সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর Nobel prize medal.svg
সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর.png
সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর
দেশীয় নামசுப்பிரமணியன் சந்திரசேகர்
জন্ম(১৯১০-১০-১৯)১৯ অক্টোবর ১৯১০
মুম্বাই, ভারত
মৃত্যু২১ আগস্ট ১৯৯৫(1995-08-21) (বয়স ৮৪)
শিকাগো, ইলিনয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
বাসস্থানব্রিটিশ ভারত (১৯১০-১৯৩০), ব্রিটেন (১৯৩০-১৯৩৭), যুক্তরাষ্ট্র (১৯৩৭-১৯৯৫)
জাতীয়তাব্রিটিশ ভারত (১৯১০-১৯৪৭), ভারত (১৯৪৭-১৯৫৩), যুক্তরাষ্ট্র (১৯৫৩-১৯৯৫)
কর্মক্ষেত্রজ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান
প্রতিষ্ঠানশিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়
প্রাক্তন ছাত্রট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজ
প্রেসিডেন্সি কলেজ, মাদ্রাজ
পিএইচডি উপদেষ্টারাল্‌ফ এইচ ফাউলার
আর্থার স্ট্যানলি এডিংটন
পিএইচডি ছাত্ররাডোনাল্ড এডওয়ার্ড অস্টারব্রক
পরিচিতির কারণচন্দ্রশেখর সীমা
উল্লেখযোগ্য
পুরস্কার
নোবেল পুরস্কার.png পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার (১৯৮৩)
কপলি মেডেল (১৯৮৪)
ন্যাশনাল মেডেল অফ সাইন্স (১৯৬৭)
পদ্মবিভূষণ (১৯৬৮)
স্বাক্ষর

সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর (তামিল: சுப்பிரமணியன் சந்திரசேகர்) (আইপিএ: [ˌtʃʌn.dɹʌ.ˈʃe(ɪ).kɑɹ]) (জম্ন: ১৯ অক্টোবর ১৯১০- মৃত্যু: ২১ আগস্ট ১৯৯৫)ব্রিটিশ ভারতে জন্মগ্রহণকারী মার্কিন জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী। তিনি এক তামিল পরিবারে জন্ম নিয়েছিলেন। ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে তারার বিবর্তন এবং জীবন চক্র সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক আবিষ্কারের জন্য তাকে উইলিয়াম আলফ্রেড ফাউলারের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। তারার বিবর্তন বিষয়ে তার আবিষ্কৃত বিষয়টির নাম চন্দ্রশেখর সীমা

চন্দ্রশেখর তার জীবদ্দশায় বিভিন্ন ধরনের পদার্থবিজ্ঞানের সমস্যাগুলি নিয়ে কাজ করেছেন। তার সমসাময়িক অবদানগুলো হচ্ছে- নাক্ষত্রিক কাঠামো, শ্বেত বামন, নাক্ষত্রিক গতিবিদ্যা, দৈব প্রক্রিয়া, বিকিরণীয় স্থানান্তর, হাইড্রোজেন অ্যানায়নের কোয়ান্টাম তত্ত্ব , হাইড্রোডাইনামিক এবং হাইড্রোম্যাগনেটিক স্থিতিশীলতা, টার্বুলেন্স, সাম্যাবস্থা এবং সাম্যাবস্থায় উপবৃত্তাকার আকার এর সুস্থিতি, সাধারণ আপেক্ষিকতা, কৃষ্ণ গহ্বরের গাণিতিক তত্ত্ব এবং পরম্পরবিরোধী মহাকর্ষীয় তরঙ্গ তত্ত্ব । [১]

জীবনের প্রথমার্ধ[সম্পাদনা]

সুব্রাহ্মণ্য চন্দ্রশেখর মুম্বাইএ বেড়ে ওঠেন। তিনি সিভি রমনের ভাগ্নে ছিলেন। তিনি একজন তামিল ব্রাহিম। যখন চন্দ্রশেখর ৬ বছর বয়সে, তারা মুম্বাই ছেড়ে লাহোর তারপর আল্লাবাদ, তারপরে মাদ্রাজে

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে[সম্পাদনা]

১৯৩০ সালে, চন্দ্রশেখর কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় গিয়ে প্রথমে আর্থার এডিংটন এর সাথে সাক্ষাৎ করেন। তারপরে রাল্ফ এইচ. ফওলার এর সাথে তাঁর দেখা হয়েছিল। শ্রীনিবাস রামানুজন এর পরে কেমব্রিজ যাওয়ার চিঠি পাওয়ার পরে তিনিই দ্বিতীয় ছিলেন।

কেমব্রিজে প্রথম বছরে, ফওলারের গবেষণা শিক্ষার্থী হিসাবে, চন্দ্রশেখর তার অবসন্ন নক্ষত্রের সীমিত গণের জন্য একটি উন্নত মডেল তৈরিতে তার ফলাফল প্রয়োগ করতে ব্যয় করেছিলেন। রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির সভাগুলিতে তিনি ই.এ মিল্নির সাথে দেখা করেন। ম্যাক্স বোর্নের আমন্ত্রণে তিনি 1931 এর গ্রীষ্মে, তাঁর দ্বিতীয় স্নাতকোত্তর পড়াশোনা গ্যাটিনজেনের বর্নের ইনস্টিটিউটে, অপরিচ্ছন্নতা, পারমাণবিক শোষণ সহগমনকারী এবং মডেল স্টার্লার ফটোস্ফিয়ারে কাজ করেন। পি এ। এম। ডিরাকের পরামর্শে, তিনি কোপেনহেগেনের তাত্ত্বিক পদার্থ ইনস্টিটিউটে স্নাতক পড়াশোনার শেষ বছরটি কাটিয়েছিলেন, যেখানে তিনি নীল বোহরের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন।

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; standrews নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি