সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

সৃষ্টিকর্তা আছেন কি নেই এটি অনেক প্রাচীনকাল থেকেই একটি দার্শনিক বিতর্কের বিষয়  । যা বিভিন্ন সময়ে প্রতিটি  সভ্যতায়  যুক্তি ও  তর্কের মাধ্যমে  আলোচিত হয়ে এসেছে । [১]

সভ্যতার শুরু থেকেই সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব স্বীকারকারী আর অস্বীকারকারীদের এই বিতর্ক চলমান ।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এই বিতর্কটি শুরু হয়ে ছিলো প্রাচীন ব্রোঞ্জ যুগ থেকেই প্রাচীন গ্রিকদের মাঝে, যখন গ্রিক দার্শনিকরা এ ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে ছিল। প্রাচীন গ্রিক, মধ্যযুগীয় জাপানি ও নেটিভ আমেরিকানদের মাঝে বিতর্কটি তাদের দেবতার ধারণার মতোই পুরানো।

যুক্তিসমূহ[সম্পাদনা]

সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের পক্ষে ও বিপক্ষে অনেক ধরনের যুক্তি দেখান হয়ে থাকে । প্রাচীন কালে এই সকল যুক্তিগুলো দার্শনিক মতবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তা পদার্থ বিদ্যার  বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে এর পক্ষে ও বিপক্ষে  যুক্তি দেওয়া হয়ে থাকে । দার্শনিক মতবাদে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের পক্ষে বেশি যুক্তি থাকলেও  বর্তমান অনেক পদার্থ বিজ্ঞানী সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশ্বাসীদের মতে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব কেবল ভাবগত ভাবেই উপ্লব্ধি সম্ভব। একে বিজ্ঞন দিয়ে প্রমাণের চেষ্টা অমুলক ও ব্যর্থ। 

সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের পক্ষে ও বিপক্ষে এই সকল যুক্তিগুলোকে অধিবিদ্যা বা মেটাফিজিক্স, ব্যাবহারিক গবেষণা ও অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে হয়ে থাকে । দার্শনিক ভাবে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের বিষয়টি "জ্ঞানতত্ত্ব" (‘জ্ঞান কি’ এবং ‘কিভাবে এটি অর্জিত হতে পারে’ এধরণের আলোচনা) এবং "তত্ববিদ্যা" (স্বত্বার অস্তিত্বের প্রকৃতি সম্পর্কিত অধিবিদ্যার এক শাখা)  আলোচিত হয়ে থাকে । 

দার্শনিক মতবাদ[সম্পাদনা]

পশ্চিমা দার্শনিকদের মাঝে প্লেটো এবং অ্যারিস্টট্ল, প্রথম সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের পক্ষে যুক্তি প্রদান করেন যা মহাজাগতিক যুক্তি তর্কের বিষয় বলে ধরা হয়। ঈশ্বর এর অস্তিত্ব  আরো যে সকল তত্ব আছে তার মধ্যে সেন্ট আন্যাসেলেমরা প্রণয়ন, দেন সত্তাতাত্ত্বিক যুক্তিইবনে রুসদ তার "কালাম যুক্তির" মাধ্যমেও সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমাণ করতে চেষ্টা করেছেন 

বৈজ্ঞানিক মতবাদ[সম্পাদনা]

বিজ্ঞানীরা অনুসরণ করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যার মধ্যে তত্ত্ব যাচাইযোগ্য হতে হবে বাস্তবিক পরীক্ষা দ্বারা। এই ভিত্তিতে, সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব সংক্রান্ত, যার জন্য প্রমাণ করা যাবে না, পরীক্ষা "definitionally" মিথ্যা বাইরে আওতার আধুনিক বিজ্ঞান। খ্রিস্টানদের ক্যাথলিক মণ্ডলী বজায় রাখে যে জ্ঞান ঈশ্বরের অস্তিত্ব হয়, "প্রাকৃতিক আলো মানবিক কারণে"।[২] Fideists স্বীকার করেন যে বিশ্বাস ঈশ্বরের অস্তিত্ব হতে পারে না, এক্তিয়ারভুক্ত বিক্ষোভের বা অপ্রমাণ, কিন্তু উপর অবস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট বিশ্বাসের একা। নাস্তিকতার দেখেছে বিতর্কের জন্য সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব হিসেবে অপর্যাপ্ত, ভুল বা কম ওজনের তুলনায় যুক্তির বিরুদ্ধে। অন্যান্য ধর্ম যেমন বৌদ্ধ ধর্ম না, উদ্বেগের সঙ্গে নিজেদের দেবতা অস্তিত্ব সব সময়ে, যখন ধর্ম যেমন- জৈন ধর্ম সম্ভাবনা প্রত্যাখ্যান, একটি স্রষ্টা দেবতা

[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. See e.g.
  2. Catechism of the Catholic Church, Paragraph 47; cf.
  3. Barron, Robert (২০১১)। Catholicism: A Journey to the Heart of the Faith। The Doubleday Religious Publishing Group। আইএসবিএন 9780307720511