ইস্টবেঙ্গল ক্লাব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(কিংফিশার ইস্ট বেঙ্গল থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ইস্টবেঙ্গল
ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাবের লোগো.png
ক্লাব লোগো
পূর্ণ নামস্পোর্টিং ক্লাব ইস্টবেঙ্গল ক্লাব
ডাকনামলাল-হলুদ ব্রিগেড
ক্রীড়াফুটবল
এসসি ইস্টবেঙ্গল
ক্রিকেট
ইস্টবেঙ্গল ক্রিকেট দল
অন্যান্য
অ্যাথলেটিক্স, হকি
প্রতিষ্ঠাকাল১ আগস্ট ১৯২০
লীগফুটবল ইন্ডিয়ান সুপার লীগ
ক্রিকেট সিএবি প্রথম ডিভিশন লিগ
ভিত্তিককলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
স্টেডিয়ামইস্টবেঙ্গল মাঠ (নিজস্ব)
বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন
ইডেন গার্ডেন্স
রংলাল এবং হলুদ
ওয়েবসাইট[১]

ইস্টবেঙ্গল ক্লাব (English: East Bengal Club) ভারতের একটি অন্যতম সুপ্রাচীন ক্লাব। এটির অবস্থান ভারতের কলকাতায়। এটি অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন(এআইএফএফ)-এর লাইসেন্সের আওতায় আইএসএল খেলে এবং সিএবির কাছে নথিভুক্ত ক্লাব হিসেবে সিএবি প্রথম ডিভিশন লিগে খেলে। মোট তিনবার এই দল ফুটবলে ভারতের সর্বোচ্চ লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। মোট ১৬বার এই দল পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ ক্রিকেট লিগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

ক্লাবটি তিনটি জাতীয় ফুটবল লীগ শিরোপা (এখন আই-লিগ নামে পরিচিত), আটটি ফেডারেশন কাপ, তিনটি ভারতীয় সুপার কাপ এবং অন্যান্য ট্রফি জিতেছে।

ক্লাবটি মূলত অভিবাসী জনগোষ্ঠীর দ্বারা সমর্থিত (বাঙাল), যারা ১৯০৫ ও ১৯৪৭ এর বাংলা বিভাগের সময় বাসা ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল।

১৯৯৮ সালে ইউনাইটেড ব্রিউয়ারিস গ্রুপ ক্লাবের ৫০% মালিকানা লাভ করে এবং তাদের কিংফিশার বিয়ার বিপণনের জন্য ক্লাবের নাম পরিবর্তন করে কিংফিশার ইস্টবেঙ্গল ক্লাব নাম রাখে।

বর্তমানে ক্রীড়া বিভাগের মালিকানা শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গল ফাউন্ডেশনের কাছে রয়েছে যার ২৪ শতাংশ শেয়ার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের হাতে আছে।

ক্লাব গঠনের ইতিহাস[সম্পাদনা]

২৮ শে জুলাই ১৯২০, কোচবিহার কাপে জোড়বাগান আর মোহনবাগানের খেলার কথা ছিলো। তবে অজ্ঞাত কারণে উল্লেখযোগ্য ডিফেন্ডার শৈলেশ বোসকে জোরাবাগানের প্রথম একাদশ থেকে বাদ দেওয়া হয়ে ছিল। জোড়াবাগানের সহ-সভাপতি সুরেশ চন্দ্র চৌধুরী, বোসকে একাদশ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন করেছিলেন, কিন্তু সেটা বৃথা গিয়েছিল। এই কারণে চৌধুরী, রাজা মনমথ নাথ চৌধুরী রমেশ চন্দ্র সেন এবং অরবিন্দ ঘোষের সাথে ক্লাবটি ছেড়ে চলে যান। ১৯২০ সালের পয়লা আগস্ট সুরেশ চন্দ্রের চৌধুরীর জোড়বাগান বাড়িতে তারা ইস্টবেঙ্গল ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সমিতি হিসাবে গঠন করেন।[১][২][৩]

East Bengal FC players and officials in 1921.

সম্মান[সম্পাদনা]

বিশেষ দ্রষ্টব্য এখানে শুধু প্রধান টুর্নামেন্টেরই ফলাফল বর্ণিত হয়েছে।

ফুটবল[সম্পাদনা]

আন্তর্জাতিক[সম্পাদনা]

বিজয়ী (১): ২০০৩

জাতীয়[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় (২): ২০১০-১১, ২০১৩-১৪, ২০১৮-১৯
বিজয়ী (৩): ২০০০-০১, ২০০২-০৩, ২০০৩-০৪
দ্বিতীয় (৩): ১৯৯৭-৯৮, ১৯৯৮-৯৯, ২০০৫-০৬
বিজয়ী (৭): ১৯৭৮, ১৯৮০, ১৯৮৫, ১৯৯৬, ২০০৭, ২০০৯, ২০১০
দ্বিতীয় (৬): ১৯৮৪, ১৯৮৬, ১৯৯২, ১৯৯৫, ১৯৯৮, ২০১১
বিজয়ী (৩): ১৯৯৭, ২০০৬, ২০১১
দ্বিতীয় (৩): ২০০৩, ২০০৮, ২০১০
বিজয়ী (২৩): ১৯৬১, ১৯৬৫, ১৯৬৬, ১৯৬৭, ১৯৭০, ১৯৭২, ১৯৭৩, ১৯৭৪, ১৯৭৫, ১৯৭৬, ১৯৭৯, ১৯৮১, ১৯৮৩, ১৯৮৪, ১৯৮৬, ১৯৯০, ১৯৯১, ১৯৯৪, ১৯৯৫, ১৯৯৭, ২০০০, ২০০১, ২০০২
দ্বিতীয় (৪): ১৯৬৯, ১৯৭৭, ১৯৯৮, ২০০৩
বিজয়ী (১৫): ১৯৫১, ১৯৫২, ১৯৫৬, ১৯৬০, ১৯৬৭, ১৯৭০, ১৯৭২, ১৯৭৮, ১৯৮২, ১৯৮৯, ১৯৯০, ১৯৯১, ১৯৯৩, ২০০২, ২০০৪

ক্রিকেট[সম্পাদনা]

  • সিএবি প্রথম ডিভিশন লিগ
বিজয়ী (১৬): ১৯৭৪-৭৫, ১৯৭৭-৭৮, ১৯৭৮-৭৯, ১৯৮০-৮১, ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৩-৯৪, ১৯৯৪-৯৫, ১৯৯৮-৯৯, ২০০০-০১, ২০০১-০২, ২০০৫-০৬, ২০০৬-০৭, ২০০৯-১০, ২০১১-১২, ২০১৩-১৪, ২০১৬-১৭
  • সিএবি সুপার লিগ
বিজয়ী (১): ২০১৬-১৭
  • সিএবি সিনিয়র নকআউট
বিজয়ী (১৩): ১৯৭৫-৭৬, ১৯৭৭-৭৮, ১৯৭৯-৮০, ১৯৮২-৮৩, ১৯৮৫-৮৬, ১৯৮৭-৮৮, ১৯৯৭-৯৮, ২০০৩-০৪, ২০০৪-০৫, ২০১০-১১, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "The Rise of East Bengal Club"East Bengal Football Club। ১৮ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১২ 
  2. "History of East Bengal"Thehardtackle.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২ মে ২০১০। ৮ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২০ 
  3. "Club Day: East Bengal - The History | Goal.com"www.goal.com। ৮ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০২০