পত্নীতলা উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পত্নীতলা
উপজেলা
নওগাঁ জেলার মানচিত্র.svg
পত্নীতলা বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
পত্নীতলা
পত্নীতলা
বাংলাদেশে পত্নীতলা উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°২′৫১″ উত্তর ৮৮°৪৪′১৩″ পূর্ব / ২৫.০৪৭৫০° উত্তর ৮৮.৭৩৬৯৪° পূর্ব / 25.04750; 88.73694স্থানাঙ্ক: ২৫°২′৫১″ উত্তর ৮৮°৪৪′১৩″ পূর্ব / ২৫.০৪৭৫০° উত্তর ৮৮.৭৩৬৯৪° পূর্ব / 25.04750; 88.73694 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগরাজশাহী বিভাগ
জেলানওগাঁ জেলা
আয়তন
 • মোট৩৮২.৩৯ কিমি (১৪৭.৬৪ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট২,২৯,৮৮০
 • জনঘনত্ব৬০০/কিমি (১৬০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৬৭%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৬৫৪০ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

পত্নীতলা উপজেলা বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

পত্নীতলা উপজেলার পশ্চিম-উত্তরে ভারতের পশ্চিম বঙ্গ , পূর্বে ধামইরহাট উপজেলা এবং বদলগাছী উপজেলা , দক্ষিণে মহাদেবপুর উপজেলা এবং পশ্চিমে সাপাহার উপজেলা অবস্থিত।

ইউনিয়ন সমূহ[সম্পাদনা]

১। পত্নীতলা ইউনিয়ন

২। নির্মইল ইউনিয়ন

৩। দিবর ইউনিয়ন

৪। আকবরপুর ইউনিয়ন

৫। মাটিন্দর ইউনিয়ন

৬। কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন

৭। পাটিচরা ইউনিয়ন

৮। নজিপুর ইউনিয়ন

৯। ঘোষনগর ইউনিয়ন

১০। আমাইড় ইউনিয়ন

১১। শিহাড়া ইউনিয়ন।

[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৭৯৩ সালে পত্নীতলা অবিভক্ত দিনাজপুর জেলার থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।[৩]

নামকরণ[সম্পাদনা]

পত্তনীতোলা,পাঠানতোলা কিংবা পাটনীতোলা ক্রমশ রূপান্তরিত হয়ে বর্তমানে পত্নীতলা নামটি সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নাম করনের পিছনে অনেক জনশ্রুতি রয়েছে। কথিত আছে পাঠান রাজত্বকালে বরেন্দ্র এলাকার অনেক পরগণা পাঠান জামিদারদের অধীন ছিল। পাঠান নৃপত্তি বা রাজ কর্মচারীগণ বর্তমান পত্নীতলা বাজারে অবস্থান করে জমি পত্তন দেওয়ার কাজ সমাধা করতেন। পত্তন শব্দ থেকে পত্তনী এবং ক্রমে পত্তনীতোলা বা পাঠানতোলা নামে এতদঞ্চলে অভিহিত হতে থাকে।তাছাড়া কথিত আছে যে,তাহির রাজবংশে জনৈক পূর্ব পুরুষ শ্যযুক্ত কংশ নারায়ন তাহিরপুরের এক মুসলমান জমিদারের নিকট থেকে পরগনা কেড়ে নিয়ে একটি কালি মন্দির পত্তন করে। অপরাপর হিন্দু জমিদার ও এ মন্দিরের নামে জমি পত্তন দিতেন ক্রমে জায়গাটি পত্তনীতোলা নামে পরিচিত হয়। এছাড়া জনশ্রুতি রয়েছে যে,পাঠান শাসন আমলে আত্রাই নদীতে খেয়া পারাপারের জন্য সুদুর বিহারের দার ভাংগা থেকে কিছু সংখ্যাক পাটনী সম্প্রদায়ের লোক এসে বসবাসের জন্য একটি টোল বা মহলা স্থাপন করে এবং এলাকার নাম পাটনীটোলা বলে অভিহিত হয়। উলেখ্য যে,পাটনী সম্প্রদায়ের কিছু লোক এখন ও আত্রাই নদীতে খেয়া পারাপারের কাজে নিয়োজিত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছে।মোট কথা পত্নীতলা উপজেলার নামের মধ্যেই প্রকৃত ইতিহাস লুকায়ে রয়েছে।

[৪]

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

জনসংখ্যা                              :২,২৯,৮৮০ জন,

পুরুষ :১,১৫,৭৬০জন,

মহিলা :১,১৪,১২০জন ,

লোক সংখ্যার ঘনত্ব : ৬০৭ (প্রতি বর্গ কিলোমিটার)

মোট ভোটার সংখ্যা : ১,৫১,১১৪ জন

পুরুষ ভোটার সংখ্যা : ৭৪,৮৬০ জন

মহিলা ভোটার সংখ্যা : ৭৬,২৫৪জন

বাৎসরিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার : ০১%

শিক্ষা[সম্পাদনা]

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় : ৮২টি

বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় : ৪১ টি

কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় : ০৬টি

জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় : ৬ টি

উচ্চ বিদ্যালয় (সহ শিক্ষা) : ৩৩টি

উচ্চ বিদ্যালয় (বালিকা)সহ শিক্ষা) : ৩টি

দাখিল মাদ্রাসা : ২৮টি

আলিম মাদ্রাসা : ২টি

ফাজিল মাদ্রাসা : ৭টি

কামিল মাদ্রাসা : --

কলেজ (সহ পাঠ) : ৩টি

কলেজ (বালিকা) : ১টি

কারিগরী কলেজ : ৪টি

শিক্ষার হার : ৬৭% [৫]

পত্নীতলা ইউনিয়নসমূহ[সম্পাদনা]

পত্নীতলায় ১১ টি ইউনিয়ন পরিষদ আছে।

  • নজিপুর ইউনিয়ন পরিষদ
  • পত্নীতলা ইউনিয়ন পরিষদ
  • নির্মইল ইউনিয়ন পরিষদ
  • দিবর ইউনিয়ন পরিষদ
  • মাটিন্দর ইউনিয়ন পরিষদ
  • আকবরপুর ইউনিয়ন পরিষদ
  • পাটিচরা ইউনিয়ন পরিষদ
  • আমাইড় ইউনিয়ন পরিষদ
  • কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদ
  • শিহাড়া ইউনিয়ন পরিষদ
  • ঘোষনগর ইউনিয়ন পরিষদ

পৌরসভা[সম্পাদনা]

নজিপুর পৌরসভা (২০১৪)

ঐতিহাসিক স্থানসমূহ[সম্পাদনা]

  • উমরপুর মাজার শরীফ। দিবর দীঘির পাশে অবস্থিত ।
  • দিব্যক জয়স্তম্ভ, পত্নীতলা থানার দিবর দীঘির মধ্যস্থলে অবস্থিত। এ দীঘি স্থানীয় জনগনের কাছে কর্মকারের জলাশয় নামে পরিচিত।
  • কাঞ্চন মাজার শরীফ
  • গাহন মাজার শরীফ
  • হাজী সাহেবের মাজার শরীফ, সুবল ডাঙ্গা।
  • ডাসনগর মলংশাহ মাজার

ব্যবসা ও বাণিজ্য[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে পত্নীতলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১৪ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৯ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  3. ধনঞ্জয় রায়, দিনাজপুর জেলার ইতিহাস, কে পি বাগচী অ্যান্ড কোম্পানি কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ২০০৬, পৃষ্ঠা ২১১
  4. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৪ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  5. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৭ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]