আমিনুল ইসলাম (মুফাসসির)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শায়খুত তাফসীর

আমিনুল ইসলাম
মাওলানা আমিনুল ইসলাম.jpg
১৯৯৩ সালে আমিনুল ইসলাম
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম(১৯৩২-০৪-১৩)১৩ এপ্রিল ১৯৩২
বাঘমারা, বরুড়া, কুমিল্লা
মৃত্যু১৯ নভেম্বর ২০০৭(2007-11-19) (বয়স ৭৫)
অ্যাপোলো হাসপাতাল, ঢাকা
জাতীয়তা
সন্তান৩ ছেলে ও ৫ মেয়ে
প্রাক্তন শিক্ষার্থী
ব্যক্তিগত
পিতামাতা
  • মুহাম্মদ আলী মিয়া (পিতা)
  • আনোয়ারুন্নেছা (মাতা)
আখ্যাসুন্নি
ব্যবহারশাস্ত্রহানাফি
আন্দোলনদেওবন্দি
প্রধান আগ্রহতাফসীর, লেখালেখি
শিক্ষক
আত্মীয়আজিজুল হক (দুলাভাই)
ঊর্ধ্বতন পদ
এর শিষ্য
সাহিত্যকর্ম

আমিনুল ইসলাম (১৩ এপ্রিল ১৯৩২ — ১৯ নভেম্বর ২০০৭) ছিলেন একজন বাংলাদেশি ইসলামি পণ্ডিত, মুফাসসির, লেখক ও বাগ্মী। তার রচিত তাফসীরে নূরুল কুরআন বাংলা ভাষার প্রথম পূর্ণাঙ্গ তাফসীর গ্রন্থ। এছাড়াও তার প্রায় অর্ধশত মৌলিক ও অনুবাদ গ্রন্থ রয়েছে। তার মধ্যে আশরাফ আলী থানভীর যে ফুলের খুশবুতে সারা জাহান মাতোয়ারা গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ অন্যতম। তিনি লালবাগ শাহী মসজিদের খতিব ছিলেন। ইসলামি বক্তা হিসেবে তিনি দেশ-বিদেশে জনপ্রিয় ছিলেন। শিক্ষাজীবনের শুরুতে তিনি জামিয়া হোসাইনিয়া আশরাফুল উলুম, বড় কাটরা মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেন। পরবর্তীতে জাফর আহমদ উসমানির পরামর্শে তিনি নোয়াখালী ইসলামিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় লেখাপড়া শেষ করেন। আধ্যাত্মিকতায় তিনি দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম কারী মুহাম্মদ তৈয়বমুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জীর শিষ্য ছিলেন।

প্রারম্ভিক জীবন ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

আমিনুল ইসলাম ১৯৩২ সালের ১৩ এপ্রিল কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানার অন্তর্গত বাঘমারা গ্রামের মিয়া বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মুহাম্মদ আলী মিয়া ও মাতা আনোয়ারুন্নেছা। ৭ ভাই বোনের মাঝে তিনি পঞ্চম। তার পিতা একজন দানবীর আলেম ছিলেন যিনি কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানাধীন রহমতগঞ্জ গ্রামে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে একাধারে ৬০ বছর ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা পালন করেন।[২]

নিজ গৃহে মায়ের কাছে তার লেখাপড়ার হাতেখড়ি হয়। তারপর তিনি পিতার প্রতিষ্ঠিত রহমতগঞ্জ মাদ্রাসার মুহতামিম আব্দুর রহমানের নিকট ইলমে কেরাত এবং স্থানীয় রহমতগঞ্জ মাদ্রাসা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে তিনি জামিয়া হোসাইনিয়া আশরাফুল উলুম, বড় কাটরা মাদ্রাসায় ভর্তি হন। এই মাদ্রাসায় তিনি ৩ বছর লেখাপড়া করেন। পরবর্তীতে ঢাকায় তার মুরুব্বি জাফর আহমদ উসমানির নিকট মিশকাতুল মাসাবীহ’র শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন। উসমানির পরামর্শক্রমে তিনি নোয়াখালী ইসলামিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন। তিনি এ মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষা দিয়ে মেধা তালিকায় নবম স্থান এবং ফাজিল পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ অর্জন করেন এবং সেই সাথে তিনি সরকারি স্কলারশীপও লাভ করেন। নোয়াখালী ইসলামিয়া মাদ্রাসা থেকে ফাযিল পাস করে ১৯৫৫ সালে তিনি সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকার কামিলে ভর্তি হন। আমীমুল ইহসান তখন ঢাকা আলিয়ার হেড মাওলানা ছিলেন। তার কাছেই তিনি সহীহ বুখারী পড়েন। ঢাকা আলিয়া থেকে কামিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে তিনি সারাদেশে মেধা তালিকায় ৫ম স্থান অধিকার করেন। এরপর সরকারের পক্ষ থেকে তাকে দুবছরের জন্য হাদিস শাস্ত্রের একটি বিশেষ গবেষণায় ‘রিসার্চ স্কলারশীপ’ প্রদান করা হয়। ২ বছর তিনি ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক আব্দুস সাত্তারের তত্ত্বাবধানে উক্ত গবেষণার কাজ সমাপ্ত করেন এবং আরবি ভাষায় রচিত গবেষণাকর্মটি তার কাছে দাখিল করেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল ইমাম আত-তাহাবী তার ‘শরহে মাআনিল আছার’ গ্রন্থে যে সকল হাদিস সংকলন করেছেন, সে গুলো সিহাহ সিত্তাহ’র কোন গ্রন্থে কোথায় রয়েছে তা খুঁজে বের করে সূত্র লিপিবদ্ধ করা। তার এ গবেষণাকর্মটি বিদ্বান মহলে সমাদৃত হয়।[৩]

শৈশবে তিনি পিতার কাছ থেকে আধ্যাত্মিক শিক্ষা গ্রহণ শুরু করেন। পিতার সঙ্গে তিনি যাহেরি জিকিরে অভ্যস্ত হন। তার পিতা তদানীন্তন ব্রিটিশ-ভারতের পীর ফজলে রহমান গঞ্জে মুরাদাবাদীর ছেলে ও খলিফা আহমদ মিয়ার মুরিদ ছিলেন। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৯৫৮ থেকে ১৯৬০ পর্যন্ত একাধারে ২ বছর তিনি চট্টগ্রামে সৈয়দ আবদুল করিম মাদানির সান্নিধ্যে অতিবাহিত করেন। তৃতীয় পর্যায়ে ১৯৬৪ সালে দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম কারী মুহাম্মদ তৈয়ব তাকে চিশতীয়া তরীকায় বায়আত করেন। এভাবে তিনি কাদেরিয়া তরীকার পাশাপাশি চিশতীয়া তরীকার সবকও অব্যাহত রাখেন। সবশেষে তিনি মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জীর নিকট বায়আত হন।[৪][৫]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্বে তার সিমেন্টের ব্যবসা ছিল। তখন তিনি একটি জুট মিলেরও মালিক ছিলেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি এসব ব্যবসা গুটিয়ে পুস্তক প্রকাশনার দিকে মনোযোগী হন। আল বালাগ পাবলিকেশন্স, গাওসিয়া পাবলিকেশন্স ও আন নূর পাবলিকেশনস নামে তার তিনটি পুস্তক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ছিল। যেগুলো থেকে প্রাপ্ত অর্থে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে জীবিকা নির্বাহ করতে পারতেন।

তিনি ১৯৬৩ – ১৯৭০ পর্যন্ত ঢাকার চুড়িহাট্টা জামে মসজিদের খতীবের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৪ সালে লালবাগ শাহী মসজিদ কমিটির অনুরোধে তিনি ঢাকার লালবাগ শাহী মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং আমৃত্যু এ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মসজিদে নববীতে একদিন মাগরিবের নামাজে ইমামতি করেছিলেন।

তার জীবনের একটি বিরাট অংশ ওয়াজ মাহফিলে কেটেছে। ১৯৫০’র দশক থেকে ঢাকা রেডিও সেন্টারে ও ১৯৬২ সালে আইয়ুব খান কর্তৃক ঢাকা টেলিভিশন কেন্দ্রের উদ্বোধনের পর থেকে টিভির ঢাকা কেন্দ্রে কুরআনের তাফসীর পেশ করেছেন। ১৯৬০ সালের শেষের দিকে তৎকালীন ঢাকা রেডিও সেন্টার কর্তৃপক্ষ তাকে কবি ইকবাল দর্শনের উপর ধারাবাহিক কথিকা পেশ করার জন্য মনোনীত করেন। রেডিওর এ অনুষ্ঠানটি প্রতি বুধবার রাত দশটায় প্রচারিত হত।২ বছর নিয়মিত ভাবে তিনি এ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। এছাড়াও রেডিওর দৈনন্দিন ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও তিনি নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন। ১৯৫৪ থেকে তিনি ঢাকা বেতার কেন্দ্রে ‘কুরআনে হাকিম ও আমাদের জিন্দেগী’ শিরোনামে কুরআনের তাফসীর পেশ করেছেন, যা বর্তমানে ‘পথ ও পাথেয়’ শিরোনামে প্রচারিত হচ্ছে। ১৯৯৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের সময় দীর্ঘ ৪৩ বছর ধরে রেডিও থেকে তার প্রোগ্রাম প্রচারিত হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে সেখানকার মুসলমানগণ তাকে দক্ষিণ আফ্রিকার ‘নেদাউল ইসলাম’ রেডিও চ্যানেলে বক্তব্য রাখার জন্য অনুরোধ করলে তিনি ২০ মিনিট ইংরেজি ভাষায় ইসলামের মূল শিক্ষার উপর ঐ চ্যানেলে আলোচনা করেন।

তিনি ১৯৫৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকার নবাববাড়ী ইসলামিয়া মাদ্রাসা কমিটির অনুরোধে উক্ত মাদ্রাসা কমিটির সেক্রেটারির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার দায়িত্ব গ্রহণকালীন সময়ে এই মাদ্রাসায় প্রাথমিক কিতাব সমূহ পড়ানো হত। কিন্তু অতি অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি এ মাদ্রাসাটিকে দাওরায়ে হাদীস পর্যায়ে উন্নীত করেন। তিনি এ মাদ্রাসায় তাফসির আল জালালাইন ও তাফসীরে বায়যাবী পড়াতেন। ১৯৭০ পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি অনেকগুলো সামাজিক ও সেবাধর্মী সংস্থার সাথে ওৎপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। তিনি একাধারে ১৪ বছর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের বোর্ড অব গর্ভনসের সদস্য ছিলেন। এছাড়াও তিনি জাতীয় যাকাত বোর্ড, জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু ও ফার্সি বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত কমিটি, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একাডেমিক কাউন্সিল সিলেকশন কমিটি, তাফসীরে তাবারী সম্পাদনা পরিষদ, বোখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ বঙ্গানুবাদ সম্পাদনা কমিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

তিনি ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ সরকারের প্রেরিত উলামা প্রতিনিধি দলের নেতা হিসাবে ইন্দোনেশিয়ামালয়েশিয়া সফর করেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও প্রেসিডেন্ট হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ তাকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পদ গ্রহণ করতে অনুরোধ করলে তিনি তাদের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।

প্রকাশনা[সম্পাদনা]

তিনি সেপ্টেম্বর, ১৯৮১ থেকে মাসিক আল বালাগ পত্রিকার সম্পাদনা শুরু করেন। তার রচিত তাফসীরে নুরুল কুরআন সেপ্টেম্বর, ১৯৮১ থেকে আল বালাগ পত্রিকায় প্রকাশিত হতে থাকে এবং ১৯৯৮ এ পত্রিকাতেই এই তাফসীরের সর্বশেষ অংশ ছাপা হয়।তাফসীর সহ তার মৌলিক রচনা ও বঙ্গানুবাদ গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় অর্ধশত। তার মধ্যে রয়েছে:[৬]

  1. তারীখে ইসলাম (২ খণ্ড)
  2. যে ফুলের খুশবুতে সারা জাহান মাতোয়ারা
  3. আল মিনহাজুস ছাবী ফী হাল্লিল বায়যাবী
  4. হাজীদের সাথী
  5. জীবন ও কুরআন
  6. বিশ্ব সভ্যতায় পবিত্র কুরআনের অবদান
  7. বিশ্ব সভ্যতায় মহানবী (সা.) এর অবদান
  8. যুগ সমস্যার সমাধানে পবিত্র কুরআন
  9. এনায়েতুল কুরআন
  10. পবিত্র কুরআনের দর্পণে মানব জীবন
  11. মহান রাষ্ট্র নায়ক হযরত রসূলে করিম (স.)
  12. দরুদ শরীফের ফজিলত ও মাহাত্ম
  13. স্বপ্ন জগতে প্রিয়নবী (স.)
  14. হযরত গওসুল আজমের অমর বাণী
  15. আউলিয়ায়ে কেরামের জীবন ধারা
  16. ইমাম বোখারী (র.)
  17. পবিত্র কুরআনের মর্মকথা
  18. মানব মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় মহানবী (স.)
  19. হযরত রাবেয়া বসরী (স.)
  20. মুসলমানের কর্তব্য
  21. ইসলামী অর্থনীতির রূপরেখা
  22. পবিত্র কোরআনের আলোকে চন্দ্রে অবতরণ
  23. দুই ঈদ
  24. হাদিস শরীফের আলো
  25. সাহাবা চরিত
  26. আজাদী আন্দোলনে আলেম সমাজের অবদান
  27. ইমাম হোসাইন (রা.)
  28. নূরে নবী (স.) ইত্যাদি

সম্মাননা ও মৃত্যু[সম্পাদনা]

তার মৌলিক রচনাবলীর জন্য ১৯৮৯ সালে তিনি ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশ বাংলাদেশ পুরস্কার’ পান। ১৯৯২ সালে তার ধর্মীয় অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ মিশরের কায়রোস্থ আন্তর্জাতিক সম্মলনে তিনি ‘প্রেসিডেন্ট স্বর্ণপদক (ফাস্টগ্রেড)’ লাভ করেন। ইরানের রাজধানী তেহরানে ২০০০ সালে অনুষ্ঠিত মাসব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে তার রচিত ‘তাফসীরে নূরুল কুরআন’ গ্রন্থটি প্রদর্শিত হয়।

২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর তিনি অ্যাপোলো হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

উদ্ধৃতি[সম্পাদনা]

  1. মাহজাবীন, আয়েশা (১৯ নভেম্বর ২০১৬)। "মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম রহ."দৈনিক ইনকিলাব 
  2. মাহমুদুল হাসান, মুহাম্মদ (২০০৩)। হযরত মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম: জীবন ও সাধনা। বাংলাবাজার, ঢাকা: আন নূর পাবলিকেশন্স। পৃষ্ঠা ১৭–১৯। 
  3. মাহমুদুল হাসান ২০০৩, পৃ. ২০–২১।
  4. মাহমুদুল হাসান ২০০৩, পৃ. ৩।
  5. আব্দুল হালিম, মোহাম্মদ (২০১৩)। কিছু কথা কিছু স্মৃতি। ঢাকা: আল নূর পাবলিকেশন্স। পৃষ্ঠা ৩। 
  6. আজাদ, আবুল কালাম (২০১৩)। বাংলা ভাষায় তাফসীর চর্চা : বিশেষত তফসীরে নূরুল কোরআনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পৃষ্ঠা ২৫৩–২৫৭। 

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]