ইউরোপ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এই নিবন্ধটি মহাদেশ সম্পর্কিত। রাজনৈতিক ইউনিয়ন জন্য, দেখুন ইইউ
ইউরোপ
Europe orthographic Caucasus Urals boundary.svg
আয়তন ১,০১,৮০,০০০ কিমি (৩৯,৩০,০০০ মা)[n]
জনসংখ্যা ৭৪২,৪৫২,০০০[n] (২০১৩, ৩য়)
জনঘনত্ব ৭২.৯/কিমি (প্রায় ১৮৮/বর্গ মাইল)
অধিবাসীদের নাম ইউরোপীয়
দেশসমূহ ৫০টি (এবং ৬টি আংশিকভাবে স্বীকৃত) (দেশসমূহের তালিকা)
ভাষাসমূহ ভাষাসমূহের তালিকা
সময় অঞ্চলসমূহ ইউটিসি থেকে ইউটিসি+৬
ইন্টারনেট টিএলডি .eu (ইউরোপীয় ইউনিয়ন)
বৃহত্তম শহরসমূহ

ইউরোপ (শুনুনi/ˈjʊərəp/ বা /ˈjɜrəp/[৩]) একটি মহাদেশ যা বৃহত্তর ইউরেশিয়া মহাদেশীয় ভূখণ্ডের পশ্চিমের উপদ্বীপটি নিয়ে গঠিত। সাধারণভাবে ইউরালককেসাস পর্বতমালা, ইউরাল নদী, কাস্পিয়ান এবং কৃষ্ণ সাগর-এর জলবিভাজিকা এবং কৃষ্ণএজিয়ান সাগর সংযোগকারী জলপথ ইউরোপকে এশিয়া মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে।[৪]

ইউরোপের উত্তরে উত্তর মহাসাগর, পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্বে কৃষ্ণ সাগর ও সংযুক্ত জলপথ রয়েছে। যদিও ইউরোপের সীমানার ধারণা ধ্রুপদী সভ্যতায় পাওয়া যায়, তা বিধিবহির্ভূত; যেহেতু প্রাথমিকভাবে ভূ-প্রাকৃতিক শব্দ "মহাদেশ"-এ সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক উপাদান অন্তর্ভুক্ত।

ইউরোপ ভূপৃষ্ঠের দ্বারা বিশ্বের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম মহাদেশ; ১,০১,৮০,০০০ বর্গকিলোমিটার (৩৯,৩০,০০০ মা) বা ভূপৃষ্ঠের ২% এবং তার স্থলভাগের ৬.৮% জুড়ে রয়েছে। ইউরোপের প্রায় ৫০টি দেশের মধ্যে, রাশিয়া মহাদেশের মোট আয়তনের ৪০% ভাগ নিয়ে এ পর্যন্ত আয়তন এবং জনসংখ্যা উভয়দিক থেকেই বৃহত্তম (যদিও দেশটির ভূভাগ ইউরোপ এবং এশিয়া উভয় অঞ্চলে আছে), অন্যদিকে ভ্যাটিকান সিটি আয়তনে ক্ষুদ্রতম। ৭৩৯–৭৪৩ মিলিয়ন জনসংখ্যা বা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১১% নিয়ে ইউরোপ এশিয়া এবং আফ্রিকার তৃতীয় সবচেয়ে জনবহুল মহাদেশ।[৫] সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মুদ্রা ইউরো

ইউরোপ, বিশেষ করে প্রাচীন গ্রিস, পাশ্চাত্য সংস্কৃতির জন্মস্থান।[৬] এটি ১৫ শতকের শুরু থেকে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে, বিশেষ করে উপনিবেশবাদ শুরু হবার পর থেকে। ১৬ থেকে ২০ শতকের মধ্যে, ইউরোপীয় দেশগুলির বিভিন্ন সময়ে আমেরিকা, অধিকাংশ আফ্রিকা, ওশেনিয়া, এবং অপ্রতিরোধ্যভাবে অধিকাংশ এশিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। শিল্প বিপ্লব, যা ১৮ শতকের শেষেভাগে গ্রেট ব্রিটেনে শুরু হয়, পশ্চিম ইউরোপ এবং অবশেষে বৃহত্তর বিশ্বে আমূল অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, এবং সামাজিক পরিবর্তন আনে। জনসংখ্যাতাত্ত্বিক বৃদ্ধি বোঝায়, ১৯০০ সাল দ্বারা, বিশ্বের জনসংখ্যায় ইউরোপের ভাগ ২৫% ছিল।[৭]

উভয় বিশ্বযুদ্ধ মূলত ইউরোপকে কেন্দ্র করে হয়, যার ফলে মধ্য ২০ শতকে বৈশ্বিক বিষয়াবলীতে পশ্চিম ইউরোপের আধিপত্যের অবসান ঘটে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের প্রাধান্য বিস্তার করে।[৮] স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে, ইউরোপ লৌহ পরদা বরাবর পশ্চিমে ন্যাটো ও পূর্বে ওয়ারশ চুক্তি দ্বারা বিভক্ত ছিল। কাউন্সিল অব ইউরোপ এবং পশ্চিম ইউরোপে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউরোপীয় একীকরণে ফলে গঠিত হয়, ১৯৮৯ সালের বিপ্লব ও ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে উভয় সংগঠন পূর্বদিকে বিস্তৃত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন আজকাল তার সদস্য দেশগুলোর উপর ক্রমবর্ধমান প্রভাব বিস্তার করছে। অনেক ইউরোপীয় দেশ নিজেদের মাঝে সীমানা এবং অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ বিলুপ্ত করে।

সংজ্ঞা[সম্পাদনা]

ইউরোপের ক্লিকযুক্ত মানচিত্র, সবচেয়ে সাধারণভাবে ব্যবহৃত মহাদেশীয় সীমানা দেখাচ্ছে[৯]
চাবি: নীল: পার্শ্ববর্তী আন্তর্মহাদেশীয় রাষ্ট্র; সবুজ: রাষ্ট্রগুলো ভৌগলিকভাবে ইউরোপে নয়, কিন্তু রাজনৈতিক দিক থেকে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত[১০]


হিরোডোটাসের বিশ্ব মানচিত্রের পুনর্গঠন
১৪৭২ সালের A medieval একটি মধ্যযুগীয় টি এবং ও মানচিত্র, নূহের পুত্রদের রাজ্য হিসেবে তিনটি মহাদেশ দেখাচ্ছে — সামের এশিয়া, ইয়াফিছের (য়েফতের) ইউরোপ, এবং হামের আফ্রিকা
মুন্সটার (১৫৭০) এর ইউরোপা রেজিনা মানচিত্র। ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ ও স্ক্যান্ডিনেভিয়া প্রপার ইউরোপের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

"ইউরোপ" শব্দটির ব্যবহার ইতিহাস জুড়ে ধীরে ধীরে বিকশিত হয়।[১১][১২] প্রাচীনকালে, গ্রিক ঐতিহাসিক হিরোডোটাস উল্লেখ করে যে, অজানা ব্যক্তি দ্বারা বিশ্বকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে, ইউরোপ, এশিয়া, এবং লিবিয়া (আফ্রিকা), নীল নদ এবং ফাসিস নদী তাদের সীমানা গঠন করে —যদিও তিনি আরোও উল্লেখ করেন যে, অনেকে ফাসিসের বদলে ডন নদীকে ইউরোপ ও এশিয়ার সীমানা হিসেবে মনে করে থাকে।[১৩] ১ম শতকের ভূগোলবিদ স্ট্রাবো দ্বারা ডন নদীতে ইউরোপের পূর্ব সীমান্ত বলে সংজ্ঞায়িত করা হয়।[১৪] জুবিলিয়ম বইয়ে বর্ণিত যে, নূহ জমি হিসেবে মহাদেশগুলো তাঁর তিন পুত্রকে দান করেন; ইউরোপ জিব্রাল্টার প্রণালীতে হারকিউলিসের স্তম্ভ পর্যন্ত প্রসারিত, উত্তর আফ্রিকা থেকে বিচ্ছিন্ন, ডনে এশিয়া থেকে পৃথক হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।[১৫]

ব্যুৎপত্তি[সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রাগৈতিহাসিক[সম্পাদনা]

ধ্রুপদী সভ্যতা[সম্পাদনা]

প্রারম্ভিক মধ্যযুগ[সম্পাদনা]

মধ্যযুগ[সম্পাদনা]

প্রারম্ভিক আধুনিক সময়[সম্পাদনা]

১৮ এবং ১৯ শতাব্দী[সম্পাদনা]

বিংশ শতাব্দী থেকে বর্তমান[সম্পাদনা]

ভূগোল[সম্পাদনা]

জলবায়ু[সম্পাদনা]

ভূতত্ত্ব[সম্পাদনা]

ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

জীববৈচিত্র্য[সম্পাদনা]

ইউরোপ এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে জীবভৌগলিক অঞ্চল

সহস্রাব্দ ধরে কৃষিজ মানুষের সাথে সাথে বসবাস করে, ইউরোপের প্রাণী ও উদ্ভিদ মানুষের উপস্থিতিও কার্যক্রম দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছে। ফেনোস্ক্যান্ডিয়া এবং উত্তর রাশিয়া, বিভিন্ন জাতীয় উদ্যান ছাড়া, বর্তমানে প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ইউরোপে কমই পাওয়া যায়।

ইউরোপে মিশ্র বন বেশি দেখতে পাওয়া যায়। এখানে বৃদ্ধির জন্য পরিবেশ খুব অনুকূল। উত্তরাঞ্চলে উপসাগরীয় প্রবাহ এবং উত্তর আটলান্টিক চালন মহাদেশকে উষ্ণ রাখে। দক্ষিণ ইউরোপকে একটি উষ্ণ, কিন্তু মৃদু জলবায়ু হিসাবে বর্ণনা করা যেতে পারে। এই অঞ্চলে প্রায়শই গ্রীষ্মকালে খরা হয়। এছাড়াও পর্বত ঢালের পরিবেশকে প্রভাবিত করে। কিছু পাহাড় (আল্পস, পাইরেনেস) পূর্ব-পশ্চিম ভিত্তিক এবং বায়ুকে মহাসাগর থেকে প্রচুর পানি অভ্যন্তর বহন করার সুযোগ করে দেয়। অন্যান্য গুলো (স্ক্যান্ডিনেভিয় পর্বতমালা, দিনারিদস, কার্পেথীয়, আপেন্নিস) দক্ষিণ-উত্তর ভিত্তিক এবং পাহাড়ে পড়া বৃষ্টি যেহেতু প্রাথমিকভাবে সমুদ্রের দিকে যায়, সেহেতু এই দিকে বনাঞ্চল ভালো হয়, আবার অপরদিকে পরিবেশ ততটা অনুকূল নয়। ইউরোপের মূল ভূখন্ডের প্রায়ই কোনো না কোনো সময়ে পশু পালিত হত, এবং প্রাক কৃষিজ কেটে ফেলায় মূল উদ্ভিদ ও প্রাণী বাস্তুতন্ত্র ব্যাহত হয়।

ইউরোপের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ সম্ভবত একসময় বন দ্বারা আবৃত ছিল।[১৬] এটা ভূমধ্যসাগর থেকে আর্কটিক মহাসাগর পর্যন্ত প্রসারিত। যদিও ইউরোপের মূল বনের অর্ধেক বন শতাব্দী ধরে চলা অরণ্যবিনাশ-এর মাধ্যমে উজাড় হয়, তারপরেও ইউরোপে মোট জমির এক চতুর্থাংশে উপর বন আছে। যেমন স্ক্যান্ডিনেভিয়ার এবং রাশিয়ার তৈগা, ককেশাসের মিশ্র অতিবৃষ্টি অরণ্য এবং পশ্চিম ভূমধ্যসাগরের কর্ক ওক বন। সাম্প্রতিক সময়ে, বন উজাড় ক্রমশ কমে এসেছে এবং অনেক গাছ রোপণ করা হয়েছে। যাইহোক, অনেক ক্ষেত্রে মূল মিশ্র প্রাকৃতিক বন প্রতিস্থাপনে কনিফারে রোপিত হচ্ছে, কারণ তা দ্রুত বাড়ে। বৃক্ষরোপন এখন সুবিশাল এলাকা বিস্তার করে, কিন্তু বিভিন্ন প্রজাতির পশু পাখীর জন্য তা উৎকৃষ্ট আবাসস্থল নয়, কারণ তাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা ও বৈচিত্র্যময় বন গঠন কাঠামো নেই। পশ্চিম ইউরোপে প্রাকৃতিক বনের পরিমাণ মাত্র ২–৩% বা তার কম, যা ইউরোপীয় রাশিয়ায় ৫–১০%। বনাঞ্চলে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম শতাংশের দেশ আইসল্যান্ড (১%), এবং বৃহত্তম ফিনল্যান্ড (৭৭%)।[১৭]

উলফগ্যাং ফ্রেই এবং রাইনার লসচ অনুযায়ী, ইউরোপ এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার ফ্লোরিস্টিক অঞ্চল
একদা ইউরেশিয়ার বড় নাতিশীতোষ্ণ বনাঞ্চলে বিচরণ করা ইউরোপীয় বাইসন এখন পোল্যান্ড এবং বেলারুশের সীমান্তের বিয়ালওেযা বনে বাস করে।[১৮][১৯]


রাজনৈতিক ভূগোল[সম্পাদনা]

  ইউরোপীয় দেশগুলো
  আন্তঃমহাদেশীয় রাজ্যের ইউরোপীয় অঞ্চল
আধুনিক রাজনৈতিক মানচিত্রে ইউরোপ এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চল
জাতিসংঘের পরিসংখ্যান বিভাগের দ্বারা ব্যবহৃত আঞ্চলিক গোষ্ঠী।[২০]
ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্টবুক অনুযায়ী আঞ্চলিক গোষ্ঠী
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং তার পদপ্রার্থী দেশ
ইউরোভোক (ইউরোপীয় ইউনিয়নের জ্ঞানভাণ্ডার) অনুযায়ী ইউরোপ:
নীল – উত্তর ইউরোপ
সবুজ – পশ্চিম ইউরোপ
লাল – মধ্য ও পূর্ব ইউরোপ
হলুদ – দক্ষিণ ইউরোপ
ধূসর – অঞ্চলসমূহ যা ইউরোপের অংশ বলে মনে হয় না
মানচিত্রে কাউন্সিল অব ইউরোপ-এর সদস্য জাতি নীলে এবং প্রতিষ্ঠাকালীন জাতি হলুদে দেখাচ্ছে
মানচিত্রে ইইউ-র ইউরোপীয় সদস্যপদ এবং ন্যাটো দেখাচ্ছে
সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ইউরোপের উপবিভাগ[২১][২২]

নীচের তালিকায় সমস্ত সত্তা বিভিন্ন সাধারণ সংজ্ঞা, এমনকি আংশিকভাবে পতিত, ভৌগলিক বা রাজনৈতিকভাবে ইউরোপে রয়েছে। প্রদর্শিত তথ্য সূত্র প্রতি ক্রস রেফারেন্সড নিবন্ধ অনুসারে।

পতাকা প্রতীক নাম আয়তন
(কিমি²)
জনসংখ্যা
জনসংখ্যার ঘনত্ব
(প্রতি কিমি²)
রাজধানী দাপ্তরিক ভাষায় নাম
আলবেনিয়া Coat of arms of Albania.svg আলবেনিয়া ২৮,৭৪৮ ২,৮৩১,৭৪১ ৯৮.৫ তিরানা Shqipëria
অ্যান্ডোরা Arms of Andorra.svg অ্যান্ডোরা ৪৬৮ ৬৮,৪০৩ ১৪৬.২ আন্দরা লা ভেলিয়া Andorra
আর্মেনিয়া Arms of Armenia.svg আর্মেনিয়া [j] ২৯,৮০০ ৩,২২৯,৯০০ ১০১ ইয়েরেভান Hayastan
অস্ট্রিয়া Austria coat of arms official.svg অস্ট্রিয়া ৮৩,৮৫৮ ৮,১৬৯,৯২৯ ৯৭.৪ ভিয়েনা Österreich
আজারবাইজান Coats of arms of None.svg আজারবাইজান [k] ৮৬,৬০০ ৯,১৬৫,০০০ ১০৫.৮ বাকু Azǝrbaycan
বেলারুশ Coats of arms of None.svg বেলারুশ ২০৭,৫৬০ ৯,৪৫৮,০০০ ৪৫.৬ মিন্‌স্ক Belarus
বেলজিয়াম Royal Arms of Belgium.svg বেলজিয়াম ৩০,৫২৮ ১১,০০৭,০০০ ৩৬০.৬ ব্রাসেল্‌স België/Belgique/Belgien
বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা Coat of arms of Bosnia and Herzegovina.svg বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৫১,১২৯ ৩,৮৪৩,১২৬ ৭৫.২ সারায়েভো Bosna i Hercegovina
বুলগেরিয়া Coat of arms of Bulgaria (version by constitution).svg বুলগেরিয়া ১১০,৯১০ ৭,৬২১,৩৩৭ ৬৮.৭ সফিয়া Bălgarija
ক্রোয়েশিয়া Croatian Chequy.svg ক্রোয়েশিয়া ৫৬,৫৪২ ৪,৪৩৭,৪৬০ ৭৭.৭ জাগরেব Hrvatska
সাইপ্রাস Lesser coat of arms of Cyprus.svg সাইপ্রাস [d] ৯,২৫১ ৭৮৮,৪৫৭ ৮৫ নিকোসিয়া Kýpros/Kıbrıs
চেক প্রজাতন্ত্র Small coat of arms of the Czech Republic.svg চেক প্রজাতন্ত্র ৭৮,৮৬৬ ১০,২৫৬,৭৬০ ১৩০.১ প্রাগ Česká republika
ডেনমার্ক National Coat of arms of Denmark no crown.svg ডেনমার্ক ৪৩,০৯৪ ৫,৫৬৪,২১৯ ১২৯ কোপেনহেগেন Danmark
ইস্তোনিয়া Small coat of arms of Estonia.svg ইস্তোনিয়া ৪৫,২২৬ ১,৩৪০,১৯৪ ২৯ তাল্লিন Eesti
ফিনল্যান্ড Coat of arms of Finland.svg ফিনল্যান্ড ৩৩৬,৫৯৩ ৫,১৫৭,৫৩৭ ১৫.৩ হেলসিঙ্কি Suomi/Finland
ফ্রান্স Arms of France (UN variant).svg ফ্রান্স [g] ৫৪৭,০৩০ ৬৩,১৮২,০০০ ১১৫.৫ প্যারিস France
জর্জিয়া (রাষ্ট্র) Arms of Georgia.svg জর্জিয়া [l] ৬৯,৭০০ ৪,৬৬১,৪৭৩ ৬৪ তিবি‌লিসি Sakartvelo
জার্মানি Coat of arms of Germany.svg জার্মানি ৩৫৭,০২১ ৮৩,২৫১,৮৫১ ২৩৩.২ বার্লিন Deutschland
গ্রিস Lesser coat of arms of Greece.svg গ্রিস ১৩১,৯৫৭ ১১,১২৩,০৩৪ ৮০.৭ অ্যাথেন্স Elláda
হাঙ্গেরি Arms of Hungary.svg হাঙ্গেরি ৯৩,০৩০ ১০,০৭৫,০৩৪ ১০৮.৩ বুদাপেস্ট Magyarország
আইসল্যান্ড Arms of Iceland.svg আইসল্যান্ড ১০৩,০০০ ৩০৭,২৬১ ২.৭ রেইকিয়াভিক Ísland
প্রজাতন্ত্রী আয়ারল্যান্ড Coat of arms of Ireland.svg আয়ারল্যান্ড ৭০,২৮০ ৪,২৩৪,৯২৫ ৬০.৩ ডাবলিন Éire/Ireland
ইতালি CoA Marina Mercantile.svg ইতালি ৩০১,২৩০ ৫৯,৫৩০,৪৬৪ ১৯৭.৭ রোম Italia
কাজাখস্তান Coats of arms of None.svg কাজাখস্তান [i] ২,৭২৪,৯০০ ১৫,২১৭,৭১১ ৫.৬ আস্তানা Qazaqstan/Kazahstan
লাতভিয়া Lesser coat of arms of Latvia (escutcheon).svg লাতভিয়া ৬৪,৫৮৯ ২,০৬৭,৯০০ ৩৪.২ রিগা Latvija
লিশটেনস্টাইন Lesser arms of Liechtenstein.svg লিশটেনস্টাইন ১৬০ ৩২,৮৪২ ২০৫.৩ ফাডুৎস Liechtenstein
লিথুয়ানিয়া Coat of arms of Lithuania.svg লিথুয়ানিয়া ৬৫,২০০ ২,৯৮৮,৪০০ ৪৫.৮ ভিলনিউস Lietuva
লুক্সেমবুর্গ Arms of the Counts of Luxembourg.svg লুক্সেমবুর্গ ২,৫৮৬ ৪৪৮,৫৬৯ ১৭৩.৫ লুক্সেমবুর্গ Lëtzebuerg/Luxemburg/Luxembourg
ম্যাসেডোনিয়া প্রজাতন্ত্র Coats of arms of None.svg ম্যাসেডোনিয়া ২৫,৭১৩ ২,০৫৪,৮০০ ৮১.১ স্কপইয়ে Makedonija
মাল্টা Arms of Malta.svg মাল্টা ৩১৬ ৩৯৭,৪৯৯ ১,২৫৭.৯ ভাল্লেত্তা Malta
মলদোভা Arms of Moldova.svg মলদোভা [a] ৩৩,৮৪৩ ৪,৪৩৪,৫৪৭ ১৩১.০ কিশিনেভ Moldova
মোনাকো Coat of arms of Grimaldi.svg মোনাকো ১.৯৫ ৩১,৯৮৭ ১৬,৪০৩.৬ মোনাকো Monaco
মন্টিনিগ্রো Arms of Montenegro.svg মন্টিনিগ্রো ১৩,৮১২ ৬১৬,২৫৮ ৪৪.৬ পোডগোরিকা Crna Gora
নেদারল্যান্ডস Arms of the Kingdom of the Netherlands.svg নেদারল্যান্ডস [h] ৪১,৫২৬ ১৬,৯০২,১০৩ ৩৯৩.০ আমস্টারডাম Nederland
নরওয়ে Arms of Norway.svg নরওয়ে ৩৮৫,১৭৮ ৫,০১৮,৮৩৬ ১৫.৫ অসলো Norge/Noreg
পোল্যান্ড Herb Polski.svg পোল্যান্ড ৩১২,৬৮৫ ৩৮,৬২৫,৪৭৮ ১২৩.৫ ওয়ার্সা Polska
পর্তুগাল Portuguese shield.svg পর্তুগাল [e] ৯১,৫৬৮ ১০,৪০৯,৯৯৫ ১১০.১ লিসবন Portugal
রোমানিয়া Coat of arms of Romania.svg রোমানিয়া ২৩৮,৩৯১ ২১,৬৯৮,১৮১ ৯১.০ বুখারেস্ট România
রাশিয়া Coat of Arms of the Russian Federation.svg রাশিয়া [b] ১৭,০৭৫,৪০০ ১৪২,২০০,০০০ ৮.৩ মস্কো Rossiya
সান মারিনো Arms of San Marino.svg সান মারিনো ৬১ ২৭,৭৩০ ৪৫৪.৬ সান মারিনো San Marino
সার্বিয়া Arms of Serbia.svg সার্বিয়া [f] ৮৮,৩৬১ ৭,১২০,৬৬৬ ৯১.৯ বেলগ্রেড Srbija
স্লোভাকিয়া Coat of arms of Slovakia.svg স্লোভাকিয়া ৪৮,৮৪৫ ৫,৪২২,৩৬৬ ১১১.০ ব্রাতিস্লাভা Slovensko
স্লোভেনিয়া Coat of arms of Slovenia.svg স্লোভেনিয়া ২০,২৭৩ ২,০৫০,১৮৯ ১০১ লিউব্লিয়ানা Slovenija
স্পেন Arms of Spain.svg স্পেন ৫০৪,৮৫১ ৪৭,০৫৯,৫৩৩ ৯৩.২ মাদ্রিদ España
সুইডেন Armoiries Suède moderne.svg সুইডেন ৪৪৯,৯৬৪ ৯,০৯০,১১৩ ১৯.৭ স্টকহোম Sverige
সুইজারল্যান্ড Coat of Arms of Switzerland (Pantone).svg সুইজারল্যান্ড ৪১,২৯০ ৭,৫০৭,০০০ ১৭৬.৪ বের্ন Schweiz/Suisse/Svizzera/Svizra
তুরস্ক Emblem of the Republic of Turkey.svg তুরস্ক [m] ৭৮৩,৫৬২ ৭৫,৬২৭,৩৮৪ ৯৮ আঙ্কারা Türkiye
ইউক্রেন Lesser Coat of Arms of Ukraine.svg ইউক্রেন ৬০৩,৭০০ ৪৮,৩৯৬,৪৭০ ৮০.২ কিয়েভ Ukrajina
যুক্তরাজ্য Arms of the United Kingdom.svg যুক্তরাজ্য ২৪৪,৮২০ ৬১,১০০,৮৩৫ ২৪৪.২ লন্ডন United Kingdom
ভ্যাটিকান সিটি Coat of arms of the Vatican City.svg ভ্যাটিকান সিটি ০.৪৪ ৯০০ ২,০৪৫.৫ ভ্যাটিকান সিটি Città del Vaticano
মোট ১০,১৮০,০০০[n] ৭৪২,০০০,০০০[n] ৭০

নিচে উল্লিখিত রাষ্ট্রগুলো সীমাবদ্ধ বা শুন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দ্বারা কার্যত স্বাধীন দেশ। তাদের কেউ জাতিসংঘের সদস্য নয়ঃ

পতাকা প্রতীক Name আয়তন
(কিমি²)
জনসংখ্যা
(২০০২-এর ১ জুলাই আনু.)
জনসংখ্যার ঘনত্ব
(প্রতি কিমি²)
রাজধানী
আবখাজিয়া Coat of arms of Abkhazia.svg আবখাজিয়া [p] ৮,৪৩২ ২১৬,০০০ ২৯ সুখুমি
কসোভো Coat of arms of Kosovo.svg কসোভো [o] ১০,৮৮৭ ১,৮০৪,৮৩৮[২৩] ২২০ প্রিস্টিনা
নাগোর্নো-কারাবাখ প্রজাতন্ত্র Arms of Nagorno-Karabakh.svg নাগর্নো-কারাবাখ [q] ১১,৪৫৮ ১৩৮,৮০০ ১২ স্তেপানাকের্ট
উত্তর সাইপ্রাস Arms of the Turkish Republic of Northern Cyprus.svg উত্তর সাইপ্রাস [d] ৩,৩৫৫ ২৬৫,১০০ ৭৮ নিকোসিয়া
দক্ষিণ ওসেটিয়া N/A দক্ষিণ ওশেটিয়া [p] ৩,৯০০ ৭০,০০০ ১৮ স্খিনভালি
ত্রান্সনিস্ত্রিয়া N/A ট্রান্সনিস্ট্রিয়া [a] ৪,১৬৩ ৫৩৭,০০০ ১৩৩ তিরাস্পোল

বিস্তৃত স্বায়ত্তশাসন সহ বিভিন্ন ডিপেন্ডেন্সি এবং অনুরূপ ভূখন্ড ইউরোপে রয়েছে। উল্লেখ্য যে, এই তালিকায় যুক্তরাজ্যের সাংবিধানিক দেশগুলো, জার্মানি ও অস্ট্রিয়া যুক্তরাষ্ট্রীয় রাজ্য, এবং স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবংচ সোভিয়েত পরবর্তি প্রজাতন্ত্র ও সার্বিয়া প্রজাতন্ত্র অন্তর্ভুক্ত নয়।

পতাকা সহ ভূখন্ডের নাম আয়তন
(কিমি²)
জনসংখ্যা
(২০০২-এর ১ জুলাই আনু.)
জনসংখ্যার ঘনত্ব
(প্রতি কিমি²)
রাজধানী
 অলান্দ দ্বীপপুঞ্জ (ফিনল্যান্ড) ১৩,৫১৭ ২৬,০০৮ ১৬.৮ মারিহাম
 ফারো দ্বীপপুঞ্জ (ডেনমার্ক) ১,৩৯৯ ৪৬,০১১ ৩২.৯ তোরশাভ
 জিব্রাল্টার (ইউকে) ৫.৯ ২৭,৭১৪ ৪,৬৯৭.৩ জিব্রাল্টার
 গেনসি [c] (ইউকে) ৭৮ ৬৪,৫৮৭ ৮২৮.০ সেন্ট পিটার পোর্ট
 আইল অব ম্যান [c] (ইউকে) ৫৭২ ৭৩,৮৭৩ ১২৯.১ ডগলাস
 জার্সি [c] (ইউকে) ১১৬ ৮৯,৭৭৫ ৭৭৩.৯ সেইন্ট হেলিয়ার

একত্রীকরণ[সম্পাদনা]

Council of Europe Schengen Area European Free Trade Association European Economic Area Eurozone European Union European Union Customs Union Agreement with EU to mint euros GUAM Central European Free Trade Agreement Nordic Council Baltic Assembly Benelux Visegrad Group Common travel area Organization of the Black Sea Economic Cooperation Union State Switzerland Iceland Norway Liechtenstein Sweden Denmark Finland Poland Czech Republic Hungary Slovakia Greece Estonia Latvia Lithuania Belgium Netherlands Luxembourg Italy France Spain Austria Germany Portugal Slovenia Malta Cyprus Ireland United Kingdom Croatia Romania Bulgaria Turkey Monaco Andorra San Marino Vatican City Georgia Ukraine Azerbaijan Moldova Armenia Russia Belarus Serbia Albania Montenegro Macedonia Bosnia and Herzegovina Kosovo (UNMIK) Kazakhstan
একটি ক্লিকযোগ্য ইউলার ডায়াগ্রাম, বিভিন্ন বহুজাতিক ইউরোপীয় সংস্থা এবং চুক্তির মধ্যে সম্পর্ক দেখাচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং কমনওয়েলথভুক্ত স্বাধীন রাষ্ট্র

ইউরোপীয় একত্রীকরণ সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ইউরোপে দেশগুলোর রাজনৈতিক, আইনত, অর্থনৈতিক (এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক) একত্রীকরণের প্রক্রিয়া। বর্তমান দিনে, ইউরোপীয় একত্রীকরণ প্রাথমিকভাবে পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপ এবং মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের কমনওয়েলথভুক্ত স্বাধীন রাষ্ট্র এবং সাবেক সোভিয়েত অধিকাংশ দেশের মাঝে কাউন্সিল অব ইউরোপ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে মাধ্যমে।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

European and bordering nations by GDP (nominal) per capita in 2012

মহাদেশ হিসেবে, ইউরোপের অর্থনীতি বর্তমানে পৃথিবীর বৃহত্তম এবং ব্যবস্থাপনার অধীনে সম্পদ দ্বারা পরিমাপে $৩২.৭ ট্রিলিয়ন সহকারে ২০০৮ সালে এটি সবচেয়ে ধনী অঞ্চল, যা উত্তর আমেরিকার $২৭.১ ট্রিলিয়নের তুলনায় বেশি।[২৪] ২০০৯ সালেও ইউরোপ সবচেয়ে ধনী অঞ্চল ছিল। ব্যবস্থাপনার অধীনে এর $৩৭.১ ট্রিলিয়ন সম্পদ বিশ্বের মোট সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ প্রতিনিধিত্ব করে। এটা বিভিন্ন অঞ্চলে একটি যেথায় বছরের শেষ প্রাক-সংকট শিখর সম্পদ অতিক্রান্ত করে।[২৫] অন্যান্য মহাদেশের মত, ইউরোপেও দেশগুলোর মধ্যে সম্পদের বৃহৎ প্রকরণ আছে। ধনী দেশগুলো পশ্চিমে অবস্থিত; কিছু মধ্য ও পূর্ব ইউরোপীয় অর্থনীতিগুলো এখনও সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুগোস্লাভিয়ার পতন থেকে উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ২৮টি ইউরোপীয় দেশ নিয়ে গঠিত একটি আন্তঃসরকারি গোষ্ঠী, যা বিশ্বের বৃহত্তম একক অর্থনৈতিক এলাকা। ১৮টি ইইউ দেশ তাদের সাধারণ মুদ্রা হিসাবে ইউরো ব্যবহার করে। জিডিপিতে জাতীয় অর্থনীতি (পিপিপি) অনুসারে বিশ্বের বৃহত্তম জাতীয় অর্থনীতির শীর্ষ দশে পাঁচটি ইউরোপীয় দেশ রয়েছে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত (সিআইএ অনুসারে তালিকা): জার্মানি (৫), ইউকে (৬), রাশিয়া (৭), ফ্রান্স (৮), এবং ইতালি (১০)।[২৬]

আয়ের বিচারে ইউরোপের অনেক দেশের মধ্যে বিশাল বৈষম্য আছে। মাথাপিছু জিডিপির পরিপ্রেক্ষিতে সবচেয়ে ধনী মোনাকো তার মাথাপিছু জিডিপি মার্কিন $১৭২,৬৭৬ (২০০৯) এবং দরিদ্রতম মলদোভা তার মাথাপিছু জিডিপি মার্কিন $১,৬৩১ (২০১০)।[২৭] মোনাকো বিশ্ব ব্যাংক রিপোর্ট অনুযায়ী মাথাপিছু জিডিপি পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ।

প্রাক–১৯৪৫: শিল্পকৌশল বৃদ্ধি[সম্পাদনা]

সামন্তবাদের শেষ থেকে পুঁজিবাদ পশ্চিমা বিশ্বে আধিপত্য বিস্তার করেছে।[২৮] ব্রিটেন থেকে, এটি ধীরে ধীরে ইউরোপ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।[২৯] ১৮ শতকের শেষে শিল্প বিপ্লব ইউরোপে বিশেষ করে যুক্তরাজ্যে,[৩০] এবং ১৯ শতকে পশ্চিম ইউরোপে শিল্পায়ন শুরু হয়। অর্থনীতি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে তা পুনরুউদ্ধার হয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক শক্তি সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত ছিলো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে, আবারও, ইউরোপের শিল্প অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

১৯৪৫–১৯৯০: স্নায়ু যুদ্ধ[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি ধ্বংসাবস্থায় ছিল,[৩১] এবং পরবর্তি দশকগুলোতেও আপেক্ষিক অর্থনৈতিক পতন অব্যাহত থাকে।[৩২] ইতালিও একটি দরিদ্র অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যে ছিল কিন্তু ১৯৫০-এর দশকে তা উচ্চ স্তরের প্রবৃদ্ধির দ্বারা পুনরুদ্ধার করে। পশ্চিম জার্মানি দ্রুত উঠে দাঁড়ায় এবং ১৯৫০-এর দশকে যুদ্ধপূর্ব মাত্রা থেকে উৎপাদন দ্বিগুণ করে।[৩৩] ফ্রান্সও দ্রুত বৃদ্ধি এবং আধুনিকায়নের মাধ্যমে দারুণভাবে ফিরে আসে; পরে স্পেনে, ফ্রাঙ্কোর নেতৃত্বে উঠে আসে, তারা ১৯৬০-এর দশকে বিশাল অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নথিভুক্ত হয়, যাকে স্পেনীয় অলৌকিক ঘটনা বলা হয়।[৩৪] সংখ্যাগরিষ্ঠ মধ্য ও পূর্ব ইউরোপীয় রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে আসে এবং ফলে তারা পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহায়তা পরিষদ (COMECON)-এর সদস্য হয়।[৩৫]

১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন।

যে দেশগুলো মুক্ত বাজার ব্যবস্থা বজায় রাখে, তাদের মার্শাল পরিকল্পনার অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বৃহৎ পরিমাণ সাহায্য দেয়।[৩৬] পশ্চিমা দেশগুলো তাদের অর্থনীতির সংযোগ একত্রিত করে, যা ইইউ-র ভিত্তি প্রদান করে এবং সীমান্ত বাণিজ্য বৃদ্ধি করে। এটা দ্রুত অর্থনীতির উন্নতিতে সাহায্য করে, যখন কমকনের দেশগুলো সংগ্রাম করছিল, যা একটি বড় কারণ ছিলো স্নায়ু যুদ্ধের খরচ। ১৯৯০-এর আগ পর্যন্ত, ইউরোপীয় সম্প্রদায় ৬ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য থেকে ১২-তে প্রসারিত হয়। পশ্চিম জার্মানির অর্থনীতি পুনরুত্থিত হবার ফলে এটি যুক্তরাজ্যকে টপকে ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতি হিসাবে আবির্ভূত হয়।

১৯৯১–২০০৭: একত্রীকরণ ও পুনর্মিলন[সম্পাদনা]

১৯৯১ সালে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে কমিউনিজমের পতন দিয়ে পরবর্তি-সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মুক্ত বাজার সংস্কারের শুরু: পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, এবং স্লোভেনিয়া, যুক্তিসঙ্গতভাবে দ্রুত মানিয়ে নেয়, ইউক্রেন এবং রাশিয়ায় এই প্রক্রিয়াটি এখনও বিদ্যমান।

পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি ১৯৯০ সালে পুনরায় একত্রিত হবার পরে, পশ্চিম জার্মানির অর্থনীতি ধুঁকছিলো যেহেতু একে পূর্ব জার্মানিকে সহায়তা এবং অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ করতে হয়েছিল।

ইউরোস্ট্যাট অনুযায়ী ২০১০ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বেকারত্ব।

সহস্রাব্দের পরিবর্তনের সময়, ইইউ ইউরোপের অর্থনীতি আধিপত্য বিস্তার করে পাঁচটি বৃহত্তম ইউরোপীয় অর্থনীতির সমন্বয়ে গঠনের মাধ্যমে যেমন জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, ও স্পেন। ১৯৯৯ সালে, ইইউ-এর ১৫টি সদস্যের মধ্যে ১২টি সদস্য রাষ্ট্র ইউরোজোনে যোগদান করে, তাদের সাবেক জাতীয় মুদ্রা পরিবর্তন করে সাধারণ ইউরো গ্রহণ করার মাধ্যমে। ইউরোজোনের বাইরে থাকা বেছে নেওয়া তিনটি দেশ হলো: যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, এবং সুইডেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি।[৩৭]

২০০৮–২০১০: অর্থনৈতিক মন্দা[সম্পাদনা]

২০০৯-এর জানুয়ারীতে ইউরোস্ট্যাটের তথ্য প্রকাশ দ্বারা নিশ্চিত হয় যে, ২০০৮ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ইউরোজোন অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে পড়ে।[৩৮] অধিকাংশ অঞ্চলের এর প্রভাব পড়ে।[৩৯] ২০১০ সালের প্রথম দিকে, সার্বভৌম ঋণ সঙ্কটের ভয়[৪০] ইউরোপের কিছু দেশে, বিশেষ করে গ্রিস, আয়ারল্যান্ড, স্পেন, পর্তুগালে আক্রমণ করে।[৪১] এর ফলে, ইউরোজোনের নেতৃস্থানীয় দেশগুলো কিছু পদক্ষেপ, বিশেষ করে গ্রিসের জন্য গ্রহণ করা হয়।[৪২]

ইইউ-২৭ এর বেকারত্বের হার ২০১২ সালের এপ্রিলে ১০.৩% ছিল।[৪৩] সাম্প্রতিক বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকরা কাজ খুঁজে পায় না।[৪৪] ২০১২ সালের এপ্রিলে, ইইউ২৭-এ ১৫–২৪ বছর বয়সী মধ্যে বেকারত্বের হার ২২.৪% ছিল।[৪৩]

জনপরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

২০১০ সালে ইউরোপ জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং হ্রাস[৪৫]

রেনেসাঁস থেকে, ইউরোপ বিশ্বের সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও সামাজিক আন্দোলনে একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব রেখেছে। পশ্চিমা বিশ্বেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারগুলো উদ্ভাবিত হয়, বিশেষ করে ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।[৪৬][৪৭] প্রায় ৭০ মিলিয়ন (৭ কোটি) ইউরোপীয় ১৯১৪ থেকে ১৯৪৫-এর মধ্যে যুদ্ধ, সহিংসতা ও দুর্ভিক্ষে মারা যায়।[৪৮] ইউরোপীয় জনমিতি মধ্যে কিছু বর্তমান এবং অতীত বিষয়; ধর্মীয় প্রবাস, জাতি সম্পর্ক, অর্থনৈতিক অভিবাসন, নিম্নগামী জন্মহার এবং বার্ধক্যগ্রস্ত জনসংখ্যা অন্তর্ভুক্ত আছে।

কিছু দেশে, যেমন আয়ারল্যান্ড এবং পোল্যান্ডে গর্ভপাত করার সুযোগ সীমাবদ্ধ। এটা মাল্টায় অবৈধ। উপরন্তু, তিনটি ইউরোপীয় দেশ (নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, এবং সুইজারল্যান্ড) এবং আন্দালুসিয়ার স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশে (স্পেন)[৪৯][৫০] অসুস্থ মানুষের জন্য স্বেচ্ছায় যন্ত্রণাহীন মৃত্যুর সীমিত আকারে অনুমতি দেওয়া হয়।

উৎসবের সময় মোরাভিয়ান স্লোভাক পোশাক

২০০৫ সালে, ইউরোপে জনসংখ্যা জাতিসংঘের মতে ৭৩১ মিলিয়ন বলে অনুমান করা হয়েছিল[৫১], যা বিশ্বের জনসংখ্যার এক-নবমাংশে তুলনায় সামান্য বেশি। এক শতাব্দী আগে, ইউরোপ বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ ছিল।[৫২] ইউরোপের জনসংখ্যা গত শতাব্দীতে বেড়েছে, কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে (বিশেষ করে আফ্রিকা এবং এশিয়ায়) জনসংখ্যা অনেক দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।[৫১] মহাদেশগুলোর মধ্যে, ইউরোপে জনসংখ্যার ঘনত্ব অপেক্ষাকৃত উচ্চ, দ্বিতীয় অবস্থানে শুধুমাত্র এশিয়ার পরে। ইউরোপের (এবং বিশ্বের) সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ মোনাকো। প্যান ও ফেল (২০০৪) গণনা করে, ৮৭ স্বতন্ত্র "ইউরোপের জাতি", যার মাঝে ৩৩টি কমপক্ষে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী, অবশিষ্ট ৫৪টি জাতিগত সংখ্যালঘু।[৫৩] জাতিসংঘ জনসংখ্যা অভিক্ষেপ মতে, ইউরোপের জনসংখ্যা ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ৭% হতে পারে, অথবা ৬৫৩ মিলিয়ন মানুষ (মাঝারি বৈকল্পিক, ৫৫৬ থেকে ৭৭৭ মিলিয়ন কম এবং উচ্চ রূপের মধ্যে যথাক্রমে)।[৫১] এই প্রেক্ষাপটে উর্বরতা হার সম্পর্কিত বৈষম্য অঞ্চলগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে বিদ্যমান। শিশু জন্মদান জন্মদানে সক্ষম মহিলা প্রতি গড় শিশুর সংখ্যা ১.৫২।[৫৪] কিছু সূত্র মতে,[৫৫] এই হার ইউরোপের মুসলমানদের মধ্যে বেশী। জাতিসংঘ পূর্বানুমান মতে, দেশান্তর এবং নিম্ন জন্মহারের ফলে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের নিয়মিত জনসংখ্যা হ্রাস পাবে।[৫৬]

স্পেনে গ্যালিশিয় ব্যাগপাইপার বা গাইতেরস

আইওএম-এর রিপোর্ট অনুসারে, বিশ্বব্যাপী অভিবাসীদের মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক ৭০.৬ মিলিয়ন মানুষ ইউরোপে আসে।[৫৭] ২০০৫ সালে, ইইউ সামগ্রিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি ছিল অভিবাসন থেকে ১.৮ মিলিয়ন মানুষ। যা ইউরোপের মোট জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রায় ৮৫%।[৫৮] ইউরোপীয় ইউনিয়ন আফ্রিকা থেকে বৈধ অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য কাজ কেন্দ্র খোলার পরিকল্পনা করে।[৫৯][৬০] ২০০৮ সালে, ৬৯৬,০০০ জনকে ইউ২৭ সদস্য রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়, যা পূর্ববর্তী বছর থেকে কম (৭০৭,০০০)।[৬১]

ইউরোপ থেকে দেশান্তর হওয়া শুরু হয় ১৬ শতকে স্প্যানিশ ও পর্তুগিজ বসতি স্থাপকারীদের মাধ্যমে,[৬২][৬৩] এবং ১৭ শতকের মধ্যে ফরাসি এবং ইংরেজি ঔপনিবেশিকদের সাথে।[৬৪] কিন্তু এর সংখ্যা অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র ছিল, ১৯ শতকের মধ্যে ব্যাপক দেশান্তর শুরু হয় যখন লক্ষ লক্ষ দরিদ্র পরিবার ইউরোপ ছেড়ে যায়।[৬৫]

আজ, ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত বিশাল জনসংখ্যা প্রতি মহাদেশে পাওয়া যায়। ইউরোপীয় বংশোদ্ভূতরা উত্তর আমেরিকায় প্রাধান্য বিস্তার করে, ও দক্ষিণ আমেরিকায় কম মাত্রায় (বিশেষ করে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা, চিলি এবং ব্রাজিলে, অন্যান্য অধিকাংশ ল্যাটিন আমেরিকান দেশে ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা আছে)। অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে বৃহৎ ইউরোপীয় উদ্ভূত জনগোষ্ঠী আছে। আফ্রিকায় কোনো দেশেই ইউরোপীয়-উদ্ভূত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, (ব্যাতিক্রম কেপ ভার্দ এবং সম্ভবত সাঁউ তুমি ও প্রিন্সিপি বাদে, প্রসঙ্গের উপর নির্ভর করে), কিন্তু উল্লেখযোগ্য সংখ্যালঘু আছে, যেমন দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ। এশিয়ায়, ইউরোপীয়-উদ্ভূত জনগোষ্ঠী উত্তর এশিয়ায় (বিশেষ করে রুশরা), উত্তর কাজাখস্তানইসরাইলের কিছু অংশে প্রাধান্য বিস্তার করে।[৬৬] উপরন্তু, আন্তর্মহাদেশীয় বা ভৌগোলিক দিক থেকে এশিয়ার দেশগুলোতে যেমন জর্জিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, সাইপ্রাস এবং তুরস্ক-এ ঐতিহাসিকভাবে ইউরোপীয়দের সাথে ঘনিষ্ঠ, যথেষ্ট জেনেটিক ও সাংস্কৃতিক ঐক্য সঙ্গে সম্পর্কিত জনসংখ্যা আছে।

ভাষা[সম্পাদনা]

মানচিত্রে প্রধান ইউরোপীয় ভাষার বন্টন

ইউরোপীয় ভাষাসমূহ বেশিরভাগই তিনটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর মধ্যে পড়ে: রোমান্স ভাষাসমূহ, রোমান সাম্রাজ্যের লাতিন থেকে উদ্ভূত; জার্মানীয় ভাষাসমূহ, যার পূর্বপুরুষ ভাষা দক্ষিণ স্ক্যান্ডিনেভিয়ার থেকে এসেছে; এবং স্লাভীয় ভাষাসমূহ[৬৭]

স্লাভীয় ভাষাসমূহ ইউরোপের স্থানীয়দের দ্বারা সবচেয়ে বেশি কথ্য, এসব ভাষায় মধ্য, পূর্ব, এবং দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে কথা বলা হয়। রোমান্স ভাষায় মধ্য বা পূর্ব ইউরোপ এবং রোমানিয়ামলদোভা সহ, প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপে কথা বলা হয়। জার্মানীয় ভাষাসমূহ উত্তরাঞ্চলীয় ইউরোপ, ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ ও মধ্য ইউরোপের কিছু অংশে কথ্য হয়।[৬৭]

তিনটি প্রধান গোষ্ঠীর বাইরে অন্য অনেক ভাষা ইউরোপের মধ্যে বিদ্যমান। অন্যান্য ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা অন্তর্ভুক্ত বাল্টিক গোষ্ঠী (যা, লাটভীয়লিথুয়ানিয়), কেল্টীয় গোষ্ঠী (যা, আইরিশ, স্কট্‌স গ্যালিক, মানক্স, ওয়েলশ, কর্নিশ, ও ব্রেটন[৬৭]), গ্রিক, আর্মেনীয়, ও আলবেনীয়। উপরন্তু, উরালীয় ভাষাসমূহ-এর একটি স্বতন্ত্র গোষ্ঠী (এস্তোনীয়, ফিনীয়, ও হাঙ্গেরীয়) ইস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ও হাঙ্গেরিতে প্রধানত কথিত হয়, যখন কার্তভেলিয়ান ভাষাসমূহ (জর্জিয়, মিনগ্রেলিয়ান, ও সভান), জর্জিয়ায় প্রাথমিকভাবে কথ্য হয়, এবং দুইটি অন্যান্য ভাষা পরিবারের উত্তর ককেশাসে বিদ্যমান (বলা হয় উত্তরপূর্ব ককেশীয়, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল চেচেন, আভার ও লেযগিন এবং উত্তর-পশ্চিম ককেসীয়, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল আদিগে)। মল্টিয় একমাত্র সেমিটিক ভাষা যা ইইউর দাপ্তরিক ভাষা, অন্যদিকে বাস্ক একমাত্র বিছিন্ন ইউরোপীয় ভাষা। তুর্কীয় ভাষাসমূহ-এর অন্তর্ভূক্ত আজারবাইজানিতুর্কি, এর সাথে রাশিয়ায় সংখ্যালঘু জাতির ভাষা।

বহুভাষাবাদ এবং আঞ্চলিক ও সংখ্যালঘু ভাষার সুরক্ষা এসময়ে ইউরোপে রাজনৈতিক লক্ষ্য হিসেবে স্বীকৃত। কাউন্সিল অব ইউরোপ ইউরোপে ভাষা অধিকারের জন্য একটি আইনি কাঠামো গঠন করে।

ধর্ম[সম্পাদনা]

ভ্যাটিকান সিটিতে সান পিয়েত্রোর বাসিলিকা, ইউরোপের বৃহত্তম রোমান ক্যাথলিক গির্জা

ঐতিহাসিকভাবে, ইউরোপে ধর্ম এর শিল্প, সংস্কৃতি, দর্শন ও আইনের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। ইউরোপের বৃহত্তম ধর্ম খ্রিস্ট ধর্ম, ৭৬.২% ভাগ ইউরোপীয় খ্রিষ্টান,[৬৮] এর মাঝে অন্তর্ভূক্ত ক্যাথলিক, ইস্টার্ন অর্থোডক্স এবং প্রোটেস্ট্যান্ট গীর্জা। এছাড়াও ইসলাম মূলত বলকান এবং পূর্ব ইউরোপের কেন্দ্রীভূত (বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, আলবেনিয়া, কসোভো, কাজাখস্তান, উত্তর সাইপ্রাস, তুরস্ক, আজারবাইজান, উত্তর ককেশাস, এবং ভলগা-ইউরাল অঞ্চল)। অন্যান্য ধর্মের মধ্যে ইহুদি ধর্ম, হিন্দুধর্ম, এবং বৌদ্ধ ধর্ম সংখ্যালঘু ধর্ম (যদিও তিব্বতী বৌদ্ধ রাশিয়ার কালমাকিয়া প্রজাতন্ত্রের সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্ম)। ২০ শতকের আন্দোলন মাধ্যমে নিও প্যাগানবাদের পুনর্জন্ম হয়।

ইউরোপ তুলনামূলকভাবে ধর্মনিরপেক্ষ মহাদেশে পরিণত হয়েছে, ধর্মহীন, নাস্তিক এবং অজ্ঞেয়বাদী মানুষের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা অনুপাত মাধ্যমে, আসলে যা পশ্চিমা বিশ্বের মাঝে বৃহত্তম। বিপুল সংখ্যক স্ব-বর্ণিত ধর্মহীন মানুষ চেক প্রজাতন্ত্র, ইস্তোনিয়া, সুইডেন, জার্মানি (পূর্ব), এবং ফ্রান্সে রয়েছে।[৬৯]

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

পিয়ের-অগাস্ট রেনয়র-এর Dance at Le Moulin de la Galette, ১৮৭৬

ইউরোপের সংস্কৃতি একটি ধারাবাহিক সংস্কৃতির অধিক্রমণ হিসাবে বর্ণনা করা যেতে পারে; সাংস্কৃতিক মিশ্রণ মহাদেশ জুড়ে বিদ্যমান। সাংস্কৃতিক উদ্ভাবন এবং আন্দোলন, কখনও কখনও একে অপরের সঙ্গে মতভেদ হয়। সুতরাং সাধারণ সংস্কৃতি বা অভিন্ন মূল্যবোধ-এর ব্যাপারটি বেশ জটিল।

ঐতিহাসিক হিলারী বেলকের মতে, রোমান সংস্কৃতির অবশিষ্ট চিহ্ন এবং খ্রীষ্টান ধারণার উপর কয়েক শতাব্দী ধরে ইউরোপের মানুষ তাদের আত্ম-পরিচয় ভিত্তি করে গড়ে উঠে, কারণ অনেক ইউরোপীয় ব্যাপী সামরিক জোট ধর্মীয় প্রকৃতির ছিল, ক্রুসেড (১০৯৫–১২৯১), রিকনকুইসতার (৭১১–১৪৯২), লেপান্তোর যুদ্ধ (১৫৭১)।[৭০]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

নোট[সম্পাদনা]

  1. ^ a b Transnistria, internationally recognised as being a legal part of the Republic of Moldova, although de facto control is exercised by its internationally unrecognised government which declared independence from Moldova in 1990.
  2. ^ Russia is considered a transcontinental country in both Eastern Europe and Northern Asia. People in Russia tend to call the region Northern Eurasia. However only the population figure includes the entire state.
  3. ^ a b c Guernsey, the Isle of Man and Jersey are Crown Dependencies of the United Kingdom. Other Channel Islands legislated by the Bailiwick of Guernsey include Alderney and Sark.
  4. ^ a b Cyprus is physiographically entirely in Southwest Asia but has strong historical and sociopolitical connections with Europe. The population and area figures refer to the entire state, including the de facto independent part Northern Cyprus which is not recognised as a sovereign nation by the vast majority of sovereign nations, nor the UN.
  5. ^ Figures for Portugal include the Azores and Madeira archipelagos, both in Northern Atlantic.
  6. ^ Area figure for Serbia includes Kosovo, a province that unilaterally declared its independence from Serbia on 17 February 2008, and whose sovereign status is unclear. Population and density figures are from the first results of 2011 census and are given without the disputed territory of Kosovo.
  7. ^ Figures for France include only metropolitan France: some politically integral parts of France are geographically located outside Europe.
  8. ^ Netherlands population for July 2004. Population and area details include European portion only: Netherlands and three entities outside Europe (Aruba, Curaçao and Sint Maarten, in the Caribbean) constitute the Kingdom of the Netherlands. Amsterdam is the official capital, while The Hague is the administrative seat.
  9. ^ Kazakhstan is physiographically considered a transcontinental country, mostly in Central Asia (UN region), partly in Eastern Europe, with European territory west of the Ural Mountains and Ural River. However, only the population figure refers to the entire country.
  10. ^ Armenia is physiographically entirely in Western Asia, but it has strong historical and sociopolitical connections with Europe. The population and area figures include the entire state respectively.
  11. ^ Azerbaijan is physiographically considered a transcontinental country mostly in Western Asia with a small part in Eastern Europe.[৭১] However the population and area figures are for the entire state. This includes the exclave of the Nakhchivan Autonomous Republic and the region Nagorno-Karabakh that has declared, and de facto achieved, independence. Nevertheless, it is not recognised de jure by sovereign states.
  12. ^ Georgia is physiographically almost entirely in Western Asia, with a very small part in Eastern Europe, but it has strong historical and sociopolitical connections with Europe.[৭২][৭৩] The population and area figures include Georgian estimates for Abkhazia and South Ossetia, two regions that have declared and de facto achieved independence. International recognition, however, is limited.
  13. ^ Turkey is physiographically considered a transcontinental country, mostly in Western Asia, partly in Eastern Europe. However only the population figure includes the entire state.
  14. ^ a b c d The total figures for area and population include only European portions of transcontinental countries. The precision of these figures is compromised by the ambiguous geographical extent of Europe and the lack of references for European portions of transcontinental countries.
  15. ^ Kosovo unilaterally declared its independence from Serbia on 17 February 2008. Its sovereign status is unclear. Its population is July 2009 CIA estimate.
  16. ^ a b Abkhazia and South Ossetia, both generally considered to be entirely within Southwest Asia,[৭৩] unilaterally declared their independence from Georgia on 25 August 1990 and 28 November 1991 respectively. Their status as sovereign nations is not recognised by a vast majority of sovereign nations, nor the UN. Population figures stated as of 2003 census and 2000 estimates respectively.
  17. ^ Nagorno-Karabakh, generally considered to be entirely within Southwest Asia, unilaterally declared its independence from Azerbaijan on 6 January 1992. Its status as a sovereign nation is not recognised by any sovereign nation, nor the UN. Population figures stated as of 2003 census and 2000 estimates respectively.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ইস্তানবুল একটি আন্তর্মহাদেশীয় শহর এবং জনসংখ্যার প্রায় ২/৩ ভাগ ইউরোপীয় দিকে বসবাস করে।
  2. Demographia World Urban Areas (World Agglomerations): 9th Annual Edition, March 2013
  3. OED Online "ইউরোপ" উচ্চারণ হিসাবে দেয়: Brit. ˈjʊərəp, ˈjɔːrəp, U.S. ˈjɜrəp, ˈjʊrəp.
  4. National Geographic Atlas of the World (7th সংস্করণ)। Washington, DC: National Geographic। 1999। আইএসবিএন 0-7922-7528-4  "Europe" (pp. 68–9); "Asia" (pp. 90–1): "A commonly accepted division between Asia and Europe ... is formed by the Ural Mountains, Ural River, Caspian Sea, Caucasus Mountains, and the Black Sea with its outlets, the Bosporus and Dardanelles."
  5. "World Population Prospects: The 2012 Revision". UN Department of Economic and Social Affairs.
  6. Lewis & Wigen 1997, পৃ. 226
  7. PoPulation – Global Mapping International
  8. National Geographic, 534.
  9. The map shows one of the most commonly accepted delineations of the geographical boundaries of Europe, as used by National Geographic and Encyclopædia Britannica. Whether countries are considered in Europe or Asia can vary in sources, for example in the classification of the CIA World Factbook or that of the BBC. Note also that certain countries in Europe, such as France, have territories lying geographically outside Europe, but which are nevertheless considered integral parts of that country.
  10. ডেনমার্কের অংশ হিসেবে গ্রিনল্যান্ড, ইইউ-এর সদস্য হিসেবে সাইপ্রাস, কাউন্সিল অব ইউরোপ-এর সদস্য হিসেবে আর্মেনিয়া
  11. Lewis, Martin W.; Wigen, Kären (1997)। The myth of continents: a critique of metageography। University of California Press। আইএসবিএন 0-520-20743-2 
  12. Jordan-Bychkov, Terry G.; Jordan, Bella Bychkova (2001)। The European culture area: a systematic geographyRowman & Littlefieldআইএসবিএন 0-7425-1628-8 
  13. Herodotus, 4:45
  14. Strabo Geography 11.1
  15. Franxman, Thomas W. (1979)। Genesis and the Jewish antiquities of Flavius Josephus। Pontificium Institutum Biblicum। পৃ: 101–102। আইএসবিএন 88-7653-335-4 
  16. "History and geography"। Save America's Forest Funds। সংগৃহীত 9 June 2008 
  17. "State of Europe's Forests 2007: The MCPFE report on sustainable forest management in Europe" (PDF)। EFI Euroforest Portal। পৃ: 182। সংগৃহীত 9 June 2008 [অকার্যকর সংযোগ]
  18. European bison, Wisent
  19. Walker, Matt (4 August 2009)। "European bison on 'genetic brink'"BBC News 
  20. "Composition of macro geographical (continental) regions, geographical sub-regions, and selected economic and other groupings"। United Nations Statistics Department। সংগৃহীত 3 May 2011 
  21. Jordan Europa Regional
  22. http://www.gla.ac.uk/0t4/crcees/files/summerschool/readings/school10/reading_list/Sinnhuber.pdf
  23. "CIA – The World Factbook"। Cia.gov। সংগৃহীত 29 October 2011 
  24. Fineman, Josh (15 September 2009)। "Bloomberg.com"। Bloomberg.com। সংগৃহীত 23 August 2010 
  25. "Global Wealth Stages a Strong Comeback"। Pr-inside.com। 10 June 2010। সংগৃহীত 23 August 2010 
  26. "The CIA World Factbook – GDP (PPP)"CIA। 15 July 2008। সংগৃহীত 19 July 2008 
  27. The World Bank DataBank | Explore . Create . Share
  28. Capitalism. Encyclopædia Britannica.
  29. Scott, John (2005)। Industrialism: A Dictionary of Sociology। Oxford University Press। 
  30. Steven Kreis (11 October 2006)। "The Origins of the Industrial Revolution in England"। The History Guide। সংগৃহীত 1 January 2007 
  31. Dornbusch, Rudiger; Nölling, Wilhelm P.; Layard, Richard G. Postwar Economic Reconstruction and Lessons for the East Today, pg. 117
  32. Emadi-Coffin, Barbara (2002)। Rethinking International Organisation: Deregulation and Global Governance। Routledge। পৃ: 64। আইএসবিএন 0-415-19540-3 
  33. Dornbusch, Rudiger; Nölling, Wilhelm P.; Layard, Richard G. Postwar Economic Reconstruction and Lessons for the East Today, pg. 29
  34. Harrop, Martin. Power and Policy in Liberal Democracies, pg. 23
  35. "Germany (East)", Library of Congress Country Study, Appendix B: The Council for Mutual Economic Assistance
  36. "Marshall Plan"। US Department of State। সংগৃহীত 10 June 2008 [অকার্যকর সংযোগ]
  37. [১]
  38. "EU data confirms eurozone's first recession"। EUbusiness.com। 8 January 2009। আসল থেকে 30 December 2010-এ আর্কাইভ করা। 
  39. Thanks to the Bank it's a crisis; in the eurozone it's a total catastrophe. Telegraph. 8 March 2009.
  40. Stefan Schultz (11 February 2010)। "Five Threats to the Common Currency"Spiegel Online। সংগৃহীত 28 April 2010 
  41. Brian Blackstone, Tom Lauricella, and Neil Shah (5 February 2010)। "Global Markets Shudder: Doubts About U.S. Economy and a Debt Crunch in Europe Jolt Hopes for a Recovery"The Wall Street Journal। সংগৃহীত 10 May 2010 
  42. Lauren Frayer Contributor। "European Leaders Try to Calm Fears Over Greek Debt Crisis and Protect Euro"। AOL News। সংগৃহীত 2 June 2010 
  43. ৪৩.০ ৪৩.১ Unemployment statistics. Eurostat. April 2012.
  44. Europe's New Lost Generation. Foreign Policy. 13 July 2009.
  45. CIA.gov CIA population growth rankings, CIA World Factbook
  46. Encyclopædia Britannica's Great Inventions, Encyclopædia Britannica
  47. "101 gadgets that changed the world". The Independent. 3 November 2007.
  48. Gary Rodger Weaver (1998). Culture, Communication, and Conflict. Simon & Schuster. p.474. ISBN 0-536-00373-4.
  49. "Andalucía permitirá por ley la eutanasia pasiva para enfermos incurables", 20 Minutos. 31 May 2008.
  50. "Andalusia euthanasia law unnecessary, expert warns", Catholic News Agency. 26 June 2008.
  51. ৫১.০ ৫১.১ ৫১.২ "World Population Prospects: The 2006 Revision Population Database"। UN — Department of Economic and Social Affairs। সংগৃহীত 10 June 2008 
  52. World Population Growth, 1950–2050. Population Reference Bureau.
  53. Christoph Pan, Beate Sibylle Pfeil, Minderheitenrechte in Europa. Handbuch der europäischen Volksgruppen (2002). Living-Diversity.eu, English translation 2004.[অকার্যকর সংযোগ]
  54. "White Europeans: An endangered species?"। Yale Daily News। আসল থেকে 19 May 2008-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 10 June 2008 
  55. "Brookings Institute Report"  See also: "Muslims in Europe: Country guide"। BBC news। 23 December 2005। সংগৃহীত 4 January 2010 
  56. UN predicts huge migration to rich countries. Telegraph. 15 March 2007.
  57. "Rich world needs more foreign workers: report", FOXNews.com. 2 December 2008.
  58. "Europe: Population and Migration in 2005"। Migration Information Source। সংগৃহীত 10 June 2008 
  59. "EU job centres to target Africans". BBC News, 8 February 2007.
  60. "50 million invited to Europe". Daily Express, 3 January 2009.
  61. "EU27 Member States granted citizenship to 696 000 persons in 2008" (PDF). Eurostat. 6 July 2010.
  62. "A pena do degredo nas Ordenações do Reino"। সংগৃহীত 18 August 2010 
  63. "Ensaio sobre a imigração portuguesa e os padrões de miscigenação no Brasil"। সংগৃহীত 18 August 2010 
  64. Axtell, James (September–October 1991)। "The Columbian Mosaic in Colonial America"Humanities 12 (5): 12–18। আসল থেকে 17 May 2008-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 8 October 2008 
  65. ডিওআই:10.1080/21533369.2001.9668313
    This citation will be automatically completed in the next few minutes. You can jump the queue or expand by hand
  66. Robert Greenall, Russians left behind in Central Asia, BBC News, 23 November 2005
  67. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Encyclop.C3.A6dia_Britannica নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  68. Christianity in Europe
  69. Dogan, Mattei (1998)। "The Decline of Traditional Values in Western Europe"। International Journal of Comparative Sociology (Sage) 39: 77–90। ডিওআই:10.1177/002071529803900106 
  70. Hilarie Belloc, Europe and the Faith, Chapter I
  71. The UN Statistics Department [২] places Azerbaijan in Western Asia for statistical convenience [৩]: "The assignment of countries or areas to specific groupings is for statistical convenience and does not imply any assumption regarding political or other affiliation of countries or territories." The CIA World Factbook [৪] places Azerbaijan in South Western Asia, with a small portion north of the Caucasus range in Europe. National Geographic and Encyclopædia Britannica also place Georgia in Asia.
  72. European Union [৫], the Council of Europe [৬], British Foreign and Commonwealth Office [৭], World Health Organization [৮], World Tourism Organization [৯], UNESCO [১০], UNICEF [১১], UNHCR [১২], European Civil Aviation Conference [১৩], Euronews [১৪], BBC [১৫], NATO [১৬], Russian Foreign Ministry [১৭], the World Bank [১৮], Assembly of European Regions [১৯], International Air Transport Association [২০],Oxford Reference Online, Organization for Security and Co-operation in Europe [২১], ICRC [২২], Salvation Army [২৩], International Federation of Red Cross and Red Crescent Societies [২৪][অকার্যকর সংযোগ], Council on Foreign Relations [২৫], United States European Command [২৬], Merriam-Webster's Collegiate Dictionary [২৭] and www.worldatlas.com.
  73. ৭৩.০ ৭৩.১ {{The UN Statistics Department [২৮] places Georgia in Western Asia for statistical convenience [২৯]: "The assignment of countries or areas to specific groupings is for statistical convenience and does not imply any assumption regarding political or other affiliation of countries or territories." The CIA World Factbook [৩০],National Geographic, and Encyclopædia Britannica also place Georgia in Asia.}}

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

ইউরোপ সম্পর্কে আরও তথ্য পেতে হলে উইকিপিডিয়ার সহপ্রকল্পগুলোতে অনুসন্ধান করে দেখতে পারেন:

Wiktionary-logo-en.svg সংজ্ঞা, উইকিঅভিধান হতে
Wikibooks-logo.svg পাঠ্যবই, উইকিবই হতে
Wikiquote-logo.svg উক্তি, উইকিউক্তি হতে
Wikisource-logo.svg রচনা সংকলন, উইকিউৎস হতে
Commons-logo.svg ছবি ও অন্যান্য মিডিয়া, কমন্স হতে
Wikivoyage-Logo-v3-icon.svg ভ্রমণ নির্দেশিকা, উইকিভয়েজ হতে
Wikinews-logo.png সংবাদ, উইকিসংবাদ হতে