আহমদ রফিক
আহমদ রফিক | |
|---|---|
| জন্ম | ১২ সেপ্টেম্বর ১৯২৯ ত্রিপুরা জেলা, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত |
| মৃত্যু | ২ অক্টোবর ২০২৫ (বয়স ৯৬) ঢাকা, বাংলাদেশ |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশি |
| পেশা | সাহিত্যিক, গবেষক |
আহমদ রফিক (১২ সেপ্টেম্বর, ১৯২৯ - ২ অক্টোবর, ২০২৫[১][২]) ছিলেন বাংলাদেশের একজন মুক্তমনা সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি একাধারে কবি, প্রবন্ধকার ও গবেষক। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও লেখনী সংক্রান্ত গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউট তাকে 'রবীন্দ্রত্ত্বাচার্য' উপাধিতে ভূষিত করে।[৩] ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি একজন চিকিৎসক ছিলেন। তিনি ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর দীর্ঘ সময় রোগভোগের পর ঢাকার বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
জীবন বৃত্তান্ত
[সম্পাদনা]আহমদ রফিক ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির ত্রিপুরা জেলার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মহকুমার শাহবাজপুরে ১৯২৯ সালের ১২ই সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আবদুল হামিদ এবং মাতা রহিমা খাতুন। তার স্ত্রী ডা এস কে রুহুল হাসিন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, আমার জীবনটা যে ট্র্যাজিক একাকিত্বের জীবন। জীবনটা ছোট ছোট খণ্ড খণ্ড ট্র্যাজেডিতে ভরা। তিনি বলেন, কোনো মানুষই নিজের জীবনকে নিয়ে পুরোপুরি সন্তুস্ট না, হওয়ার কথাও না। প্রত্যেকেরই যে আকাঙ্ক্ষা, সে আকাঙ্ক্ষার বাইরে তার জীবনযাপন। সে আকাঙ্ক্ষা কখনো পুরোপুরি পূর্ণ হয় না। আদর্শ বলেন, ব্যক্তিজীবন বলেন, সব ক্ষেত্রে কিন্তু এটা সত্য। সেই সত্যটাকে যদি আমরা মানি, দেখা যাবে কোনো মানুষই পরিপূর্ণভাবে সফল জীবন যাপন করে না। আপাতদৃষ্টে বাইরে থেকে দেখা গেলেও, আমি তো খুশি না। আমি মনে করি প্রত্যেকটা মানুষ একাকিত্বের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে, কমবেশি। আপনি নিজের দিকে তাকালে দেখবেন, আপনি সবার সঙ্গে আছেন, আবার নেই।[৪]
শিক্ষা
[সম্পাদনা]রফিক ১৯৪৭ সালে নড়াইল মহকুমা হাই স্কুল থেকে প্রবেশিকা পাশ করেন। পরে তিনি বিজ্ঞান শাখায় সরকারি হরগঙ্গা কলেজ, মুন্সীগঞ্জ থেকে ১৯৪৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৫৮ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্নাতক (এমবিবিএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। ডাক্তার হওয়া সত্ত্বেও তিনি সাহিত্যকর্মে মনোযোগ দেন।[৫] [৬]
ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ
[সম্পাদনা]সর্বশেষ গণউপস্থিতি
[সম্পাদনা]২০২৫ সালে মৃত্যুর আগে আহমদ রফিকের সর্বশেষ উপস্থিতি ছিল ২০২৪ এর ৫ই জুলাই। এ দিন রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার ২০২২’ প্রদান করা হয়। আজীবন সম্মাননা দেয়া হয় নবতিপর লেখক ও ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিককে। তিনি ছিলেন অসুস্থ ও প্রায় চলৎশক্তি রহিত। তখন তার বয়স ৯৫। অসুস্থ আহমদ রফিক স্বজনদের কাঁধে ভর করে অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। এ অনুষ্ঠানে স্বীয় অনুভূতি ব্যক্ত করে আহমদ রফিক বলেন, “যে কোনো পুরস্কার সবসময়ই ভালো কাজের প্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়। মনে হয়, আরও কিছুকাল বেঁচে থাকি, আরও কিছু কাজ করি। তবে আমার বড় দুর্ভাগ্য, এখন শরীরে অসুখ বেঁধেছে; চোখে ভালো দেখতে পাই না। কানেও ভালো শুনতে পারি না। আমার পক্ষে নতুন কিছু করা এখন অসম্ভব। তবু নতুন কিছু করার স্বপ্ন দেখি।” তিনি আজীবন সম্মাননা দেওয়ায় ব্র্যাক ব্যাংক ও সমকালকে ধন্যবাদ জানান।[৭]
মূল্যায়ন
[সম্পাদনা]২০১৮ সালে এক বক্তৃতায় আহমদ রফিকের কর্ম জীবন নিয়ে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছিলেন, চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়ন করে কেবল রাজনৈতিক কারণে চিকিৎসক হতে না পারলেও বিচিত্র বিষয়ে প্রয়োজনীয় লেখালেখির মধ্য দিয়ে আহমদ রফিক প্রতিনিয়ত সমাজের চিকিৎসা করে গেছেন। ভাষা আন্দোলন নিয়ে নির্মোহ গ্রন্থপ্রণয়ন, স্বাধীনতা আন্দোলনের তথ্যভিত্তিক গবেষণা, নজরুল, জীবনানন্দ, চে গুয়েভারা, বাংলাদেশের কবিতা-বিষয়ক অনন্য আলোচনা, শহীদ বুদ্ধিজীবী ও কালোত্তীর্ণ মানুষদের নিয়ে নিজস্ব মূল্যায়ন তাঁকে নতুন প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখবে।[৮] আফসান চৌধুরী বলেছেন, একটি মোহমুক্ত, ন্যায়-নীতিসম্পন্ন জীবন তিনি যাপন করে গেছেন। তিনি দীর্ঘায়ু পেয়েছিলেন। ৯৬ বছর কম নয়। বেশির ভাগ মানুষকে আমরা দেখি, দীর্ঘ সময়ে কারও কোনো স্খলন ঘটে যায়। আহমদ রফিকের ক্ষেত্রে তা ঘটেনি।[৯]
২০২৪ সালে ‘ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার ২০২২’ প্রদান করা হয়। এ অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল আজীবন সম্মাননা দেয়া হয় নবতিপর লেখক ও ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক।[১০]
বাংলা একাডেমি তার রচনা সমগ্র প্রকাশ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে ২০২২ সালে রচনাবলীর প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয়েছে। নিজ রচনাবলি হাতে পেয়ে আহমদ রফিক বলেন, মনটা ভরে গেল। বই বের হওয়া লেখকের জন্য খুব আনন্দের, খুব উপভোগের ব্যাপার। ১৯৫৮ সালে যখন আমার প্রথম বই বের হলো, কী ভালোটাই না লেগেছিল।[১১]
ব্যক্তিজীবন
[সম্পাদনা]১৯৫৬ সালে মিটফোর্ডের শিক্ষার্থী, এস কে রুহুল হাসিনকে বিয়ে করেন।[১২]
ঢাকা মেডিকেল কলেজে ও পরবর্তীতে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোবায়োলজির অধ্যাপক ছিলেন তিনি।
মৃত্যু
[সম্পাদনা]রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার কোনো আত্মীয়স্বজন ছিল না। মৃত্যুকালে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ সহকারী মো. রাসেল ও গাড়ি চালক মো. কালাম। বারডেম হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, মৃত ঘোষণা করার সাত মিনিট আগে তাঁর কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। তার মরদেহ বারডেম মর্চুয়ারীতে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ৪ অক্টোবর শনিবার সর্বজনের শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে আনা হয়। আহমদ রফিক তাঁর মরদেহ ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দান করে গেছেন।[১৩]
প্রকাশিত গ্রন্থ
[সম্পাদনা]কবিতা
[সম্পাদনা]- নির্বাসিত নায়ক (১৯৬৬);
- বাউল মাটিতে মন (১৯৭০);
- রক্তের নিসর্গে স্বদেশ (১৯৭৯);
- বিপ্লব ফেরারী, তবু (১৯৮৯);
- পড়ন্ত রোদ্দুরে (১৯৯৪);
- ঝবষবপঃবফ চড়বসং (১৯৯৪);
- শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৯৮);
- ভালোবাসা ভালো নেই (১৯৯৯);
- নির্বাচিত কবিতা (২০০১)
- মিশ্র অনুভূতির কবিতা (২০১৯)
- একগুচ্ছ রাজনৈতিক কবিতা (২০১৯)।[৫]
ছোটগল্প
[সম্পাদনা]- অনেক রঙের আকাশ (১৯৬৬)।[৫]
প্রবন্ধ-গবেষণা
[সম্পাদনা]- শিল্প সংস্কৃতি জীবন (১৯৫৮);
- নজরুল কাব্যে জীবনসাধনা (১৯৫৮);
- আরেক কালান্তর (১৯৭৭);
- বুদ্ধিজীবীর সংস্কৃতি (১৯৮৬);
- রবীন্দ্রনাথের রাষ্ট্রচিন্তা ও বাংলাদেশ (১৯৮৭);
- ছোটগল্প : পদ্মাপর্বের রবীন্দ্রগল্প (১৯৮৭);
- একুশের ইতিহাস আমাদের ইতিহাস (১৯৮৮);
- ভাষা আন্দোলন : ইতিহাস ও তাৎপর্য (১৯৯১);
- ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ও কিছু জিজ্ঞাসা (১৯৯৩); এ
- এই অস্থির সময় (১৯৯৬);
- জাতিসত্তার আত্মঅন্বেষা :
- বাঙালি বাংলাদেশ (১৯৯৭);
- রবীন্দ্রভুবনে পতিসর (১৯৯৮);
- বাঙলা বাঙালি আধুনিকতা ও নজরুল (১৯৯৯);
- বাংলাদেশ জাতীয়তা ও জাতিরাষ্ট্রের সমস্যা (২০০০);
- নির্বাচিত কলাম (২০০০);
- একাত্তরে পাকবর্বরতার সংবাদভাষা (২০০১);
- কবিতা, আধুনিকতা ও বাঙলাদেশের কবিতা (২০০১);
- প্রসঙ্গ : রহুমাত্রিক রবীন্দ্রনাথ (২০০২);
- রবীন্দ্রভাবনায় গ্রাম : কৃষি ও কৃষক (২০০২);
- ভাষা আন্দোলন : গ্রাম : কৃষি ও কৃষক (২০০২);
- নির্বাচিত প্রবন্ধ (২০০২)।[৫]
শিল্পকলা
[সম্পাদনা]- রবীন্দ্রনাথের চিত্রশিল্প (১৯৯৬)।[৫]
বিজ্ঞান
[সম্পাদনা]- কেমন আছেন (চিকিৎসা বিজ্ঞান, ১৯৮৭);
- আদিমানবের সন্ধানে (নৃতত্ব, ১৯৮৯);
- ঔষুধ, চিকিৎসাসেবা : বৈষম্যের শিকার সাধারণ মানুষ (১৯৯৫);
- ফিট থাকুন, দেহে মনে (২০০১);
- এই পৃথিবীতে মানুষ (১৯৯৯)।[৫]
অনুবাদ
[সম্পাদনা]- জীবন রহস্য (১৯৬৭);
- অণুর দেশে মানুষ (১৯৬৮);
- বিজ্ঞানের জয়যাত্রা (১৯৬৮)।[৫]
সম্পাদনা
[সম্পাদনা]- নাগরিক (ত্রৈমাসিক সাহিত্যপত্র, ১৯৬৩-১৯৭১);
- দ্য ইস্ট পাকিস্তান মেডিকেল জার্নাল (১৯৬০-৭০);
- দ্য মেডিকেল ডাইজেস্ট (১৯৬০-৭০);
- পরিভাষা (১৯৬৮-৭০);
- সুজনেষু (মিনি সাহিত্যপত্র, ১৯৭২-৭৬);
- বাংলা একাডেমীর চিকিৎসা বিজ্ঞান পরিভাষা কোষ (সংকলক ও তত্ত্বাবধায়ক সম্পাদক)।[৫]
পুরস্কার
[সম্পাদনা]- বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৭৯);
- অলক্ত সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯৫);
- একুশে পদক (১৯৯৫);
- রবীন্দ্রত্ত্বাচার্য উপাধি (টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউট), কলকাতা, (১৯৯৭)।[৫]
- রবীন্দ্র পুরস্কার
- প্রথম আলো বর্ষসেরা বই ১৪২০।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ bdnews24.com। "ভাষা সংগ্রামী আহমদ রফিকের জীবনাবসান"। ভাষা সংগ্রামী আহমদ রফিকের জীবনাবসান (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (২ অক্টোবর ২০২৫)। "ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক মারা গেছেন"। Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ "মুক্তচিন্তার পথিক: আহমদ রফিক"। দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ আমার জীবনটা ট্র্যাজেডিতে ভরা
- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ ও অন্যান্য সম্পাদিত; বাংলা একাডেমী লেখক অভিধান; বাংলা একাডেমী, ঢাকা; সেপ্টেম্বর, ২০০৮; পৃষ্ঠা- ৭৭
- ↑ "আমার জীবনে রাজনীতি ও সাহিত্য পাশাপাশি চলেছে আহমদ রফিক"। Dhaka,Bangladesh। সংগ্রহের তারিখ 22 Oct,2016।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ আহমদ রফিক পেলেন আজীবন সম্মাননা
- ↑ প্রয়োজন তাঁকে আগলে রাখা
- ↑ অতীতের সঙ্গে এক অমূল্য সেতুবন্ধন ছিন্ন হয়ে পড়ল
- ↑ আহমদ রফিক পেলেন আজীবন সম্মাননা
- ↑ জন্মদিনের সকালে আহমদ রফিকের হাতে নিজ রচনাবলি
- ↑ bdnews24.com (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। "সর্বস্তরে বাংলা কেন নেই? আহমদ রফিকের আক্ষেপ | bdnews24.com"।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ প্রতিনিধি, বিশেষ (৪ অক্টোবর ২০২৫)। "ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিককে বিনম্র শ্রদ্ধা, মরদেহ দান"। Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০২৫।
গ্রন্থসূত্র
[সম্পাদনা]- বাংলা একাডেমী লেখক অভিধান, ২০০৭, ঢাকা।
- ১৯২৯-এ জন্ম
- ২০২৫-এ মৃত্যু
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কবি
- প্রবন্ধ ও গবেষণায় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী
- বাংলাদেশী পুরুষ লেখক
- বাংলা ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী
- বাংলাদেশী পণ্ডিত
- ভাষা ও সাহিত্যে একুশে পদক বিজয়ী
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী
- সরকারি হরগঙ্গা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- একুশে পদক বিজয়ী