ব্রহ্মাণ্ড পুরাণ
হিন্দুশাস্ত্র |
|
ঋগ্বেদ • সামবেদ • যজুর্বেদ • অথর্ববেদ |
|
ঐতরেয় • বৃহদারণ্যক • ঈশা • তৈত্তিরীয় • ছান্দগ্যো • কেন • মৈত্রী • মুণ্ডক • মাণ্ডুক্য • কঠ • কৌষীতকি • প্রশ্ন • শ্বেতাশ্বেতর |
|
স্মৃতি • শ্রুতি • ভগবদ্গীতা • পুরাণ • দেবীমাহাত্ম্যম্ • মনুস্মৃতি • আগম • দর্শন • পঞ্চরাত্র • তন্ত্র • আকিলাতিরাত্তু আম্মানাই • সূত্র • স্তোস্ত্র • ধর্মশাস্ত্র • দিব্যপ্রবন্ধ • তেভরম • রামচরিতমানস • শিক্ষাপত্রী • বচনামৃত • আনন্দসূত্রম |
|
|
ব্রহ্মাণ্ড পুরাণ (সংস্কৃত: व्रह्माण्ढपुराणम्) অষ্টাদশ মহাপুরাণের অন্যতম এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু ধর্মগ্রন্থ। অধ্যাত্ম রামায়ণ এককালে এই গ্রন্থের অন্তর্গত ছিল।
ব্রহ্মাণ্ড এবং ব্রহ্মার নিকট ভবিষ্যত যুগসমূহের প্রকাশের বৃত্তান্ত থেকে এই পুরাণের নামকরণ। আদিতে কেবল একটি স্বর্ণডিম্ব (সোনার ডিম) ছিল এবং তার থেকে জগৎ প্রপঞ্চের সৃষ্টি – ব্রহ্মা কথিত এই বিশ্বসৃষ্টির উপাখ্যান ব্রহ্মাণ্ড পুরাণের মূল উপজীব্য। অধ্যাত্ম রামায়ণের একাংশ, রাধা ও কৃষ্ণের কাহিনি এবং পরশুরাম অবতারের উপাখ্যান এই পুরাণের অন্তর্গত। এই গ্রন্থের শ্লোকসংখ্যা ১২,০০০। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, ব্রাহ্মণকে এই গ্রন্থ উপহার দেওয়া উত্তম বলে গণ্য হয়।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] বিষয়বস্তু
ব্রহ্মাণ্ড পুরাণের ভেঙ্কটেশ্বর প্রেস, বোম্বাই সংস্করণ অনুযায়ী এই গ্রন্থে দুই ভাগে বিভক্ত। বায়ু পুরাণের মতো প্রথম ভাগটি আবার চার উপবিভাগে বিভক্ত: প্রক্রিয়া, প্রক্রিয়া, উপোদঘট, ও উপসংহার। এই উপবিভাগগুলির উপাদানও বায়ু পুরাণের অনুরূপ। দ্বিতীয় ভাগটি ললিতোপাখ্যান-এর আকারে রচিত; এটিতে তান্ত্রিক দেবী ললিতার বর্ণনা রয়েছে।[১]
ব্রহ্মাণ্ড পুরাণের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলি হল:
- বিশ্বসৃষ্টির বিস্তারিত বর্ণনা, যুগ ও কল্পের বর্ণনা
- ধর্মীয় ভূগোলশাস্ত্রের আলোচনা, এই প্রসঙ্গে জম্বুদ্বীপ, ভারতবর্ষ সহ অনুদ্বীপ বা কেতুমালাবর্ষের মতো চিহ্নিত অঞ্চলের বর্ণনা
- ভরত, পৃথু, দেব, ঋষি ও অগ্নির মতো কয়েকটি রাজবংশের বর্ণনা
- সপ্তকাণ্ড অধ্যাত্ম রামায়ণ
- বেদাঙ্গের বিবরণ; আদিকল্পের বর্ণনা
[সম্পাদনা] টীকা
- ↑ Hazra, R.C. (1962). The Puranas in S. Radhakrishnan ed. The Cultural Heritage of India, Vol.II, Calcutta: The Ramakrishna Mission Institute of Culture, ISBN 81-85843-03-1, p.255
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
- Mani, Vettam. Puranic Encyclopedia. 1st English ed. New Delhi: Motilal Banarsidass, 1975.
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
|
||||||||