নিউজিল্যান্ড
|
|
||||||
| জাতীয় সঙ্গীত "God Defend New Zealand" "God Save the Queen"1 |
||||||
|
The hemisphere centred on New Zealand
|
||||||
| রাজধানী | ওয়েলিংটন 41°17′S 174°27′E / 41.283°দ 174.45°পূ |
|||||
| বৃহত্তম শহর | অকল্যান্ড2 | |||||
| রাষ্ট্রীয় ভাষাসমূহ | English (98%)3 Māori (4.2%)3 NZ Sign Language (0.6%)3 |
|||||
| জাতিগত গোষ্ঠী | 78% European/Other4 14.6% Māori4 9.2% Asian4 6.9% Pacific peoples4 |
|||||
| জাতীয়তাসূচক বিশেষণ | New Zealander, Kiwi (colloquial) |
|||||
| সরকার | Parliamentary democracy and Constitutional monarchy | |||||
| - | Monarch | HM Queen Elizabeth II | ||||
| - | Governor-General | Sir Anand Satyanand | ||||
| - | Prime Minister | জন কী | ||||
| - | Speaker | Dr Lockwood Smith | ||||
| - | Chief Justice | ডেম সিয়ান ইলিয়াস | ||||
| Independence | from the United Kingdom | |||||
| - | 1st Parliament | 25 May 18545 | ||||
| - | Dominion | 26 September 19075 | ||||
| - | Statute of Westminster | 11 December 1931 (adopted 25 November 1947) | ||||
| - | Constitution Act 1986 | 13 December 1986 | ||||
| আয়তন | ||||||
| - | মোট | ২৬৮ বর্গকি.মি. (74th) ১০৩ বর্গমাইল |
||||
| - | জলভাগ (%) | 2.1 | ||||
| জনসংখ্যা | ||||||
| - | ২০১৩ আনুমানিক | [১] (123rd) | ||||
| - | 2006 আদমশুমারি | 4,027,9476 | ||||
| - | ঘনত্ব | 16.1/বর্গ কিলোমিটার ৪১.৬/বর্গমাইল |
||||
| জিডিপি (পিপিপি) | 2010 আনুমানিক | |||||
| - | মোট | $115.412 billion[২] | ||||
| - | মাথাপিছু | $28,722[২] | ||||
| জিডিপি (নামমাত্র) | 2010 আনুমানিক | |||||
| - | মোট | $135.723 billion[২] | ||||
| - | মাথাপিছু | $31,067[২] | ||||
| জিনি (1997) | 36.2 (medium) | |||||
| এইচডিআই (2009) | ||||||
| মুদ্রা | New Zealand dollar (NZD) |
|||||
| সময় স্থান | NZST7 (ইউটিসি+12) | |||||
| - | গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি) | NZDT (ইউটিসি+13) | ||||
| (Sep to Apr) | ||||||
| তারিখ বিন্যাস | dd/mm/yyyy | |||||
| ড্রাইভ করা হয় | left | |||||
| ইন্টারনেট টিএলডি | .nz8 | |||||
| কলিং কোড | +64 | |||||
| 1 "God Save the Queen" হল দেশের জাতীয় সংগীত।.[৪][৫] 2 অকল্যান্ড দেশটির আয়তন ও জনসংখ্যার দিক থেকে বৃহত্তম শহর; Auckland City বৃহত্তম বানিজ্যিক শহর. 3 শতকরা মোট হিসেব ১০০% এর বেশি কারন শহরের বেশিরভাগ মানুষ একাধিক ভাষা জানেন।.[৬] 4 শতকরা মোট হিসেব ১০০% এর বেশি কারন কিছু মানুষ একাধিক জাতীয়তা ধারন করেন .[৭] 5 There is a multitude of dates that could be considered to mark independence (see Independence of New Zealand). 6 Number of people who usually live in New Zealand.[৮] 7 The Chatham Islands have a separate time zone, 45 minutes ahead of the rest of New Zealand. 8 The territories of Niue, the Cook Islands and Tokelau have their own cctlds, .nu, .ck and .tk respectively. |
||||||
নিউজিল্যান্ড (ইংরেজি New Zealand নিউ যীল্যান্ড, মাওরি Aotearoa আওটেয়ারোয়া) ওশেনিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। এটি অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত। এর রাজধানীর নাম ওয়েলিংটন। নিউজিল্যান্ড অসংখ্য ক্ষুদ্র দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত। তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল স্টুয়ার্ট দ্বীপ এবং চাথাম দ্বীপ। নিউজিল্যান্ডের আদিম অধিবাসীদের ভাষা হল মাওরি। নিউজিল্যান্ড ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন একটি দেশ। এটি অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ২০০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে তাসমান সাগরে মধ্যে অবস্থিত। ফিজি, টোঙ্গা এবং নুভেল কালেদোনি হল নিউজিল্যান্ডের প্রতিবেশি রাষ্ট্র। এদেশের পরিবেশ এবং প্রাণীকুল বৈচিত্রময়। মনুষ্যবসতি প্রতিষ্ঠার পূর্বে এখানে প্রচুর স্থানীয় পাখি ছিল যার মধ্যে অনেক প্রজাতিই জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে ক্রমান্বয়ে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
নিউজিল্যান্ডের অধিকাংশ মানুষ ইউরোপীয় বংশদ্ভূত এবং স্থানীয় মাওরি হল সর্বাধিক সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী। এছাড়া উল্লেখযোগ্য সংখ্যাক এশীয় বংশদ্ভূত মানুষও এখানে বসবাস করে, বিশেষ করে শহর এলাকায়। ইংরেজি নিউজিল্যান্ডের সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা।
নিউজিল্যান্ড একটি উন্নত দেশ, এটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত মানব উন্নয়ন সূচকের উপরের দিকে অবস্থান করে। এছাড়া দেশটির জীবন-যাত্রার মান, প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল, শিক্ষার হার, শান্তি ও অগ্রগতি, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার রক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রে অগ্রসরমান একটি দেশ। পৃথিবীর সর্বাধিক বাসযোগ্য শহরগুলোর মধ্যে নিউজিল্যান্ডের শহরগুলো অন্যতম।
নিউজিল্যান্ডের রাষ্ট্রপ্রধান হল ইংল্যান্ডের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। তাঁর প্রতিনিধি নিউজিল্যান্ডের সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অধিকারী। প্রকৃতপক্ষে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যাপের রাণীর কোন প্রভাব নেই, রাণী কেবল আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপ্রধান। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর অধীন সংসদই হল রাষ্ট্র ক্ষমতার অধিকারী। প্রধানমন্ত্রীই নিউজিল্যান্ডের সরকার প্রধান।
পরিচ্ছেদসমূহ |
নিউজিল্যান্ডের ইতিহাস [সম্পাদনা]
- মূল নিবন্ধ: নিউজিল্যান্ডের ইতিহাস
প্রায় ৭০০ বছর আগে পলিনেশীয় বিভিন্ন জাতি নিউজিল্যান্ড আবিষ্কার করে ও এখানে বসতি স্থাপন করে। এরা ধীরে ধীরে একটি স্বতন্ত্র মাওরি সংস্কৃতি গড়ে তোলে। ১৬৪২ সালে প্রথম ইউরোপীয় অভিযাত্রী, ওলন্দাজ আবেল তাসমান, নিউজিল্যান্ডে নোঙর ফেলেন। ১৮শ শতকের শেষ দিক থেকে অভিযাত্রী, নাবিক, মিশনারি, ও বণিকেরা নিয়মিত এখানে আসতে থাকে। ১৮৪০ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য ও নিউজিল্যান্ডের মাওরি গোত্রগুলি চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং এর ফলে নিউজিল্যান্ড ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে আসে। মাওরিদেরকে ব্রিটিশ নাগরিকদের সমান মর্যাদা দেওয়া হয়। এসময় নিউজিল্যান্ডে ব্যাপকভাবে ইউরোপীয় বসতি স্থাপন শুরু হয়। ইউরোপীয় অর্থনৈতিক ও বিচার ব্যবস্থা আরোপের ফলে মাওরিরা তাদের বেশিরভাগ জমিজমা ইউরোপীয়দের কাছে হারিয়ে দরিদ্র হয়ে পড়ে।
১৯৩০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডকে একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা হতে থাকে। অর্থনীতিতে সরকারের হস্তক্ষেপ বাড়ানো হয়। একই সময়ে মাওরিদের মধ্যে এক ধরনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব বা রনেসঁস ঘটে। মাওরিরা বিরাট সংখ্যায় শহরে বসতি স্থাপন করা শুরু করে এবং নিজেদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন শুরু করে।
১৯৮০-এর দশকে অর্থনীতিতে সরকারি হস্তক্ষেপ হ্রাস করা হয় এবং অনেক উদারপন্থী নীতি বাস্তবায়ন করা হয়। বৈদেশিক সম্পর্কের ব্যাপারে অতীতে নিউজিল্যান্ড যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের অনুসারী ছিল, তবে বর্তমানে এ ব্যাপারে দেশটি অনেক স্বাধীন।
রাজনীতি [সম্পাদনা]
- মূল নিবন্ধ: নিউজিল্যান্ডের রাজনীতি
নিউজিল্যান্ডে'র প্রধান রাজনৈতিক দল দুটি। বর্তমান ক্ষমতাসীন "ন্যাশনাল পার্টি"'র দলীয় প্রধান হলেন "জন কী" । প্রধান বিরধী দল "লেবার পার্টি"'র দলীয় প্রধান হলেন "ফিল গফ্"।
সরকার [সম্পাদনা]
- মূল নিবন্ধ: নিউজিল্যান্ডের সরকার
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা [সম্পাদনা]
অঞ্চলিক সরকার [সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ Estimated resident population clock. Statistics New Zealand. Last calculated ২১ মে ২০১৩.
- ↑ ২.০ ২.১ ২.২ ২.৩ "New Zealand"। International Monetary Fund। সংগৃহীত 21 April 2010।
- ↑ HDI of New Zealand. The United Nations. Retrieved 21 July 2009.
- ↑ "New Zealand's National Anthems"। Ministry for Culture and Heritage। সংগৃহীত 17 February 2008।
- ↑ "Protocol for using New Zealand's National Anthems"। Ministry for Culture and Heritage। সংগৃহীত 17 February 2008।
- ↑ "Statistics New Zealand:Language spoken (total responses) for the 1996–2006 censuses (Table 16)"। Statistics New Zealand। 21 December 2006। সংগৃহীত 20 February 2008।
- ↑ Didham, Robert (April 2005). "Understanding and Working with Ethnicity Data". Statistics New Zealand. Retrieved on 14 April 2009.
- ↑ টেমপ্লেট:NZ Quickstats
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
সরকারী [সম্পাদনা]
সাধারন তথ্যবিষয়ক [সম্পাদনা]
অন্যান্য [সম্পাদনা]
ভ্রমণ [সম্পাদনা]
- New Zealand ভ্রমণ নির্দেশিকা, উইকিভয়েজ থেকে
- ট্যুরিজম নিউজিল্যান্ড
|
|||||
|
|||||
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |