পুঠিয়া উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ২৪°১৩′ উত্তর ৮৮°৩১′ পূর্ব / ২৪.২২° উত্তর ৮৮.৫১° পূর্ব / 24.22; 88.51

পুঠিয়া উপজেলা
BD Districts LOC bn.svg
Red pog.svg
পুঠিয়া উপজেলা
বিভাগ
 - জেলা
রাজশাহী বিভাগ
 - রাজশাহী জেলা
স্থানাঙ্ক ২৪°১৩′ উত্তর ৮৮°৩১′ পূর্ব / ২৪.২২° উত্তর ৮৮.৫১° পূর্ব / 24.22; 88.51
আয়তন ১৯২.৬৪ বর্গকিমি
সময় স্থান বিএসটি (ইউটিসি+৬)
জনসংখ্যা (২০১১)
 - ঘনত্ব
 - শিক্ষার হার
২,০৭,৪৯০ জন[১]
 - ১০৭৭ বর্গকিমি
 - ৪৬.৯০%
ওয়েবসাইট: উপজেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট

পুঠিয়া বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত রাজশাহী জেলার একটি উপজেলা হল।

অবস্থান[সম্পাদনা]

রাজশাহী শহর থেকে পুঠিয়ার দুরত্ব মাত্র ৩২ কিলোমিটার।প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন জনপদের অংশ পুঠিয়ার জনবসতি হাজার বছরের ঐতিহ্য বহন করছে। হাজার বছরের ইতিহাসের গতিধারা নির্ণয়কারী অসংখ্য নিদর্শন সমৃদ্ধ পুঠিয়া উপজেলার বর্তমান আয়তন ৪৭,৬০২ বর্গ কিলোমিটার। এই জেলার দক্ষিণে চারঘাট ও বাঘা উপজেলা, পশ্চিমে দূর্গাপুর উপজেলা ও রাজশাহী শহর, পূর্বে নাটোর এবং উত্তরে বাগমারা উপজেলা।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

পুঠিয়ার নামকরনঃ

পুঠিয়া রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা হয়েছিল সম্রাট আকবরের আমলে। বৎসরাচার্য নামে এক ঋষিপুরুষ বাদশাহী সূত্রে লাভ করেন পুঠিয়া রাজ্যের জমিদারি। যিনি পুঠিয়া রাজবংশের আদি রাজা নামে পরিচিত। তারও পূর্বে বরেন্দ্র অঞ্চলের অন্তর্গত এ উপজেলা পুঠিমাড়ীর বিল নামে পরিচিত ছিল মর্মে জানা যায়। এ থেকে এ উপজেলার নাম পুঠিয়া হয়েছে। আবার স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে আলাপে জানা যায় যে, পুঠিয়া রাজাদের এক আশ্রিতা ছিল তার নাম ছিল পুঠিবিবি। তিনি রুপে গুণে বুদ্ধিমতি এবং অতিশয় ধার্মিক ছিলেন। যাহা বলতেন তাহাই ঠিক ঠিক ফলে যেত। নীলকুঠিদের সাথে যুদ্ধে যাওয়ার আগে বলেছিলেন জয় হবে সত্যিই জয় হয়েছিল। তখন পুঠিয়া রাজবংশের রাজাগণ বললেন তুমি কি চাও, যাহা চাইবে তাহাই পাইবে। তখন পুঠিবিবি বলেছিল আমাকে এমন কিছু দেওয়া হোক যা এলাকার মানুষ যুগ যুগ ধরে স্মরণ করবে। তখন পুঠিয়া রাজবংশের রাজাগণ একমত হয়ে তার ইচ্ছা পূরণার্থে তারই নামানুসারে এই এলাকার নাম রাখেন পুঠিয়া। যা পরবর্তীতে পুঠিয়া উপজেলা হিসাবে নামকরণ হয়।[২]

অন্য এক জনশ্রুতিতে আছে যে বর্তমান পুঁঠিয়া রাজ বাড়ী সংলগ্ন এবং পাঁচ আনি খেলার মাঠের পশ্চিমে স্যাম সাগর। এই স্যাম সাগর পুঠিয়া রাজ বাড়ী প্রতিষ্ঠার পূর্বে একটি বিল ছিল। বিলটির নাম ছিল পুঠি মারীর বিল। বিশাল জলাশয়। রাজা পীতম্বর এর সময় পুঁঠিয়া রাজ বাড়ীর সৌর্ন্দয্য বৃদ্ধির জন্য এই জলাশয় কে পুকুরে রুপান্তর করা হয়। যে পুকুর এখন স্যাম সাগর নামে পরিচিত। অনেকের ধারণা এই স্যাম সাগরের পূর্বের নাম পুঠি মারীর বিল থেকেই বর্তমান পুঠিয়া নামের নামকরন । একটি বিষয় পরিষ্কার যে পুঁঠিয়া নামকরনের কোন ইতিহাস রাজশাহীর প্রাচীন পাবলিক লাইব্রেরী গুলিতে ও পাওয়া যায় নি। রাজশাহী নামকরন রাজশাহী প্রাচীন ইতিহাসে থাকলেও পুঠিয়া নামকরনের ইতিহাস পুঠিয়ার রাজ বংশের ইতিহাসে নাই। এখন সম্মানিত পাঠক মণ্ডলীই বেছে নিবেন উপরে বর্নিত কোন জনশ্রুতিটি পুঠিয়া নামকরনের জন্য গ্রহণ যোগ্য জনশ্রুতি। পুঠিয়া নাম পূর্ব থেকে জারী না থাকলে পুঠিয়া রাজ বংশের নাম পুঠিয়া রাজ বংশ না হয়ে অন্য নাম হতে পারতো। পুঠিয়া নাম পূর্ব থেকে জারী না থাকলে চর্তুদ্দশ খৃষ্টাব্দের শেষ অথবা পঞ্চদশ খৃষ্টাব্দের প্রথমেই পুঠিয়া নামে রাজধানী গঠন হত না। [৩]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে পুঠিয়া"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৪ 
  2. http://www.dcrajshahi.gov.bd/index.php?opxion=com_content&view=article&id=151&Itemid=161&option=com_content
  3. http://www.amarputhia.com/puthia/?s=8&pageid=1#start