ইতালি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Repubblica Italiana
রেপুব্লিকা ইতালিয়ানা
ইতালীয় প্রজাতন্ত্র
ইতালি-এর পতাকা ইতালি-এর Coat of arms
জাতীয় সঙ্গীত
ইল কান্তো দেলি ইতালিয়ানী  
ইতালীয়ানদের সঙ্গীত
Inno di Mameli instrumental.ogg

(ফ্রাতেল্লি দ'ইতালিয়া হিসেবে পরিচিত)
রাজধানী
(ও বৃহত্তম নগরী)
রোম
41°54′N 12°29′E / 41.9°উ 12.483°পূ / 41.9; 12.483
রাষ্ট্রীয় ভাষাসমূহ ইতালীয়1
সরকার একীভূতসংসদীয় প্রজাতন্ত্র
 -  রাষ্ট্রপতি জর্জ নেপোলিটানো
 -  প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বেরলুসকোনি (পিডিএল)
গঠন
 -  একত্রীকরণ ১৭ই মার্চ ১৮৬১ 
 -  প্রজাতন্ত্র ২রা জুন ১৯৪৬ 
ইউরোপীয় ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্তি ২৫ মার্চ ১৯৫৭ (প্রতিষ্ঠানিক সদস্য)
আয়তন
 -  মোট ৩,০১,৩১৮ বর্গকিমি (৭১তম)
১,১৬,৩৪৬.৫ বর্গমাইল 
 -  জলভাগ (%) ২.৪
জনসংখ্যা
 -  এপ্রিল ২০১০ আনুমানিক ৬০.৪১৮.৭১১[১] (২৩তম)
 -  অক্টোবর, ২০০১ আদমশুমারি ৫৭,১১০,১৪৪ 
 -  ঘনত্ব ২০০.৫ /বর্গকিমি (৫৪তম)
৫১৯.৩ /বর্গমাইল
জিডিপি (পিপিপি) ২০১০ আনুমানিক
 -  মোট $১,৭৬৬.৮৭ ট্রিলিয়ন[২] 
 -  মাথাপিছু $২৯,৩৪৭.০৬[২] 
জিডিপি (নামমাত্র) ২০১০ আনুমানিক
 -  মোট $২,১২১.১১ ট্রিলিয়ন[২] 
 -  মাথাপিছু $৩৫,২৩০.৯২[২] 
জিনি সহগ? (২০০৬) ৩২[৩] (মধ্যম
মানব উন্নয়ন সূচক (২০০৭) Green Arrow Up Darker.svg ০.৯৫১ (অনেক উচ্চ) (১৮তম)
মুদ্রা ইউরো () (EUR)
সময় স্থান সিইটি (ইউটিসি+১)
 -  গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি) সিইএসটি (ইউটিসি+২)
ইন্টারনেট টিএলডি .it
কলিং কোড +৩৯
1 French is co-official in the Aosta Valley; German is co-official in Trentino-Alto Adige/Südtirol.
2 Prior to 2002: Italian Lira.
3 The .eu domain is also used, as it is shared with other European Union member states.

ইতালি (ইতালীয় Italia ইতালি‌য়া) দক্ষিণ কেন্দ্রীয় ইউরোপের একটি একীভুত প্রজাতান্ত্রিক সংসদীয় রাষ্ট্র। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত একটি দেশশেনঝেন চুক্তি স্বাক্ষরকারী বিধায় শেনঝেন ভিসা নিয়ে এ দেশে প্রবেশ করা যায়। ইউরো অঞ্চলের অন্তর্ভূক্ত বিধায় এর মুদ্রা ইউরো। এ দেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা চালু আছে।
ইতালির উত্তর সীমান্তে আল্পাস পর্বতমালা সংলগ্ন ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়াস্লোভেনিয়া অবস্থিত এবং দক্ষিণে সম্পূর্ণ ইতালীয় উপদ্বীপ, মেডিটারিয়ান সমুদ্র সংলগ্ন দুই মহাদ্বীপ সিসিলীসারদিনিয়া এবং আরো অনেক ছোট ছোট দ্বীপে পরিবেষ্টিত। সান মারিনোভ্যাটিক্যান সিটি নামের দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র ইতালি অধিভুক্ত, অপরদিকে কাম্পিওনে দি'ইতালিয়া বহির্ভূত সুইজারল্যান্ড ধারন করেছে। ইতালীর সীমানাক্ষেত্রটি প্রায় ৩,০১,৩৩৮ বর্গ কিলোমিটার (১,১৬,৩৪৬ বর্গ মাইল) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। ঋতুময় ইতালীয় জলবায়ু নাতিশীতোঞ্চ। ৬০•৬ মিলিয়ন (সাড়ে ষাট লক্ষের উপরে) অধিবাসী সম্বলিত ইতালি জনসংখ্যার দিকে ইউরোপে পঞ্চম ও বিশ্বে ২৩তম জনবহুল দেশ। এর রাজধানী রোম (ইতালীয় শব্দ রোমা) শহর। শতাব্দীর পশ্চিমা সভ্যতায় রোমান সাম্রাজ্যের রাজনৈতিক কেন্দ্রস্থল হওয়ার কারনে এটিকে রাজধানী করা হয়। এর অবনতির পর, ইতালি বহুসংখ্যক ভিনদেশী, জার্মানিক উপজাতি যেমন লোম্বার্ডসওস্ট্রুগোথস থেকে শুরু করে বাইজান্টাইন্স এবং পরবর্তীতে নর্মান্স, সাথে আরো অনেকের অনুপ্রবেশ সহ্য করেছে। পরবর্তী শতাব্দী রেনেসাঁর[৪] জন্মভূমি হয়ে উঠে। ইতালির অখণ্ড আকারের পরবর্তীকালীন ইউরোপীয় বুদ্ধিদীপ্ত গতিবিধি ও চিন্তা ধারণা ব্যাপকভাবে উর্বরতা পায়।
রোমানোত্তর ইতিহাসে যদিও ইতালি অনেক রাজ্য ও শহরে বিভক্ত ছিলো - সারদিনিয়া রাজ্য, দুই সিসিলিয়া রাজ্য, ডাচি অব মিলান কিন্তু ১৮৬১ সালে একীভূত হয়,[৫] ইতিহাসের এক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে, যা “ইল রিসরজিমেন্ত” (পুনরুত্থান) নামে পরিচিত। ১৯ শতকের শেষের দিকে, ১ম বিশ্বযুদ্ধ থেকে ২য় বিশ্বযুদ্ধকালীন ইতালি ঔপনিবাশিক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে। এর শাসন লিবিয়া, ইরিথ্রিয়া, সোমালিয়া, ইথোপিয়া, আলবেনিয়া, ডোডেকানিস পর্যন্ত বর্ধিত করে ও চীনের তিয়াঞ্জিন শহরও এতে সম্মতি প্রদান করে।[৬]

বর্তমান ইতালি একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এটাকে বিশ্বের ২৩তম উন্নত দেশ হিসেবে গণনা করা হয়[৭] ও জীবনের মান নির্দেশ বিচারে বিশ্বের সেরা দশে ইহার স্থান।[৮] ইতালিয়ানরা খুব উন্নত জীবন-যাপনে অভ্যস্ত এবং প্রতি কাপিটাতে আছে উচ্চ নমিনাল জিডিপি[৯][১০] ইতালি হচ্ছে ইউরোপিয়া ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এটি ইউরোজোনেরও একটি অংশ। এছাড়াও এটির জি৮, জি২০ এবং ন্যাটোর সদস্যপদ রয়েছে। ইতালির রয়েছে বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম নমিনাল জিডিপি, দশম উচ্চতর জিডিপি (পিপিপি))[১১] এবং ষষ্ঠ বৃহত্তম সরকারি বাজেট[১২] এটি অরগানাইজেশন ফর ইকনোমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন, কাউন্সিল অব ইউরোপ, ওয়েস্টার্ন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং ইউনাইটেড ন্যাশন্সের সদস্য। ইতালির রয়েছে বিশ্বের নবম বৃহত্তম ডিফেন্স বাজেট এবং ন্যাটো নিউক্লিয়ার সরঞ্জামের অংশীদারিত্ব। ইতালির ইউরোপীয় ও পৃথিবীব্যাপী সামরিক, সাংস্কৃতিক এবং কূটনৈতিক সম্পর্কে বিশাল ভূমিকা পালন করে। ইউরোপীয় রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক প্রভাব দেশটিকে দিয়েছে আঞ্চলিক শক্তি। দেশটির রয়েছে সরকারি উচ্চ শিক্ষা কাঠামো ও উচ্চ বিশ্বায়িত জাতি।[১৩]

সূচিপত্র

[সম্পাদনা] ইতিহাস

টেমপ্লেট:প্রধান

[সম্পাদনা] ব্যুৎপত্তি

“ইতালিয়া” (Italia) নামের ব্যুৎপত্তিটির অনেক সংখ্যক পুর্বধারণা আছে এবং এর সমাধানের পথ নিয়ে ইতিহাসবিদরা ও ভাষাবিদরা বিস্তৃত ধারণা দিয়েছেন।[১৪] অনেকগুলো বর্ণনা থেকে অন্যতম ব্যাখ্যা হলো, ইতালিয়া শব্দটি ল্যাটিনঃ ইতালিয়া থেকে এসেছে,}},[১৫] যা গ্রিক শব্দ ওসকান (Oscan); Víteliú; যার অর্থ দাঁড়ায় “ছোট গবাদিপশুদের চারণভূমি” (land of young cattle) (cf. Lat vitulus "calf", Umb vitlo "calf"); থেকে ধার করা হয়েছে।.[১৬] ষাঁড় ছিলো একটি দক্ষিণ ইতালীয় উপজাতির প্রতীক এবং স্বাধীন ইতালির সামনিট যুদ্ধের সময় রোমান উদ্ধত নেকড়েকে রক্তাক্ত করে বলে প্রায়ই শোনা যায়। গ্রিক ইতিহাসবিদ ডিওনিসিয়াস অব হালিকারনাসাস এর মতে, লোককাহিনীর বরাত দিয়ে তিনি ইতালিকে ইটালুস (Italus) আখ্যা দেন,[১৭] এরিস্টটল[১৮]থুসিদিদেসও (Thucydides)[১৯] একই মত দেন। ইতালি নামটি প্রকৃত অর্থে বর্তমান দক্ষিণ ইতালির জন্য প্রযোজ্য যা এন্টিওচুস অব সাইরাকাস এর মতে, ব্রুত্তিউম উপদ্বীপের দক্ষিণভাগ (বর্তমান কালাব্রিয়া)। তার সময়ে ইতালি ও এনোট্রিয়া (Oenotria) সমার্থক ছিল। এটি লুকানিয়ার কিছু অঞ্চলের জন্যও ব্যবহৃত হত। যা বৃহত্তর অঞ্চলের জন্য গ্রিকরা ইতালিয়াতে ধীরে ধীরে প্রচলন করেন কিন্তু পুরো উপদ্বীপ রোমানরা জয়লাভের আগ পর্যন্ত এর ব্যাপকতা ছিল না।[২০]

[সম্পাদনা] প্রাক্‌-ইতিহাস ও প্রাচীন রোম

৭০-৮০ খ্রিষ্টাব্দে রোমের কলসিউমটি স্থাপিত হয়

দুই লক্ষ বছর আগের পিলিওলিথিক যুগেও (Paleolithic period) সমগ্র ইতালি জুড়ে আধুনিক সভ্য মানুষের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।[২১] রোমান পূর্ববর্তী ইতালীয় জাতিসমূহ যেমন উম্ব্রিয়ান, ল্যাটিন (যারা রোমানদের কাছ থেকে আবির্ভূত হয়েছিলো), ভোস্কি, সামনিট, চেলটিক এবং লিগুইররা ছিলো ইতালির উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দা, অনেকে ছিলো ইন্দো-ইউরোপীয় গোত্রের; তবে মূল ঐতিহাসিক মানুষগুলো ছিলো উত্তরাধিকার সূত্রে ইট্রুষ্কান, ইলিমিয়ানসিসিলীয় সিকানী এবং প্রাক-ঐতিহাসিক সার্দিনিয়ান গোত্রের।

খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তাদশ থেকে একাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী কোন এক সময়ে মাইসেনিয়ান গ্রীকরা ইতালির সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে[২২][২৩][২৪][২৫][২৬][২৭][২৮] এবং খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম ও সপ্তম শতাব্দীতে গ্রীকরা সিসিলীয়ার উপকূলের পুরো জায়গা জুড়ে ও ইতালি উপদ্বীপের (Peninsula) দক্ষিণ অংশে মানিয়া গ্রেয়েসিয়া নামে উপনিবেশিক বসতি (Greek Colony) গড়ে তোলে। এদের সাথে ফোনেসিয়ানরাও (Phoenicians) সারদিনিয়াসিসিলিয় উপকূলে বসতি নিবাস স্থাপন করে। আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দীতে প্রাচীন রোমে একটি ক্ষুদ্র কৃষি গোষ্ঠী গড়ে উঠেছিলো। পুরো শতাব্দী জুড়ে মেডিটারিয়ান সাগর বেষ্টিত কলোসাল সাম্রাজ্য, যেখানে আদি গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির সমন্বয়ে এক নতুন সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো। এই সভ্যতার একটি অংশ বর্তমান আইন, প্রশাসন, দর্শন, এবং কলা'র মধ্যেই টিকে আছে পশ্চিমীয় সভ্যতার মূল ভিত্তি হিসেবে। চতুর্থ শতাব্দীর শেষের দিক হতে ৩৯৫ খ্রিষ্টাব্দে রোম সাম্রাজ্যকে শেষ পর্যন্ত দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়ঃ পশ্চিমা সভ্যতা (ওয়েস্টার্ন সিভিলাইজেশন) ও প্রাচ্য সভ্যতা (ইস্টার্ন সিভিলাইজেশন)। পূর্ব ইউরোপের ফ্রাঙ্ক (সাধাসিধে উপজাতি), ভ্যান্ডল (ধ্বংসকারী উপজাতি), হুন, গোথ (বর্বর উপজাতি) এবং অন্যান্যদের জনসংখ্যাধিক্যে পশ্চিমাভাগ পরিশেষে বিলুপ্ত হয় ও ইতালীয় উপদ্বীপ ত্যাগের মাধ্যমে একটি ছোট স্বাধীন রাজ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং পরবর্তী ১৩০০ বছরে নগর রাজ্যগুলোতে কলহ, দ্বন্দ্ব লেগে ছিলো। শুধুমাত্র প্রাচ্যরাই (বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যই) রোমান সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়ে উঠে।

[সম্পাদনা] মধ্যযুগ

৬ষ্ট শতাব্দীতে বাইজান্টাইন সম্রাট ১ম জাস্টিনিয়ান ওস্ট্রুগথদের হাত থেকে ইতালী পুনরায় জয় করেন। একই শতাব্দীর শেষের দিকে লোম্বার্ডদের ও জার্মানীয় উপজাতিদের অধিক্রমণে বাইজান্টানদের এক্সারচ্যাট অব রেভান্না-সহ দক্ষিণ ইতালীর অন্যান্য অংশে উপস্থিতি কমতে শুরু করে। লোম্বার্ডদের শাসনামলে ৮ম শতাব্দীর শেষ ভাগে ফ্রাঙ্কিস সাম্রাজ্যের চার্লম্যাগন উত্তর ও ইতালির মধ্যভাগের বেশিরভাগ এলাকা শাষিত হয়। ফ্রাঙ্কিস রাজা মধ্য ইতালির রোম থেকে রেভান্না পর্যন্ত বিস্তৃত করে পোপকে একটি যথাযথ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সাহায্যও করেছিলেন যদিও তিনি মধ্যযুগের, বর্তমান লাত্‌জিও শহর, বেশিরভাগ সময় নিয়ন্ত্রণে ছিলেন। ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইতালীয় রাজনীতি জার্মান পবিত্র রোমান সম্রাট এবং পোপ কর্তৃক বেশিরভাগ ইতালীয় রাষ্ট্রগুলো শাসিত হয় ক্ষণস্থায়ী নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে। কর্তৃত্ব শুন্য অত্যাবশরে ইতালীয় অঞ্চল সিনোরীয়া ও মিদীয়েভাল কম্যুনের মতন প্রতিষ্ঠান গজিয়ে উঠতে দেখা দেখেছে। ইতালীয় মিদীয়েভাল নগর- রাষ্ট্রে প্রায়ই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করত, যারফলে বেশিরভার মানুষই চাইত এমন একজন মানুষ যিনি নিয়ম নীতি পুনরায় অধিষ্ঠিত করতে পারেন এবং ব্যক্তি, পরিবার, বংশগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাত কমাতে সক্ষম হবেন। বহুসংখ্যক যুদ্ধের ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পর, ইতালি বিশেষত উত্তরে, নগর সভ্যতা ধরে রাখে, যা পরবর্তীতে স্বতন্ত্রতার মধ্য দিয়ে বাণিজ্যিক প্রজাতন্ত্র বিকশিত হয়। নগররাষ্ট্র ছিল বাস্তবে বণিক শাসকগোষ্ঠীরা যার তত্ত্বাবধানে প্রাতিষ্ঠানিক এবং শৈল্পিক অগ্রগতি প্রতিপালিত হত।

[সম্পাদনা] রাজনীতি

[সম্পাদনা] প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ

[সম্পাদনা] ভূগোল

[সম্পাদনা] জনসংখ্যা

[সম্পাদনা] সংস্কৃতি

[সম্পাদনা] আরও দেখুন

[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র

  1. (ইতালীয়) Monthly demographic balance: January–April 2010. প্রকাশক: Istat. 15 September 2010. http://www.istat.it/salastampa/comunicati/non_calendario/20100915_00/testointegrale20100915.pdf। সংগৃহীত হয়েছে: 19 September 2010. 
  2. ২.০ ২.১ ২.২ ২.৩ World Economic Outlook Database, April 2010. প্রকাশক: International Monetary Fund. http://www.imf.org/external/pubs/ft/weo/2010/01/weodata/weorept.aspx?sy=2007&ey=2010&scsm=1&ssd=1&sort=country&ds=.&br=1&c=136&s=NGDPD%2CNGDPDPC%2CPPPGDP%2CPPPPC%2CLP&grp=0&a=&pr.x=54&pr.y=1। সংগৃহীত হয়েছে: 21 April 2010. 
  3. Distribution of family income - Gini index. প্রকাশক: CIA - The World Factbook. https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/geos/it.html। সংগৃহীত হয়েছে: 9 July 2010. 
  4. Italy: Birthplace of the Renaisssance. European Rennaisance and Reformation. প্রকাশক: Immaculate Heart Academy. (Township of Washington, NJ). [n.d.]. http://www.immaculateheartacademy.org/outside2/socialstudies/kuhns/1%20Italy%20Birthplace%20of%20the%20Renaissance.pdf। সংগৃহীত হয়েছে: 20 December 2009 .[অনির্ভরযোগ্য উৎস?]
  5. Unification of Italy. প্রকাশক: Library.thinkquest.org. 4 April 2003. http://library.thinkquest.org/TQ0312582/unification.html। সংগৃহীত হয়েছে: 19 November 2009. 
  6. The Italian Colonial Empire. প্রকাশক: All Empires. http://www.allempires.com/article/index.php?q=italian_colonial। সংগৃহীত হয়েছে: 30 October 2010. 
  7. Human Development Report 2010. The United Nations. Retrieved 5 October 2009.
  8. The Economist Intelligence Unit’s quality-of-life index, Economist, 2005
  9. Report for Selected Countries and Subjects. প্রকাশক: Imf.org. 14 September 2006. http://imf.org/external/pubs/ft/weo/2009/02/weodata/weorept.aspx?pr.x=26&pr.y=9&sy=2009&ey=2009&scsm=1&ssd=1&sort=country&ds=.&br=1&c=512%2C941%2C914%2C446%2C612%2C666%2C614%2C668%2C311%2C672%2C213%2C946%2C911%2C137%2C193%2C962%2C122%2C674%2C912%2C676%2C313%2C548%2C419%2C556%2C513%2C678%2C316%2C181%2C913%2C682%2C124%2C684%2C339%2C273%2C638%2C921%2C514%2C948%2C218%2C943%2C963%2C686%2C616%2C688%2C223%2C518%2C516%2C728%2C918%2C558%2C748%2C138%2C618%2C196%2C522%2C278%2C622%2C692%2C156%2C694%2C624%2C142%2C626%2C449%2C628%2C564%2C228%2C283%2C924%2C853%2C233%2C288%2C632%2C293%2C636%2C566%2C634%2C964%2C238%2C182%2C662%2C453%2C960%2C968%2C423%2C922%2C935%2C714%2C128%2C862%2C611%2C716%2C321%2C456%2C243%2C722%2C248%2C942%2C469%2C718%2C253%2C724%2C642%2C576%2C643%2C936%2C939%2C961%2C644%2C813%2C819%2C199%2C172%2C184%2C132%2C524%2C646%2C361%2C648%2C362%2C915%2C364%2C134%2C732%2C652%2C366%2C174%2C734%2C328%2C144%2C258%2C146%2C656%2C463%2C654%2C528%2C336%2C923%2C263%2C738%2C268%2C578%2C532%2C537%2C944%2C742%2C176%2C866%2C534%2C369%2C536%2C744%2C429%2C186%2C433%2C925%2C178%2C746%2C436%2C926%2C136%2C466%2C343%2C112%2C158%2C111%2C439%2C298%2C916%2C927%2C664%2C846%2C826%2C299%2C542%2C582%2C443%2C474%2C917%2C754%2C544%2C698&s=NGDPDPC&grp=0&a=। সংগৃহীত হয়েছে: 2 August 2010. 
  10. DDP Quick Query. প্রকাশক: Ddp-ext.worldbank.org. 20 July 2004. http://ddp-ext.worldbank.org/ext/DDPQQ/member.do?method=getMembers&userid=1&queryId=135। সংগৃহীত হয়েছে: 2 August 2010. 
  11. Report for Selected Countries and Subjects. প্রকাশক: Imf.org. 14 September 2006. http://www.imf.org/external/pubs/ft/weo/2009/01/weodata/weorept.aspx?sy=2008&ey=2008&scsm=1&ssd=1&sort=country&ds=.&br=1&c=512%2C941%2C914%2C446%2C612%2C666%2C614%2C668%2C311%2C672%2C213%2C946%2C911%2C137%2C193%2C962%2C122%2C674%2C912%2C676%2C313%2C548%2C419%2C556%2C513%2C678%2C316%2C181%2C913%2C682%2C124%2C684%2C339%2C273%2C638%2C921%2C514%2C948%2C218%2C943%2C963%2C686%2C616%2C688%2C223%2C518%2C516%2C728%2C918%2C558%2C748%2C138%2C618%2C196%2C522%2C278%2C622%2C692%2C156%2C694%2C624%2C142%2C626%2C449%2C628%2C564%2C228%2C283%2C924%2C853%2C233%2C288%2C632%2C293%2C636%2C566%2C634%2C964%2C238%2C182%2C662%2C453%2C960%2C968%2C423%2C922%2C935%2C714%2C128%2C862%2C611%2C716%2C321%2C456%2C243%2C722%2C248%2C942%2C469%2C718%2C253%2C724%2C642%2C576%2C643%2C936%2C939%2C961%2C644%2C813%2C819%2C199%2C172%2C184%2C132%2C524%2C646%2C361%2C648%2C362%2C915%2C364%2C134%2C732%2C652%2C366%2C174%2C734%2C328%2C144%2C258%2C146%2C656%2C463%2C654%2C528%2C336%2C923%2C263%2C738%2C268%2C578%2C532%2C537%2C944%2C742%2C176%2C866%2C534%2C369%2C536%2C744%2C429%2C186%2C433%2C925%2C178%2C746%2C436%2C926%2C136%2C466%2C343%2C112%2C158%2C111%2C439%2C298%2C916%2C927%2C664%2C846%2C826%2C299%2C542%2C582%2C443%2C474%2C917%2C754%2C544%2C698&s=PPPGDP&grp=0&a=&pr.x=9&pr.y=12। সংগৃহীত হয়েছে: 2 August 2010. 
  12. CIA World Factbook, Budget. প্রকাশক: Cia.gov. https://www.cia.gov/library/publications/the-world-factbook/fields/2056.html। সংগৃহীত হয়েছে: 26 January 2011. 
  13. KOF – Pressemitteilung (PDF). http://globalization.kof.ethz.ch/static/pdf/press_release_2009_en.pdf। সংগৃহীত হয়েছে: 27 October 2009. 
  14. Alberto Manco, Italia. Disegno storico-linguistico, 2009, Napoli, L'Orientale, ISBN 978-88-95044-62-0
  15. OLD, p. 974: "first syll. naturally short (cf. Quint.Inst.1.5.18), and so scanned in Lucil.825, but in dactylic verse lengthened metri gratia."
  16. J.P. Mallory and D.Q. Adams, Encyclopedia of Indo-European Culture (London: Fitzroy and Dearborn, 1997), 24.
  17. Dionysius of Halicarnassus, Roman Antiquities, 1.35, on LacusCurtius
  18. Aristotle, Politics, 7.1329b, on Perseus
  19. Thucydides, The Peloponnesian War, 6.2.4, on Perseus
  20. Pallottino, M., History of Earliest Italy, trans. Ryle, M & Soper, K. in Jerome Lectures, Seventeenth Series, p. 50
  21. Kluwer Academic/Plenum Publishers 2001, ch. 2. ISBN 0-306-46463-2.
  22. The Mycenaeans and Italy: the archaeological and archaeometric ceramic evidence, University of Glasgow, Department of Archaeology
  23. Emilio Peruzzi, Mycenaeans in early Latium, (Incunabula Graeca 75), Edizioni dell'Ateneo & Bizzarri, Roma, 1980
  24. Lord William Taylour, Mycenaean Pottery in Italy and Adjacent Areas (Cambridge 1958)
  25. Gert Jan van Wijngaarden, Use and Appreciation of Mycenaean Pottery in the Levant, Cyprus and Italy (1600-1200 B.C.): The Significance of Context, Amsterdam Archaeological Studies, Amsterdam University Press, 2001
  26. Andrea Vianello, Late Bronze Age Mycenaean and Italic Products in the West Mediterranean: A Social and Economic Analysis, (British Archaeological Reports International Series), British Archaeological Reports
  27. Miriam S. Balmuth, Robert J. Rowland, Studies in Sardinian archaeology, University of Michigan Press, 1984
  28. Bryan Feuer, Mycenaean civilization: an annotated bibliography through 2002, McFarland & Company; Rev Sub edition (2 March 2004)

[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ

দেশের প্রোফাইল
সাধারণ
সরকার
জনগণ প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব হাতিয়ারসমূহ
নামস্থান

বিকল্পসমূহ
কার্যক্রম
পরিভ্রমন
মুদ্রণ/এক্সপোর্ট
সরঞ্জাম
অন্যান্য ভাষাসমূহ