উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
২০১০ ফিফা বিশ্বকাপের বি গ্রুপের খেলা হবে ১২ থেকে ২২ জুন, ২০১০ পর্যন্ত।[ ১] এই গ্রুপে প্রতিদ্বন্দীতাকারী দলগুলো হচ্ছে আর্জেন্টিনা , নাইজেরিয়া , দক্ষিণ কোরিয়া , এবং গ্রিস ।
১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা, নাইজেরিয়া, ও গ্রিস, বুলগেরিয়ার সাথে একসাথে ডি গ্রুপে ছিলো। সেইবার নাইজেরিয়া, বুলগেরিয়া, ও আর্জেন্টিনা দ্বিতীয় পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিলো। দ্বিতীয় পর্বে নাইজেরিয়া ২-১ গোলে ইতালির কাছে ও আর্জেন্টিনা রোমানিয়ার কাছে ৩-২ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়। বুলগেরিয়া সর্বোচ্চ সেমিফাইনাল পর্যন্ত যেতে পেরেছিলো।
গ্রুপ বি-এর চ্যাম্পিয়ন দল গ্রুপ এ -এর রানার্স-আপ দলের সাথে দ্বিতীয় পর্বে খেলবে। সেই সাথে এই গ্রুপের রানার্স-আপ দল খেলবে এ গ্রুপের গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের সাথে। নিচে এই গ্রুপের পরিসংখ্যান টেবিল উল্লেখ করা হলো:
এই গ্রুপে মোট ছয়টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেগুলা হলো:
দক্ষিণ কোরিয়া বনাম গ্রিস
আর্জেন্টিনা বনাম নাইজেরিয়া
আর্জেন্টিনা বনাম দক্ষিণ কোরিয়া
গ্রিস বনাম নাইজেরিয়া
নাইজেরিয়া বনাম দক্ষিণ কোরিয়া
গ্রিস বনাম আর্জেন্টিনা
(সকল সময় দক্ষিণ আফ্রিকার আঞ্চলিক সময় (ইউটিসি +২) অনুসারে দেওয়া হয়েছে।)
সহকারী রেফারি:
চতুর্থ রেফারি:
আর্জেন্টিনা বনাম দক্ষিণ কোরিয়া[ সম্পাদনা ]
ম্যান অফ দ্য ম্যাচ:
গঞ্জালো হিগুয়েইন (আর্জেন্টিনা)
সহকারী রেফারি:
পিটার হারম্যানস (বেলজিয়াম)[ ৩]
ওয়াল্টার ভ্রোম্যানস (বেলজিয়াম)[ ৩]
চতুর্থ রেফারি:
পঞ্চম রেফারি:
নাইজেরিয়া বনাম দক্ষিণ কোরিয়া[ সম্পাদনা ]
গোলরক্ষক – GK বা Goalkeeper
সুইপার বা লিবেরো – SW বা Sweeper
রক্ষণভাগের খেলোয়াড় (কেন্দ্রীয়) – CB বা Center Back
রক্ষণভাগের খেলোয়াড় (পার্শ্বীয়) – FB বা Full Back
রক্ষণভাগের খেলোয়াড় (ডান পার্শ্বীয়) – RB বা Right Back
রক্ষণভাগের খেলোয়াড় (বাম পার্শ্বীয়) – LB বা Left Back
মধ্যমাঠের খেলোয়াড় – MF বা Midfielder
মধ্যমাঠের খেলোয়াড় (রক্ষণাত্মক) – DF বা Defensive Midfielder
আক্রমণাত্মক রক্ষণভাগের খেলোয়াড় – WB বা Wing Back
আক্রমণাত্মক রক্ষণভাগের খেলোয়াড় (ডান পার্শ্বীয়) – RWB বা Right Wing Back
আক্রমণাত্মক রক্ষণভাগের খেলোয়াড় (বাম পার্শ্বীয়) – LWB বা Left Wing Back
মধ্যমাঠের খেলোয়াড় (কেন্দ্রীয়) – CM বা Center Midfielder
মধ্যমাঠের খেলোয়াড় (ডান পার্শ্বীয়) – RM বা Right Midfield
মধ্যমাঠের খেলোয়াড় (বাম পার্শ্বীয়) – LM বা Left Midfield
মধ্যমাঠের খেলোয়াড় (আক্রমণাত্মক) – AM বা Attacking Midfielder
আক্রমণভাগের খেলোয়াড় – FW বা Forward বা Striker বা Winger
আক্রমণভাগের খেলোয়াড় (মাধ্যমিক) – SS বা Secondary Striker
আক্রমণভাগের খেলোয়াড় (ডান পার্শ্বীয়) – RW বা RS বা RF
আক্রমণভাগের খেলোয়াড় (কেন্দ্রীয়) – CF বা Center Forward
আক্রমণভাগের খেলোয়াড় (বাম পার্শ্বীয়) – LW বা LS বা LF