ঘানা জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
 ঘানা
শার্ট ব্যাজ/অ্যাসোসিয়েশন ক্রেস্ট
ডাকনাম দ্য ব্ল্যাক স্টারস (কালো তারা)
অ্যাসোসিয়েশন ঘানা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন
কনফেডারেশন সিএএফ (আফ্রিকা)
প্রধান কোচ মিলোভান রাজেভাক[১]
অধিনায়ক স্টেফান আপিয়াহ
সর্বাধিক খেলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড় আবেদি পেলে (৭৩)[২]
শীর্ষ গোলদাতা আবেদি পেলে (৩৩)
স্বাগতিক স্টেডিয়াম ওহেনে জান
ফিফা কোড GHA
ফিফা র‌্যাঙ্কিং ৩২
সর্বোচ্চ ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১৪ (ফেব্রুয়ারি, এপ্রিল, মে ২০০৮)
সর্বনিম্ন ফিফা র‌্যাঙ্কিং ৮৯ (জুন ২০০৪)
এলো রেটিং ৪২
সর্বোচ্চ এলো রেটিং ১৪ (৩০ জুন, ১৯৬৬)
সর্বনিম্ন এলো রেটিং ৯৭ (১৪ জুন, ২০০৪)
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
গোল্ড কোস্ট (ইংরেজ উপনিবেশ) গোল্ড কোস্ট ১-০  নাইজেরিয়া
(আক্কারা, গোল্ড কোস্ট; ২১ মে, ১৯৫০)
সর্বোচ্চ জয়
 কেনিয়া ০–১৩ ঘানা 
(লন্ডন, গ্রেট ব্রিটেন; ১২ ডিসেম্বর, ১৯৬৫)[৩]
সর্বোচ্চ পরাজয়
 বুলগেরিয়া ১০–০ Ghana 
(লিওন, মেক্সিকো; ২ অক্টোবর, ১৯৬৮)[৪][৫][৬]
বিশ্বকাপ
উপস্থিতি ২ (প্রথম ২০০৬)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল দ্বিতীয় পর্ব, ২০০৬
আফ্রিকান কাপ অব নেশন্স
উপস্থিতি ১৭ (প্রথম ১৯৬৩)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল বিজয়ী, ১৯৬৩, ১৯৬৫, ১৯৭৮, ১৯৮২

ঘানা জাতীয় ফুটবল দল হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ঘানার প্রতিনিধি। দলটি ডাকনাম ব্ল্যাক স্টারস বা ‘কালো তারা’ নামেও পরিচিত। দলটির নিয়ন্ত্রক সংস্থা ঘানা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। ১৯৫৭ সালে গ্রেট ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পূর্বে দেশটি গোল্ড কোস্ট নামে খেলায় অংশ নিতো।

২০০৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের আগে দলটি কোনো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেনি, কিন্তু দলটি পাঁচবার গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের মূল পর্বে অংশ নিয়েছে। সেখানেও জাতীয় দলগুলোর মাঝে প্রতিযোগিতা করেই দলটি অংশগ্রহণের যোগ্যতা লাভ করেছে। দলটি চারবার আফ্রিকান নেশন্স কাপ জয় করেছে।[৭] (১৯৬৩, ১৯৬৫, ১৯৭৮, ও ১৯৮২)। এই প্রতিযোগীতার আসরে ঘানাই দ্বিতীয় সফলতম দল। আফ্রিকান নেশন্স কাপের সর্বাধিক শিরোপাধারী দলটি হচ্ছে মিশর। ঘানা জাতীয় দলের অলিম্পিক দল ১৯৯২ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে পদক ব্রোঞ্জ পদক জয় করে।[৮] এটি কোনো আফ্রিকান দলের সর্বপ্রথম অলিম্পিকে কোনো পদক জয়ের ঘটনা।

২০০৫ সালে কোনো ম্যাচে না হারায়, ঘানা ফিফা কর্তৃক ঐ বছরের সবচেয়ে উন্নতি করা ফুটবল দলের স্বীকৃতি পায়।[৯] দলটি ২০০৬ সালের বিশ্বকাপের অংশ নেয়, এবং ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপেও তাঁরা খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Rajevac named new Ghana coach"। Ghana FA। ২০০৮-০৮-১২। সংগৃহীত ২০০৮-০৮-১২ 
  2. "All-Stars clash kick off in Bari"Meridian Cup। UEFA। ১ ফেব্রুয়ারি ২০০১। সংগৃহীত ২০০৭-০৪-০৬ 
  3. "Kenya International Matches"Kenya International Matches। RSSSF। ১ ফেব্রুয়ারি ২০০০। সংগৃহীত ২০০৭-০৪-১০ 
  4. "BLACK METEORS HUMILIATED 8–2 BY BRAZIL"Ghanaian News Runner। newsrunner.com। ৩ এপ্রিল ১৯৯৬। আসল থেকে ২০০৭-০৬-২৪-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২০০৭-০২-০১ 
  5. "1996 INTERCONTINENTAL MATCHES"Author: Neil Morrison। srcf.ucam.org। ১ ফেব্রুয়ারি ২০০১। আসল থেকে ২০০৮-০৬-০২-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২০০১-০২-০১ 
  6. "Team news"The Independent। ১৯৯৬-০৩-৩০। সংগৃহীত ২০০৯-১২-০৭ 
  7. "African Football: The early years"bbc.co.uk। ২০০৪-০১-১৬। সংগৃহীত ২০০৪-০১-১৬ 
  8. Since 1992, squads for Football at the Summer Olympics have been restricted to three players over the age of 23. The achievements of such teams are not usually included in the statistics of the international team.
  9. Unbeaten Ghana

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]