পাল রাজবংশ (কামরূপ)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কামরূপ রাজ্য

পাল রাজবংশ
৯৯০ খ্রিষ্টাব্দ–১১৩৮ খ্রিষ্টাব্দ
রাজধানীদুর্জ্জয়া (বর্তমানের গুয়াহাটি)
ধর্ম
হিন্দু ধর্ম
সরকারMonarchy
মহারাজাধিরাজা 
ইতিহাস 
• প্রতিষ্ঠা
৯৯০ খ্রিষ্টাব্দ
• বিলুপ্ত
১১৩৮ খ্রিষ্টাব্দ
পূর্বসূরী
উত্তরসূরী
শালস্তম্ভ রাজবংশ
কাছাড়ি রাজ্য
চুতীয়া রাজ্য
খেন রাজবংশ
আহোম রাজবংশ

পাল রাজবংশ (ইংরেজি: Pala dynasty (Kamarupa)) আনুমানিক ৯৯০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১১৩৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত কামরূপ রাজ্য রাজত্ব করেছিল। শালস্তম্ভ বংশের শেষ রাজা ত্যাগ সিংহের সন্তান-সন্ততি না থাকায় সেই বংশ লোপ পেয়েছিল।[১] প্রজাগণ ব্রহ্মপাল নামক পুরানো নরক বংশীয় একজন রাজকুমারকে রাজা মনোনীত করেছিল।[১] বঙ্গীয় পাল রাজবংশের মত তাদেরও প্রথম রাজা নির্বাচিত করা হয়েছিল। বঙ্গীয়র পাল রাজবংশ বৌদ্ধ ধর্মী ছিল। অন্যদিকে, কামরূপ রাজ্য রাজত্ব করা পাল রাজবংশ হিন্দু ছিল।

রাজাগণ[সম্পাদনা]

ক্রম রাজা কার্য্যকাল (খ্রিষ্টাব্দ)
ব্রহ্মপাল ৯৯০ - ১০১০
রত্নপাল ১০১০ – ১০৪০
ইন্দ্রপাল ১০৪০ - ১০৬৫
গোপাল ১০৬৫ - ‍১০৮০
হর্ষপাল ১০৮০ - ১০৯৫
ধর্মপাল ১০৯৫ - ১১২০
জয়পাল ১১২০ - ১১৩৮

বৃদ্ধকালে ব্রহ্মপাল সন্ন্যাস গ্রহণ করেন এবং পিতার ইচ্ছা অনুসারে পুত্র রত্নপাল কামরূপের রাজা হন। রত্নপালের পর এক নাতি ইন্দ্রপাল এবং ক্রমে গোপাল, হর্ষপাল, ধর্মপাল রাজা হন। রাজা হয়ে ধর্মপাল রাজধানী প্রাগজ্যোতিষপুর থেকে কামরূপ নগরে নিয়ে যান।[২] ধর্মপালের পর তার পুত্র জয়পাল রাজা হন।

পাল বংশর পতন[সম্পাদনা]

গৌড়ের রাজা রামপাল জয়পাল রাজার সময়ে কামরূপ রাজ্য আক্রমণ করেন। এর পরেই কামরূপ রাজ্যে পাল রাজবংশের পতন ঘটে।পাল সাম্রাজ্যের পতন ঘটলে সেন সাম্রাজ্যের উন্মেষ ঘটে।বিজয় সেন পাল রাজবংশের শেষ রাজা মদন পালকে তার রাজধানী গৌড় থেকে বিতাড়িত করেন। মদন পাল উত্তর বঙ্গে পলায়ন করেন। এবং পরবর্তী আট বছর সেখানে পাল বংশের শাসন কায়েম রাখেন। ১১৫২-৫৩ খ্রীস্টাব্দে মদন পালের মৃত্যুর পর বিজয় সেন সমগ্র উত্তরবঙ্গ অধিকার করে নেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ভূপেন্দ্র নাথ চৌধুরী (১৯৯৫)। সোণর অসম। খগেন্দ্রনারায়ণ দত্তবরুয়া, লয়ার্স বুক স্টল। পৃষ্ঠা ২১। 
  2. শান্তনু কৌশিক বরুয়া (২০১৫)। অসম ইয়ের বুক ২০১৬। গুয়াহাটি: জ্যোতি প্রকাশন। 

গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]

  • Sircar, D. C. The Bhauma-Naraka or the Pala Dynasty of Brahmapala, The Comprehensive History of Assam, ed H. K. Barpujari, Guwahati, 1990.