ক্ষেতলাল উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ক্ষেতলাল
উপজেলা
ক্ষেতলাল বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ক্ষেতলাল
ক্ষেতলাল
বাংলাদেশে ক্ষেতলাল উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৫°১′ উত্তর ৮৯°৮′ পূর্ব / ২৫.০১৭° উত্তর ৮৯.১৩৩° পূর্ব / 25.017; 89.133স্থানাঙ্ক: ২৫°১′ উত্তর ৮৯°৮′ পূর্ব / ২৫.০১৭° উত্তর ৮৯.১৩৩° পূর্ব / 25.017; 89.133 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগরাজশাহী বিভাগ
জেলাজয়পুরহাট জেলা
আয়তন
 • মোট১৪২.৬ কিমি (৫৫.১ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট১,১৫,৮৭১[১]
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৫০ ৩৮ ৬১
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট Edit this at Wikidata

ক্ষেতলাল উপজেলা বাংলাদেশের জয়পুরহাট জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

এই উপজেলার উত্তরে পাঁচবিবি উপজেলা, পূর্বে কালাই উপজেলাবগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিনে আক্কেলপুর উপজেলাবগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলা ও পশ্চিমে জয়পুরহাট সদর উপজেলা[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৭৯৩ সালে ক্ষেতলাল অবিভক্ত দিনাজপুর জেলার থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।[২]

ভৌগোলিক উপাত্ত[সম্পাদনা]

ভাষা ও সংষ্কৃতি[সম্পাদনা]

সবাই বাংলা ভাষায় কথা বলে। অত্র ইউনিয়নের অধিকাংশই মুসলিম, তবে কিছু সংখ্যক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর লোকও রয়েছে।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

ইউনিয়ন সমূহ

  • আলমপুর ইউনিয়ন
  • তুলশীগংগা ইউনিয়ন (অবলুপ্ত ক্ষেতলাল সদর)
  • বড়তারা ইউনিয়ন
  • বড়াইল ইউনিয়ন
  • মামুদপুর ইউনিয়ন [৩]

স্বাস্থ্য[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

মাধ্যমিক শিক্ষায় মেয়েরা এগিয়ে আছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

কৃষি[সম্পাদনা]

এখানে প্রচুর পরিমাণ আলু ও ধান উৎপাদিত হয়। এই থানায় উৎপাদিত ফসল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

সারা বাংলাদেশের প্রায় এক তৃতীয়াংশ আলুর চাহিদা এখান থেকে যোগান দেওয়া হয়ে থাকে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

কৃতি ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনা[সম্পাদনা]

১. হিন্দা মসজিদ ২.আছরাঙ্গা দিঘী ৩. বিলের ঘাট(রাখালীয়া ব্রীজ) ৪. উপজেলা চত্বর ৫. বিনাই বড়াইল ধানের ক্ষেত তুলসিগঙ্গা ও হারাবতি নদী

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. "এক নজরে ক্ষেতলাল"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। জুন ২০১৪। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৪ 
  2. ধনঞ্জয় রায়, দিনাজপুর জেলার ইতিহাস, কে পি বাগচী অ্যান্ড কোম্পানি কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ২০০৬, পৃষ্ঠা ২১১
  3. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "ইউনিয়ন সমূহ"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]