দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দক্ষিণ আফ্রিকা
দলের লোগো
ডাকনামবাফানা বাফানা
অ্যাসোসিয়েশনদক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন
কনফেডারেশনক্যাফ (আফ্রিকা)
প্রধান কোচমোলেফি এনৎসেকি
অধিনায়কথুলানি লাৎশোয়ায়ো
সর্বাধিক ম্যাচঅ্যারন মোকুয়েনা (১০৭)
শীর্ষ গোলদাতাবেনি ম্যাককার্থি (৩১)
মাঠবিভিন্ন
ফিফা কোডRSA
ওয়েবসাইটwww.safa.net
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
তৃতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ৭৩ অপরিবর্তিত (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১)[১]
সর্বোচ্চ১৬ (আগস্ট ১৯৯৬)
সর্বনিম্ন১২৪ (ডিসেম্বর ১৯৯২)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ৭৬ হ্রাস(১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১)[২]
সর্বোচ্চ২১ (সেপ্টেম্বর ১৯৯৬[৩])
সর্বনিম্ন৯৪ (মে ২০০৬)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 আর্জেন্টিনা ০–১ দক্ষিণ আফ্রিকা 
(বুয়েনোস আইরেস, আর্জেন্টিনা; ৯ জুলাই ১৯০৬)[৪]
বৃহত্তম জয়
 অস্ট্রেলিয়া ০–৮ দক্ষিণ আফ্রিকা 
(অ্যাডিলেড, অস্ট্রেলিয়া; ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৫৫)[৫]
বৃহত্তম পরাজয়
 দক্ষিণ আফ্রিকা ০–৫ ব্রাজিল 
(জোহানসবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা; ৫ মার্চ ২০১৪)
বিশ্বকাপ
অংশগ্রহণ৩ (১৯৯৮-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যগ্রুপ পর্ব (১৯৯৮, ২০০২, ২০১০)
আফ্রিকান কাপ অফ নেশন্স
অংশগ্রহণ১০ (১৯৯৬-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যচ্যাম্পিয়ন (১৯৯৬)
কনকাকাফ গোল্ড কাপ
অংশগ্রহণ১ (২০০৫-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যকোয়ার্টার-ফাইনাল (২০০৫)
কনফেডারেশন্স কাপ
অংশগ্রহণ২ (১৯৯৭-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যচতুর্থ স্থান (১৯৯৭)

দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় ফুটবল দল (ইংরেজি: South Africa national football team) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯৯২ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং একই সাল হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের সদস্য হিসেবে রয়েছে। ১৯০৬ সালের ৯ই জুলাই তারিখে, দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; আর্জেন্টিনার বুয়েনোস আইরেসে অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা আর্জেন্টিনাকে কাছে ১–০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে।

বাফানা বাফানা নামে পরিচিত এই দলটি বেশ কয়েকটি স্টেডিয়ামে তাদের হোম ম্যাচগুলো আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী জোহানসবার্গে অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন মোলেফি এনৎসেকি এবং অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন অরল্যান্ডো পাইরেটসের রক্ষণভাগের খেলোয়াড় থুলানি লাৎশোয়ায়ো

দক্ষিণ আফ্রিকা এপর্যন্ত ৩ বার ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে প্রত্যেকবার (১৯৯৮, ২০০২ এবং ২০১০) তারা শুধুমাত্র গ্রুপ পর্বে অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকান কাপ অফ নেশন্সে দক্ষিণ আফ্রিকা অন্যতম সফল দল, যেখানে তারা ১টি (১৯৯৬) শিরোপা জয়লাভ করেছে। এছাড়াও, দক্ষিণ আফ্রিকা ২ বার ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে ২০০৯ সালে তারা চতুর্থ স্থান অর্জন করেছিল; যেখানে তারা স্পেনের কাছে অতিরিক্ত সময়ে ৩–২ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল।

অ্যারন মোকুয়েনা, সিফিউই শাবালালা, ইতুমেলেং খুনে, বেনি ম্যাককার্থি এবং কাতলেগো এমফেলার মতো খেলোয়াড়গণ দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।

র‌্যাঙ্কিং[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে, ১৯৯৬ সালের আগস্ট মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থান (১৬তম) অর্জন করে এবং ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা ১২৪তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ২১তম (যা তারা ১৯৯৬ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ৯৪। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ অনুযায়ী ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং[১]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
৭১ হ্রাস  মন্টিনিগ্রো ১৩৫২.৮৩
৭২ হ্রাস  ইরাক ১৩৪৮.৮৩
৭৩ অপরিবর্তিত  দক্ষিণ আফ্রিকা ১৩৪৮.৬
৭৪ হ্রাস  উত্তর মেসিডোনিয়া ১৩৪৫.৪৭
৭৫ হ্রাস  চীন ১৩৩৪.৫২
বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ অনুযায়ী বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং[২]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
৭৪ বৃদ্ধি ১০  এল সালভাদোর ১৫৩৪
৭৫ হ্রাস ১৫  জ্যামাইকা ১৫৩৩
৭৬ হ্রাস  দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫৩০
৭৭ হ্রাস  হাইতি ১৫২৭
৭৮ বৃদ্ধি  ওমান ১৫১৫

প্রতিযোগিতামূলক তথ্য[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
সাল পর্ব অবস্থান ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো
উরুগুয়ে ১৯৩০ অংশগ্রহণ করেনি অংশগ্রহণ করেনি
ইতালি ১৯৩৪
ফ্রান্স ১৯৩৮
ব্রাজিল ১৯৫০
সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪
সুইডেন ১৯৫৮
চিলি ১৯৬২
ইংল্যান্ড ১৯৬৬ অন্তর্ভুক্ত হয়নি অন্তর্ভুক্ত হয়নি
মেক্সিকো ১৯৭০ নিষিদ্ধ নিষিদ্ধ
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪
আর্জেন্টিনা ১৯৭৮
স্পেন ১৯৮২
মেক্সিকো ১৯৮৬
ইতালি ১৯৯০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪ উত্তীর্ণ হয়নি
ফ্রান্স ১৯৯৮ গ্রুপ পর্ব ২৪তম ১১
দক্ষিণ কোরিয়া জাপান ২০০২ গ্রুপ পর্ব ১৭তম ১৩
জার্মানি ২০০৬ উত্তীর্ণ হয়নি ১০ ১২ ১৪
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০ গ্রুপ পর্ব ২০তম আয়োজক হিসেবে উত্তীর্ণ
ব্রাজিল ২০১৪ উত্তীর্ণ হয়নি ১২
রাশিয়া ২০১৮ ১১ ১১
কাতার ২০২২ অনির্ধারিত অনির্ধারিত
মোট গ্রুপ পর্ব ৩/২১ ১১ ১৬ ৪৪ ২৬ ১১ ৬১ ৪০

অর্জন[সম্পাদনা]

শিরোপা[সম্পাদনা]

  • চ্যাম্পিয়ন (১): ১৯৯৭

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ফিফা/কোকা-কোলা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং"ফিফা। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  2. গত এক বছরে এলো রেটিং পরিবর্তন "বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং"eloratings.net। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  3. The Elo ratings website উইকিউইক্সে আর্কাইভকৃত ২৩ জুলাই ২০১১ তারিখে lists 21 as the highest reached position, though after 23 (too few?) matches between 1947 and 1955, almost all with Australia and New Zealand, it had reached 9th place.
  4. "Argentina v South Africa, 09 July 1906"। International Football History and Statistics। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৯ 
  5. "All Bafana Bafana Matches" (PDF)। South Africa FA। ৫ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]