আজারবাইজান
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
| Azərbaycan Respublikası
প্রজাতন্ত্রী আজারবাইজান
|
||||||
|---|---|---|---|---|---|---|
|
|
||||||
| নীতিবাক্য None |
||||||
| জাতীয় সঙ্গীত Azərbaycan Respublikasının Dövlət Himni March of Azerbaijan |
||||||
| রাজধানী (ও বৃহত্তম নগরী) |
বাকু |
|||||
| রাষ্ট্রভাষা (সমূহ) | Azerbaijani | |||||
| সরকার | প্রজাতন্ত্র | |||||
| - | রাষ্ট্রপতি | ইলহাম আলিয়েভ | ||||
| - | প্রধানমন্ত্রী | আর্তুর রাসিজাদ | ||||
| স্বাধীনতা লাভ | সোভিয়েত ইউনিয়ন হতে | |||||
| - | ঘোষিত | আগস্ট ৩০, ১৯৯১ | ||||
| - | আনুষ্ঠানিকভাবে | আজারবাইজান এসএসআর | ||||
| আয়তন | ||||||
| - | মোট | 86,600 বর্গকিমি (114th) 33,436 বর্গমাইল |
||||
| - | জলভাগ (%) | negligible | ||||
| জনসংখ্যা | ||||||
| - | 2005 আনুমানিক | 8,411,000 (90th) | ||||
| - | 1999 আদমশুমারি | 7,953,438 | ||||
| - | ঘনত্ব | 97 /বর্গকিমি (100th) 251 /বর্গমাইল |
||||
| মোট আভ্যন্তরীণ উৎপাদন (মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতা) | 2005 আনুমানিক | |||||
| - | মোট | $38.71 billion (88th) | ||||
| - | মাথাপিছু | $4,601 (106th) | ||||
| মানব উন্নয়ন সূচক (2003) | 0.729 (medium) (101st) | |||||
| মুদ্রা | Manat (AZN) |
|||||
| সময় স্থান | (ইউটিসি+4) | |||||
| - | গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি) | (ইউটিসি+5) | ||||
| ইন্টারনেট টিএলডি | .az | |||||
| কলিং কোড | +994 | |||||
আজারবাইজান (আজারবাইজানি ভাষায়: Azərbaycan আজ়্যার্বায়জান্), সরকারী নাম আজারবাইজান প্রজাতন্ত্র (আজারবাইজানি ভাষায়: Azərbaycan Respublikası) পশ্চিম এশিয়ার একটি প্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র। এটি কৃষ্ণ সাগর ও কাস্পিয়ান সাগরের মধ্যবর্তী স্থলযোটক দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের সবচেয়ে পূর্বে অবস্থিত রাষ্ট্র। আয়তন ও জনসংখ্যার দিকে থেকে এটি ককেশীয় রাষ্ট্রগুলির মধ্যে বৃহত্তম। দেশটির উত্তরে রাশিয়া, পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, দক্ষিণে ইরান, পশ্চিমে আর্মেনিয়া, উত্তর-পশ্চিমে জর্জিয়া। এছাড়াও ছিটমহল নাখশিভানের মাধ্যমে তুরস্কের সাথে আজারবাইজানের একচিলতে সীমান্ত আছে। আর্মেনিয়ার পর্বতের একটি সরু সারি নাখশিভান ও আজারবাইজানকে পৃথক করেছে। আজারবাইজানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে আর্মেনীয়-অধ্যুষিত এলাকা নাগোর্নো-কারাবাখের আনুগত্য বিতর্কিত। কাস্পিয়ান সাগরে অবস্থিত অনেকগুলি দ্বীপও আজারবাইজানের অন্তর্ভুক্ত। আজারবাইজানের রাষ্ট্রভাষা আজারবাইজানি। এখানে মূলত শিয়া মুসলিম ধর্মাবলম্বী আজেরি জাতির লোকদের বাস। কাস্পিয়ান সাগরতীরে অবস্থিত বন্দর শহর বাকু আজারবাইজানের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
১৮শ ও ১৯শ শতকে ককেশীয় এই দেশটি পর্যায়ক্রমে রুশ ও পারস্যদেশের শাসনাধীন ছিল। রুশ গৃহযুদ্ধকালীন সময়ে ১৯১৮ সালের ২৮শে মে তৎকালীন আজারবাইজানের উত্তর অংশটি একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র হিসেবে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। কিন্তু মাত্র ২ বছরের মাথায় ১৯২০ সালে বলশেভিক লাল সেনারা এটি আক্রমণ করে আবার রুশ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে এবং ১৯২২ সালে দেশটি আন্তঃককেশীয় সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের অংশ হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯৩৬ সালে আন্তঃককেশীয় সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রটি ভেঙে তিনটি আলাদা প্রজাতন্ত্র আজারবাইজান, জর্জিয়া ও আর্মেনিয়াতে ভেঙে দেওয়া হয়। তখন থেকেই আজারবাইজানের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠী এবং নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকার খ্রিস্টান আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। নাগোর্নো-কারাবাখের জনগণ আর্মেনিয়ার সাথে একত্রিত হতে চায়। ১৯৯১ সালের ২০শে অক্টোবর আজারবাইজান স্বাধীনতা লাভ করলে এই দ্বন্দ্ব সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেয়। ফলে নতুনভাবে স্বাধীন দেশটির প্রথম বছরগুলি রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক অবনতি, এবং নাগোর্নো-কারাবাখের যুদ্ধে অতিবাহিত হয়। ১৯৯৪ সালের মে মাসে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর বিচ্ছিন্নতাবাদী আর্মেনীয়রা যুদ্ধে ক্ষান্ত দেয়। এখনও নাগোর্নো-কারাবাখ ও আরও ৭টি আজারবাইজানি জেলা আর্মেনীয়দের সামরিক নিয়ন্ত্রণে আছে। ১৯৯৫ সালে আজারবাইজানে প্রথম আইনসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং ঐ বছরই সোভিয়েত-উত্তর নতুন সংবিধান পাস করা হয়।
আজারবাইজানের বাকু তেলক্ষেত্রগুলি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেলক্ষেত্রগুলির মধ্যে অন্যতম। কিন্তু দুর্নীতি, সঙ্ঘবদ্ধ অপরাধ এবং দুর্বল সরকারের কারণে দেশটি খনিজ সম্পদ থেকে সম্ভাব্য মুনাফা অর্জনে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] রাজনীতি
এই বিষয়ে মূল নিবন্ধের জন্য দেখুন: আজারবাইজানের রাজনীতি
[সম্পাদনা] প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ
[সম্পাদনা] ভূগোল
এই বিষয়ে মূল নিবন্ধের জন্য দেখুন: আজারবাইজানের ভূগোল
[সম্পাদনা] অর্থনীতি
এই বিষয়ে মূল নিবন্ধের জন্য দেখুন: আজারবাইজানের অর্থনীতি
[সম্পাদনা] জনসংখ্যা
এই বিষয়ে মূল নিবন্ধের জন্য দেখুন: আজারবাইজানের জনসংখ্যার পরিসংখ্যান
[সম্পাদনা] সংস্কৃতি
এই বিষয়ে মূল নিবন্ধের জন্য দেখুন: আজারবাইজানের সংস্কৃতি
[সম্পাদনা] আরও দেখুন
|
|
|---|
| ইতিহাস • প্রশাসনিক অঞ্চল • ভূগোল • অর্থনীতি • রাজনীতি • সরকার ব্যবস্থা • জনসংখ্যার পরিসংখ্যান • সংস্কৃতি • পরিবহন ব্যবস্থা • পর্যটন • সামরিক বাহিনী • ভাষা • ধর্মবিশ্বাস • সংবাদপত্র • বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ • জাতীয় পতাকা • জাতীয় সঙ্গীত • শহর • শিল্পকলা |
|
|
|---|
| আফগানিস্তান • আর্মেনিয়া • আজারবাইজান১ • বাহরাইন • বাংলাদেশ • ভুটান • ব্রুনাই • কম্বোডিয়া • গণচীন • সাইপ্রাস ২ • মিশর৩ • জর্জিয়া১ • ভারত • ইন্দোনেশিয়া২ • ইরান • ইরাক • ইসরাইল • জাপান • জর্ডান • কাজাখস্তান১ • কুয়েত • কিরগিজিস্তান • লাওস • লেবানন • মালয়েশিয়া • মালদ্বীপ • মঙ্গোলিয়া • মায়ানমার • নেপাল • উত্তর কোরিয়া • ওমান • পাকিস্তান • প্যালেস্টাইন • ফিলিপাইন • কাতার • রাশিয়া১ • সৌদি আরব • সিঙ্গাপুর • দক্ষিণ কোরিয়া • শ্রীলঙ্কা • সিরিয়া • প্রজাতন্ত্রী চীন (তাইওয়ান) • তাজিকিস্তান • থাইল্যান্ড • তুরস্ক১ • তুর্কমেনিস্তান • তুর্কী উত্তর সাইপ্রাস প্রজাতন্ত্র • সংযুক্ত আরব আমিরাত • উজবেকিস্তান • ভিয়েতনাম • ইয়েমেন |
| টীকা: (১) কিয়দংশ ইউরোপ মহাদেশে পড়েছে; (২) অংশত বা পূর্ণ ভাবেই ওশেনিয়ার অন্তর্গত, কিন্তু এশিয়ার সাথে রাজনৈতিক ও সামাজিক যোগাযোগ আছে; (৩) অধিকাংশই আফ্রিকায় অবস্থিত। |


