বার দুয়ারী ঢিবি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বার দুয়ারী ঢিবি
সাধারণ তথ্য
অবস্থানরোয়াইলবাড়ি দূর্গ
ঠিকানানেত্রকোণা, কেন্দুয়া
শহরময়মনসিংহ
দেশবাংলাদেশ
স্বত্বাধিকারীবাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর
কারিগরী বিবরণ
কাঠামোগত পদ্ধতিসুলতানী আমলের স্থাপত্য রীতি
উপাধিপ্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা

বার দুয়ারী ঢিবি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন ঢিবি ও বাংলাদেশের সংরক্ষিত প্রত্নস্থল। এটি রোয়াইলবাড়ি দূর্গের ভেতর অবস্থিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

রোয়াইলবাড়ি দূর্গ তথা বার দোয়ারী ঢিবির নির্মাণকাল সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না তবে প্রত্নতত্ত্ববিদগণদের মধ্যে কেউ কেউ এটিকে সুলতানী আমলের স্থাপনা বলে মনে করেন। আবার কেউ কেউ এটিকে জনৈক কোন মুঘল জেনারেলের তৈরি স্থাপনা বলে মনে করেন। ৮০-এর দশকে আবিষ্কৃত এ স্থাপনাটি ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সংরক্ষিত পরাকীর্তি হিসেবে নথিভূক্ত করে।[১]

বার দুয়ারী ঢিবিটি রোয়াইলবাড়ি দূর্গের সীমানা প্রাচীরের ভেতর দক্ষিণাংশে অবস্থিত। ১৯৯১-৯৩ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক দূর্গের ভেতর খনন কার্য পরিচালনার সময় এটি আবিষ্কৃত হয়। খননের ফলে এখানে পাওয়া যায় একটি মসজিদের ধ্বংসাবশেষ।[২]

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

যদিও খনন করে অবিষ্কৃত মসজিদটি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে তবে এর ধ্বংসাবশেস দেখে প্রত্নতত্ত্ববিদগণ ধারণা করেন এটির আয়তন ছিল ৭৪‘´৪৬’। এছাড়াও এটাও ধারণা করা হয়ে থাকে যে, মসজিদটির পূর্ব ও উত্তর দিকের দেয়ালে যথাক্রমে ৫টি ও ৩টি করে মোট ৮টি প্রবেশপথ ছিল। আরও অনুমান করা হয়, অন্যান্য মসজিদের মত পশ্চিম দেয়ালে তিনটি মেহরাব ছিল যার মধ্যে মাঝেরটি ছিল বড় আকৃতির। পুরো মসজিদের কাঠামোটি ২ সারিতে মোট আটটি পিলারের মাধ্যমে দাঁড় করানো ছিল।[৩]

পোড়ামাটি ও ইট, চুন সুড়কি দিয়ে তৈরি দেয়ালগুলোর পুরুত্ব সম্পর্কেও কিছু ধারণা পাওয়া যায়। এগুলো প্রায় ৩‘-৬’ থেকে ৩‘-৮’ প্রশ্বসত্ম এবং ৬‘´৬’ চওড়া ছিল বলে মনে করা হয়।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Janata, The Dainik। ":: দৈনিক জনতা ::" 
  2. "The Daily Janakantha" 
  3. "রোয়াইল বাড়ী - Kendua Upazilla - কেন্দুয়া উপজেলা"। ৬ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৬