বিষয়বস্তুতে চলুন

মাইকেল এইচ. হার্ট-এর সেরা ১০০

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মাইকেল এইচ. হার্ট-এর সেরা ১০০
১৯৯২ সালের সংস্করণের প্রচ্ছদ
লেখকমাইকেল এইচ. হার্ট
মূল শিরোনামদি ১০০: দ্য মোস্ট ইনফ্লুয়েনশিয়াল পারসনস ইন হিস্ট্রির একটি র‍্যাংকিং
প্রকাশনার স্থানযুক্তরাষ্ট্র
ভাষাইংরেজি
ধারাবাহিক
  • ১ম সংস্করণ (১৯৭৮)
  • ২য় সংস্করণ (১৯৯২)
বিষয়
  • র‌্যাংকিং
  • জীবনী
  • ইতিহাস
প্রকাশিত১৯৭৮ (হার্ট পাবলিশিং কোম্পানি, নিউ ইয়র্ক)[][]
মিডিয়া ধরনমুদ্রিত
আইএসবিএন ৯৭৮০৮০৬৫১৩৫০৮
ওসিএলসি৬৪৪০৬৬৯৪০

মাইকেল এইচ. হার্ট-এর সেরা ১০০ একটি বই যা ১৯৭৮ সালে আমেরিকান শ্বেত জাতীয়তাবাদী লেখক মাইকেল এইচ. হার্ট রচিত। এটি ছিল তাঁর প্রথম বই এবং তাঁর পিতার প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রকাশিত হয়। ১৯৯২ সালে বইটি সংশোধিত আকারে পুনর্মুদ্রিত হয়।

বইটিতে হার্ট এমন ১০০ জন ব্যক্তিকে র‌্যাংকিং করেছেন, যারা তাঁর মতে মানব ইতিহাসকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছেন।[][][][]

সমসাময়িক বিভিন্ন র‌্যাংকিংয়ের বিপরীতে হার্ট "মহত্ব" নয়, বরং কার কার্যকলাপ মানব ইতিহাসের গতিপথে সবচেয়ে গভীর প্রভাব ফেলেছে, সেই ভিত্তিতে এই র‌্যাংকিং তৈরি করেন।

সারাংশ

[সম্পাদনা]

বইটিতে ১০০ জন ব্যক্তির একটি তালিকা রয়েছে, সঙ্গে রয়েছে "সম্মানিত উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি" (Honorable Mentions) তালিকাসহ একটি পরিশিষ্ট। প্রতিটি এন্ট্রি একটি সংক্ষিপ্ত জীবনী দিয়ে শুরু হয় এবং এরপর হার্ট ব্যাখ্যা করেন কীভাবে এই ব্যক্তি মানব ইতিহাসের গতিপথ পরিবর্তনে প্রভাব রেখেছেন। হার্ট এমন ব্যক্তিদের অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়েছেন, যাদের কাজ তিনি অস্বাভাবিক, অপ্রত্যাশিত বা সময়ের তুলনায় অনেক এগিয়ে ছিল বলে মনে করেছেন।

ধর্মপ্রতিষ্ঠাতা ও ধর্মের বিকাশে ভূমিকা রাখা ব্যক্তিদের হার্ট সবচেয়ে প্রভাবশালী মনে করেছেন, কারণ ধর্ম বহু মানুষের জীবন দীর্ঘ সময় ধরে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। হার্টের তালিকার প্রথম স্থান অধিকার করেছেন ইসলামের নবী মুহাম্মদ[][]

হার্ট বলেন, মুহাম্মদ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক—উভয় ক্ষেত্রেই "অত্যন্ত সফল" ছিলেন। তিনি শুধু ইসলামের ভিত্তি স্থাপন করেননি, বরং প্রাথমিক মুসলিম বিজয় ও আরব উপদ্বীপের ঐক্য সাধনের পেছনেও তাঁর ভূমিকা ছিল। হার্ট বিশ্বাস করতেন, মুহাম্মদ ইসলামের বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যক্তিগত ভূমিকা পালন করেছেন।[][১০]

অন্যদিকে খ্রিষ্টধর্মের বিকাশকে হার্ট ভাগ করে দেখেছেন—প্রথম অংশে যিশুর শিক্ষাবলী ও প্রাথমিক কাজ এবং পরবর্তীতে পল প্রেরিতের ভূমিকা, যিনি খ্রিষ্টধর্মের প্রসারে এবং এটি ইহুদি ধর্ম ও তৎকালীন গ্রিক-রোমান ধর্মাবলম্বীদের থেকে পৃথক করতে সহায়তা করেন।[১১]

গৌতম বুদ্ধ, কনফুসিয়াসমূসাও এই তালিকায় শীর্ষস্থানীয় স্থান পেয়েছেন, তাঁদের ধর্মপ্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বাদ পড়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন আব্রাহাম লিঙ্কন, যাঁকে হার্ট শুধুমাত্র পরিশিষ্টের "সম্মানিত উল্লেখযোগ্য" তালিকায় রেখেছিলেন।

১৯৯২ সালের সংশোধিত সংস্করণে কিছু পরিবর্তন আনা হয়—যেমন কমিউনিজমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের র‍্যাংকিং কমিয়ে দেওয়া হয়, যেমন ভ্লাদিমির লেনিনমাও সেতুং। এর পেছনে কারণ ছিল ১৯৮৯ সালের বিপ্লবসমূহ। সেই সঙ্গে হার্ট তালিকায় যুক্ত করেন মিখাইল গর্বাচেভকে

হার্ট শেক্সপিয়রের লেখকত্ব বিতর্কে অবস্থান নেন এবং ১৯৯২ সালের সংস্করণে উইলিয়াম শেক্সপিয়রকে বাদ দিয়ে তাঁর স্থানে এডওয়ার্ড ডি ভিয়ারকে স্থান দেন।

তিনি নিলস বোরআঁরি বেকেরেল-এর পরিবর্তে আর্নেস্ট রাদারফোর্ডকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন। হেনরি ফোর্ড-কে পরিশিষ্টের "সম্মানিত উল্লেখযোগ্য" তালিকা থেকে তুলে মূল তালিকায় স্থান দিয়ে, তিনি পিকাসোকে বাদ দেন।

শেষমেশ, তালিকার বিভিন্ন অবস্থানে পরিবর্তন আনা হলেও শীর্ষ দশে থাকা ব্যক্তিদের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকে।[]

বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭৮ সালে "হার্ট পাবলিশিং কোম্পানি" থেকে।[][] ক্যালগারি হেরাল্ড পত্রিকার তথ্যমতে, বইটির অন্তত ৬০,০০০ কপি বিক্রি হয়েছে।[১২]

পরবর্তীতে বইটি বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে।[১৩]

হার্টের শীর্ষ ১০ (১৯৯২ সংস্করণ থেকে)

[সম্পাদনা]
ক্রম নাম সময়কাল ছবি পেশা
মুহাম্মদ আনু. ৫৭০–৬৩২ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা
আইজ্যাক নিউটন ১৬৪৩–১৭২৭ বিজ্ঞানী
যিশু খ্রিস্টপূর্ব ৪ – খ্রিস্টাব্দ ৩৩ ধর্মীয় নেতা
গৌতম বুদ্ধ খ্রিস্টপূর্ব ৫৬৩–৪৮৩ ধর্মীয় নেতা
কনফুসিয়াস খ্রিস্টপূর্ব ৫৫১–৪৭৯ দার্শনিক
পল প্রেরিত আনু. ৫–৬৭ খ্রিষ্টীয় প্রেরিত
চাই লুন আনু. ৫০–১২১ কাগজের উদ্ভাবক
ইয়োহানেস গুটেনবার্গ আনু. ১৪০০–১৪৬৮ ছাপাখানার উদ্ভাবক
ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৫১–১৫০৬ অভিযাত্রী
১০ আলবার্ট আইনস্টাইন ১৮৭৯–১৯৫৫ বিজ্ঞানী

প্রতিক্রিয়া

[সম্পাদনা]

হার্ট তাঁর তালিকার প্রথম স্থানে মুহাম্মদকে রাখায় পশ্চিমা সমালোচকদের কাছ থেকে বইটি বহু বিতর্কিত পর্যালোচনা পায়।[২৫]

তবে মুসলিম বিশ্বে বইটি ব্যাপকভাবে ইতিবাচকভাবে গৃহীত হয় এবং অনেক প্রশংসাসূচক পর্যালোচনা লাভ করে। মুসলিম লেখকদের বইতে এটি বারবার উদ্ধৃত হয়, যেমন আয়াতুল্লাহ সৈয়দ মুহাম্মদ আল-শিরাজি, আহমেদ দীদাত প্রমুখের লেখায়।[২৬][২৭][২৮][২৯][৩০]

১৯৮৮ সালে, মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারক হার্টকে মুহাম্মদকে প্রথম স্থানে রাখার জন্য সম্মাননা প্রদান করেন।[৩১]

স্টিভেন স্কিয়েনাচার্লস ওয়ার্ড তাঁদের বই Who's Bigger?: Where Historical Figures Really Rank-এ লেখেন যে, The 100: A Ranking of the Most Influential Persons in History সম্ভবত "ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের ওপর ভিত্তি করে তৈরি সবচেয়ে সুপরিচিত র‌্যাংকিং।"[৩২]

পরবর্তী প্রকাশনা

[সম্পাদনা]

হার্ট ১৯৯৯ সালে এ ভিউ ফ্রম দ্য ইয়ার ৩০০০ (A View from the Year 3000) নামে একটি পরবর্তী বই লেখেন।[৩৩]

এই বইটি ভবিষ্যতের একজন ব্যক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা হয়েছে, যিনি মানব ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের র‌্যাংক করেছেন। তালিকায় প্রায় অর্ধেক ব্যক্তিত্ব ২০০০ থেকে ৩০০০ সালের মধ্যে কল্পিতভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে, তবে বাকিরা মূলত ১৯৯২ সালের র‌্যাংকিং থেকে নেওয়া হয়েছে, কিছু রদবদলসহ।[৩৪][৩৫]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "Publisher: Hart Pub. Co."Open Library। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১৯
  2. 1 2 "Michael Hart, eBook, Biography - search" (ইংরেজি ভাষায়)। Open Library। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১৯
  3. 1 2 Editors of LIFE (২০১৬)। LIFE 100 People Who Changed the World (ইংরেজি ভাষায়)। Time Inc. Books। আইএসবিএন ৯৭৮১৬১৮৯৩৪৭১০
  4. Michael H. Hart The 100: A Ranking of the Most Influential Persons in History. প্রথম প্রকাশ ১৯৭৮, ১৯৯২ সালে সামান্য সংশোধিত সংস্করণআইএসবিএন ৯৭৮-০-৮০৬৫-১০৬৮-২
  5. Interview with Michael H. Hart by Russell K. Neili, April 14, 2000. Swain, Carol M.; Nieli, Russell K. (২৪ মার্চ ২০০৩)। Contemporary Voices of White Nationalism in AmericaCambridge University Press। পৃ. ২০১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-৮১৬৭৩-১ Google Books এর মাধ্যমে। I (like other white separatists) resent being called a white supremacist.
  6. Newsweek (ইংরেজি ভাষায়)। Newsweek, Incorporated। ২৮ আগস্ট ১৯৭৮। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১৯
  7. Nduka, Otonti A.; Iheoma, E. O. (১৯৮৩)। New Perspectives in Moral Education (ইংরেজি ভাষায়)। Evans Bros.। পৃ. ৭৪। আইএসবিএন ৯৭৮৯৭৮১৬৭২২৭৯। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১৯
  8. 1 2 Alphonse Dougan, "Understanding Prophet Muhammad Beyond the Stereotypes ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৯ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে", The Fountain, Issue 46 (April–June 2004).
  9. Deedat, Ahmed (২০০১)। Muhammad, The Greatest (ইংরেজি ভাষায়)। Islamic Presentation Committee। আইএসবিএন ৯৭৮১৪৭১৬০৪৪১৬
  10. Malik, Saeed (২০০৯)। A Perspective on the Signs of Al-Quran: Through the Prism of the Heart (ইংরেজি ভাষায়) (2nd Edition October 2010 সংস্করণ)। Booksurge। পৃ. ১১২। আইএসবিএন ৯৭৮১৪৩৯২৩৯৬২৯। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১৯
  11. White, James W. (২০১৪)। Brief Christian Histories: Getting a Sense of Our Long Story (ইংরেজি ভাষায়)। Wipf and Stock Publishers। পৃ. ২১৬। আইএসবিএন ৯৭৮১৬৩০৮৭৩০৫৯। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১৯
  12. McGoogan, Ken (৮ জানুয়ারি ১৯৯৩)। "What to do when your kid drives you crazy?"Calgary Herald। ৪ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০১৯ Newspapers.com এর মাধ্যমে।
  13. Petersen, Clarence (১ নভেম্বর ১৯৮৭)। "Roger's Version, by John Updike (Fawcett/Crest, $4.95)"Chicago Tribune। ৪ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০১৯
  14. Yuan, Haiwang (২০১০)। This is China: The First 5,000 Years (ইংরেজি ভাষায়)। Berkshire Publishing। পৃ. ৩৫। আইএসবিএন ৯৭৮১৯৩৩৭৮২৭৬৮। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯
  15. Freedman, David Noel; McClymond, Michael J. (২০০১)। The Rivers of Paradise: Moses, Buddha, Confucius, Jesus, and Muhammad as Religious Founders (ইংরেজি ভাষায়)। Wm. B. Eerdmans Publishing। পৃ. ৬৭৬। আইএসবিএন ৯৭৮০৮০২৮২৯৫৭৩। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯
  16. Benson, Garth; Glasberg, Ronald; Griffith, Bryant (১৯৯৮)। Perspectives on the Unity and Integration of Knowledge (ইংরেজি ভাষায়)। P. Lang। পৃ. ৯০। আইএসবিএন ৯৭৮০৮২০৪৩৪৮৭২। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯
  17. Publishing, Pearson Custom (২০০০)। Reasoning and Writing (ইংরেজি ভাষায়)। Pearson Custom Publishing। পৃ. ২৬। আইএসবিএন ৯৭৮০৫৩৬৬১৫০২২
  18. Ultimate Reality and Meaning (ইংরেজি ভাষায়)। Van Gorcum। ১৯৯৪। পৃ. ১৭১।
  19. Science Digest (ইংরেজি ভাষায়)। Science Digest। ১৯৭৮। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯
  20. "Korea Now"Korea Herald (ইংরেজি ভাষায়)। ৩২: ৪৯। জুলাই ২০০৩।
  21. Senior Scholastic (ইংরেজি ভাষায়)। খণ্ড ১১১। Scholastic Corporation। সেপ্টেম্বর ১৯৭৮।
  22. Books, Honor (২০০৩)। You Can Be a World Changer (ইংরেজি ভাষায়)। David C. Cook। পৃ. ২৮১, ২৮৪, ২৮৬। আইএসবিএন ৯৭৮১৫৬২৯২৮০৭০
  23. Books in Print (ইংরেজি ভাষায়)। খণ্ড ১, ২, ৩, ৪, ৭, ১০। R. R. Bowker Company। ১৯৯৭। পৃ. ৩৬০১। আইএসবিএন ৯৭৮০৮৩৫২৩৯৩৫৬
  24. Kosova, Hakan (২০০৭)। A Tribute to the Prophet Muhammad (ইংরেজি ভাষায়)। Tughra Books। আইএসবিএন ৯৭৮১৫৯৭৮৪৬০২৮
  25. [][১৪][১৫][১৬][১৭][১৮][১৯][২০][২১][২২][২৩][২৪]
  26. Ramadan, Hisham M. (২০০৬)। Understanding Islamic Law: From Classical to Contemporary (ইংরেজি ভাষায়)। Rowman Altamira। আইএসবিএন ৯৭৮০৭৫৯১১৪৩৪০
  27. Malik, Muhammad Farooq-i-Azam (১৯৯৭)। English Translation of the Meaning of Al-Qur'an: The Guidance for Mankind (English Only) (ইংরেজি ভাষায়)। The Institute of Islamic Knowledge। পৃ. ২১। আইএসবিএন ৯৭৮০৯১১১১৯৭৭০। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯
  28. de_paul_legislation (ইংরেজি ভাষায়)। IslamKotob। পৃ. । সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯
  29. Abbas, Syed Ghulam; Anis, Mir Babbar Ali (১৯৮৩)। The Immortal Poetry & Mir Anis: With the Versified Translation of a Marsia of Mir Anis (ইংরেজি ভাষায়)। Majlis-e-Milli, Pakistan। পৃ. XV। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯
  30. American Book Trade Association; American Book Trade Union; Book Trade Association of Philadelphia; Publishers' Board of Trade (১৯৯২)। Publishers Weekly (ইংরেজি ভাষায়)। Whitinsville, Mass. | R. R. Bowker Company। পৃ. ১৫৬। আইএসবিএন ৯৭৮০৬৭১৭৯৩৬৩০। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯
  31. Fellner, Jonathan (১৯ অক্টোবর ১৯৮৮)। "Egyptian president to honor AACC astronomer for history"The Baltimore Sun। ৪ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০১৯ Newspapers.com এর মাধ্যমে।
  32. Skiena, Steven; Ward, Charles (২০১৩)। Who's Bigger?: Where Historical Figures Really Rank। Cambridge University Press। পৃ. আইএসবিএন ৯৭৮-১১০৭০৪১৩৭০is probably the best known ranking of historic figures by influence.
  33. Michael H. Hart. A view from the year 3000: a ranking of the 100 most influential persons of all time; প্রথম প্রকাশ ১৯৯৯
  34. Nagel, Stuart S. (২০০১)। Handbook of Policy Creativity: Creativity at the cutting edge (ইংরেজি ভাষায়)। Nova Publishers। পৃ. ১৪। আইএসবিএন ৯৭৮১৫৯০৩৩০৩০২। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুলাই ২০১৯
  35. Humanity three thousand (ইংরেজি ভাষায়)। Foundation for the Future। ২০০০। আইএসবিএন ৯৭৮০৯৬৭৭২৫২৩৯

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]