একটি গুরুত্বপূর্ণ হিন্দুশাস্ত্র। এই পুরাণ চারটি খণ্ডে বিভক্ত। প্রথম খণ্ডে বর্ণিত হয়েছে বিশ্বসৃষ্টির কাহিনি; দ্বিতীয় খণ্ডে বিভিন্ন দেবদেবীর বিবরণী ও বর্ণনা প্রদত্ত হয়েছে; তৃতীয় খণ্ডের উপজীব্য গণেশের লীলাকাহিনি এবং চতুর্থ খণ্ডে বর্ণিত হয়েছে কৃষ্ণের জীবন ও কর্ম।
পরিচ্ছেদসমূহ |
গঠন ও উপাদান [সম্পাদনা]
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ নৈমিষারণ্যে ঋষিদের নিকট উগ্রশ্রবা সৌতির দ্বারা কথিত হয়েছে। এই গ্রন্থের প্রথম খণ্ডের নাম ব্রহ্মা খণ্ড ; ব্রহ্মা তাঁর নারদাদি পুত্রের নিকট এই অংশ ব্যক্ত করেন। দ্বিতীয় খণ্ডের নাম প্রকৃতি খণ্ড ; এই অংশ প্রকৃতির স্বরূপ দেবী অর্থাৎ শক্তির বর্ণনা। তৃতীয় গণেশ খণ্ড শিব ও পার্বতীর গজানন পুত্র গণেশের বর্ণনা। এই খণ্ডে দেখা যায়, গণেশজননী পার্বতী শনিকে অভিশাপ অস্বীকার করে গণেশের মুখ দর্শন করার নির্দেশ দিচ্ছেন।[১] চতুর্থ ও শেষ খণ্ডের নাম কৃষ্ণ জন্ম খণ্ড ; এই খণ্ডের উপজীব্য স্বয়ং ভগবান, কৃষ্ণের জন্ম ও জীবনবৃত্তান্ত।
কৃষ্ণ ও বিশ্বসৃষ্টি [সম্পাদনা]
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে কৃষ্ণকে পরমেশ্বর বলে উল্লেখ করা হয়েছে।[২],[৩] তিনি এখানে গোলকনিবাসী পরব্রহ্ম।[৪] রাসেশ্বরী (রাধা) সহযোগে তিনি বিশ্বসৃষ্টি করেছেন।[৫] ব্রহ্মা তাঁদের বিবাহদান করেন।[৬] সমগ্র বেদ ও তৎসম্পর্কিত শাস্ত্রগ্রন্থে পরব্রহ্মকে পরমেশ্বর বলা হয়েছে; কিন্তু এই পুরাণে বিশেষত কৃষ্ণকে পরমেশ্বর প্রতিপাদন করা হয়েছে। তিনিই ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব – এই দেবত্রয়ীর স্রষ্টা।[৭] তাঁরা যথাক্রমে বিশ্বচরাচরের সৃষ্টি, রক্ষণ ও ধ্বংসের কারণ। সৃষ্টিপ্রসঙ্গে এই পুরাণের মত অন্যান্য পুরাণের তুলনায় সামান্য ভিন্ন। রাধাকৃষ্ণের পূর্ণাঙ্গ কিংবদন্তি নারদ-পঞ্চরাত্রের মতো এই পুরাণেও গড়ে উঠতে দেখা যায়।[৮]
গ্রন্থসূত্র [সম্পাদনা]
- Mani, Vettam. Puranic Encyclopedia. 1st English ed. New Delhi: Motilal Banarsidass, 1975.
- C.M. Brown (1976-Hartford, 1974)। "God as Mother: A Feminine Theology in India. An Historical and Theological Study of the Brahmavaivarta Purana"। Journal of the American Academy of Religion 44 (2): 366–367। http://links.jstor.org/sici?sici=0002-7189(197606)44%3A2%3C366%3AGAMAFT%3E2.0.CO%3B2-M। সংগৃহীত 2008-05-03।
পাদটীকা [সম্পাদনা]
- ↑ Vyasa; Sen, R.N. (1920 (1974)). The Brahma-Vaivarta Puranam. AMS Press.
- ↑ Brahma Vaivarta Purāṇa 4.4.64, 4.5.94,100,105
- ↑ Kṛṣṇa called paripūrṇatama: 4.1.8, 4.9.13, 4.13.56,79, 4.20.16, 4.21.181,202, 4.22.45, 4.53.51, 4.69.22, 4.70.49
- ↑ ibid. 4.4.*, 4.13.49, etc.
- ↑ ibid. 4.13.88-112, etc.
- ↑ ibid. 4.15.1-140
- ↑ ibid. 4.9.9, 4.13.49, 4.29.43-46, 4.53.52, 4.67.58,63, 4.70.62
- ↑ Dimock, Jr, E.C. (1963)। "Doctrine and Practice among the Vaisnavas of Bengal"। History of Religions 3 (1): 106। ডিওআই:10.1086/462474। http://links.jstor.org/sici?sici=0018-2710(196322)3%3A1%3C106%3ADAPATV%3E2.0.CO%3B2-K। সংগৃহীত 2008-05-03।
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
- Complete Brahma Vaivarta and other Puranas in Devanagari - pdf
- Astrojyoti.com - Good commentary on the Brahma Vaivarta Purana
- Brahma Vaivarta Purana on Kali yuga
|
||||||||