ইথিওপিয়া জাতীয় ফুটবল দল
| ডাকনাম | ওয়ালিয়া ইবেক্স | ||
|---|---|---|---|
| অ্যাসোসিয়েশন | ইথিওপিয় ফুটবল ফেডারেশন | ||
| কনফেডারেশন | ক্যাফ (আফ্রিকা) | ||
| প্রধান কোচ | উবেতু আবাতে | ||
| অধিনায়ক | শিমেলিস বেকেলে | ||
| সর্বাধিক ম্যাচ | শিমেলিস বেকেলে (৫৭) | ||
| শীর্ষ গোলদাতা | গেতানেহ কেবেদে (২৭) | ||
| মাঠ | আদ্দিস আবাবা স্টেডিয়াম | ||
| ফিফা কোড | ETH | ||
| ওয়েবসাইট | theeff | ||
| |||
| ফিফা র্যাঙ্কিং | |||
| বর্তমান | ১৪৩ | ||
| সর্বোচ্চ | ৮৬ (সেপ্টেম্বর ২০০৬[২]) | ||
| সর্বনিম্ন | ১৫৫ (ডিসেম্বর ২০০১[২]) | ||
| এলো র্যাঙ্কিং | |||
| বর্তমান | ১৪১ | ||
| সর্বোচ্চ | ৪০ (জানুয়ারি ১৯৬৮[৪]) | ||
| সর্বনিম্ন | ১৪৬ (সেপ্টেম্বর ২০১৯[৪]) | ||
| প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা | |||
(ফরাসি সোমালিল্যান্ড; ৫ ডিসেম্বর ১৯৪৭)[৪] | |||
| বৃহত্তম জয় | |||
(ইথিওপিয়া; ১ মে ১৯৫৪)[৪] | |||
| বৃহত্তম পরাজয় | |||
(ইর্বিদ, জর্ডান; ১৮ আগস্ট ১৯৯২) | |||
| আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্স | |||
| অংশগ্রহণ | ১০ (১৯৫৭-এ প্রথম) | ||
| সেরা সাফল্য | চ্যাম্পিয়ন (১৯৬২) | ||
ইথিওপিয়া জাতীয় ফুটবল দল (ইংরেজি: Ethiopia national football team) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ইথিওপিয়ার প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম ইথিওপিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইথিওপিয় ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯৫২ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং ১৯৫৭ সাল হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের সদস্য হিসেবে রয়েছে।[৫] ১৯৪৭ সালের ৫ই ডিসেম্বর তারিখে, ইথিওপিয়া প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; ফরাসি সোমালিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে ইথিওপিয়া ফরাসি সোমালিল্যান্ডকে ৫–০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে।
২৪,০০০ ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট আদ্দিস আবাবা স্টেডিয়ামে ওয়ালিয়া ইবেক্স নামে পরিচিত এই দলটি তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন উবেতু আবাতে এবং অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন মিস্র লিলমাকাসসাহের মধ্যমাঠের খেলোয়াড় শিমেলিস বেকেলে।
ইথিওপিয়া এপর্যন্ত একবারও ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। অন্যদিকে, আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্সে ইথিওপিয়া অন্যতম সফল দল, যেখানে তারা ১টি (১৯৬২) শিরোপা জয়লাভ করেছে।
আনোয়ার সিরাজ, দেগু দেবেবে, আদানে গির্মা, শিমেলিস বেকেলে এবং গেতানেহ কেবেদের মতো খেলোয়াড়গণ ইথিওপিয়ার জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।
র্যাঙ্কিং
[সম্পাদনা]ফিফা বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে, ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত র্যাঙ্কিংয়ে ইথিওপিয়া তাদের ইতিহাসে সর্বপ্রথম সর্বোচ্চ অবস্থান (১ম) অর্জন করে এবং ২০১৩ সালের জুন মাসে প্রকাশিত র্যাঙ্কিংয়ে তারা ২২তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে ইথিওপিয়ার সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ১ম (যা তারা সর্বপ্রথম ১৯৫৮ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ২০। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:
- ফিফা বিশ্ব র্যাঙ্কিং
| অবস্থান | পরিবর্তন | দল | পয়েন্ট |
|---|---|---|---|
| ১৪১ | ১০৭৮.৬৫ | ||
| ১৪২ | ১০৭৮.০১ | ||
| ১৪৩ | ১০৭৭.৫২ | ||
| ১৪৪ | ১০৭৬.৫ | ||
| ১৪৫ | ১০৬৫.২৪ |
- বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং
| অবস্থান | পরিবর্তন | দল | পয়েন্ট |
|---|---|---|---|
| ১৩৯ | ১২৮৮ | ||
| ১৩৯ | ১২৮৮ | ||
| ১৪১ | ১২৮৭ | ||
| ১৪২ | ১২৮৬ | ||
| ১৪৩ | ১২৮৫ | ||
| ১৪৩ | ১২৮৫ |
প্রতিযোগিতামূলক তথ্য
[সম্পাদনা]ফিফা বিশ্বকাপ
[সম্পাদনা]| ফিফা বিশ্বকাপ | বাছাইপর্ব | ||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| সাল | পর্ব | অবস্থান | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | |
| অংশগ্রহণ করেনি | অংশগ্রহণ করেনি | ||||||||||||||
| ফিফা দ্বারা প্রবেশাধিকার প্রত্যাখ্যান | ফিফা দ্বারা প্রবেশাধিকার প্রত্যাখ্যান | ||||||||||||||
| উত্তীর্ণ হয়নি | ২ | ০ | ০ | ২ | ২ | ৪ | |||||||||
| অংশগ্রহণ করেনি | অংশগ্রহণ করেনি | ||||||||||||||
| উত্তীর্ণ হয়নি | ৪ | ১ | ১ | ২ | ৭ | ৭ | |||||||||
| ৫ | ১ | ৩ | ২ | ৬ | ৫ | ||||||||||
| ২ | ০ | ০ | ২ | ১ | ৫ | ||||||||||
| ২ | ০ | ১ | ১ | ০ | ৪ | ||||||||||
| ২ | ০ | ১ | ১ | ৪ | ৫ | ||||||||||
| অংশগ্রহণ করেনি | অংশগ্রহণ করেনি | ||||||||||||||
| উত্তীর্ণ হয়নি | ৬ | ১ | ১ | ৪ | ৩ | ১১ | |||||||||
| অংশগ্রহণ করেনি | অংশগ্রহণ করেনি | ||||||||||||||
| উত্তীর্ণ হয়নি | ২ | ১ | ০ | ১ | ২ | ৪ | |||||||||
| ২ | ০ | ১ | ১ | ১ | ৩ | ||||||||||
| নিষিদ্ধের কারণে অযোগ্য ঘোষিত | অযোগ্য ঘোষিত | ||||||||||||||
| উত্তীর্ণ হয়নি | ১০ | ৫ | ২ | ৩ | ১৪ | ১০ | |||||||||
| ৪ | ১ | ০ | ৩ | ৭ | ৭ | ||||||||||
| অনির্ধারিত | অনির্ধারিত | ||||||||||||||
| মোট | ০/২১ | ৪১ | ১০ | ১০ | ২২ | ৪৭ | ৬৫ | ||||||||
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "ফিফা/কোকা-কোলা বিশ্ব র্যাঙ্কিং"। ফিফা। ২৫ জুলাই ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০২৬।
- 1 2 "The FIFA/Coca-Cola World Ranking"। FIFA.com (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০১৮।
- 1 2 গত এক বছরে এলো রেটিং পরিবর্তন "বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং"। eloratings.net। ২৫ জুলাই ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০২৬।
- 1 2 3 4 "Ethiopia"। World Football Elo Ratings। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০১৪।
- ↑ "Ethiopia Football Federation Information"। FIFA। ২২ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০১৩।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- দাপ্তরিক ওয়েবসাইট
(ইংরেজি) - ফিফা-এ ইথিওপিয়া জাতীয় ফুটবল দল ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২২ জুলাই ২০১১ তারিখে (ইংরেজি)
- ক্যাফ-এ ইথিওপিয়া জাতীয় ফুটবল দল (ইংরেজি)
- ↑ অতিরিক্ত সময়ের পর ফাইনাল ম্যাচটি মূলত সেনেগালের ১–০ গোলে জয় দিয়ে শেষ হয়েছিল। ২০২৬ সালের ১৭ই মার্চ, সিএএফ আপিল বোর্ড রায় দেয় যে, রেফারির একটি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সাময়িকভাবে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে মাঠ ছেড়ে যাওয়ার কারণে সেনেগাল ম্যাচটি বর্জন করেছে।[১] প্রতিযোগিতা বিধিমালার ৮২ ও ৮৪ নং ধারা অনুসারে, ফাইনালটি মরক্কোর পক্ষে ৩–০ গোলের জয় হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যার ফলে তাদেরকে পূর্ববর্তী তারিখ থেকে ২০২৫ আফ্রিকা কাপ অফ নেশনস চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং সেনেগালের শিরোপা কেড়ে নেওয়া হয়।[২]
<ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="টীকা"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি
- ↑ "Morocco awarded Afcon title after CAF overturns result"। BBC Sport। ১৭ মার্চ ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "CAF Appeal Board Media Statement"। Confederation of African Football। ১৭ মার্চ ২০২৬। ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মার্চ ২০২৬।