মহাযান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

মহাযান (সংস্কৃত: महायान) হল বৌদ্ধধর্মের প্রধান দুটি অধুনা-প্রচলিত শাখার একটি। "মহাযান" বলতে বৌদ্ধ দর্শন ও সাধনা-পদ্ধতির একটি বিশেষ ধারাকে বোঝায়। ভারতে মহাযান মতবাদের উদ্ভব ঘটেছিল। কোনো কোনো গবেষকের মতে, প্রথম দিকে বৌদ্ধধর্মের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক শাখাগুলির অন্যতম মহাসাংঘিকা শাখার সঙ্গে মহাযান মত যুক্ত ছিল।[১][২]

আধুনিক কালে বৌদ্ধধর্মের প্রধান শাখাগুলির মধ্যে মহাযান শাখাটি বৃহত্তম। বৌদ্ধ মতাবলম্বীদের ৫৬% মহাযান, ৩৮% থেরবাদ ও ৬% বজ্রযান শাখার অনুগামী।[৩] মহাযান দর্শন অনুসারে, "বোধসত্ত্বযান" নামে পরিচিত সকল চেতন বস্তুর সামগ্রিক জ্ঞান অনুসন্ধানের পন্থাটিকেও "মহাযান" বলা যায়।[৪][note ১]

পরবর্তীকালে মহাযান বৌদ্ধধর্ম ভারত থেকে এশিয়ার বাংলাদেশ, চীন, জাপান, ভিয়েতনাম, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, তিব্বত, ভুটান, মালয়েশিয়ামঙ্গোলিয়া প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। আধুনিক মহাযান শাখার প্রধান উপশাখাগুলি হল জেন, চীনা চান, শুদ্ধভূমি, তিয়ানতাইনিচিরেন। বজ্রযান শাখার শিঙ্গন, টেন্ডাইতিব্বতি বৌদ্ধধর্ম মতও এই শাখায় স্বীকৃত। বজ্রযানের এই শাখাগুলি থেকে মহাযান মতে রহস্যবাদ এসেছে।

ব্যুৎপত্তি[সম্পাদনা]

জান নাটিয়ারের মতে, "মহাযান" শব্দটি প্রথম দিকে "বোধিসত্ত্বযান" শব্দের একটি সম্মানসূচক বিশেষণ ছিল।[৫] একজন বোধিসত্ত্বের মাধ্যমে সকল সজীব প্রাণীর কল্যাণের জন্য বুদ্ধত্ব অনুসন্ধানকেই বলা হত বোধিসত্ত্বযান।[৪] তাই বোধিসত্ত্বের শিক্ষা ও সাধনপন্থা যবে থেকে প্রচলিত হয়েছে, তবে থেকেই "মহাযান" শব্দটি চলে আসছে। যেহেতু এটি বোধিসত্ত্বযান কথাটির বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হত, সেহেতু "মহাযান" শব্দটি ও তার প্রয়োগের সঙ্গে মহাযান শাখার বিকাশের কোনো গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র নেই।[৫]

প্রাচীনতম মহাযান ধর্মগ্রন্থগুলি "মহাযান" শব্দটিকে "বোধিসত্ত্বযান" শব্দের প্রতিশব্দ হিসেবেই গ্রহণ করেছে। তবে প্রাচীন গ্রন্থগুলিতে "হীনযান" শব্দের ব্যবহার তুলনামূলকভাবে খুবই কম। "মহাযান" ও "হীনযান" মতের মধ্যে আপাত বিরোধটি ভ্রান্ত হতে পারে। কারণ, দুটি শব্দই একই যুগে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক নির্দেশ করার জন্য তৈরি করা হয়নি।[৬]

"মহাযান" সম্পর্কে প্রাচীনতম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্রগুলি হল সদ্ধর্ম পুণ্ডরিকা সূত্র উল্লিখিত সূত্রগুলি। এগুলি খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী থেকে খ্রিস্টীয় প্রথম শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে লেখা হয়।[৭] সেইশি করশিমা বলেছেন, শব্দটি রপ্রথম ব্যবহৃত হয়েছিল সদ্ধর্ম পুণ্ডরিক সূত্র-এর গান্ধারী প্রাকৃত সংস্করণে। শব্দটি "মহাযান" ছিল না, ছিল প্রাকৃত শব্দ "মহাজান" বা "মহাজ্ঞান"।[৮] পরে প্রাকৃত শব্দটি সংস্কৃতে রূপান্তরিত করার সময় "মহাযান" হয়ে যায়। এই রূপান্তরের কারণ সম্ভবত বৌদ্ধদের বিখ্যাত দগ্ধ বাড়ির উপকথাটির দ্বিমুখী অর্থ, যেখানে তিনটি "যান" বা গাড়ির উল্লেখ আছে।[note ২][৯]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রাচীন বৌদ্ধস্তুপ, বরোবুদুর, ইন্দোনেশিয়া
গান্ধার অঞ্চলের প্রাচীন বুদ্ধমূর্তি, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী।

উৎস[সম্পাদনা]

মহাযান শাখার উৎস সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য পাওয়া যায় না।[১০] প্রথমদিকে পাশ্চাত্য গবেষকেরা মনে করতেন, এটি ছিল তথাকথিত "হীনযান" শাখার একটি বিরোধী শাখা। মহাযান শাখায় বুদ্ধ ও বোধিসত্ত্ব পূজার প্রবণতা থেকে অনুমান করা হয়, এটি বৌদ্ধধর্মের একটি ভক্তিবাদী ও গৃহস্থকেন্দ্রিক শাখা। স্তুপ উপাসনার সূচনা মহাযান শাখাতেই শুরু হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়।[১১] এটিকে ইউরোপীয় ধর্মবিশ্বাসের ইতিহাসে প্রোটেস্টান্ট আন্দোলনের সঙ্গে তুলনাও করা হয়। তবে আধুনিক কালে অনেকগুলি প্রাচীন গ্রন্থ আবিষ্কৃত হওয়ার পর এই ধারণাগুলি পরিত্যক্ত হয়েছে।[১২] খড়্গভীষণ সূত্র ইত্যাদি বইয়ের ধারণার অনুরূপ কিছু ধারণা, যেমন বোধিসত্ত্ব পথের প্রতি কঠোর আনুগত্য, নির্জনে কঠোর সন্ন্যাসধর্ম পালন ইত্যাদি প্রাচীনতম মহাযান ধর্মগ্রন্থগুলিতেও পাওয়া যায়।[note ৩] মহাযান ভক্তিবাদী ও গৃহস্থকেন্দ্রিক শাখা ছিল বলে যে ধারণা প্রচলিত ছিল, তা আধুনিক কালে ভ্রান্ত বলে পরিত্যক্ত হয়েছে।[note ৪]

খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী ও খ্রিস্টীয় প্রথম শতাব্দীতে লিখিত সূত্রগুলিতে প্রথম "মহাযান" কথাটির উল্লেখ পাওয়া যায়। জান নাটিয়ার লিখেছেন, উগ্রপরিপৃচ্চ সূত্র ইত্যাদি প্রাচীনতম মহাযান সূত্রগুলিতে "মহাযান" শব্দটিকে কোনো পৃথক শাখার নাম হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি বা প্রাচীন শাখাগুলির সঙ্গে এই শাখার কোনো তত্ত্বগত বিরোধও দেখানো হয়নি। "মহাযান" বলতে বোঝানো হয়েছে বোধিসত্ত্বের পথ অনুসরণ করে গৌতম সিদ্ধার্থের বুদ্ধত্ব প্রাপ্তির কঠোর উচ্চাকাঙ্ক্ষাটিকে।[১৩]

মহাযান শাখাটি যে প্রাচীন কালে বৌদ্ধধর্মের একটি শাখা বা সম্প্রদায় হিসেবে বিবেচিত হত, তারও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। তখন মহাযান বলতে কিছু আদর্শ ও বোধিসত্ত্ব ইত্যাদি কিছু পরবর্তীকালে উদ্ভুত মতের সমষ্টি বোঝাত।[১৩] পল উইলিয়ামস লিখেছেন, মহাযান প্রাচীনকালে আলাদা "বিনয়" বা শাখাসম্প্রদায় হিসেবে বিবেচিত হত না। তাই মহাযানপন্থী ভিক্ষু বা ভিক্ষুনিরা আনুষ্ঠানিকভাবে অন্য কোনো একটি প্রাচীন শাখার অন্তর্গত ছিলেন। ওই সব "নিকায়" বা সন্ন্যাসী সম্প্রদায়ের সদস্যপদ বর্তমানকালে পূর্ব এশিয়ায় ধর্মগুপ্তক নিকায় ও তিব্বতি বৌদ্ধধর্মে মূলসর্বাস্তিবাদ নিকায় অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। তাই মহাযান কখনই প্রাচীন শাখাগুলির থেকে পৃথক বিরোধী শাখা ছিল না।[১৪] পল হ্যারিসনের ব্যাখ্যা অনুসারে, মহাযান নিকায়ের অন্তর্গত হলেও, নিকায়ের সকল সদস্য মহাযানপন্থী নন।[১৫] ভারতে আগত চীনা পর্যটক-সন্ন্যাসীদের লেখা থেকে জানা যায়, সেকালে একই মঠে মহাযানপন্থী ও মহাযান-বিরোধী সন্ন্যাসীরা বাস করতেন।[১৬]

চীনা সন্ন্যাসী ইজিং খ্রিস্টীয় সপ্তম শতাব্দীতে ভারতে এসেছিলেন। তিনি মহাযান ও হীনযানের পার্থক্য করতে গিয়ে লিখেছেন:[১৭]


দুই মতবাদই এক বিনয় গ্রহণ করেছে। পাঁচটি নিষেধবাক্য দুই মতবাদেই গৃহীত। দুই-ই চতুরার্য সত্যের চর্চা করে। যারা বোধিসত্ত্বদের পূজা করেন এবং মহাযানসূত্রগুলি পড়েন, তাঁদের বলা হয় মহাযানপন্থী এবং যাঁরা এগুলি করেন না, তাঁদের বলা হয় হীনযানপন্থী।

মহাযান শাখার উৎস সম্পর্কে প্রাচীনতম প্রামাণ্য গ্রন্থগুলি হল মহাযান ধর্মগ্রন্থগুলির চীনা অনুবাদ। বৌদ্ধ সন্ন্যাসী লোকক্ষেমা খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে চীনে প্রথম মহাযান ধর্মমত প্রচার করেছিলেন। তিনিই মহাযান সূত্রগুলি চীনা ভাষায় অনুবাদ করেন।[note ৫]

প্রজ্ঞাপারমিতার মূর্তি, সিংহসারি, পূর্ব জাভা, ইন্দোনেশিয়া

প্রাচীন মহাযান সূত্র[সম্পাদনা]

গবেষকদের প্রথাগত বিশ্বাস অনুসারে, প্রজ্ঞাপারমিতা শ্রেণীর প্রথম সংস্করণ এবং অক্ষোভ্য বুদ্ধ-সংক্রান্ত বইগুলি প্রাচীম মহাযান সূত্রের অন্তর্গত। এগুলি সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীতে দক্ষিণ ভারতে রচিত হয়েছিল।[১৮][১৯][২০] কুষাণ যুগের সন্ন্যাসী লোকক্ষেম আদি মহাযান সূত্রের কতকগুলি অনুবাদ করেছিলেন। তিনি গান্ধার রাজ্য থেকে চীন দেশে যান। ১৭৮-১৮৯ খ্রিস্টাব্দে চীনের রাজধানী লুওয়াং শহরে বসে তিনি অনুবাদ কাজ সম্পন্ন করেছিলেন।[২১] খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীতে নিম্নলিখিত কয়েকটি মহাযানসূত্র অনূদিত হয়:[২২]

  1. অষ্টসহস্রিকা প্রজ্ঞাপারমিতা সূত্র
  2. বিমলকীর্তি নির্দেশ সূত্র
  3. বৃহত্তর সুখাবতীব্যূহ সূত্র
  4. অক্ষোভ্যতথাগতস্যব্যূহ সূত্র
  5. উগ্রপরিপৃচ্চ সূত্র
  6. মঞ্জুশ্রীপরিপৃচ্চ সূত্র
  7. দ্রুমকিন্নররাজপরিপৃচ্চ সূত্র
  8. সুরঙ্গমা সমাধি সূত্র
  9. ভদ্রপাল সূত্র
  10. অজাতশত্রুকৃষ্টবিনোদন সূত্র
  11. কাশ্যপপরিবর্ত সূত্র
  12. লোকানুবর্তন সূত্র
  13. মহাবৈপুল্য বুদ্ধাবতংশক সূত্র-এর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি প্রাচীন সূত্র

এই বইগুলিতে কঠোর সাধনা, বনবাস ও ধ্যানতন্ময়তার গুরুত্বের উপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।[২৩]


হ্যারিসন লোকক্ষেমা সূত্র সাহিত্যের মাত্রাতিরিক্ত কঠোর ধর্মানুশীলন, মনবাস ও সর্বোপরি ধ্যানতন্ময়তা বা সমাধির প্রতি বিশেষ আকর্ষণের দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ করেছেন। ধ্যান ও ধ্যানতন্ময় অবস্থা সম্ভবত আদি মহাযান শাখার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকত। এর কারণ অবশ্যই তাদের আধ্যাত্মিক ক্ষমতা। তবে এর অন্য কারণ, তারা সম্ভবত ঘন ঘন দৈব দর্শন বা অনুপ্রেরণা পেতেন।

এগুলির কয়েকটি সম্ভবত খ্রিস্টীয় প্রথম শতাব্দীতে উত্তর ভারতে রচিত হয়েছিল।[২৪] কোনো কোনো গবেষকদের মতে, আদি মহাযান সূত্রগুলি প্রধানত দক্ষিণ ভারতে রচিত হয়েছিল। পরে এই অতিরিক্ত ধর্মগ্রন্থ রচনার কাজটা উত্তর ভারতেও ছড়িয়ে পড়ে।[note ৬] অবশ্য মহাযান ধর্মগ্রন্থগুলির এই ক্রমে ক্রমে সংখ্যায় বৃদ্ধি পাওয়া আর "মহাযান" নামধারী কোনো ধর্মীয় আন্দোলনের আলাদা অস্তিত্বের পৃথম সমসাময়িক সহাবস্থানের কথা বললে ভুল হতে পারে।[note ৭] কেউ কেউ মনে করেন, অভিধর্মের অতিবাস্তবতাবাদের প্রত্যুত্তরে প্রজ্ঞাপারমিতা সূত্র রচিত হয়েছিল।[২৫]

মহাযান বৌদ্ধ ত্রিমূর্তি - বোধিসত্ত্ব মৈত্রেয়, বুদ্ধ ও বোধিসত্ত্ব অবলোকিতেশ্বর। খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দী, গান্ধার।

প্রাচীনতম শিলালিপি[সম্পাদনা]

যেসব শিলালিপিতে মহাযান মতটিকে স্পষ্টভাবে চেনা যায় এবং বুদ্ধ অমিতাভের উল্লেখ যেখানে আছে, সেই শিলালিপিগুলির মধ্যে যেটি প্রাচীনতম সেটি আবিষ্কৃত হয়েছে মথুরায়। এটি ৮০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয়। একটি বুদ্ধমূর্তির ধ্বংসাবশেষের গায়ে ব্রাহ্মী হরফে লেখা আছে: "রাজা হুবিষ্কের রাজ্যাভিষেকের ২৮ বছর পরে নির্মিত... পবিত্র বুদ্ধ অমিতাভের জন্য।" সম্রাট হুবিষ্ক নিজে মহাযান বৌদ্ধধর্মের অনুগামী ছিলেন বলেও কিছু প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। সুয়েন সংগ্রহের একটি সংস্কৃত পুথিতে বলা হয়েছে, হুবিষ্ক "মহাযানের বিস্তার ঘটিয়েছিলেন।"[২৬] পঞ্চম শতাব্দীর আগে যেসব মহাযান গ্রন্থ মধ্য এশিয়া থেকে চীনে গিয়েছিল, তার তুলনায় ভারতীয় পুথিগুলিতে "মহাযান" নামটির প্রমাণ কমই পাওয়া যায়।[২৭][২৮][২৯]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. "The Mahayana, 'Great Vehicle' or 'Great Carriage' (for carrying all beings to nirvana), is also, and perhaps more correctly and accurately, known as the Bodhisattvayana, the bodhisattva's vehicle." - Warder, A.K. (3rd edn. 1999). Indian Buddhism: p. 338
  2. Karashima: "I have assumed that, in the earliest stage of the transmission of the Lotus Sūtra, the Middle Indic forn jāṇa or *jāna (Pkt < Skt jñāna, yāna) had stood in these places ... I have assumed, further, that the Mahāyānist terms buddha-yānā ("the Buddha-vehicle"), mahāyāna ("the great vehicle"), hīnayāna ("the inferior vehicle") meant originally buddha-jñāna ("buddha-knowledge"), mahājñāna ("great knowledge") and hīnajñāna ("inferior knowledge")." Karashima, Seishi (2001). Some Features of the Language of the Saddharma-puṇḍarīka-sūtra, Indo-Iranian Journal 44: 207-230
  3. "As scholars have moved away from this limited corpus, and have begun to explore a wider range of Mahayana sūtras, they have stumbled on, and have started to open up, a literature that is often stridently ascetic and heavily engaged in reinventing the forest ideal, an individualistic, antisocial, ascetic ideal that is encapsulated in the apparently resurrected image of “wandering alone like a rhinoceros.” Macmillan Encyclopedia of Buddhism (2004): p. 494
  4. "One of the most frequent assertions about the Mahayana ... is that it was a lay-influenced, or even lay-inspired and dominated, movement that arose in response to the increasingly closed, cold, and scholastic character of monastic Buddhism. This, however, now appears to be wrong on all counts." Macmillan Encyclopedia of Buddhism (2004): p. 494
  5. "The most important evidence — in fact the only evidence — for situating the emergence of the Mahayana around the beginning of the common era was not Indian evidence at all, but came from China. Already by the last quarter of the 2nd century CE, there was a small, seemingly idiosyncratic collection of substantial Mahayana sutras translated into what Erik Zürcher calls 'broken Chinese' by an Indoscythian, whose Indian name has been reconstructed as Lokaksema." Macmillan Encyclopedia of Buddhism (2004): p. 492
  6. Warder: "The sudden appearance of large numbers of (Mahayana) teachers and texts (in North India in the second century AD) would seem to require some previous preparation and development, and this we can look for in the South." - Warder, A.K. (3rd edn. 1999). Indian Buddhism: p. 335.
  7. "But even apart from the obvious weaknesses inherent in arguments of this kind there is here the tacit equation of a body of literature with a religious movement, an assumption that evidence for the presence of one proves the existence of the other, and this may be a serious misstep." - Macmillan Encyclopedia of Buddhism (2004): p. 493

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Warder, A.K. Indian Buddhism. 2000. p. 11
  2. Ray, Reginald. Buddhist Saints in India: A Study in Buddhist Values and Orientations. 1999. p. 426
  3. "Adherents.com Mahayana - world"। সংগৃহীত Dec 2012 
  4. ৪.০ ৪.১ Keown, Damien (2003), A Dictionary of Buddhism: p. 38
  5. ৫.০ ৫.১ Nattier, Jan (2003), A few good men: the Bodhisattva path according to the Inquiry of Ugra: p. 174
  6. Nattier, Jan (2003), A few good men: the Bodhisattva path according to the Inquiry of Ugra: p. 172
  7. Ven. Dr. W. Rahula, Theravada - Mahayana Buddhism
  8. Williams, Paul. Buddhism. Vol. 3. The origins and nature of Mahāyāna Buddhism. Routledge. 2004. p. 50.
  9. Williams, Paul. Buddhism. Vol. 3. The origins and nature of Mahāyāna Buddhism. Routledge. 2004. p. 50
  10. Akira, Hirakawa (translated and edited by Paul Groner) (1993. A History of Indian Buddhism. Delhi: Motilal Banarsidass: p. 260
  11. Akira, Hirakawa (1993), A History of Indian Buddhism: From Sakyamuni to Early Mahayana: p. 271
  12. e.g. Williams, Mahayana Buddhism
  13. ১৩.০ ১৩.১ Nattier, Jan (2003), A few good men: the Bodhisattva path according to the Inquiry of Ugra: p. 193-194
  14. Williams, Paul (2008) Mahayana Buddhism: The Doctrinal Foundations: pp. 4-5
  15. Guang Xing. The Concept of the Buddha: Its Evolution from Early Buddhism to the Trikaya Theory. 2004. p. 115
  16. Williams, Paul (2000) Buddhist Thought: A Complete Introduction to the Indian Tradition: p. 97
  17. Williams, Paul (2008) Mahāyāna Buddhism: The Doctrinal Foundations: p. 5
  18. Akira, Hirakawa (translated and edited by Paul Groner) (1993. A History of Indian Buddhism. Delhi: Motilal Banarsidass: p. 263, 268
  19. "The south (of India) was then vigorously creative in producing Mahayana Sutras" – Warder, A.K. (3rd edn. 1999). Indian Buddhism: p. 335.
  20. Akira, Hirakawa (translated and edited by Paul Groner) (1993. A History of Indian Buddhism. Delhi: Motilal Banarsidass: p. 253
  21. Macmillan Encyclopedia of Buddhism (2004): p. 492
  22. Akira, Hirakawa (translated and edited by Paul Groner) (1993. A History of Indian Buddhism. Delhi: Motilal Banarsidass: p. 248-251
  23. Williams, Paul (2008) Mahāyāna Buddhism: The Doctrinal Foundations: p. 30
  24. Akira, Hirakawa (translated and edited by Paul Groner) (1993. A History of Indian Buddhism. Delhi: Motilal Banarsidass: p. 252, 253
  25. Skilton, Andrew. A Concise History of Buddhism. 2004. p.94
  26. Neelis, Jason. Early Buddhist Transmission and Trade Networks. 2010. p. 141
  27. "Certainly, we have for this period an extensive body of inscriptions from virtually all parts of India. ... But nowhere in this extensive body of material is there any reference, prior to the fifth century, to a named Mahāyāna.", Macmillan Encyclopedia of Buddhism (2004): p. 493
  28. "What is particularly disconcerting here is the disconnect between expectation and reality: We know from Chinese translations that large numbers of Mahāyāna sutras were being composed in the period between the beginning of the common era and the fifth century. But outside of texts, at least in India, at exactly the same period, very different — in fact seemingly older — ideas and aspirations appear to be motivating actual behavior, and old and established Hinayana groups appear to be the only ones that are patronized and supported., Macmillan Encyclopedia of Buddhism (2004): p. 494
  29. "In other words, once nontextual evidence is taken into account the picture changes dramatically. Rather than being datable to the beginning of the common era, this strand of Mahayana Buddhism, at least, appeared to have no visible impact on Indian Buddhist cult practice until the 2nd century, and even then what impact it had was extremely isolated and marginal, and had no lasting or long-term consequences — there were no further references to Amitabha in Indian image inscriptions. Almost exactly the same pattern occurs (concerning Mahayana) on an even broader scale when nontextual evidence is considered." - Macmillan Encyclopedia of Buddhism (2004): p. 493

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

  • "Mahayana"। Encyclopædia Britannica। Encyclopædia Britannica। 2002। 

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

  • Beal (1871). Catena of Buddhist Scriptures from the Chinese
  • Kuroda, S. (1893). Outline of Mahayana
  • Lowenstein, Tom. The Vision of the Buddha. ISBN 1-903296-91-9
  • Lynch, Kevin (2005). The Way Of The Tiger: A Buddhist's Guide To Achieving Nirvana. Yojimbo Temple
  • Murdoch (1910). History of Japan, volume i.
  • Schopen, G. "The inscription on the Kusan image of Amitabha and the character of the early Mahayana in India", Journal of the International Association of Buddhist Studies 10, 1990
  • Suzuki, D. T. (1914). In Paul Carus, ed., The Monist, volume xxiv,.
  • Suzuki, D. T. (1907). Outline of Mahayana Buddhism
  • Williams, Paul (1989). Mahayana Buddhism. Routledge.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]