রবীন্দ্র সেতু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

স্থানাঙ্ক: ২২°৩৫′০৭″ উত্তর ৮৮°২০′৪৯″ পূর্ব / ২২.৫৮৫২৮° উত্তর ৮৮.৩৪৬৯৪° পূর্ব / 22.58528; 88.34694

রবীন্দ্র সেতু
Howrah Bridge, Kolkata.jpg
রবীন্দ্র সেতু
বাহক বাস ,টেক্সি,মোটরবাইক,ছোট গাড়ি,পদযাত্রী
ক্রস হুগলি নদী,(গঙ্গা)
নকশা ক্যন্টিলিভার সেতু
মোট দৈর্ঘ্য ৭৫০ মিটার
দীর্ঘতম স্প্যান ৪৪৭ মিটার
উন্মেষিত ১৯৪৫ সালে
পথশুল্ক না
রবীন্দ্র সেতু

রবীন্দ্র সেতু (পূর্বনাম হাওড়া ব্রিজ) হুগলি নদীর উপর অবস্থিত কলকাতাহাওড়া শহরের মধ্যে সংযোগরক্ষাকারী সেতুগুলির মধ্যে অন্যতম। ১৮৭৪ সালে প্রথম হাওড়া সেতু নির্মিত হয়। পরে ১৯৪৫ সালে পুরনো সেতুটির বদলে বর্তমান ক্যান্টিলিভার সেতুটির উদ্বোধন হয়। ১৯৬৫ সালের ১৪ জুন সেতুটির নাম পরিবর্তন করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে রবীন্দ্র সেতু রাখা হয়।

রবীন্দ্র সেতু

রবীন্দ্র সেতু বঙ্গোপসাগরীয় প্রবল ঝড়ঝঞ্জাগুলি সহ্য করতে সক্ষম। এই সেতু দিয়ে দৈনিক ৮০,০০০ যানবাহনও প্রায় ১০ লক্ষ পথচারী চলাচল করে।[১] এই জাতীয় সেতুগুলির মধ্যে রবীন্দ্র সেতু বিশ্বে ষষ্ঠ বৃহত্তম[২]

হাওড়া ব্রিজ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি নদীর উপর অবস্থিত বড় খিলানযুক্ত একটি ঝুলন্ত সেতু৷ সেতুটি ১৯৪৩ সালে অনুমোদিত হয়৷[৩] প্রকৃতপক্ষে সেতুটির নামকরণ করা হয় নিউ হাওড়া ব্রিজ হিসাবে, কেননা একইস্থানে অবস্থিত কলকাতা এবং হাওড়া জেলার মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী একটি ভাসমান সেতুর পরিবর্তে এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়৷ ১৯৬৫ সালে সেতুটির নাম ভারত এবং এশিয়ার প্রথম নোবেল বিজয়ী বিখ্যাত বাঙালি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে পুনঃ নামকরণ করা হয়৷

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৮৬২[সম্পাদনা]

১৮৬২ সালে বাংলার সরকার ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়ে কোম্পানির চীফ ইঞ্জিনিয়ার জর্জ টার্নবুলকে হুগলি নদীর উপর একটি ব্রিজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উপর পরিক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বলেন৷ ২৯ এ মার্চ তিনি প্রয়োজনীয় নকশা এবং উপাত্তসমূহ উপস্থাপন করেন৷ কিন্তু সে সময়ে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়নি৷

পন্টুন ব্রিজ[সম্পাদনা]

হুগলি নদীর উপর জন-চলাচল বৃদ্ধির ব্যাপকতার উপর লক্ষ্য করে ১৮৫৫-৫৬ সালের মাঝামাঝি পুনরায় নদীটির উপর ব্রিজ নির্মাণকল্পে একটি কমিটি গঠন করা হয়৷[৪]

নতুন সেতুর জন্য পরিকল্পনা[সম্পাদনা]

১৯০৬ সালে বন্দর কর্তৃপক্ষ ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ের চীফ ইঞ্জিনিয়ার আর এস হায়েট এবং কলকাতা কর্পোরেশন এর চীফ ইঞ্জিনিয়ার ডাব্লিউ বি ম্যাকাবে এর নেতৃত্বে একটি কমিটি নিয়োগ করে৷ চীফ ইঞ্জিনিয়ারদের নেতৃত্বাধীন কমিটি প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে৷[৩] সকল তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে নদীটির উপর একটি ভাসমান সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়৷ এ উদ্দেশ্যে ২৩ টি প্রতিষ্ঠান হতে ব্রিজ এর ডিজাইন এবং কনস্ট্রাকশন এর উপর দরপত্র আহ্বান করা হয়৷ ১৯৩৫ সালে নতুন হাওড়া ব্রিজের আইন সংশোধিত হয় এবং পরের বছর ব্রিজটি নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়৷

চলাচল[সম্পাদনা]

কলকাতা ও হাওড়া জেলার মধ্যে চলাচলের ক্ষেত্রে হাওড়া ব্রিজ একটি অন্যতম ভূমিকা পালন করে৷ প্রতিদিন ব্রিজটির উপর দিয়ে প্রায় ১,৫০,০০০ জন পথযাত্রী এবং ১,০০,০০০ গাড়ি চলাচল করে থাকে৷[৫]


তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Traffic Flow"। ১৯৯৯। সংগৃহীত ২০০৯-০৫-০৩ Traffic Flow Data from the Bridge's website< 
  2. Durkee, Jackson (১৯৯৯-০৫-২৪)। National Steel Bridge Alliance: World's Longest Bridge Spans। American Institute of Steel Construction, Inc। সংগৃহীত ২০০৯-০১-০২ 
  3. "History"। howrahbridgekolkata.gov.in। 
  4. "Howrah District (1909)"। irfca.org। 
  5. "Bird droppings gnaw at Howrah bridge frame"। timesofindia.indiatimes.com। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

[১]

  1. (s-o-u-@-V)