মাতৃকা
| মাতৃকা | |
|---|---|
শিব (সর্ববামে) ও মাতৃকাগণ: (বাঁদিক থেকে) ব্রাহ্মণী, মাহেশ্বরী, কৌমারী, বৈষ্ণবী, বারাহী, ইন্দ্রাণী, চামুণ্ডা। |
|
| অধিকার | যুদ্ধ, সন্তান ও মোক্ষের দেবী[১] |
| দেবনাগরী | मातृका |
| গোত্র | দেবী, মহাশক্তি |
হিন্দু শাক্তধর্মে মহাশক্তির কয়েকটি বিশেষরূপকে একত্রে মাতৃকা (সংস্কৃত: मातृका) নামে অভিহিত করা হয়।[২] এঁদের মাতরঃ (সংস্কৃত: मातरः) বা মাতৃ (সংস্কৃত: मातृ) নামেও অভিহিত করার রীতি প্রচলিত রয়েছে। সংখ্যায় সাত হওয়ার দরুন এঁদের সপ্তমাতৃকা (সংস্কৃত: सप्तमातृका) নামেও অভিহিত করা হয়। এঁরা হলেন: ব্রহ্মাণী, বৈষ্ণবী, মাহেশ্বরী, ইন্দ্রাণী, কৌমারী, বারাহী ও চামুণ্ডা অথবা নারসিংহী। তবে কোনো কোনো মতে, মাতৃকাগণ সংখ্যায় আট এবং তাঁরা অষ্টমাতৃকা (সংস্কৃত: अष्टमातृका) নামে পরিচিত। মাতৃকাগণ দক্ষিণ ভারতে সপ্তমাতৃকার রূপে এবং নেপালে অষ্টমাতৃকার রূপে পূজিতা হয়ে থাকেন।[৩]
হিন্দুধর্মের শাক্তশাখা তান্ত্রিক ধর্মে মাতৃকাগণের গুরুত্ব সর্বোচ্চ।[৪] শাক্তধর্মে তাঁরা "অসুরদের সঙ্গে যুদ্ধকালে মহাশক্তির সহকারিণী রূপে বর্ণিত হন।"." [৫] কোনো কোনো পণ্ডিত তাঁদের শৈব দেবী মনে করেন।[৬] যুদ্ধদেবতা স্কন্দের পূজার সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক বিদ্যমান।[৭]
প্রথম দিকের বর্ণনায় মাতৃকাদের অমঙ্গলকর ও বিপজ্জনক দেবী বলে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীকালের পুরাণগুলিতে তাঁদের রক্ষাকর্ত্রীর ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। তবে এই সকল বর্ণনাতেও তাঁদের কয়েকজন অমঙ্গলকর এবং ভয়ানকই রয়ে যান।[৮] এইভাবে "তাঁরা প্রকৃতির সৃষ্টিকারিণী এবং ধ্বংসকারিণী উভয় রূপেরই প্রতীক হয়ে ওঠেন।"[৯]
খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে রচিত বৃহৎ-সংহিতায় বরাহমিহির লিখেছেন, “[বিভিন্ন পুরুষ] দেবতার নামানুসারে এবং তাঁদের গুণ অনুযায়ী মাতৃকাগণের সৃষ্টি।” [১০] তাঁরা এই সকল পুরুষ দেবতার স্ত্রী অথবা শক্তি হিসেবে পরিচিত।[৯] মনে করা হয়, মাতৃকাগণ প্রকৃতপক্ষে সপ্তকন্যা নামক নক্ষত্রমণ্ডলীর সাতটি নক্ষত্রের মূর্তিরূপ। খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দী নাগাদ তাঁরা ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন এবং নবম শতাব্দী থেকে বিভিন্ন দেবী মন্দিরের সাধারণ বৈশিষ্ট্যে পরিণত হন।[১১]
পরিচ্ছেদসমূহ |
উৎস ও বিবর্তন [সম্পাদনা]
জগদীশ নারায়ণ তিওয়ারি ও দিলীপ চক্রবর্তীর মতে, সিন্ধু ও বৈদিক সভ্যতায় মাতৃকা পূজার অস্তিত্ব ছিল। এই তত্ত্বের প্রমাণ হিসেবে মুদ্রায় পাওয়া সাত দেবী বা নারী পুরোহিতের পাশাপাশি অবস্থানের চিত্র দেখানো হয়ে থাকে।[১২][১৩] ঋগ্বেদে সাত মাতৃকার একটি গোষ্ঠীকে সোম প্রস্তুতিকরণের নিয়ন্ত্রণকারিণী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে মাতৃকাগণের প্রথম সুস্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায় খ্রিষ্টীয় প্রথম শতাব্দীতে রচিত মহাভারতে।[১৪][১৫] ওয়াঙ্গু মনে করেন, সিন্ধু সভ্যতার সিলমোহরে খোদিত সপ্তমাতৃকার মূর্তিই মহাভারতে বর্ণিত মাতৃকাগণের মূল উৎস।[৪] মনে করা হয়, লোকেরা স্থানীয়ভাবে এই সকল দেবীদের পূজা করতেন। জিমার হেইনরিখের দি আর্ট অফ ইন্ডিয়ান এশিয়া গ্রন্থেও এই রকম স্থানীয়ভাবে পূজিত সাত দেবীর সাত মন্দিরের উল্লেখ রয়েছে। পঞ্চম শতাব্দীতে এই সকল দেবীদের তান্ত্রিক দেবীর রূপে মূলধারার হিন্দুধর্মের অঙ্গীভূত করা হয়।[১৬][১৭] ডেভিড কিনসলের মতে, মাতৃকারা অনার্য অথবা অব্রাহ্মণ্য স্থানীয় গ্রাম্যদেবী। পরবর্তীকালে তাঁদের মূলধারার হিন্দুধর্মের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এই মতের সপক্ষে তিনি দুটি যুক্তি উত্থাপন করেছেন: প্রথমত, তাঁরা কৃষ্ণবর্ণা, ম্লেচ্ছভাষিণী এবং প্রান্তদেশবাসিনী। দ্বিতীয়ত, অব্রাহ্মণ্য দেবতা স্কন্দ ও অব্রাহ্মণ্য চরিত্রবৈশিষ্ট্যযুক্ত বৈদিক দেবতা শিবের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক বিদ্যমান।.[১৮] সারা এল. শ্যাসটোক মনে করেন, মাতৃকার ধারণাটি যক্ষ ধারণার থেকে উদ্ভুত। কারণ স্কন্দ ও কুবেরের মূর্তি তাদের সঙ্গে অঙ্কিত হয় এবং উক্ত উভয় দেবতাই যক্ষ ধারণার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।[১৯]
সিন্ধু সভ্যতা তত্ত্বের বিরোধিতা করে এন. এন. ভট্টাচার্য লিখেছেন,
[The] cult of the Female Principle was a major aspect of Dravidian religion, The concept of Shakti was an integral part of their religion [...] The cult of the Sapta Matrika, or Seven Divine Mothers, which is an integral part of the Shakta religion, may be of Dravidian inspiration.[২০]
সপ্তমাতৃকা প্রথমদিকে স্কন্দ বা কুমারের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকলেও পরে শৈবধর্মের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক স্থাপিত হয়।[৭]
কুষাণ যুগে (খ্রিষ্টীয় তৃতীয় শতাব্দীর শেষভাগ) মাতৃকাদের প্রথম প্রস্তরমূর্তি নির্মিত হয়। কুষাণ ভাস্কর্যগুলির উৎস ছিল বালগ্রহ (শিশুহত্যাকারী) ধারণাটি। বালগ্রহ গর্ভধারণ, শিশুর জন্ম, রোগবিসুখ ও রক্ষার ধারণার সঙ্গে যুক্ত ছিল। বালগ্রহ পূজায় মাতৃকাগণের সহিত স্কন্দের মূর্তি পূজিত হত। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, শিশুদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এই দেবীরা হলেন বিপদের প্রতীক। তাই পূজার মাধ্যমে তাঁদের শান্ত রাখার চেষ্টা করা হত। কুষাণ মূর্তিতে মাতৃকাদের মাতৃরূপ পরিস্ফুট হলেও, নানা অস্ত্র ও প্রতীক সমাবেশের মাধ্যমে তাঁদের ধ্বংসাত্মক রূপটিও ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। তাঁদের ভাস্কর্য এই সময়ে সমরূপীয় হলেও গুপ্তযুগে তাতে বিভিন্ন ধাঁচ ও জটিল মূর্তিতাত্ত্বিক প্রতীকবাদের সমাবেশ ঘটে।[২১]
গুপ্ত যুগে (খ্রিষ্টীয় তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ শতাব্দী) মাতৃকাদের লৌকিক মূর্তি গ্রামে গ্রামে প্রাধান্য অর্জন করে।[২২] গুপ্ত শাসকেরা সৈনিকবেশী লৌকিক মাতৃকাদের গ্রহণ করেছিলেন। বিভিন্ন রাজকীয় স্মারকে সেনাবাহিনীর আনুগত্য ও কর্মনিষ্ঠা বৃদ্ধিকল্পে তাঁরা মাতৃকামূর্তি খোদিত করতেন।[২৩] গুপ্ত সম্রাট স্কন্দগুপ্ত ও কুমারগুপ্ত (পঞ্চম শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধ) স্কন্দ বা কুমারকে[b] তাঁদের আদর্শ রূপে গ্রহণ করলে, স্কন্দের ধাত্রীমাতা মাতৃকাদের স্থানও উচ্চে স্থাপিত হয়। মাতৃকাগণ লৌকিক দেবী থেকে রাজদেবীতে উত্তীর্ণ হন।[২৪] চতুর্থ শতাব্দীতে অধুনা মধ্যপ্রদেশ অঞ্চলের পাহাড়িতে সপ্তমাতৃকার একটি প্রস্তরমন্দির নির্মিত হয়। এই মন্দিরটি এখনও বর্তমান রয়েছে।[২৫]
কর্ণাটকের পশ্চিম গঙ্গ রাজবংশীয় (৩৫০-১০০০ খ্রীষ্টাব্দ) রাজারা একাধিক হিন্দুমন্দির ও স্মৃতিসোধের সপ্তমাতৃকার মূর্তি[২৬] ও শাস্ত্রীয় বিবরণ খোদিত করেছিলেন।[২৭] গুর্জর প্রতিহার (খ্রিষ্টীয় অষ্টম-দশম শতাব্দী) ও চান্দেল্ল যুগের (খ্রিষ্টীয় অষ্টম-দ্বাদশ শতাব্দী) ভাস্কর্যেও মাতৃকাদের মূর্তি বিশেষভাবে লক্ষিত হয়।[২৮] চালুক্য রাজাগণ দাবি করতেন, মাতৃকাগণ ছিলেন তাঁদের আদি ধাত্রীমাতা। উল্লেখ্য, সেযুগে দক্ষিণ ভারতীয় রাজবংশগুলির সঙ্গে একটি করে উত্তর ভারতীয় রাজবংশের সম্পর্ক স্থাপন ছিল জনপ্রিয় রীতি।[২৯] চালুক্য যুগেও অন্যান্য দেবীমূর্তির সঙ্গে মাতৃকাগনের মূর্তিও খোদিত হতে থাকে। কদম্ব ও আদি চালুক্য রাজারা তাঁদের নথিপত্রের শুরুতে মাতৃকাগণকে শত্রুবিজয়ের শক্তিপ্রদায়িনীরূপে বন্দনা করতেন।[৩০][৩১]
অধিকাংশ প্রাসঙ্গিক গ্রন্থে তাঁদের সংখ্যাটি স্পষ্ট করা হয়নি। ধীরে ধীরে তাঁদের সংখ্যা ও নাম নির্ধারিত হতে থাকে এবং সাত জন দেবী মাতৃকার মর্যাদা লাভ করেন। তবে কোনো কোনো গ্রন্থে অষ্ট এমনকি ষোড়শ মাতৃকারও উল্লেখ রয়েছে।[৩২]
লরা ক্রিস্টিন চেম্বারলেন (বর্তমানে লরা কে. অ্যামাজন) লিখেছেন:
The inconsistency in the number of Matrikas found in the valley [Indus] today (seven, eight, or nine) possibly reflects the localization of goddesses [.] Although the Matrikas are mostly grouped as seven goddesses over the rest of the Indian Subcontinent, an eighth Matrikas has sometimes been added in Nepal to represent the eight cardinal directions. In Bhaktapur, a city in the Kathmandu Valley, a ninth Matrika is added to the set to represent the center.[৩৩]
বর্ণনা [সম্পাদনা]
বিভিন্ন পুরাণ, আগমশাস্ত্র ও মহাভারতে মাতৃকাগণের মূর্তিতত্ত্ব বর্ণিত হয়েছে। পুরাণের মধ্যে বরাহ পুরাণ, অগ্নি পুরাণ,[৩৪] মৎস্য পুরাণ, বিষ্ণুধর্মোত্তর পুরাণ ও মার্কণ্ডেয় পুরাণের অন্তর্গত দেবীমাহাত্ম্যম্ গ্রন্থে এবং আগমশাস্ত্রগুলির মধ্যে অংসুমাদভেদাগম, সুরভেদাগম, পূর্বকর্ণাগম, রূপমান্দনে মাতৃকাগণের বর্ণনা রয়েছে।
দেবীমাহাত্ম্যম্ গ্রন্থে বর্ণিত অষ্টমাতৃকাগণ হলেন: [৩৫]
- ১
- ব্রাহ্মী (সংস্কৃত: ब्राह्मि) বা ব্রহ্মাণী (সংস্কৃত: ब्रह्माणी) হলেন সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার শক্তি। তিনি পীতবর্ণা ও চতুর্মুখ। তাঁর হস্তসংখ্যা বর্ণনাভেদে চার অথবা ছয়। ব্রহ্মার মতোই তিনি অক্ষমালা-কমণ্ডলু, পদ্ম বা গ্রন্থ বা ঘণ্টাধারিণী এবং হংসবাহিনী। কোনো কোনো মূর্তিতে তিনি পদ্মাসনা ও তাঁর ধ্বজায় হংসচিহ্ন অঙ্কিত। তিনি নানালঙ্কারভূষিতা ও করণ্ডমুকুটধারিণী।
- ২
- বৈষ্ণবী (সংস্কৃত: वैष्णवी) পালনকারী দেবতা বিষ্ণুর শক্তি। তিনি গরুড়ের পৃষ্ঠে আসীনা এবং চর্তুভূজা বা ষড়ভূজা। তিনি শঙ্খ, চক্র, ধনুর্বাণ, খড়্গ বা বরাভয়মুদ্রা ধারিণী। বিষ্ণুর মতো তিনিও সর্বাভরণভূষিতা ও কিরীটিমুকুটধারিণী।
টীকা [সম্পাদনা]
- ↑ Wangu p.99
- ↑ Kinsley .151
- ↑ van den Hoek in Nas, p.362
- ↑ ৪.০ ৪.১ Wangu p.41
- ↑ Bhattacharyya, N. N., History of the Sakta Religion, Munshiram Manoharlal Publishers Pvt. Ltd. (New Delhi, 1974, 2d ed. 1996), p. 126.
- ↑ Wangu p.75
- ↑ ৭.০ ৭.১ The Iconography and Ritual of Śiva at Elephanta By Charles Dillard Collins p.143
- ↑ Kinsley (1988) p.151
- ↑ ৯.০ ৯.১ Jain p.162
- ↑ Brhatsamhita, Ch.57, v.56. Panda, S.S. (September 2004)। "Sakti Cult in Upper Mahanadi Valley" (PDF)। Orissa Review। Government of Orissa। সংগৃহীত 2008-01-08।
- ↑ Wangu Glossary p.187
- ↑ Jagdish Narain Tiwari, "Studies in Goddess Cults in Northern India, with Reference to the First Seven Centuries AD" p.215-244; as referred in Kinsley p.151
- ↑ Dilip Chakravati in Archaeology and World Religion By Timothy Insoll, Published 2001, Routledge, ISBN 0415221544, pp.42-44
- ↑ Kinsley p.151
- ↑ Pal in Singh p.1836
- ↑ Zimmer Heinrich, 1960,2001 The Art Of Indian Asia, Its Mythology and Transformations.Motilal Banarsidas Publication. New Delhi (Page B4C,257,135)
- ↑ Harper in Harper and Brown, p.48
- ↑ Kinsley p.155
- ↑ Schastok pp.58-60
- ↑ Bhattacharyya, N. N., History of the Sakta Religion, Munshiram Manoharlal Publishers Pvt. Ltd. (New Delhi, 1974, 2d ed. 1996).
- ↑ Wangu pp.58-59
- ↑ Wangu p.67
- ↑ Wangu p. 68
- ↑ Wangu p.76
- ↑ Berkson p.212
- ↑ Kamath, Suryanath U. (2001) [1980]. A concise history of Karnataka : from pre-historic times to the present. Bangalore: Jupiter books. OCLC 7796041. LCCN 809-5179. p51
- ↑ Kamath (2001), p52
- ↑ Goswami, Meghali; Gupta, Dr.Ila; Jha, Dr. P. of IIT, Roorkee (March 2005)। "Sapta Matrikas In Indian Art and their significance in Indian Sculpture and Ethos: A Critical Study" (PDF)। Anistoriton Journal। Anistoriton। সংগৃহীত 2008-01-08। "Anistoriton is an electronic Journal of History, Archaeology and ArtHistory. It publishes scholarly papers since 1997 and it is freely available on the Internet. All papers and images since vol. 1 (1997) are available on line as well as on the free Anistorion CD-ROM edition."
- ↑ Dr. Suryanath U. Kamath (2001), A Concise History of Karnataka from pre-historic times to the present, Jupiter books, MCC (Reprinted 2002), p60
- ↑ Lorenzen, David in Harper and Brown, p.29
- ↑ Harper in Harper and Brown, p.121
- ↑ Kinsley p.156
- ↑ Cited in Laura Kristine Chamberlain. “Durga and the Dashain Harvest Festival: From the Indus to Kathmandu Valleys” in ReVision, Summer 2002, vol. 25, no. 1, p.26
- ↑ Agni Purana, Tr. by M.N. Dutta, Calcutta, 1903-04,Ch.50.18.22.
- ↑ See:
- Kinsley p.156, IAST Names and Descriptions as per Devi Mahatmya , verses 8.11-20
- "Sapta Matrikas (12th C AD)"। Department of Archaeology and Museums, Government of Andhra Pradesh। সংগৃহীত 2008-01-08।
- Other names from Devi Purana: Pal in Singh p.1844 and Descriptions: p.1846
- Kalia, pp.106-109.
b. ^ Note that the Gupta rulers took the names of the deity Skanda as their own names
c. ^ This very ability is possessed by Raktabija of the Devi-mahatmya and Vamana Purana.
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- Aryan, K.C. (1980). The Little Goddesses (Matrikas). New Delhi: Rekha Prakashan. আইএসবিএন 81-900002-7-6.
- Berkson, Carmel (1992). Ellora, Concept and Style. Abhinav Publications. আইএসবিএন 8170172772.
- Jain, Madhu; O. C. Handa (1995). The Abode of Mahashiva: Cults and Symbology in Jaunsar-Bawar in the Mid - Himalayas. Indus Publishing.. আইএসবিএন 8173870306.
- Kinsley, David (1998) [1988]. Hindu Goddesses: Vision of the Divine Feminine in the Hindu Religious Traditions. Motilal Banarsidass Publ.. আইএসবিএন 8120803949.
- Panikkar, Shivaji K (1997). "Saptamatrka Worship and Sculptures: An Iconological Interpretation of Conflicts and Resolutions in the Storied Brahmanical Icons". Perspectives in Indian Art and Archaeology. 3 (1 ed.). আইএসবিএন 8124600740.
- Van den Hoek, Bert (1993). "Kathmandu as a sacrificial arena". In Nas ,Peter J. M.. Urban Symbolism. BRILL. আইএসবিএন 9004098550.
- Wangu, Madhu Bazaz (2003). Images of Indian Goddesses. Abhinav Publications. আইএসবিএন 8170174163.
- Woodroffe, Sir John (2001). The Garland of Letters. Chennai, India: Ganesh & Co.. আইএসবিএন 81-85988-12-9.
- Hiltebeitel, Alf. "Goddesses, place, Identity in Nepal". South Asian Folklore.
- Banerji, S.C., Companion to Tantra, Published 2002, Abhinav Publications, ISBN 8170174023.
- Harper, Katherine Anne and Brown, Robert L.; The Roots of Tantra; Published 2002; SUNY Press; ISBN 0791453057
- Pattanaik, Devdutt; The Goddess in India: The Five Faces of the Eternal Feminine; Published 2000; Inner Traditions / Bear & Company; 176 pages; ISBN 0892818077
- Pal, P. The Mother Goddesses According to the Devipurana in Singh, Nagendra Kumar, Encyclopaedia of Hinduism, Published 1997,Anmol Publications PVT. LTD.,ISBN 8174881689
- Brooks, Douglas Renfrew. Auspicious Wisdom: The Texts and Traditions of Srividya Sakta Tantrism, 1992, SUNY Press, ISBN 0791411451.
- Brown, Cheever Mackenzie. The Devi Gita: The Song of the Goddess: A Translation, Annotation, and Commentary , 1998, SUNY Press, 404 pages, ISBN 0791439399.
- Kalia, Asha (1982). Art of Osian Temples: Socio-Economic and Religious Life in India, 8th-12th Centuries A.D. Abhinav Publications. ISBN 0391025589.
- Schastok, Sara L. (1985). The Śāmalājī Sculptures and 6th Century Art in Western India. BRILL. ISBN 9004069410
- Kiss of the Yogini: "Tantric Sex" in its South Asian Contexts By David Gordon White
- Dehejia, Vidya, Yogini Cult and Temples.
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
| উইকিমিডিয়া কমন্সে নিচের বিষয় সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে: মাতৃকা |
- "Matrikas embedded in eight petals of the Kali Yantra: Image"
- "Translation of Devi Mahatmya passages that describe the Sapta matrika and Images"
|
|||||||||||||||||