মুহররমের হাঙ্গামা
| মুহররমের হাঙ্গামা | |||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|
যুদ্ধক্ষেত্র | |||||||
| |||||||
| বিবাদমান পক্ষ | |||||||
|
| বাঙালি মুসলমান | ||||||
| সেনাধিপতি ও নেতৃত্ব প্রদানকারী | |||||||
|
(সিলেটের সুপারিনটেনডেন্ট) |
সৈয়দ পীরজাদাⱶ সৈয়দ মুহাম্মদ হাদী (হাদা মিঞা)ⱶ সৈয়দ মুহাম্মদ মাহদী (মাদা মিঞা)ⱶ | ||||||
| শক্তি | |||||||
|
| ৩০১ জন (বেশির ভাগই বেসামরিক) | ||||||
| হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি | |||||||
|
|
৪জন নিহত (সেনাপ্রধান সহ) আহত বহুসংখ্যক | ||||||
| বাংলাদেশে ইসলাম |
|---|
মুহররমের হাঙ্গামা বলতে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে একটি বিদ্রোহকে বুঝায় যা ব্রিটিশ রাজের সময় সিলেটে সংঘটিত হয়েছিল|[১] তৎকালীন সিলেটের পীরজাদা এবং তার দুই ভাই সৈয়দ মুহাম্মদ হাদি ও সৈয়দ মুহাম্মদ মাহদীর নেতৃত্বে সিলেটি মুসলমানদের দ্বারা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে বিদ্রোহটি সংঘটিত হয়।[২] যা ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ছিল।[৩] মূল যুদ্ধটি মুঘল আমলে নির্মীত সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শাহী ঈদগাহ এবং এর আশেপাশের পাহাড়ে ঘটেছিল। যেখানে ব্রিটিশদের সাথে লড়াই করে ৪ জন শহীদ ও বহুসংখ্যক আহত হন।
পটভূমি
[সম্পাদনা]১৭৭৮ সালে, ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি রবার্ট লিন্ডসেকে সিলেটের সুপারভাইজার বা সংগ্রাহক হিসাবে নিযুক্ত করে। তার নেতৃত্বে লিন্ডসে সিলেট অঞ্চলে পাওয়া চুনাম (চুনাপাথর), বেত, সুপারি এবং হাতির ব্যবসা শুরু করেন।[৪] লিন্ডসের এই ব্যবসাটি অঞ্চলজুড়ে ঘৃণার জন্ম দেয়। লিন্ডসে তার আত্মজীবনী, "Anecdotes of an Indian life"-তে বর্ণনা করেন যে শাহ জালালের দরগাহে যাওয়ার সময় তিনি কিছুটা প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে পড়েন এবং এটিকে একটি "সম্ভাব্য প্রতিরোধের কেন্দ্র" হিসাবেও উল্লেখ করেন।[৫] আশরাফ আলী খান (দ্বিতীয় শাহ আলম শাসিত বিধ্বস্ত মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে) বাংলার নবাব ছিলেন এবং ওয়ারেন হেস্টিংস সেসময় ফোর্ট উইলিয়ামের রাষ্ট্রপতির গভর্নর-জেনারেল ছিলেন।[৬]
১৭৮১ সালে, অঞ্চলটি এক প্রলয়ংকারী বন্যার কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক কৃষিজমি ও শস্যক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ায় সিলেটে সর্বত্র দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। ফলে এ অঞ্চলের জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ লোক মারা যায়।[৭] এতে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণার সৃষ্টি হয়, কারণ স্থানীয় লোকেরা ব্রিটিশদের বন্যার পরিণতি হ্রাস করতে ব্যর্থতার জন্য অভিযুক্ত করেছিল। কথিত আছে যে লিন্ডসে ফোর্ট উইলিয়ামের সরকারকে এই সময়কালে কর আরোপের জন্য একটি চিঠি পাঠিয়েছিল। যদিও তার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়।[৮]:৪৭–৪৮
লিন্ডসে তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেন যে তার বাড়িতে স্থানীয় হিন্দুরা আসে। হিন্দুরা তাকে জানায় যে মুসলমানরা ব্রিটিশ সরকার ও একই সাথে কয়েকটি হিন্দু মন্দিরে আক্রমণ করার পরিকল্পনা করেছে।[৯] মনে করা হয় যে হিন্দুরা মুসলমানদের সাহায্য করার পরিবর্তে ব্রিটিশদের পক্ষে থাকার কারণে দুই ধর্মের মানুষের মধ্যে দ্বন্দ লেগে ছিল। যাইহোক, লিন্ডসে হিন্দুদেরকে বরখাস্ত করেন কারণ তাদের কথিত সেই দাঙ্গার কোনও লক্ষণই দেখতে পাওয়া যায়নি। তবে তিনি আগে থেকে অবগত ছিলেন যে এটি যেহেতু মুহররমের মাস, যেসময় মুসলমানরা কয়েক দিন আগে থেকে আশুরার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকবে।[৩] লিন্ডসে আরও উল্লেখ করেন যে মুসলমানদের পক্ষে সহিংস হওয়া অস্বাভাবিক ছিল।[১০]
সেসময়ে ঝরনারপারের (সিলেটের কুমারপাড়ার কাছে) সৈয়দ বংশ একটি প্রভাবশালী পরিবার ছিল| শাহ জালালের অন্যতম সফরসঙ্গীর বংশধর ছিলেন তারা। পরিবারটি বঙ্গ ও আসাম জুড়ে জনপ্রিয় ছিল। পরিবারের প্রধান ছিলেন পীরজাদা।[১১]
বিদ্রোহ দিবস
[সম্পাদনা]আমরা কি ফিরিঙ্গিদের কুকুর যে তাদের হুকুম তামিল করবো?
আজ মারবার অথবা মরবার দিন
ইংরেজ রাজত্ব আজ খতম
সন্ধ্যায়, পীরজাদা তার ভাই সৈয়দ মুহাম্মদ হাদী এবং সৈয়দ মুহাম্মদ মাহদী (ডাকনাম হাদা মিয়া ও মাদা মিয়া নামে পরিচিত) ও ৩০০ জনের সাথে একটি তাজিয়া মিছিল পরিচালনা করেন।[১২] এই শোভাযাত্রায় মুসলিম ধর্মের বহু স্থানীয় নাগরিকও উপস্থিত ছিলেন। শোভাযাত্রা মিছিলটি সিলেট শাহী ঈদগাহর দিকে ছুটতে থাকে।[১৩] মহররমের মাতমের কারণেই ব্লেড এবং তলোয়ার সাথে করে মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।[১১] ফোর্ট উইলিয়ামের সরকারকে দেওয়া চিঠিতে লিন্ডসে উল্লেখ করেন যে, মুসলমানরা শহরের বহু অংশে আগুন দেওয়ার আগে সিলেটের দেওয়ান মানিক চাঁদকে প্রথমে হত্যা করেছিল নিজ বাড়িতে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে কানুনগো এবং জামাদার উভয়ই লিন্ডসেকে সহায়তা করেছিলে।
সন্ধ্যা ৫টায় হিন্দুরা লিন্ডসের বাড়িতে ফিরে আসে যেখানে তারা তাদের আক্রমণ করা দাগ দেখায়। তবে অন্যান্য সূত্রের দাবি অনুসারে এটি সত্য কিনা তা এখনও জানা যায়নি যেহেতু মুসলমানরা ঈদগাহের আশেপাশের পাহাড়ের চূড়ায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল, যেখানে কোন বাসিন্দা বাস করত না।[১২][১৪] তারপরে লিন্ডসে সিলেটের প্রধান কানুনগো, মসুদ বখতকে (মাহতাব খানের পুত্র) অবহিত করেন এবং কোম্পানি জামাদারকে ২০ সিপাহী প্রস্তুত করে ঈদগাহে যেতে বলেন। লিন্ডসে পরে উল্লেখ করেন যে, আরও ৩০টি সিপাহী নিয়ে ঈদগাহের দিকে যাত্রা করেন, কিছু লোক ঘোড়ায় চড়ে ছিল। সৈন্যদল নিয়ে সজ্জিত হয়ে তিনি বিদ্রোহীদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন, তবে তারা মাঠের চারপাশের পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়।[৮][১৫] লিন্ডসে এবং তার লোকেরা বিদ্রোহীদের আক্রমণ করতে পিছু নেয় এবং তাদের অনুসরণ করে পাহাড়ে যায়।[১৪] লিন্ডসে, তরোয়ালযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত পীরজাদার কাছে যায়।[১১] পীরজাদা তার তলোয়ার দিয়ে লিন্ডসের তরোয়ালটি ভেঙে দেন। জামাদার দ্রুত লিন্ডসেকে তার পিস্তলটি দেয়। তারপরে লিন্ডসে পিরজাদাকে গুলি করে। যার ফলে তার মৃত্যু হয়। এরপরে সিপাহীরা একটি প্লাটুন নিয়োজিত করে লিন্ডসেকে সরিয়ে নেয়। লিন্ডসে চলে যাবার সময় দেখতে পান সিপাহী দ্বারা আক্রান্ত হয়ে একজন আহত বয়স্ক পরে আছে। লিন্ডসে সিপাহীটিকে থামতে বলে, এবং লোকটিকে ছেড়ে দেয়।[৫]
হাদা ও মাদা মিঞা দুজনেই লিন্ডসের দ্বারা গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।[১৬] লিন্ডসে উল্লেখ করেন যে তার এক সিপাহী মারা যায় এবং ৬ জন আহত ছিল।[১০] যে সিপাহী মারা যায় সে নিজে জামাদার ছিল বলে জানা যায়। লিন্ডসে উল্লেখ করেন যে ৪ জন বিদ্রোহী মারা যান এবং অনেকে আহত হন।
ফলাফল
[সম্পাদনা]ঘটনাটি সংঘটিত হওয়ার পর, লিন্ডসে তার আহত সৈন্যদেকে তার প্রাসাদে নিয়ে যান, যেখানে তার দড়ি প্রস্তুতকারক, জব হিন্টন, তাদের ক্ষত সেলাই করে চিকিৎসা প্রদান করেন। লিন্ডসে শহরের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মুসলমানকে জিম্মি হিসেবে তার বাড়িতে কারারুদ্ধ করেন। তবে, এটি ক্ষণস্থায়ী ছিল কেননা যখন লিন্ডসের এক লোক, বেক নামে পরিচিত, এবং অন্যান্য ইউরোপীয়রা আরেকটি বিদ্রোহের আশঙ্কায় তাদের মুক্তির অনুরোধ করেন; তারা জানায় যে মুসলমান পুরুষদের শহরজুড়ে মশাল ও আগুন জ্বালাতে দেখেছে। লিন্ডসে শহরের দিকে আরেকটি সামরিক বাহিনী প্রেরণ করলে দেখা যায় যে, সেখানে আসলে কোনো বিদ্রোহ হচ্ছিল না, বরং মুসলমানরা তাদের মৃতদেহ দাফন করছিল এবং রাতের বেলায় আলোর প্রয়োজন হওয়ায় তারা মশাল জ্বালিয়েছিল। হাদা ও মাদা মিয়াকে শাহী ঈদগাহের পাশে বর্তমানে নয়াসড়ক মাদ্রাসার পূর্ব এবং নয়াসড়ক মিশনারি গির্জার পশ্চিমে একটি স্থানে দাফন করা হয়। পরবর্তীতে লিন্ডসে একটি বিবৃতি জারি করেন যাতে উল্লেখ করা হয় যে সরকারবিরোধী বিদ্রোহীদের সম্মানিত হওয়ার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। তিনি ১৪ ডিসেম্বর এই ঘটনা সম্পর্কে ফোর্ট উইলিয়াম প্রেসিডেন্সির গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংসের কাছে একটি চিঠিও প্রেরণ করেন। দশদিনব্যাপী মুহাররম উৎসবের তখনও দুই দিন বাকি থাকায় (আশুরা ১০ দিনে শেষ হয়) আরেকটি বিদ্রোহের সম্ভাবনা মোকাবেলায় এলাকাটির প্রতিরক্ষা বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত সৈন্য প্রেরণের কথা বিবেচনা করা হয়।[১০] লিন্ডসে উল্লেখ করেন যদিও দুদিন বাকি আছে, তবুও স্থানীয় লোকদের কাছ থেকে আর কোনো সমস্যা আশা করেন না, কারণ প্রধান "বিদ্রোহীরা" নিহত হয়েছে এবং বেঁচে থাকারা যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উপমহাদেশের এই প্রথম বিদ্রোহ পরবর্তীতে এখানকার অনেককেই অনুপ্রাণিত করে। পিরজাদার মৃত্যুর সাথে সাথে সিলেট অঞ্চলে ব্রিটিশ শাসনের প্রতি অসমর্থন আরও বাড়িয়ে তোলে। ঘটনার কয়েক মাস পর, লিন্ডসে তার বন্ধু হ্যামিল্টনের সাথে রাতের খাবার খাচ্ছিলেন। তখন লিন্ডসের কাজের লোক তাকে জানায় যে একজন ফকির তার সাথে জরুরি কথা বলতে চায়। ফকির ভিতরে এসে অভিযোগ করে যে তার জিনিস চুরি হয়ে গেছে। সংক্ষিপ্ত আলোচনার সময় হঠাৎ ফকির তার কোমরবন্ধ থেকে একটি ছুরি বের করে হ্যামিল্টনের দিকে আঘাত করে, কিন্তু হ্যামিল্টন সেটি ফেরাতেই ফকিরের নিজের বুকেই বিদ্ধ হয়। ফকির কয়েক দিন পর মারা যায়।[১০][১২]
বহু বছর পর লিন্ডসে স্কটল্যান্ডে ফিরে আসার বাদে, একদিন তার ধর্মযাজক মিঃ স্মলের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে একজন সিলেটি বাঙালি মুসলমান সাঈদ উল্লাহর সাথে তার সাক্ষাত হয়। কথোপকথনে লিন্ডসে জানতে পারেন যে সাঈদ এসেছেন মিঃ স্মলের ছেলের সহকারী হিসেবে, যিনি জাহাজের অনুগামী ছিলেন। সাঈদ পিরজাদার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনিই সেই বৃদ্ধ লোকের ছেলে যাকে লিন্ডসে বাঁচিয়েছিলেন। লিন্ডসের পরিচয় জেনে সাঈদ তরবারি খুললে লিন্ডসে সেটি পাশ কাটিয়ে যান। পরিস্থিতি শান্ত হলে দুজনেই মধ্যস্থতা করেন এবং লিন্ডসে সাঈদকে তার পরিবারের জন্য একটি তরকারি রান্না করার অনুরোধ করেন। সাঈদ রাজি হন, যদিও লিন্ডসের পরিবার সন্দেহ করে যে খাবারটি বিষাক্ত কিনা। কারণ রান্নার সময় সাঈদ একবারও এটি চেখে দেখেননি। লিন্ডসে এ কথা জানান যে, তিনি জীবনে এর চেয়ে ভালো তরকারি কখনও খাননি, এবং এই সত্যটি স্বীকার করেন যে সাঈদ শুধু হালাল মাংস (যবেহকৃত) খান, তাই তিনি এটি চেখে দেখেননি।[৫][১০]
সিলেট শাহী ঈদগাহের উত্তরের টিলাটির নামকরণ করা হয়েছে হাদা ও মাদা মিঞার নামে, যারা ঠিক সেই টিলার উপরে লড়াই করেছিলেন।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ সৈয়দ মুর্তাজা আলী (১৯৬৫)। Hazrat Shah Jalal O Sylheter itihas।
- ↑ "শাহী-ঈদগাহ - সিলেট জেলা"। Sylhet Government। ২৪ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৯।
- 1 2 3 Jobrul Alom Shumon (২৫ আগস্ট ২০১৫)। "ইতিহাস ঐতিহ্যে আমাদের সিলেট-পর্ব ০৫"। SBDNews24.com। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৯।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|প্রকাশক=-এ ইটালিক বা গাঢ় লেখা অনুমোদিত নয় (সাহায্য) - ↑ দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন চৌধুরী (২০১২)। "লিন্ডসে, রবার্ট"। ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর (সম্পাদকগণ)। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১। ওসিএলসি 883871743। ওএল 30677644M।
- 1 2 3 Syed Zain Al-Mahmood (১৯ ডিসেম্বর ২০০৮)। "Down the Surma - Origins of the Diaspora"। Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। খণ্ড ৭। ২৪ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৯।
- ↑ গুগল বইয়ে Delhi, Past and Present, পৃ. 4,
- ↑ উইলিয়াম উইলসন হান্টার (১৮৬৮)। Annals of Rural Bengal।
- 1 2 Ali Riaz (২৩ জুলাই ২০১৩)। Islam and Identity Politics Among British-Bangladeshis: A Leap of Faith। Manchester University। আইএসবিএন ০৭১৯০৮৯৫৫৭।
- 1 2 Maulana Abdullah ibn Saeed Jalalabadi (মে ২০১০)। "জীবন-গাঙের বাঁকে বাঁকে-(২)"। Al Kawsar। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৯।
- 1 2 3 4 5 Robert Lindsay। "Anecdotes of an Indian life: Chapter VII"। Lives of the Lindsays, or, A memoir of the House of Crawford and Balcarres। পৃ. ৮৯–১০০।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|কর্ম=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - 1 2 3 Emad Ullah Shahidul Islam (১৯ অক্টোবর ২০১৬)। "আরেক শহীদ দিবস"। Bangladesh Pratidin। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৯।
- 1 2 3 Achyut Charan Choudhury Tattanidhi (১৯১৭)। [[s:bn:পাতা:শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত - পূর্বাংশ.pdf/৪১০|]] শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত - পূর্বাংশ [History of Sylhet]। Calcutta: Mustafa Selim। পৃ. ৩৮৬–৩৮৯ – উইকিসংকলন এর মাধ্যমে।
- ↑ Ahmed, M Shamim (12 June 2018). "সিলেটের শাহী ঈদগাহ ইতিহাস ঐতিহ্য" (in Bengali). Sylhet: Sheersha Khobor. Archived from the original
- 1 2 Rafiqur Rahman Loju (১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "মুহররমের দাঙ্গাঁ নয় ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা যুদ্ধ"। Sylheter Dak। ২০ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৯।
- ↑ Edward Albert Gait। "Sylhet"। A history of Assam। পৃ. ২৭৩।
- ↑ Siddiquee, Iqbal (৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৬)। "Shahi Eidgah - 300 Year Old Historical Structure"। Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। Sylhet। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
গ্রন্থপঞ্জি
[সম্পাদনা]- চৌধুরী, অচ্যুত চরণ (১৯১৭)। [[s:bn:পাতা:শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত - পূর্বাংশ.pdf/১|]] শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত - পূর্বাংশ [History of Sylhet]। Calcutta: Mustafa Selim – উইকিসংকলন এর মাধ্যমে।
- Lindsay, Robert। "Anecdotes of an Indian life: Chapter VII"। Lives of the Lindsays, or, A memoir of the House of Crawford and Balcarres। National Library of Scotland।
- সৈয়দ মুর্তাজা আলী (১৯৬৫)। হজরত শাহ জালাল ও সিলেটের ইতিহাস।
- Ali Riaz (২০১৩)। Islam and Identity Politics Among British-Bangladeshis: A Leap of Faith। আইএসবিএন ০৭১৯০৮৯৫৫৭।
- ১৮শ শতাব্দীর বিদ্রোহ
- মুঘল সাম্রাজ্য জড়িত লড়াই
- ব্রিটিশ ভারত জড়িত যুদ্ধ
- যুক্তরাজ্য জড়িত যুদ্ধ
- বাংলা জড়িত লড়াই
- বাংলাদেশ জড়িত যুদ্ধ
- ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ
- বাংলার ইতিহাস
- বাংলাদেশের ইতিহাস
- সিলেটের ইতিহাস
- ভারতে সামাজিক আন্দোলন
- এশিয়ার বিদ্রোহ
- ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
- ব্রিটিশ ভারতের সামরিক বাহিনী
- বাংলাদেশে ইসলামের ইতিহাস
- ১৭৮২-এর সশস্ত্র সংঘাত
- বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি
- ব্রিটিশ ভারত জড়িত লড়াই
- সিলেট
