বিষয়বস্তুতে চলুন

জিকির

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জিকির
জিকির, ইউজিন বাউগনিস (1841-1891)

যিকির বা যিকর এর আভিধানিক অর্থ হল স্মরণ করা বা উল্লেখ করা। পারিভাষিক অর্থে শরীয়তের আলোকে জিকির বলা হয়, মুখে বা অন্তরে আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা এবং প্রশংসা করা, পবিত্র কুরআন পাঠ করা, আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা, তার আদেশ-নিষেধ পালন করা, তার প্রদত্ত নেয়ামত ও সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা। জিকিরের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা আল্লাহকে স্মরণ করে থাকে।

যিকির শব্দটি আরবী ভাষার “ذِكْر ” (যিকরুন) থেকে এসেছে। যার অর্থ আল্লার নাম স্মরণ করা। পবিত্র কুরআনে জিকির শব্দটি বহু জায়গায় এসেছে। কিন্তু বেশির ভাগ স্থানে পৃথক পৃথক অর্থে এ শব্দের ব্যবহার হয়েছে। এক বর্ণনা মতে, পবিত্র কুরআনে জিকির শব্দ সর্বমোট ২৬৮ বার এসেছে। এর মধ্যে ১৫৪ বার এসেছে ক্রিয়া (ফেয়েল) হিসেবে আর ১১৪ বার এসেছে বিশেষ্য (ইসম) হিসেবে। (সূত্র : ইসলাম ওয়েব, ‘লফযুজ যিকরি ফিল কুরআন’)।

ইমাম নববি রহ. বলেন :- যিকির কেবল তাসবীহ, তাহলীল, তাহমীদ ও তাকবীর ইত্যাদিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে আনুগত্যের সাথে প্রত্যেক আমলকারীই যিকিরকারী হিসেবে বিবেচিত। আল্লাহ তাআলার যিকির এমন এক মজবুত রজ্জু যা সৃষ্টিকে স্রষ্টার সাথে সম্পৃক্ত করে। তাঁর সান্নিধ্য লাভের পথ সুগম করে। মানুষকে উত্তম আদর্শের উপর প্রতিষ্ঠিত করে। সরল ও সঠিক পথের উপর অবিচল রাখে। এ-কারণে আল্লাহ তাআলা মুসলিম ব্যক্তিকে দিবা-রাত্রে গোপনে-প্রকাশ্যে যিকির করার আদেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন :—

“মুমিনগণ তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ কর। এবং সকাল বিকাল আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা কর”। [সূরা আহযাব ৪১,৪২]

যিকিরের গুরুত্ব ও ফযিলত

[সম্পাদনা]

আল্লাহর পবিত্র নামের যে বরকত ও লযযত এবং স্বাদ ও আনন্দ রয়েছে তা অন্য কিছুতে নেই। আল্লাহর যিকির এমন এক শক্তি, যা  দুর্বলকে সবল করে  এবং সকল বিপদে দৃঢ়পদ রাখে। কারণ আল্লাহর স্মরণকারীর  বিশ্বাস এই যে, সব কিছু আল্লাহর হুকুমেই হয় এবং আল্লাহর কোনো ফয়সালা বান্দার জন্য অশুভ নয়। আল্লাহর ফয়সালা মেনে নেওয়ার মাঝেই বান্দার কামিয়াবি ও কল্যাণ। কুরআন মজীদে আল্লাহর যিকির বেশি বেশি করতে বলা হয়েছে। অন্য কোনো ইবাদত সম্পর্কে এমন কথা বলা হয়নি। কারণ আল্লাহর যিকির তথা আল্লাহর স্মরণ এমন এক বিষয়, যা মানুষকে সব ধরনের গুনাহ থেকে রক্ষা করে এবং শরীয়তের হুকুম মোতাবেক চলতে সাহায্য করে। উপরন্তু তা এত সহজ যে, এর জন্য আলাদা করে বেশি সময় ব্যয় করার কিংবা অন্যান্য কাজ স্থগিত রাখার প্রয়োজন হয় না। আল্লাহর যিকির হচ্ছে যাবতীয় ইবাদতের রূহ। আবু ওসমান নাহদী রাহ. বলেন, কুরআন মজীদের ওয়াদা অনুযায়ী যখন কোনো বান্দা আল্লাহকে স্মরণ করে তখন আল্লাহ তাকে স্মরণ করেন।

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন-তোমরা আমাকে স্মরণ কর আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব এবং শোকর গোযারি কর, না-শোকরি করো না।-সূরা বাকারা : ১৫২

সুতরাং আমরা যখন আল্লাহর যিকিরে মশগুল হই তখন একথা স্মরণ করা কর্তব্য যে, স্বয়ং আল্লাহ তাআলাও আমাদেরকে স্মরণ করছেন। এতে যিকিরের স্বাদ ও লযযত বহুগুণ বৃদ্ধি  পাবে।

মুসলমানরা বিশ্বাস করে জান্নাতের উচ্চ স্তরে প্রবেশ করার এবং আল্লাহর একেশ্বরবাদী একত্বকে মহিমান্বিত করার অন্যতম সেরা উপায় হল যিকির।

সমস্ত মুসলিম সম্প্রদায় আল্লাহর যিকিরকে ধ্যানের একটি পদ্ধতি হিসাবে সমর্থন করে, যার লক্ষ্য হল শান্তির অনুভূতি, জাগতিক মূল্যবোধ (দুনিয়া) থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং নিজের ঈমানকে শক্তিশালী করা।

কোরআনের আয়াত

[সম্পাদনা]

যিকিরের ফযীলত সম্পর্কিত কিছু আয়াত ও হাদীস নিম্নে উল্লেখ করা হল।

এক. কুরআন মজীদে আল্লাহ তাআলা বলেন, (তরজমা) আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করবে যাতে তোমরা সফলতা অর্জন কর।-সূরা আনফাল : ৪৫

দুই. অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, (তরজমা) যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্বরণে যাদের অন্তর প্রশান্ত হয়,  জেনে রাখ আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ শান্তি পায়।-সূরা রা’দ : ২৮

তিন. আরো বলা হয়েছে, (তরজমা) যারা ঈমানদার তারা এমন যে যখন তাদের সামনে আল্লাহর নাম নেওয়া হয় তখন তাদের অন্তর ভীত হয়ে পড়ে।-সূরা আনফাল : ২

চার. আল্লাহ তাআলা আরো বলেন, যাদের হৃদয় ভয়ে কম্পিত হয় আল্লাহর নাম স্মরণ করা হলে।-সূরা হজ্ব : ৩৫

পাঁচ. অন্য আয়াতে বলেন, (তরজমা) আল্লাহর স্মরণ সর্বশ্রেষ্ঠ।-সূরা আনকাবুত : ৪৫

ছয়. আল্লাহর অধিক যিকিরকারী পুরুষ ও যিকিরকারী নারী, তাদের জন্য আল্লাহর প্রস্ত্তত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।-সূরা আহযাব : ৩৫

সাত. হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ কর।-সূরা আহযাব : ৪১

আট. আরো বলেছেন, (তরজমা) স্মরণ করতে থাক স্বীয় পালনকর্তাকে আপন মনে ক্রন্দনরত ও ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায়।-সূরা আরাফ : ২০৫

নয়. মুমিনদের সর্ম্পকে বলেছেন, যারা আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করে দাঁড়িয়ে, বসে ও শায়িত অবস্থায় এবং চিন্তা-ভাবনা করে আসমান যমিন সৃষ্টির বিষয়ে। হে আমাদের প্রতিপালক! এসব তুমি অনর্থক সৃষ্টি করনি।-সূরা আলে ইমরান : ১৯৯

দশ. মুনাফিকদের বিষয়ে বলেছেন, যখন তারা নামাযে দাঁড়ায় তখন তারা শিথিলভাবে লোক দেখানোর জন্য দাঁড়ায় এবং তারা আল্লাহকে অল্পই স্মরণ করে।-সূরা নিসা : ১৪২

এগার. আরো বলেন, যারা আল্লাহ ও আখেরাতের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে তাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মাঝে রয়েছে উত্তম আদর্শ।-সূরা আহযাব : ২০

বার. অন্য আয়াতে বলেন, যে তার পালনকর্তার নাম স্মরণ করে অতপর নামায আদায় করে।-সূরা আ’লা : ১৫

এ জাতীয় আরো আয়াতে যিকিরের কথা বলা হয়েছে। উপদেশ গ্রহণকারীদের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট।

সাধারণ প্রকারভেদ

[সম্পাদনা]
আরবি বাংলায় উচ্চারণ বাংলা অনুবাদ
بِسْمِ ٱللَّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম আল্লাহর নামে, যিনি পরম করুণাময়, বিশেষভাবে-করুণাময়।
أَعُوذُ بِٱللَّٰهِ مِنَ ٱلشَّيْطَانِ ٱلرَّجِيمِ আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বনির রজীম আমি নির্বাসিত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই।
أَعُوذُ بِٱللَّٰهِ ٱلسَّمِيعِ ٱلْعَلِيمِ مِنَ ٱلشَّيْطَانِ ٱلرَّجِيمِ আউযুবিল্লাহিস সামিইল আলিমি মিনাশ শাইত্বনির রজীম আমি নির্বাসিত শয়তান থেকে সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
سُبْحَانَ ٱللَّٰهِ সুবহানাল্লাহ আল্লাহ মহিমান্বিত।
ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ আলহামদুলিল্লাহ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
لَا إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই।
ٱللَّٰهُ أَكْبَرُ আল্লাহু আকবার আল্লাহ [সবকিছুর চেয়ে] মহান।
أَسْتَغْفِرُ ٱللَّٰهَ আস্তাগফিরুল্লাহ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।
أَسْتَغْفِرُ ٱللَّٰهَ رَبِّي وَأَتُوبُ إِلَيْهِ আস্তাগফিরুল্লাহা রাব্বি ওয়া আতুবু ইলাইহি আমি আমার প্রভু আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর কাছে তওবা করছি।
سُبْحَانَكَ ٱللَّٰهُمَّ সুবহানাকা আল্লাহুম্মা হে আল্লাহ, তুমি মহিমান্বিত।
سُبْحَانَ ٱللَّٰهِ وَبِحَمْدِهِ সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি মহিমান্বিত আল্লাহ এবং সকল প্রশংসা তাঁর।
سُبْحَانَ رَبِّيَ ٱلْعَظِيمِ وَبِحَمْدِهِ সুবহানা রব্বিয়াল আযীম ওয়া বিহামদিহি মহিমান্বিত আমার আল্লাহ, মহান, এবং সকল প্রশংসা তাঁর।
سُبْحَانَ رَبِّيَ ٱلْأَعْلَىٰ وَبِحَمْدِهِ সুবহানা রাব্বিয়াল আলা ওয়া বিহামদিহি মহিমান্বিত আমার আল্লাহ,সর্বোচ্চ, এবং সকল প্রশংসা তাঁর।
لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِٱللَّٰهِ ٱلْعَلِيِّ ٱلْعَظِيمِ লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিউল আজিম মহান আল্লাহ ছাড়া কোন শক্তি নেই।
لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ ٱلظَّالِمِينَ লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজজলিমীন তুমি ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তুমি মহিমান্বিত! আমি তো জালেমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছি।
حَسْبُنَا ٱللَّٰهُ وَنِعْمَ ٱلْوَكِيلُ হাসবুনাল্লাহি ওয়া নি'মাল ওয়াকিল আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি একজন চমৎকার আমানতদার।
إِنَّا لِلَّٰهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং অবশ্যই আমরা তাঁর কাছেই ফিরে যাব।
مَا شَاءَ ٱللَّٰهُ كَانَ وَمَا لَمْ يَشَأْ لَمْ يَكُنْ মাশা আল্লাহু কানা ওয়ামা লাম ইয়াশা লাম ইয়াকুন্   আল্লাহ যা চান তা হবে, আর আল্লাহ যা চান না তা হবে না।
إِنْ شَاءَ ٱللَّٰهُ ইনশাআল্লাহ আল্লাহ যদি চান।
مَا شَاءَ ٱللَّٰهُ মাশাআল্লাহ আল্লাহ যা চান।
بِإِذْنِ ٱللَّٰهِ বিইজনিল্লাহ আল্লাহর অনুমতি নিয়ে।
جَزَاكَ ٱللَّٰهُ خَيْرًا জাজাকাল্লাহ খাইরান আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন।
بَارَكَ ٱللَّٰهُ فِيكَ বারাকাল্লাহু ফিক আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুক।
فِي سَبِيلِ ٱللَّٰهِ ফি সাবিলিল্লাহ আল্লাহর পথে।
لَا إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ ٱللَّٰهِ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, মুহাম্মদ আল্লাহর রসূল।
لَا إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ مُحَمَّدٌ رَسُولُ ٱللَّٰهِ عَلِيٌّ وَلِيُّ ٱللَّٰ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহি আলিউন ওয়ালীউল্লাহ আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, মুহাম্মদ আল্লাহর রসূল, আলী আল্লাহর উপাস্য। (সাধারণত শিয়া মুসলমানরা আবৃত্তি করে)
أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ ٱللَّٰهِ আশহাদু  আল্- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু  আন্না মুহাম্মাদান ওয়া রাসূলুল্লাহ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ আল্লাহর রসূল।
َشْهَدُ أَنْ لَا إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ ٱللَّٰهِ وَأَشْهَدُ أَنَّ عَلِيًّا وَلِيُّ ٱللَّٰهِ আশহাদু  আল্লাহ ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু  আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুল্লাহি ওয়া আশহাদু  আন্না আলিয়ান ওয়ালীউল্লাহ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই, এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ আল্লাহর রসূল, এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আলী আল্লাহর উপাস্য। (সাধারণত শিয়া মুসলমানরা আবৃত্তি করে)
ٱللَّٰهُمَّ صَلِّ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَآلِ مُحَمَّدٍ আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলি মুহাম্মদ হে আল্লাহ, মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের বংশধরদের উপর বরকত বর্ষণ করুন।

বাক্যাংশ এবং অভিব্যক্তি

[সম্পাদনা]

আল্লাহকে  আহ্বান করে এমন অসংখ্য প্রচলিত বাক্যাংশ এবং অভিব্যক্তি রয়েছে।

নাম বাক্যাংশ উদ্ধৃতি

(কুরআন বা সুন্নাহ)

তাকবীর

تَكْبِير

আল্লাহু আকবার

ٱللَّٰهُ أَكْبَرُ আল্লাহ  [সবকিছুর চেয়ে] মহান

৯:৭২, ২৯:৪৫, ৪০:১০
তাসবীহ

تَسْبِيح

সুবহানাল্লাহ

سُبْحَانَ ٱللَّٰهِ আল্লাহর  মহিমা

২৩:৯১, ২৮:৬৮, ৩৭:১৫৯, ৫২:৪৩, ৫৯:২৩
তাহমিদ

تَحْمِيد

আল-হামদু লি-ল্লাহ

ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর

১:২, ৬:১, ৬:৪৫, ৭:৪৩, ১০:১০, ১৪:৩৯, ১৬:৭৫, ১৭:১১১, ১৮:১, ২৩:২৮, ২৭:১৫, ২৭:৫৯, ২৭:৯৩, ২৯:৬৩, ৩১:২৫, ৩৪:১, ৩৫:১, ৩৫:৩৪, ৩৭:১৮২, ৩৯:২৯, ৩৯:৭৪, ৩৯:৭৫, ৪০:৬৫
তাহলিল

تَهْلِيل

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ

لَا إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّٰهُ আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই

৩৭:৩৮, ৪৭:১৯
শাহাদাতিন

شَهَادَتَيْن

মুহাম্মাদুন রসূলুল্লাহ

مُحَمَّدٌ رَسُولُ ٱللَّٰهِ মুহাম্মদ আল্লাহর রসূল

৪৮:২৯
তাসমিয়াহ

تَسْمِيَّة

বিস্মিল্লাহির-রাহমানির-রাহিম

بِسْمِ ٱللَّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ পরম করুণাময়, দয়াময় আল্লাহর নামে

১:১
ইনশা-আল্লাহ

إِنْ شَاءَ ٱللَّٰهُ

ইন শা'আল্লাহ

إِنْ شَاءَ ٱللَّٰهُ যদি আল্লাহ চান

২:৭০, ১২:৯৯, ১৮:৬৯, ২৮:২৭, ৪৮:২৭
মাশা-আল্লাহ

مَا شَاءَ ٱللَّٰهُ

মা শা'আল্লাহু

مَا شَاءَ ٱللَّٰهُ আল্লাহ  যা চান

৬:১২৮, ৭:১৮৮, ১০:৪৯, ১৮:৩৯, ৮৭:৭
আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার-

اللَّهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ

আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার

اللَّهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ- হে আল্লাহ,আমাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করো

৪০:৬০
আল্লাহুম্মা ইন্নী আস-আলুকাল জান্নাত

اللهم اِنّي أَسْئَلُكَ الجَنّةُ

আল্লাহুম্মা ইন্নী আস-আলুকাল জান্নাত

اللهم اِنّي أَسْئَلُكَ الجَنّةُ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই