মুহররমের হাঙ্গামা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
১৭৮২-এর সিলেটের সংঘর্ষ
Sylhet Shahi Eidgah(56).jpg
যুদ্ধক্ষেত্র
তারিখডিসেম্বর ১৭৮২
অবস্থান
ফলাফল

ব্রিটিশদের বিজয়

  • Suppression of revolt
বিবাদমান পক্ষ
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সিলেটি মুসলিম
সেনাধিপতি ও নেতৃত্ব প্রদানকারী
রবার্ট লিন্ডসে
(Superintendent of Sylhet)
Unnamed জামাদার 
সৈয়দ পীরজাদা
সৈয়দ মুহাম্মদ হাদি (হাদা মিয়া)
সৈয়দ মুহাম্মদ মাহদী (মাদা মিয়া)
শক্তি
৫২জন সিপাহী ৩০১ জন (বেশির ভাগই বেসামরিক)
হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি
১জন সিপাহী নিহত
৬জন সিপাহী আহত
৪জন নিহত (সেনাপ্রধান সহ)
আহত বহুসংখ্যক

মুহররমের হাঙ্গামা বা ১৭৮২-এর সিলেটের সংঘর্ষ হচ্ছে একটি বিদ্রোহ যা সিলেটে ঘটেছিল|[১] সিলেটের পীরজাদা এবং তার দুই ভাই সৈয়দ মুহাম্মদ হাদি ও সৈয়দ মুহাম্মদ মাহদী নেতৃত্বে সিলেটি মুসলমানদের দ্বারা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে এটি সংঘটিত হয়।[২] এটি ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ছিল।[৩] মূল যুদ্ধটি মুঘল আমলের শাহী ঈদগাহ এবং এর আশেপাশের পাহাড়ে ঘটেছিল।

পটভূমি[সম্পাদনা]

১৭৭৮ সালে, ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি রবার্ট লিন্ডসেকে সিলেটের সুপারভাইজার বা সংগ্রাহক হিসাবে নিযুক্ত করে। তাঁর নেতৃত্বে লিন্ডসে সিলেট অঞ্চলে পাওয়া চুনাম (চুনাপাথর), বেত, সুপারি এবং হাতির ব্যবসা শুরু করেন।[৪] লিন্ডসের এই ব্যবসাটি অঞ্চলজুড়ে ঘৃণা জাগিয়ে তোলে। লিন্ডসে তাঁর আত্মজীবনী, "Anecdotes of an Indian life"-তে বর্ণনা করেছন যে শাহ জালালের দরগাহে যাওয়ার সময় সে কিছুটা প্রতিকূল অবস্থার অনুভব করেছিলে এবং এটিকে একটি "সম্ভাব্য প্রতিরোধের কেন্দ্র" হিসাবেও উপলব্ধি করেছিলে।[৫] এই সময়কালে, আশরাফ আলী খান (দ্বিতীয় শাহ আলম শাসিত বিধ্বস্ত মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে) বাংলার নবাব ছিলেন এবং ওয়ারেন হেস্টিংস ফোর্ট উইলিয়ামের রাষ্ট্রপতির গভর্নর-জেনারেল ছিলেন

১৭৮১ সালে, অঞ্চলটি একটি বড় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। অনেক কৃষিজমি ও শস্যক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ায় সিলেটে সর্বত্র দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। ফলে এ অঞ্চলের জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ লোক মারা যায়।[৬] এতে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণার সৃষ্টি হয়, কারণ স্থানীয় লোকেরা ব্রিটিশদের বন্যার পরিণতি হ্রাস করতে ব্যর্থতার জন্য অভিযুক্ত করেছিল। কথিত আছে যে লিন্ডসে ফোর্ট উইলিয়ামের সরকারকে এই সময়কালে কর আরোপের জন্য একটি চিঠি পাঠিয়েছিল।

লিন্ডসে তাঁর আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছে যে তাঁর বাড়িতে স্থানীয় হিন্দুরা তাঁর কাছে এসেছিল| হিন্দুরা তাকে জানায় যে মুসলমানরা ব্রিটিশ সরকার ও একই সাথে কয়েকটি হিন্দু মন্দিরে আক্রমণ করার পরিকল্পনা করেছে।[৭] মনে করা হ​য় যে হিন্দুরা মুসলমানদের সাহায্য করার পরিবর্তে ব্রিটিশদের পক্ষে থাকার কারণে দুই ধর্মজাতির মধ্যে দ্বন্দ লেগে ছিল​। লিন্ডসে হিন্দুদেরকে বরখাস্ত করেছিল কারণ সে দাঙ্গার কোনও লক্ষণই দেখতে পায় নি এবং তিনি অধিক সচেতন ছিলেন যে এটি মুহররমের মাস, যেসম​য় মুসলমানরা কয়েক দিন আগে থেকে আশুরার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকবে।[৩] লিন্ডসে আরও উল্লেখ করেন যে মুসলমানদের পক্ষে সহিংস হওয়া অস্বাভাবিক ছিল।[৮]

ঝরনারপারের (সিলেটের কুমারপাড়ার কাছে) সৈয়দ বংশ একটি প্রভাবশালী পরিবার ছিল| শাহ জালালের অন্যতম সফরসঙ্গীর বংশধর ছিলেন তারা। পরিবারটি বঙ্গআসাম জুড়ে জনপ্রিয় ছিল। পরিবারের প্রধান ছিলেন পীরজাদা।[৯]

বিদ্রোহ দিবস[সম্পাদনা]

পীরজাদার ঘোষণা

আমরা কি ফিরিঙ্গিদের কুকুর যে তাদের হুকুম তামিল করবো?
আজ মারবার অথবা মরবার দিন
ইংরেজ রাজত্ব আজ খতম

 – পীরজাদা বলিলো ইউরোপীয় লোককে[৩][৭]

সন্ধ্যায়, পীরজাদা তার ভাই সৈয়দ মুহাম্মদ হাদী এবং সৈয়দ মুহাম্মদ মাহদী (ডাকনাম হাদা মিয়া ও মাদা মিয়া নামে পরিচিত) ও ৩০০জনের সাথে একটি তাজিয়া মিছিল পরিচালনা করেন। এই শোভাযাত্রায় মুসলিম ধর্মের বহু স্থানীয় নাগরিকও উপস্থিত ছিলেন। শোভাযাত্রা মিছিলটি সিলেট শাহী ঈদগাহর দিকে ছুটতে থাকে।[১০] মহররমের মাতমের কারণেই ব্লেড এবং তলোয়ার সাথে করে মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।[৯] ফোর্ট উইলিয়ামের সরকারকে দেওয়া চিঠিতে লিন্ডসে উল্লেখ করেন যে, মুসলমানরা শহরের বহু অংশে আগুন দেওয়ার আগে সিলেটের দেওয়ান মানিক চাঁদকে প্রথমে হত্যা করেছিল নিজ বাড়িতে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে কানুনগো এবং জামাদার উভয়ই লিন্ডসেকে সহায়তা করেছিলে।

সন্ধ্যা ৫টায় হিন্দুরা লিন্ডসে-র বাড়িতে ফিরে আসে যেখানে তারা তাদের আক্রমণ করা দাগ দেখায়। তবে অন্যান্য সূত্রের দাবি অনুসারে এটি সত্য কিনা তা এখনও জানা যায়নি যেহেতু মুসলমানরা ঈদগাহের আশেপাশের পাহাড়ের চূড়ায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল যেখানকার বাসিন্দা বাস করত না।[১] তারপরে লিন্ডসে সিলেটের প্রধান কানুনগো, মাসুদ বখতকে (মাহতাব খানের পুত্র) অবহিত করেন এবং কোম্পানি জামাদারকে ২০ সিপাহী প্রস্তুত করে ঈদগাহে যেতে বলেন। লিন্ডসে পরে যোগ দিলেন, আরও ৩০টি সিপাহী নিয়ে ঈদগাহের দিকে যাত্রা করেন, কিছু লোক ঘোড়ায় চড়ে ছিল। সৈন্যদল নিয়ে সজ্জিত হয়ে তিনি বিদ্রোহীদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন, তবে তারা মাঠের চারপাশের পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়।[১১] লিন্ডসে এবং তার লোক বিদ্রোহীদের আক্রমণ করতে পরিচালিত করেছিল এবং তারা তাদের অনুসরণ করে পাহাড়ে।[১২] লন্ডসে, তরোয়ালযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, পীরজাদার কাছে এসেছিল। [৯] পীরজাদা তার তালোয়ার দিয়ে লিন্ডসের তরোয়ালটি ভেঙে দিয়েছিল। জামাদার দ্রুত লিন্ডসেকে তার পিস্তলটি দিয়েছিল। তারপরে লিন্ডসে পিরজাদাকে গুলি করে হত্যা করে যার ফলে তার মৃত্যু হয়। এরপরে সিপাহীরা একটি প্লাটুনকে ছেড়ে দেয় যার পরে লিন্ডসেকে যাত্রা শুরু করে এবং সিদ্ধান্তটি ছাড়তে দেয়। লিন্ডসে চলে যাবার সময় তিনি দেখতে পান সিপাহী দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার পরে একজন আহত মুরব্বী পুরুষ তার পায়ে নামলেন। লিন্ডসে সিপাহীটিকে থামতে বলেছিলে, তারপর সে পুরুষকে মাটি থেকে তুলে তাকে বাঁচায়। [৫]

মাদা ও হাদা মিয়া দুজনেই লিন্ডসে নিজে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছিলেন। [১৩] লিন্ডসে উল্লেখ করেছেন যে তাঁর এক সিপাহী মারা গিয়েছিলেন এবং ৬ জন আহত হয়েছিলেন। [৮] যে সিপাহী মারা গিয়েছিলে তিনি নিজে জামাদার ছিলেন বলে জানা গেছে। লিন্ডসে উল্লেখ করেছেন যে ৪ জন বিদ্রোহী মারা গিয়েছিল এবং অনেকে আহত হয়েছিল।

ভবিষ্যৎফল[সম্পাদনা]

ঘটনাটি হওয়ার পরে, লিন্ডসে তার আহত সৈন্যরা তার হলে নিয়ে গেলেন যেখানে তার দড়ি প্রস্তুতকারী, জব হিন্টন তাদের ক্ষতগুলি সেলাই করে এবং চিকিত্সা সরবরাহ করেছিলেন। লিন্ডসে শহর থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মুসলমানকে তাঁর বাড়িতে জিম্মি করে বন্দী করেছিলেন। তা সত্ত্বেও, এটি অল্প সময় হয়েছিল কারণ লিন্ডসের বন্ধু বেক এবং অন্য ইউরোপীয়রা তাদের বিরুদ্ধে অন্য বিদ্রোহের আশঙ্কায় মুক্তির আবেদন করেছিল কারণ তারা জানাচ্ছিল যে তারা শহরের চারপাশে মুসলিম পুরুষদের মশাল জ্বালিয়ে জ্বালিয়ে দেখছিল। লিন্ডসে শহরে আরেকটি সামরিক বাহিনী প্রেরণ করেছিলেন| কিন্তু আসলে মুসলমানরা তাদের মৃত লোকদের কবর দিচ্ছিল এবং গভীর রাত হওয়ার কারণে আলো প্রয়োজন ছিল। হায়া ও মদা মিয়াকে শাহী ঈদগাহের পাশে বর্তমানে নায়সারক মাদ্রাসার পূর্ব এবং নায়াসরক মিশনারি গির্জার পশ্চিমে একটি স্থানে দাফন করা হয়েছিল। লিন্ডসে এরপরে একটি বিবৃতি জারি করে বলেছিল যে সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহীদের সম্মান দেওয়া উচিত নয়। তিনি এই অনুষ্ঠানের ফোর্ট উইলিয়ামের প্রেসিডেন্সির গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংসকেও অবহিত করেছিলেন। অন্য বিদ্রোহের ক্ষেত্রে এই অঞ্চলে প্রতিরক্ষা বাড়াতে সেনার শক্তিবৃদ্ধি বিবেচনা করা হয়েছিল, কারণ মহুররম উত্সবটি দু'দিন বাকি ছিল, যা 10 দিন অবধি আশুরায় শেষ হয়। [৮] লিন্ডসে উল্লেখ করেছিলেন যে দু'দিন বাকি থাকলেও তিনি স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে আর কোনও সমস্যার আশা করেননি কারণ প্রধান বিদ্রোহীরা মারা গিয়েছিলেন এবং বেঁচে থাকা বিদ্রোহীরা খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল।

উপমহাদেশের এই প্রথম অভ্যুত্থান আরও অনেককে অনুপ্রাণিত করেছিল। পীরজাদার মৃত্যুর জন্যে সিলেট অঞ্চলে ব্রিটিশ শাসনকে আরও বেশি ঘৃণা বাড়লো। এই ঘটনার কয়েক মাস পরে লিন্ডসে তার বন্ধু হ্যামিল্টনের সাথে নৈশভোজন করেছিল। লিন্ডসের গোলাম লিন্ডসেকে জানিয়েছিলেন যে দরজার বাহিরে একজন ফকির ছিল জরুরিভাবে কথা বলতে চায়। ফকির তখন ভিতরে ঢুকে অভিযোগ করল যে কীভাবে তাকে তার সমস্ত জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনায় ঘটে ফকির তারপর হঠাৎ তার পেটি থেকে ছুরি বের করে ও হ্যামিল্টনকে ধাক্কা মেরে| হ্যামিল্টন ফকিরের নিজ ছুরি বুকে ফিরে মারলো। ফকির মারা গেল কিছুদিন পরে। [৮]

বহু বছর ধরে লন্ডসে স্কটল্যান্ডে ফিরে আসার পরে, তিনি সাঈদ উল্লাহ নামে এক সিলেটি লোককে দেখতে পেলেন, যখন তাঁর ধর্মযাজক মিঃ স্মল এর বাড়িতে গিয়েছিলে। কথোপকথনে লিপ্ত হওয়ার পরে লিন্ডসে জানতে পেরেছিল যে সাঈদ মিঃ স্মল ছেলের জাহাজের অনুগামী ছিলেন। সাঈদ পীরজাদার হত্যাকারীকে সন্ধান করার এবং তার মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার অভিপ্রায় উল্লেখ করেছিলেন। তিনি সেই মুরব্বি পুরুষের পুত্রও ছিলেন যাকে লিন্ডসে বাচাইছিল। লিন্ডসের পরিচয় জেনে সাঈদ তার তরোয়ালটি টানলেন যা লিন্ডসে এড়িয়ে গেল। দৃশ্যটি শান্ত হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে দু'জনেই শান্তিতে পরিণত হয় এবং লিন্ডসে সাঈদকে তার পরিবারের জন্য একটি তরকারি রাঁধতে বাধ্য করে। সাঈদ একমত হয়েছিল, কিন্তু লিন্ডসে পরিবার এই তরকারিটি বিষাক্ত কিনা তা নিয়ে সন্দেহ ছিল কারণ সাঈদ এটি প্রস্তুত করার সময় একবারও স্বাদ গ্রহণ করেনি। লিন্ডসে এটিকে অস্বীকার করেছিলে কারণ তিনি উল্লেখ করেছিলে যে তাঁর জীবনে এর চেয়ে ভাল তরকারি আর কখনও ছিল না, এবং এই সত্যটি স্বীকার করেছিলেন যে সাঈদ কেবল হালাল মাংস (জবেহ করা) খায়। [৫][৮]

শাহী ঈদগাহের উত্তরের টিলাটির নামকরণ করা হয়েছে হাদা ও মাদা মিয়ার টিলা, যারা ঠিক সেই টিলার উপরে লড়াই করেছিলেন।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Syed Murtaza Ali (১৯৬৫)। Hazrat Shah Jalal O Sylheter itihas 
  2. "শাহী-ঈদগাহ - সিলেট জেলা"Sylhet Government। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০১-০৫ 
  3. Jobrul Alom Shumon (২৫ আগস্ট ২০১৫)। "ইতিহাস ঐতিহ্যে আমাদের সিলেট-পর্ব ০৫"SBDNews24.com। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৯ 
  4. Dewan Nurul Anwar Hussain Choudhury (২০০৩)। "Lindsay, Robert"Banglapedia: National Encyclopedia of BangladeshAsiatic Society of Bangladesh 
  5. Syed Zain Al-Mahmood (১৯ ডিসেম্বর ২০০৮)। "Down the Surma - Origins of the Diaspora"Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। 7। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৯ 
  6. William Wilson Hunter (১৮৬৮)। Annals of Rural Bengal 
  7. Maulana Abdullah ibn Saeed Jalalabadi (মে ২০১০)। "জীবন-গাঙের বাঁকে বাঁকে-(২)"। Al Kawsar। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৯ 
  8. Robert Lindsay। "Anecdotes of an Indian life: Chapter VII"। Lives of the Lindsays, or, A memoir of the House of Crawford and BalcarresNational Library of Scotland। পৃষ্ঠা 89–100। 
  9. Emad Ullah Shahidul Islam (১৯ অক্টোবর ২০১৬)। "আরেক শহীদ দিবস"Bangladesh Pratidin। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৯ 
  10. Ahmed, M Shamim (12 June 2018). "সিলেটের শাহী ঈদগাহ ইতিহাস ঐতিহ্য" (in Bengali). Sylhet: Sheersha Khobor. Archived from the original
  11. Ali Riaz (২৩ জুলাই ২০১৩)। Islam and Identity Politics Among British-Bangladeshis: A Leap of FaithManchester Universityআইএসবিএন 0719089557 
  12. Rafiqur Rahman Loju (১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "মুহররমের দাঙ্গাঁ নয় ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা যুদ্ধ"। Sylheter Dak। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৯ 
  13. Siddiquee, Iqbal (৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৬)। "Shahi Eidgah - 300 Year Old Historical Structure"Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। Sylhet। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 

গ্রন্থ-পঁজী[সম্পাদনা]